১) একবার দুইজন ক্যাডেট রাতের অন্ধকারে কলেজের প্রাচীর টপকে গেল সিনেমা হলে সিনেমা দেখতে। হাউসে ফিরে আসার সময় তাঁরা হাউসের পেছনে এসে উঁকি মেরে দেখলো যে হাউসের সামনে হাউস বেয়ারা আর একজন স্টাফ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করছেন। ক্যাডেট দুইজন ভাবলো যে, চোরের মন পুলিশ পুলিশ না করে স্বাভাবিকভাবে হাউসে প্রবেশ করলে তাদেরকে কেউ কিছুই বলবে না। এই ভেবে তাঁরা হাউসের পেছন থেকে বেরিয়ে এসে হাউসে ডুকতে যাচ্ছিলো।
বিস্তারিত»একটি কোটা আর বাংলালিংক
এইতো গত বছর-
রাজশাহী ভার্সিটি বি বি এ পরীক্ষা, আই বি এর কোচিং করে স্বভাবতই ধারণা জন্মেছিল, ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু সেই ভুল পরীক্ষার হলে গিয়ে ভাঙল যখন দেখি পাশের ছেলেটি মহানন্দে দুইটি ক্যালকুলেটর একের পর এক ব্যবহার করে যাচ্ছে। ম্যাথ করতে যেয়েই যত বিপত্তি, এত বড় বড় ম্যাথ কিভাবে করবো? পাশের ছেলেটির ক্যালকুলেটর এর দিকে তাকাতেই সে বুঝতে পারল এবং মহানন্দে দুইটি ক্যালকুলেটর ই অন্যপাশে সরিয়ে রাখল।
বিস্তারিত»কিছু কৈশোর… (৩য় খন্ড)
(শিরোনামটি আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ’র একটি আত্মজৈবনিক গন্থ হতে অনুপ্রাণিত)
ক্যাডেট কলেজের শিক্ষা বা পুরো ব্যাবস্থাটা বাইরে থেকে অনেক আলাদা। কোন সন্দেহ নাই। একটা স্কুল বা কলেজের যে সকল কর্মকান্ড বাইরেও হয় সেগুলোও ক্যাডেট কলেজে একটু অন্যভাবে হয়। তবে কিছু আছে যেগুলো খালি ক্যাডেট কলেজেই সম্ভব। এমন একটা জিনিস ছিলো কারেন্ট এফেয়ার্স ডিসপ্লে বা চলতি ঘটনা প্রদর্শনী। সব কলেজেই এই প্রতিযোগীতাটা হতো।
বিস্তারিত»পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৫
১
আধুনিক দাম্পত্য চলে কতগুলো সূত্র মেনে। তার একটা হলো স্পেস। এই যেমন বর আর আমার কম্পিউটার দুটি সবসময়ই একে অপরকে পৃষ্ট-প্রদর্শন করে। মনিটরদের সাথে মালিকদের ক্রশ-কানেকশন হয়না। আমার ধারণা কি লিখি জানতে পারলে বর ক্ষেপাতে শুরু করবে। এর আগে আমি কবি না বলে রক্ষা পেয়েছিলাম। বর যেহেতু ব্লগের আগের প্রজন্ম, তাই এ সম্পর্কে তার ধারণা নেই। অন্ততঃ আমি এতোদিন তাই ভেবে এসেছিলাম। খুব দ্রুতই আমার সে ভাবনা ভুল প্র্মাণিত হলো।
বনের রাজা টারজান এবং আমরা
জীবনে চলার পথে পরিস্থিতি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে ছ্যাকা দিয়েছে আমাকে , আমাদের। একলা একলা ছ্যাক এর চেয়ে দলগত ভাবে ছ্যাকা খাওয়ার পরিমাণটাই জীবনে বেশী। ছ্যাকার কোয়ালিটি একেকটা একেক রকম। একরকম ছ্যাকা আছে ” হতবিহ্বল ছ্যাকা” । যা খাবার পর মুখ দিয়ে কোন বাণী নিঃসৃত হয় না। এমনি এক ছ্যাকার দেখা পেয়েছিলাম আমরা একাদশ মান এর , ৭ দিনের শিক্ষা সফরে। সময়- ২০০৫ সাল, স্থান- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এর হাসপাতাল।
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজ থেকে বলছি
পান্তা ইলিশ
পহেলা বৈশাখ। কলেজের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পান্তা-ইলিশ খাওয়ানো হচ্ছে ক্যাডেটদের। তাও কিনা ব্রেকফাস্টে ! অভূতপূর্ব সৌভাগ্যে ক্যাডেটরা যতটা হতবাক, ঠিক ততটাই কৌতূহলী তাদের স্যাররা। ঘণ্টা বাজতেই ক্যাডেটরা পেঁয়াজ মরিচ আচ্ছামত ডলে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া শুরু করলো। মুখে মুখে হাসি। হাতে হাতে ভাজা ইলিশ !
আনন্দের ভাগীদার হতে প্রিন্সিপাল স্যার পুরো ডাইনিং হল ঘুরে ঘুরে দেখছেন। ক্যাডেটদের সাথে কথা বলছেন।
বিস্তারিত»একজন অখ্যাত মহানায়কের নীরব প্রস্থান
প্রায় তিন বছর পর আজ সিসিবিতে লিখতে বসলাম। কিছু পারিপার্শ্বিক কারনে এবং কিছুটা ব্যক্তিগত কারনে ইচ্ছাকৃতভাবেই সিসিবি থেকে দূরে ছিলাম। আজ আর সেসব কারন ঘাটতে যাবনা। একটি বিশেষ কারনে আমার এই প্রত্যাবর্তন। যারা সিসিবিতে নতুন তাদের আমি অনুরোধ করব ১০/১৫ মিনিট সময় নিয়ে আমার আগের এই পোষ্টটিতে একটু ঘুরে আসার জন্য। এখানে ক্লিক করুনঃ একজন অখ্যাত মুক্তিযোদ্ধার গল্প। আশা করি লিংকটি পড়ে এসেছেন।
বিস্তারিত»ডায়েরি প্রেমী শিক্ষক ও কতিপয় ক্যাডেট
কলেজে নতুন টিচার এসেছেন । তিনি নাকি আবার কোন কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপল স্যারের পুত্র। এসব নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা ছিলোনা। কিন্তুু মাথাব্যথা বেড়ে গেলো যখন জানা গেলো স্যারের অভ্যাস ক্যাডেটদের ডায়েরি পড়া। একে তো ব্যক্তিগত ডায়েরি, তার উপর ক্যাডেটের ডায়েরি, সেটাও আবার সিভিলিয়ান হয়ে! পুরো কলেজের মাথায় আগুন ধরে গেলো। শিক্ষা দিতে হবে উনাকে!
প্রথম পরিকল্পনা, ক্লাসের যে পার্টি ডায়েরি লিখত,তারা ডায়েরি আনা বন্ধ করে দিল প্রেপ টাইমে।
বিস্তারিত»মধ্যবিত্ত আমরা
আমাদের মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই আমরা এক ঈদে মার্কেটের মোটামুটি সবচেয়ে সুন্দর জামা পড়ি আর আরেক ঈদে আম্মার হাতে বানানো জামা পড়ি। আমাদের মাসের শুরুতে অনেক টাকা ওড়ানো হয় কিন্তু সেই মাসের শেষেই আমাদের পরিবার প্রধান হিসাবের খাতা খুলে ভ্রু কুঁচকে ভাবতে থাকেন কিভাবে বাকি আট দশটা দিন যাবে। আমাদের ইগো এত বেশি যে আমরা আমাদের উচ্চবিত্ত পরিচিতদের কাছ থেকে নিতান্ত ঠেকায় না পড়লে সাহায্য নেই না,
বিস্তারিত»খেলাঘর
খেলাঘর
অনিন্দ্য ইমতিয়াজ
(………………………………………… this is dedicated to all cadets of 53rd batch of fcc)
আমি কোন বিতর্ক করতে আসিনি,
আসিনি কোন উপদেশ দিতে
শুধু একটি গল্প বলতে এসেছি,
শুধু একটি গল্প।
নাহ! এ কোন ইতিহাস নয়,
রূপকথা? তাও নয়,
শুধুই গল্প, শুধুই কল্পনা –
“একটা ঘর ছিল, খেলাঘর,
খেলার জন্য কিছু পুতুল, সুতো আরও কত কি!
পুতুলগুলো যেন ঠিক লজ্জাবতীর পাতা,
একে অন্যকে আড়াল করে ফেলত পরম মায়ায়
যেন কেউ ছুঁতে না পারে।
একটি অসমাপ্ত তালিকা
ক্যাডেট কলেজের কিছু জায়গা প্রায়ই মিস করি। শুধু আমি না, আমার ধারণা আরো অনেকেই হয়তো এই জায়গা গুলো কে এখনো ফিল করে। একটা ইনকমপ্লিট লিস্ট বানানোর চেষ্টা করলাম। লিস্টে শুধু আনকনভেনশনাল জায়গা গুলো রাখার চেষ্টা করেছি।
১) টিভি রুম: নতুন করে কিছু বলার নেই। অনেক স্মৃতি এর সাথে জড়িত। বৃহস্পতিবারের মুভি শো , হিন্দি গানের চ্যানেল, ইউরোপিয়ান ফুটবল লিগ .. কত স্মৃতি। জুনিয়র লাইফে নিচে বসে অনেক কষ্ট করে মাথা উচু করে টিভি দেখা আর সিনিয়র লাইফে ২/৩ টা চেয়ার নিয়ে পুরো মহারাজা স্টাইলে টিভি দেখা কোনটাই ভুলবার নয়!
বিস্তারিত»আমাদের গল্প
একটি নিঃস্বার্থ মৃত্যু এবং আমার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ
আমার জীবনের প্রথম লেখা, সত্য একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করছি। এখানে কোনোকিছুই কাল্পনিক অথবা অতিরঞ্জিত নয়।
একটি বিষয়ে প্রথমেই বলে রাখা দরকার, বিষয়টি হচ্ছে – লেখার ভিতরে হয়তো অনেক ভুল পাবেন, আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। লেখাটি আমার খুব প্রিয় বন্ধু জহির কে নিয়ে।
২১মে, ১৯৯২, চট্টগ্রাম
আমরা ৫৬ জন ১১-১২ বছর বয়সী দুরন্ত ছেলে এক অচেনা জায়গায় একত্রিত হলাম।
“Eating Haram Getting Fat”
ফেসবুকের এক্স-ক্যাডেট ফোরামে Megamind Habib এর দেয়া পোস্ট টা ছিল
{ “যে ছেলের হাতের লেখা খারাপ তার চরিত্র খারাপ আর যে ছেলে বাংলা বানান জানেনা তার রক্তে বিষ! ” – কিরণ কুমার মণ্ডল স্যার ! 😀 😀 😀 }
তার নিচে সবার কমেন্টস থেকে কয়েকটা ঘটনা এক করে একটা পোস্ট বানাইয়া ফেলসি। যে যেটা লিখছে নাম সহ দিয়া দিছি।
বিস্তারিত»ভালবাসি ৫৫
(গত ২০ ডিসেম্বর ছিল আমাদের পাসিং আউট প্যারেডের ছয় বছর পূর্তি।বন্ধু তোদের অনেক মিস করছি)
BMA তে জয়েন করেছিলাম ১১ জানুয়ারি,২০০৫ –দিনটা সবসময় খেয়াল থাকেনা।তবে ঘটনাগুলা ভালই মনে আছে।এয়ারপোরট রেল স্টেশন থেকে পারিবারিক বিদায়।সম্ভবত শারেক আমাদের একটা বিশাল গ্রুপের জন্য কয়েকটা বগি ম্যানেজ করেছিল।আমার ঠিক খেয়াল নাই-অনেক ভায়া হয়ে টাকা জমা দিয়েছিলাম কিনা।সেদিন শৈত্যপ্রবাহ ছিল-তার পরও জার্নিটা খারাপ লাগেনি।জীবনের প্রথম ট্রেন জার্নি বলে কথা।তাও আবার A REAL JOURNEY TO HELL………।
বিস্তারিত»