বরাবর,অধ্যক্ষ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, পাবনা।

জীবনে যে কতবার লিখছি এই কথাটা তা গুনে শেষ হবে না। তো যাদের কাছে  এতগুলা চিঠি লিখলাম তাদের নিয়ে লিখতে বসছি আজ। আমার জীবন কালে আমি সাড়ে তিন জন  প্রিন্সিপাল পাইছিলাম।

এক.)  মাহবুবুর রহমান ফারুক স্যারকে পাইলাম গিয়া সেভেনে। তখন ক্লাশ এইটের ঠেলাতেই জানডা আলজ্বিভ ধরে ঝুলত, কখন জানি বাইর হইয়া যায় অবস্থা। প্রিন্সিপাল তো ভিন গ্রহের কথা। তখন মনে করতাম হাউস মাস্টারই সবকিছু কলেজের।

বিস্তারিত»

ডেইলি প্যাসেঞ্জার -পর্ব ১

ঢাকা শহরের সব রুটের বাসে চলাফেরার দুর্লভ অভিজ্ঞতা অর্জন করসি গত কয়েক মাসে  ~x(  । আবুল নামক কোম্পানির আবুলীয় কর্মকাণ্ডে অগত্যা এই সময়ে অসময়ে বাসযাত্রা। আমি সবসময় ই একটু নিরাপদ দূরত্বে থেকে ক্যাচালের মজাক নেই  ;))  । যাই হোক ,এই বাস যাত্রার সুবাদে অনেকসময় অনেক কাহিনী ঘটে যা শেয়ার না করে  পারলাম না।

কয়েকদিন আগে উত্তরা থেকে মতিঝিলের বি আর টিসির বাসে উঠসি।

বিস্তারিত»

আমার কিছু সম্পদ এখনো তোমার কাছে পরে আছে

আমার কিছু সম্পদ এখনো তোমার কাছে পরে আছে

—– ডঃ রমিত আজাদ

আমার দেয়া উপহারগুলো তুমি গুনে গুনে ফিরিয়ে দিলে,
আমার একটি নিদর্শনও তোমার কাছে রাখতে চাওনা তাই।
তুমি কি সবকিছু ফিরিয়ে দিতে পেরেছ?
এতকিছুর পরেও তো আমার আরও কিছু সম্পদ তোমার কাছে পরে আছে।
তোমার কি মনে পড়ে বোটানিকাল গার্ডেনের সেই নরম-উষ্ণ রোদের দিনগুলি,

বিস্তারিত»

সমসাময়িক ভাবনাঃ স্থির দেশের স্থির চিত্র

জামালপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরের এক জনপদের নাম ‘খেওয়ার চর’।

দূরত্বের সঠিক হিসাব এই মুহূর্তে মনে না থাকলেও, খেওয়ার চরে যেতে গিয়ে পথে আমার কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল-সে বিষয়ে স্পষ্ট মনে আছে। এখানে সরাসরি যাওয়ার অনেকগুলো রাস্তা আছে। সবচেয়ে সহজ রাস্তার কথা বলি। আপনাকে ঢাকা থেকে সরাসরি শেরপুর জেলা সদরে চলে যেতে হবে। সেখান থেকে ছোট ছোট লোকাল বাসে করে বক্সিগঞ্জ সদর।

বিস্তারিত»

প্লীজ আলটিফাই ইওরসেলফ!

‘ধূম’ ছবির সিলেট শাখার মহানায়ক কিছুদিন আগে ইংরেজী ভাষার উপর ক্যাপসুল কোর্স করে এসেছেন বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী থেকে। ক্যপসুল কোর্সের বদৌলতে কতগুলো অলস সময় যে আমরা ফ্লোরে গড়িয়েছি হাসতে হাসতে তার সঠিক সংখ্যাটা কারও জানা নেই।হাসির ফাঁকে একটু দম নিতাম আর বলে বলে উঠতাম, “এতদিন কোথায় ছিলে?” নায়কের জানার পরিধি তখন ভূগোলের গন্ডি পেড়িয়ে আমেরিকান ইংরেজীর দিকে ধাবিত হতে লাগল চরম গতিতে এবং স্ববেগে।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জনের সাথে বলা মহানায়কের সেই আমেরিকান ইংরেজীর কিছুটা তুলে দেওয়া হল।

বিস্তারিত»

যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম (পর্ব ২)

ওই দেখা যায় ক্যাডেট কলেজঃ

খাওয়ার টেবিলে আজ সবাই খুব চুপচাপ; মাঝেমাঝে চামচের টুংটাং শব্দ হচ্ছে নীরবতা ভেঙ্গে। এমনকি আমার বাচাল ছোট ভাইটাও কথা না বলে খেয়ে যাচ্ছে নিরবে। আজকে আমার পছন্দের খাবারগুলো রান্না করেছে মামনি। রান্না হয়েছেও চমৎকার। অথচ দেখে মনে হচ্ছেনা খাওয়ায় রুচি আছে কারো। নববর্ষের দিন আজ, কিন্তু কেউ বাইরে বের হইনি আজকে, কারণ কালকে আমার ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার দিন।

বিস্তারিত»

বিড়ম্বনা…


চরম ভাবে ছিলাম আমি
আইফোন নিয়ে,
কত কাজই করা যায়
এ ফোন দিয়ে।

হঠাৎ কি এক কারনে
যাচ্ছে না কোন কল।
মেজাজ খারাপ করে আমি
পাড়ছি সমান গাল।

এরি মাঝে এক সৈনিক
আমার কাছে এসে,
“স্যার নকিয়া বেশী ভাল”
বলল মুচকি হেসে।
কথা শুনে টাশকী খেয়ে
বললাম আমি তাই,

বিস্তারিত»

তবুও নিরাপদ সড়ক চাওয়া যাবে না

একদিনে ১৫ টি প্রান । প্রতিনিয়ত হাজারো নাগরিক সমস্যা, হত্যা, ছিনতাই, গুম, ধর্ষন , এত কিছুর ভীড়েও আমাদের মন কে কি একটু নাড়িয়ে দিয়ে যায় না? যায়। কতটা ? আজকের সংবাদ পত্রের পাতায় দেখলাম আগামীকালই তো এটা বাসি খবর। আবার নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ব। প্রতিদিন খারাপ খবর শুনতে শুনতে আমাদের কান অভ্যস্ত হয়ে গেছে। যেদিন পত্রিকার পাতায় এমন কিছু না পাই মনে মনে বলি আজকে গুরুত্বপূর্ন কোন সংবাদ নাই।

বিস্তারিত»

একটি ফলস বার্থডের ইতিহাস

তখন আমরা ক্লাস এইটে পড়ি।বাইরে থেকে দেখতে সবাইকে নিরীহ মনে হলেও আসলে একেকটা ছিলো ভয়াবহ বিচ্ছু। তৌফিক যেমন প্রতিদিন তার প্লেটের সবজি পাশের সিটের সিদ্দিক ভাইয়ের প্লেটে রেখে নিতান্ত ভালো মানুষের মত দাড়িয়ে থাকতো,কিশোর তেমনি ভাইয়াদের টিজ করে ধরা খেয়ে এমন ভাব করে চোখ বড় বড় করে তাকাতো, “আমি?!!!! এ কিভাবে সম্ভব?!!”

সেরকমই এক সময়ে আমি আর তন্ময় ছিলাম টেবিলমেট। তন্ময় ছিল ভয়াবহ টাইপের চালু পিস।(এখনো আছে) ।

বিস্তারিত»

আলোকচিত্র

ছোটবেলা থেকেই ক্যামেরার প্রতি আমার বাড়তি একটা আগ্রহ ছিল। প্রথম কবে ক্যামেরা হাতে পেয়েছিলাম মনে নেই, তবে তখন থেকেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ছবির জন্য পোজ দেয়ার থেকে ক্যামেরা হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করা আর অন্যের ছবি তুলে দেবার প্রতি আমার উৎসাহ বেশি ছিল। তবে সেসময় ছবির ব্যক্তি বা মান নিয়ে আমার তেমন কোন মাথাব্যথা ছিল না, সব আগ্রহ ছিল ক্যামেরাকে ঘিরেই।

ইন্টারনেটে নিয়মিত হবার পর থেকেই ছবি তোলা তথা ফটোগ্রাফি সম্পর্কে আমার ধারনাই পালটে গেল।

বিস্তারিত»

অন্ধত্বের পরজীবী

সচলে তারেক অনুর লেখা “শুভ জন্মদিন ডেভিড অ্যাটেনবোরো” পড়ছিলাম,একটা জায়গায় এসে চোখ আটকে গেল,তুলে দিলাম সরাসরি,যদি না আমাকে কপি পেস্ট মামলায় ফাঁসানো না হয়।

সর্বক্ষমতাশালী পরম দয়ালু ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে নিজের জীবনের একটি ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন—আফ্রিকার এক নদী তীরে এক শিশুর চোখে এক ক্রিমি (worm ) বেড়ে উঠতে দেখেছিলাম, এর ফলে শিশুটি নিশ্চিত অন্ধত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। এখন আমাকে বল যদি সব প্রাণের সৃষ্টি এবং পালন সেই দয়ালু ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই হয় তাহলে কেন তিনি সেই ক্রিমির বেড়ে ওঠার জন্য আর কোন জায়গা বেঁছে নিলেন না,

বিস্তারিত»

বিয়ে(!!??!!)

বিয়ের হিসেব যদি করা হয়, তবে অনেকেরই সময় হয়ে আসছে। আর দেড় বছর পর স্নাতক। তারপর চাকরি। এরপরই শুরু আমার সতীর্থদের একের পর এক বিয়ে। যাদের রুজি-রুটির চিন্তা নেই, তাদের দেখা আবে পরিবার থেকেই দ্রুত বিয়ের ব্যাবস্থা হবে। আমার জনৈক বন্ধুর তো তৃতীয় বর্ষেই বিয়েই হয়ে গেল পারিবারিকভাবে। তিনি ধার্মিক মানুষ। তবে তার স্ত্রী……. x-( . থাক বলব না, আমি তো আর দেখিনি। তবে যারা দেখেছে  তারা বলে যে……..থাক,

বিস্তারিত»

মিশনঃ নার্ডিজম!!!

বড় শখ করে I.B.A তে পর্রীক্ষা দিয়েছিলাম, চান্স ও পেয়েছিলাম এবং পড়তেও এসেছিলাম এই জেনে যে এখানে নাকি পড়াশোনা নাই! সবাই মৌজ মাস্তি করে বেড়ায় আর আপুরা প্রায়ই শাড়ি পরে সেজেগুজে ক্লাসে আসে! বিশেষত ইউটিউবে i just got chance ভিডিও টা দেখে(তাও আমারি টিচার আজহার ভাইয়া) আমার ধারনা আরো বদ্ধমূল হয়েছিল!কি শান্তি! সায়েন্সের H.S.C অতঃপর রেজাল্টের বাঁশ, এসবের পর দেখি আল্লাহ বেহেস্তে জায়গা করে দিছে!!!

বিস্তারিত»

একজন রইচ উদ্দিন

বয়স ঠিক কত হবে? ১৩ বা ১৪। নাম রইচ উদ্দিন।সবেমাত্র নবম শ্রেণীর পাঠ চুকিয়েছেন। স্বভাবগত চাঞ্চল্যে মন তার উড়ে বেড়ায়। পরের বাগানের ফল  চুরি করে, নয়ত বিকেলে ফুটবল আর নদীতে ঝাপাঝাপিতে দিন কেটে যায় তার নদীর স্রোতের মত। কিন্তু এরই মাঝে সময়টা থমকে দাঁড়ায়। ৭০- এর শেষের দিকের কথা। মাঝে মাঝে এলাকার বড় ভাইদের কাছ থেকে দেশের অবস্থা শুনে একটুআধটু। ইচ্ছা থাকলেও সবসময় সবকিছু জানা হয়ে উঠে না তার।

বিস্তারিত»

একটি স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর দিন

সব কিছু ঠিকঠাক, কাল সকাল পাঁচটায় বাস ছাড়বে। সবাই দশটার আগে বাসায় গিয়ে ঘুম। কালকের দিনটার জন্য ১ বছর ধরে প্ল্যান করা।
সবার ছুটি ঠিক করা ২ মাস আগে থেকে, বুঝতে হবে ১ বছর আগের প্ল্যান।
৫০ জনের সবাই এই দিনটা একসাথে থাকবে একসাথে তাদের জন্মস্থানে যাবে।

সকাল ৫ টায় বাস থাকবে শাহাবাগ মোড়ে, জাদুঘরের সামনে। ঘুম থেকে উঠে দেখি ৪:৫৫!!!

বিস্তারিত»