সঙ্গত কারনে পোস্ট সরিয়ে নেয়া হইল। লেখক অনেক মাইর খেয়েছেন তার ক্লাসমেট দের হাতে :duel: :duel: :gulli: :gulli: :gulli2: :gulli2: :chup: :chup: :brick: :brick: :brick:
বিস্তারিত»কাইন্ডলি কাইন্ডলি জী
ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিন। বাবা-মা, খালা-খালু, নানা-নানি, মামা-চাচা সবাইকে নিয়ে ক্যাডেট কলেজে হাজির। কেমন যেন ভয় ভয় লাগছিল। আমার খালাতো ভাই আর চাচা ক্যাডেট কলেজে পড়ার সুবাদে ক্যাডেট কলেজের অনেক গল্প শুনেছি। আর আমরা সবাই যেমন একটু বাড়িয়ে বলতে ভালবাসি নিজের বীরত্ত দেখাতে, আমার চাচা বা ভাই ব্যতিক্রম ছিলেন না। তারাও নিজের বীরত্ত দেখাতে বা শোনাতে ক্যাডেট কলেজের সিনিয়র ভাইদের সম্পরকে এমন গল্প শুনিয়েছেন যে আমি ক্যাডেট কলেজে ঢোকার আগেই ভয়ে মরে যাচ্ছিলাম।
বিস্তারিত»কিছু কৈশোর………… (২য় খন্ড)
(শিরোনামটা আমার প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদের একটা আত্মজৈবনিক বই থেকে অনুপ্রাণিত।)
আমাদের বকক/২৫ ব্যাচের শশী একদিন বলছিলো, ওর বাবা ওকে ক্যাডেট কলেজে দেবার প্রধান কারন ছিলো এখানে কোন রাজনীতি নেই। কোন দল নেই বলে একদলের সাথে অন্যদলের কোন কোন্দল ও নেই। বুয়েট’র এখন যে বাজে দশা, তাতে রাজনীতির অভিজ্ঞতা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে শশী ভালো ঝামেলায় পড়ে গেছে মনে হয়। তবে রাজনীতি না থাকলেও আমরা যখন কলেজে পড়তাম মজা করবার জন্য কিছু দল আমদানী করে রাজনীতি করেছিলাম।
বিস্তারিত»৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ২০তম পর্ব
“সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ ধূমপান সাস্থ্যের ক্ষতিকর।“ এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে ধূমপায়ীগণকে উৎসর্গ করা হল।
ক্যাডেট কলেজে সবাই আমরা কম-বেশি স্মোক করতাম(কতিপয় মুসল্লি ও ভাল ক্যাডেট ব্যতিত)। কিন্তু এই সিগারেটের সাপ্লাই ছিল অতি সীমিত। এই পোস্টে আমাদের আমলে কিভাবে আমরা সিগারেটের সাপ্লাই নিশ্চিত করতাম তার স্মৃতিচারণ করতে চাই।
পদ্ধতি একঃ আমরা ছুটি শেষে কলেজে ফিরতাম খাকী পোষাকে। মোবাইল প্যান্টে যেমন হাটু বরাবর পকেট থাকে,
বিস্তারিত»কিছু কৈশোর… (১ম খন্ড)
(শিরোনামটা আমার প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদের একটা আত্মজৈবনিক বই থেকে অনুপ্রাণিত।)
অলিম্পিকের দামামা বাজতে শুরু হয়েছে বেশ কিছুদিন হলো। অনেক ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে অলিম্পিকের আবেদন খুবই প্রবল। আমি খেলাধুলায় তেমন ভাল না বলে হয়তো আমাকে অলিম্পিক খুব একটা টানে না। তবে ২-১জন ক্রীড়াবিদকে ভালো না বেসে উপায় নেই। যেমন; উসাইন বোল্ট বা মাইকেল ফেলপস। কাল রাতে ঘুম আসছিলোনা বলে ল্যাপটপ খুলে বসেছি।
বিস্তারিত»অপরিচিত কিংবা অর্ধ পরিচিত মানুষ ও জীবনের গল্প – ২
[ ডিসক্লেইমার : আগে একই নামে আবজাব কিছু লেখবার চেষ্টা করেছিলাম। ইচ্ছা করলো সেটাকে আরো বাড়াতে। তবে এটা সিরিজে রূপ নেবার সম্ভাবনা কম ]
কলেজ থেকে বিদায় নেয়ার সময় এক স্যার আবেগ থেকে কিছু কথা বলেছিলেন। সেই কথা গুলো মনের পর্দায় আটকে থাকে না চাইলেও। সেই কথাগুলোর সাথে আরো কিছু কথা যোগ হয়ে বরাবরই চলে আসে যে কোন বিদায় বেলায়। কথাগুলি মনে মনে আউড়াই সময়ে অসময়ে।
বিস্তারিত»মা
অদ্ভুত সুন্দর এক গোধুলীর রং-এ মাখা পড়ন্ত বিকেল। পার্কের রাস্তায় একাকী হাঁটছি। দূরের মানজানো পাহাড়ের উপর পড়ন্ত বিকেলের শেষ রোদ্দুরের আলো এসে পড়েছে। আকাশে একই সাথে সাদা, কালো এবং কমলা মেঘের আনাগোনা। বিস্তীর্ন দিগন্ত একই সাথে দেখতে পাচ্ছি। পশ্চিমের দিগন্তে যেখানে সূর্য অস্ত যাবে সেদিকেই আমার ফেলে আসা প্রিয় জন্মভূমি। হাতের ঘড়িতে দেখলাম বুধবার, ১ আগষ্ট। তার মানে বাংলাদেশে এখন ২ আগষ্ট। বিশ বছর আগের ঠিক এই দিনে মন ছুটে গেল।
বিস্তারিত»তিন তিতলী
“মেঘ বলেছে যাবো যাবো” বইটি দ্বিতীয় বারের মত পড়া শেষ করেছি। আমি তখন নবম শ্রেনীতে। ফাইনাল পরীক্ষা শেষ। ছুটি আর কয়েক দিন পর। আমাদের ক্যাডেট কলেজে অনেক নিয়ম কানুন। গল্পের বই পড়ার সময় ও সুযোগ সব সময় মেলে না। তবে এই সময়টা সবাই গল্পের বই পড়ে কাটায়। শিক্ষকরাও আমাদের মনের অবস্থা বুঝতে পেরে তেমন কিছু বলেন না। হাতে পড়ার মত কোন বই না থাকায় বন্ধু তৌফিকের কাছ থেকে নিয়ে এই বইটিই আবার পড়লাম।
বিস্তারিত»একটি ভালবাসার গল্প
১.
এস.এস.সি পরীক্ষা শেষ করে টানা চার মাস পর ক্যাডেট কলেজ থেকে বাসায় আসলাম। ছুটিতে অনেক কিছু করার পরিকল্পনা করলাম। কিন্তু বাসায় এসে আমার মাথায় হাত। আমি কলেজে থাকা অবস্থায় আমাদের বাসা চেঞ্জ হয়েছে। নতুন বাসায় এসে কিছুটা অস্বস্তিতে পরলাম। কাউকে চিনিনা। বাসায় এসে কিছুক্ষন ধাতস্ত হওয়ার চেষ্টা করছি, এমন সময় কেউ একজন ডেকে উঠল-
– আন্টি……………
একটা মেয়ে দৌড়ে ঘরে এসে ঢুকল।
বিস্তারিত»প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ
প্রিয় হুমায়ুন আহমেদ,
অনেক আবেগ জমে গেলে আমি লিখতে পারিনা। শ্রাবন মেঘের দিনে তোমার চলে যাওয়াটাও মানতে পারছিনা। এই শ্রাবনে তোমার কোথাও যাবার কথা ছিলনা। শঙ্খনীল কারাগার কিংবা নন্দিত নরক কেউ তোমাকে পাওয়ার যোগ্য নয়। তুমি কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ হয়ে আমাদের জোছনা ও জননীর গল্প শোনাবে। তেতুল বনে যে জোছনার রূপ ঝরে পড়বে। মধ্যাহ্নের তীব্র রোদে হিমু হেঁটে চলবে ঢাকার রাস্তায়,তুমি রূপাকে চিরদিনের জন্য তাঁর করে দেবে।
বিস্তারিত»অনাকাঙ্খিত পরিচয়
বাসে ভীড় চমৎকার,
তার মধ্যে আবার-
যাত্রী নেওয়ায় ব্যস্ত কন্ডাক্টর,
সিট অবশ্য পেয়েছি একটা,
আর পাশে বসা মহিলাটাকে দেখছে আমার উৎসাহী চোখটা,
চেনা চেনা লাগে,
মনে হচ্ছে দেখেছি অনেকবার আগে-
কোথাও,
মনে পড়ছে না নামটাও ।
“ওহে টিকিটটা-”, আনমনে দিলাম তা,
“ওহে”- বলে কলেজের এক বন্ধুও ডাকত সবাইকে,
বিস্তারিত»জনৈক ক্যাডেট কথা…
শোন শোন ভাইসব, শোন দিয়া মন,
জনৈক ক্যাডেট কথা শোন সর্বজন,
সকালে উঠিয়া সে যে মনে মনে কয়-
সারাদিন যেন সে গা বাঁচিয়েই রয়,
আরে – প্যারেড গ্রাউণ্ডে যখন ড্রেস চেকিং হয়,
শেভ-পালিশ নাই বলে পেছনে লুকায়,
প্যারেড ব্রেডের মত গজবের শেষে,
ফর্মক্লাসে এসে সে ঘুমায় নিমেষে ।
বিস্তারিত»
৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১৯তম পর্ব
ক্যাডেট কলেজে আমাদের বিনোদনের সবচেয়ে সহজ বা সস্তা উপায় ছিল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কৌতুক(ফ্লপ) করা। খুবই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কৌতুক(ফ্লপ) করা হত। যেমনঃ প্রেপে চিরাচরিতভাবে গল্প চলছে। পাশ থেকে একজন বলে উঠল, “অই পড়তে দে।” আড্ডা থেকে একজন বলে উঠল, “তাহলে চেয়ার সরা।”
এর সারমর্ম যারা বুঝতে পারেননি তাদের জন্য বলছি, চেয়ার সরালেই তো মেঝেতে পড়ে যাবে। এরূপ কৌতুক(ফ্লপ) করতে বিশেষজ্ঞ ছিল বা হয়তো এখনও আছে মেশকাত,
বিস্তারিত»দ্বিতীয় জন্ম, প্রথম মৃত্যুর আগে
ক্লাস সেভেন পর্যন্ত বেশ গালভারী একটা নাম ছিল আমার। লোকে জিজ্ঞেস করলে যখন বলতা, তখন অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যেত। মাহিন? মাজিদ? তখন আমি বলতাম, “না, মাহিদ। শেষে “দ” হবে।” সামীউর রহমান নামটা তখন শুধু ব্লু বার্ড স্কুলের নাম ডাকার খাতায়, গড়ে প্রতি ২৮ ঘন্টায় একবার শুনতাম! ঐ স্কুলের প্রথম পিরিয়ডে আরকি! ১৫ বছর আগের আজকের দিনটায় এয়ারপোর্ট রোডের চা বাগানগুলো ছাড়িয়ে যখন সাদা চুনকাম করা দালানগুলো চোখে পড়েছিল,
বিস্তারিত»বেড়ে ওঠা
সাথে বড় কেউ থাকলে তো প্রশ্নই উঠত না, তবে একা একা রাস্তায় বের হলে বৈদ্যূতিক থামে সাঁটানো সিনেমার পোস্টারে চোখ যেত। বিশেষ করে “এক টিকিটে দুই ছবি” ট্যাগ লাগানো পোস্টারের সেই সব লোহমর্ষক ছবি! তাকানোর সময় অবশ্য মনে হত, বয়সে বড় কেউ দেখল না তো আবার আমাকে? এখন একা একাই এই মেট্রোপলিটন শহরে ঘুরে বেড়াই। চাইলে যখন তখন নির্দ্বিধায় তাকাতে পারি সেসব পোস্টারের দিকে, কিন্তু এখন আর তেমন তাকাতে ইচ্ছে করে না,
বিস্তারিত»