বহুদিন পর ইদানিং ব্লগে ঢুকা হচ্ছে। ব্লগে ঢুকে কিছু নবীন লেখকের লেখা পড়ে খুব মজা পাচ্ছি। মনে পড়ছে ১/২ বছর আগের কথা। তখন সারাদিন ব্লগেই পড়ে থাকতাম। এ যেন এক নিত্য updated গল্পের বই। যাই হোক তখন সকলকে দেখে মনে হয় আমিও ২/১ টা ব্লগ লিখেছিলাম। আজকে মনে হচ্ছে কিছু একটা লিখি। কিন্তু কি লিখব তাই নিয়ে ভাবছিলাম অনেক্ষন ধরে। হঠাত মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে কেন জানি না হলুদ রঙের খামের কথা মনে পড়ে গেল।
বিস্তারিত»ঘুম
গ্রীষ্মকাল আর ঘুম ক্যাডেটদের জন্য এই সমীকরণটা মনেহয় একে অপরের সাথে সমানুপাতিক।
ঘটনা-১
ঘটনাটা কোন সময়ের তা মনে করে উঠতে পারছিনা। তবে ক্লাস ১০ এ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আলভী (ডাকনাম) ক্লাস ১০ এর ফর্ম থেকে একটা চেয়ার নিয়ে টয়লেটে চলে গেল এবং যথারীতি আরাম করে ঘুমিয়ে গেল। আমরা ক্লাসের সবাই বেমালুম ভুলে গেলাম যে আলভী টয়লেটে ঘুমাচ্ছে। বাংলার রাবেয়া ম্যাডামের ক্লাস। হঠাৎ করে আমরা সবাই শুনি এক সুইপার চিৎকার করে বলছে টয়লেটে এক ক্যাডেট অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে।
X-Files-5
চমনের বাবা ।নিজের আসল নাম বলতে নারাজ। কালো, ছোট খাট মানুষটি।আদি বাড়ী নাকি কামরূপ-কামাক্ষ্যা।
বেশ অপরিষ্কার, মলিন একটা ফতুয়া গায়ে, হাঁটু অব্দি চেক লুঙ্গী উঁচু করে পরা। একদম সাদারন একজন মানুষ। বন্ধু খসরূর আগ্রহে ওকে আবার তলব করা হল।
বিনীত ভঙ্গিতে জড়সড় হয়ে বসে আছেন।
আমাদের ইনভেস্টিগেটিভ ইন্টারভিউ শুরু হল। বেচারা সংকোচে ম্রিয়মান।একশত ভাগ বাঙালি বলে মনে হলোনা কথায়।
বিস্তারিত»X-Files-4
“নাপিতের ভিটা” নিয়ে গ্রামে অনেক মুখরোচক গল্প প্রচলিত আছে।সবথেকে অথেনটিক গল্প বাবার তৃতীয় ভাই, ‘ চেয়ারম্যান চাচা’, বর্তমানে আমাদের ঢাকা জেলার দোহার পৌরসভার ‘মেয়র রহিম চাচার’ কাছ থেকে শুনা।
ঘোর বর্ষার রাত। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। হিসেব-নিকেশ, মানুষের বিচার-সালিস শেষে বাড়ি ফিরতে রাত দশটা এগারটা প্রতিদিনই হয়। আসামান্য শারীরিক শক্তি, দুর্দম্য সাহস আর ন্যয় পরায়ণতা ‘রহিম চেয়ারম্যান’
বিস্তারিত»X-Files-৩
ভদ্রলোকের নাম নাথ বাবু।সম্পূর্ণ নাম কি ছিল আজ আর মনে নেই।১৯৮৭~৮৮’র দিকে চট্টগ্রামে কৃষি ব্যাংক এর ডি জি এম ছিলেন। তুখোড় অংকবিশারদ। সেই সুবাদে অনুরোধে আমাদের ভাগিনা ‘রনি’ কে অংকে সাহায্য করার জন্যে শেলি আপা’র বাসায় যাতায়াত ছিল।
এই পর্বে এসে সংশ্লিষ্ট সকলের সঠিক নাম-পরিচয় উল্লেখ করবো মনস্থ করেছি, না হয় আবার কেউ আমাকে “কল্প কাহিনীকার” ভেবে বসতে পারেন।সঠিক নাম-পরিচয়ের সুবিধা হোলো, হয়তো কারো পরিচিত গণ্ডির মধ্যেই পরে গেলে,
বিস্তারিত»বরাবর, অধ্যক্ষ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, পাবনা। (এপিসোড-২)
আগের পর্বের লেজ…
দুই।) ছুটি শেষে কলেজে ফিরলাম। দেখলাম কলেজে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। পাবনা ক্যাডেট কলেজের ইতিহাসে প্রথম আর্মির প্রিন্সিপাল আসছে, কি না জানি হয়। কলেজের বারবার চুল কেটে মাথার সাদা চামড়া বের করে দিল, স্টাফ সামনে দাড়াইয়া থেকে সবার চুল কাটাইতেছে, ব্যাগ একবার স্টাফ চেক করল একবার মকবুল স্যার(ভুগোল ডিপার্টমেন্ট) নিজে। নতুন প্রিন্সিপালের নাম লেঃকর্নেল রেজাউল করিম। মধ্য বয়স্ক স্মার্ট একজন মানুষ।
বিস্তারিত»সিসিবি’র টোকিও আড্ডা+পিকনিক+গেট-টুগেদার!!!
প্রবাসে থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত সিসিবিয়ানদের আড্ডা/পিকনিক/গেট-টুগেদার ইত্যাদির খবর শুনে+দেখে আফসোস করার দিন শেষ হতে চলেছে।
আগামী মাসের কোন এক পড়ন্ত বিকেলে টোকিওতে প্রবাসী সিসিবিয়ানদের এক আন্তর্জাতিক আড্ডা+পিকনিক+গেট-টুগেদার হতে যাচ্ছে :goragori: । উপস্থিত থাকবেন সিসিবি’র অন্যতম সিনিয়র ভাই আলীমুজ্জামানসহ জাপানে প্রবাসী সিসিবিয়ানবৃন্দ; অন্যান্য দেশের প্রতিনিধি হিসেবে আপাততঃ আমেরিকাবাসী আমি স্বয়ং B-)
বাংলাদেশে অবস্থানরত সিসিবিয়ানদের ঈর্ষা-উদ্রেককারী ছবি নিয়ে আরেকটা ব্লগ পোষ্ট করা হবে যথা সময়ে 😀
বিস্তারিত»বিক্ষিপ্ত সৃতিতে কলেজের শেষ রাত
২৩ শে জুন,২০০২। এই সেই দিন যেদিন ৯৬-০২ ব্যাচের জন্য ছিল ক্যাডেট হিসেবে কলেজে কাটানো শেষ রাত। পরের দিন ২৪ শে জুন ২০০২, আমাদের কলেজের ৪৫ জন বন্ধুকে একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যেতে হবে। আর কোন দিন হয়তো এই ৪৫ জন আর একসাথে হতে পারবনা, আর কোন দিন এই কলেজের চত্বরে আনাগোনা করবে না এই বন্ধুগুলো। এমনিতেই সেইদিন গুলো অনেক মিস করি। কিন্তু আজকে এই দুরপরবাসে কেন যেন আরও বেশি মনে পরছে সবার কথা।
বিস্তারিত»পুরানো সেই দিনের কথা…………
দীর্ঘ ১ বছর পর আজ কলেজে গেলাম। যাওয়ার সময় ১টা ব্যপার খেয়াল করলাম। কেমন যেন মন খারাপ লাগছে। বরিশালে ১ relative এর বাসায় উঠছিলাম। ওখান থেকে যাওয়ার পথে কেন যেন খুব কান্না পাচ্ছিল।
মনে পড়ল আগেও আমি কলেজে যাওয়ার সময় মন খারাপ করতাম।এখন ও মনে আছে junior ক্লাসে যখন ছিলাম bus এ করে যখন কলেজে যেতাম, যাওয়ার পথে খালি ভাবতাম, কেন cadet হলাম।কি দরকার ছিল…………ইস!
X-Files-২(অতীন্দ্রিয় না ষষ্ঠইন্দ্রিয়?)
বাড়ীর মসজিদের ঘাটে বসে ছিপ দিয়ে মাছ ধরছি।অদ্ভুত দর্শন একটা লোক দাড়িয়ে মাছ ধরা দেখছিল, ছোট খাট টাকি-পুঁটি পেলে খ্যক খ্যক করে হাসছিল।কেমন যেন অস্বস্থিকর মানুষটা। যেন ঋণাত্মক একটা অনুভূতি ছড়াচ্ছে ওর চারি পার্শে।কোন কারন ছাড়াই বিরক্তি উৎপাদন করে চলছে লোকটা।
পড়ন্ত বিকেল। বাবা আসর নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বেরুলেন।
বড় মিয়াঁ, পেন্নাম হই! বাবাকে দেখে কপালে হাত ঠেকালো লোকটা।
বিস্তারিত»একটি কিশোর ও তার ভালবাসা
“ভালবাসি” এই কথাটিতে আজ আর কোন দ্বিধা নাই
“ভাললাগে” এই শব্দের সাথে আজ আর কোন দ্বন্দ নাই,
এই বিস্তৃত নীল আকাশের নিচে দাড়িয়ে
এক সাধারন কিশোর ভাবে শুধু ভাল লাগার কথা,
কোন দ্বন্দ্ব নাই…….
তোমার চোখের মাঝে অপলক তাকিয়ে থাকে সে
বোঝাতে চায় তার ভালবাসার প্রগাঢ়তা
কোন দ্বিধা নাই……
অতপর…..কিশোর
বহুদিনের যত্নে লালিত আবেগ উন্মোচিত করল,
ঘুম,ক্লাস ও একজন ক্যাডেট ২
ঘটনা ২
নারগিস মাডামের ইংরেজি ক্লাস, ঝিমাইতে ঝিমাইতে ঘুমায়ে গেছিলাম।নিয়ম ছিল ক্লাসের সময় পারমিশন নিয়ে ১ জন বাইরে যেতে পারবে।ঘুম থেকে উঠে মনে হল বাইরে যাওয়া দরকার।আমি জানতাম না ১ জন বাইরে ছিল।পারমিশন চাইলাম ঃ may I go out ,madam? মাডাম কট মট করে উত্তর দিল is there anybody out? কিন্তু আমি শুনলাম is there any doubt? মনে মনে কইলাম মাডাম এতক্ষন যা পড়াইছে সেই সম্পর্কে আমার কোন doubt আছে কিনা সেটাই মনে হয় জানতে চাইছে ।
X-Files(অতীন্দ্রিয় না ষষ্ঠইন্দ্রিয়?-১)
‘অবোধ্য জগত’টার প্রতি আমার অদম্য আগ্রহের শুরু সেই শৈশব থেকে। গ্রাম তখন আক্ষরিক অর্থেই গণ্ডগ্রাম ছিল। একটা ছোট্ট ঘটনা আমার সদ্য কৈশোর মনে প্রচণ্ড নাড়া দিয়ে যায় ।শুরু হয় এক অজানা জগত সম্মন্ধে অন্বেষা।
মুক্তি যুদ্ধ শেষে হয়েছে মাত্র।সকলেরই মনে স্বাধীন একটা ফুরফুরে হাওয়া। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে বেড়াচ্ছি নিছক শৈশবের চপলতায়।খবর এলো মা’র এক দূর সম্পর্কের বোন কে জীনে ধরেছে। আগেও এক-দু বার ধরেছিল।খবরটা পেয়েই ছুটলাম তামশা দেখার জন্যে।
বিস্তারিত»ক্যাডেট জীবনে ঘটনার ঘনঘটা
ঘটনা : ১
আমার ক্যাডেট কলেজের ১ম দিনটা নিয়ে বলতে গেলে হয়তো রবীন্দ্রনাথের সাহায্য নিয়ে বলতে হবে…… শেষ হইয়াও হইবে না শেষ। ১টা ব্লগ লিখে ফেললাম অথচ এখনও সব কাহিনী শেষ হয়নি। আরও ১টা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। ঘটনাটা ঘটেছিল আমাদের ক্যাডেট লাইফের ১ম ডিনারের পর, যখন আমরা হাউজে আসলাম। হাউজে এসে জানলাম ক্যাডেটদের নাকি রাতে ঘুমানোর সময় শয়ন পোশাক পরিধান করতে হয়।
বিস্তারিত»ঘুম, ক্লাস ও একজন ক্যাডেট
এখানে অতিথি সদস্য বাদে যারা আছি সবাই ক্যাডেট নামক প্রাণী । ক্যারওলাস লিনিয়াস বোধহয় তার জীবদ্দশায় এই আজব প্রানীর মুখোমুখি হয় নাই আর ICZN , ICBN এই প্রানীর খবর পাই নাই তাই নির্দিষ্ট কোন সাইন্টিফিক নাম কপালে জোটে নাই। কিন্তু এরা সবাই একই প্রজাতি ভুক্ত। সুনির্দিষ্ট কিছু চারিত্রিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য সবার মধ্যেই বিদ্যমান।
এমনই একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ‘ ক্যাডেট ক্লাসে ঘুমায় ’
আসল কথা হচ্ছে,
