৬ ফাল্গুনঃ শুভ জন্মদিন কবি

এই সব ভালো লাগে

(এই সব ভালো লাগে) : জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালি রোদ এসে
আমারে ঘুমাতে দেখে বিছানায়, — আমার কাতর চোখ, আমার বিমর্ষ ম্লান চুল –
এই নিয়ে খেলা করে: জানে সে যে বহুদিন আগে আমি করেছি কি ভুল
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমাহীন গাঢ় এক রূপসীর মুখ ভালোবেসে,
পউষের শেষ রাতে আজো আমি দেখি চেয়ে আবার সে আমাদের দেশে
ফিরে এল;

বিস্তারিত»

মেজর আজিজুল হাকীম স্যারকে মনে পড়ে

বিডি আর বিদ্রোহের কথা আমরা ভুলে গেছি। ভুলে যাওয়াটা সহজ, সুবিধা জনক। সরকারও তাই চেয়েছিলো। আমরা ব্লগারাও এখন দৈনন্দিন জীবন, ভালোবাসা দিবস, আস্তিকতা-নাস্তিকতা বা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে ব্লগ লিখতে ব্যস্ত।

আমি হিসাব করে দেখলাম, সাহসী বাঙ্গালীরা প্রায় সব ৭১ রেই মারা গেছেন। আমরা যারা নতুন প্রজন্মের মানুষ, বেশিরভাগের বাবা-মাই মুক্তিযুদ্ধের সময় পালিয়ে বেরিয়েছেন। আমরা কাপুরুষের সণ্তান।তাই আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানিনা।

আমরা পালিয়ে বেরাতে বা ভুলে যেতে ভলোবাসি।

বিস্তারিত»

মুন্না আপনিই এক নম্বর

‘আচ্ছা, ছোট ক্লাবগুলো, যেমন_ওয়ারী-আরামবাগ ওরা কত খেলোয়াড় তৈরি করে, অথচ আবাহনী-মোহামেডানের মতো ক্লাবগুলো সেভাবে খেলোয়াড় তৈরি করে না। ওরা তাদের কিনে নেয়। এটাকে আপনি কিভাবে দেখেন?’
‘তুমি কিভাবে দেখো?’
‘মানে আমি জানতে চাইছিলাম, ছোট ক্লাবগুলো খেলোয়াড় তৈরি করে আর বড় ক্লাবগুলো…’
‘ওয়ারী-আরামবাগ কি কারখানা যে ওখানে শুধু খেলোয়াড় তৈরি হবে!’
এরপর ঠিক কী প্রশ্ন করা যায় বুঝতে পারছিলাম না। সামলে তারপর আরো যে কয়েকটা প্রশ্ন করলাম,

বিস্তারিত»

মেলায় মোস্তফা মামুন ভাইয়ের বই

অন্যদের কথা জানিনা কিন্তু আমার প্রিয় লেখকের তালিকায় মামুন ভাইয়ের নাম আছে। মোস্তফা মামুন। ক্যাডেটদের নিয়ে লেখেন, ক্যাডেট কলেজের গল্প লিখেন শুধু এসব কারণে নয়। তাঁর কিশোর উপন্যাসগুলো আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ি। যেমন পড়ি রম্য রচনা বা খেলা নিয়ে লেখাগুলো। ক্যাডেট নম্বর ৫৯৫, কলেজ ক্যাপ্টেন , দ্বিতীয় প্রিয় মানুষ, রিমি আজ চলে যাবে বা বামহাতি বাবলুর মতো বই গুলো যারা পড়েছেন তারা নিশ্চয়ই আমার সাথে দ্বিমত করবেন না।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের বীর যোদ্ধারা

[লেখাটির একটি ভূমিকা প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ইদানিংকালের পড়াশুনায় আমি ঢাকার ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য বদিউল আলমের চরিত্রে আকৃষ্ট হই। একাধিক বই ও সাক্ষাৎকারে তার অবদানের কথা জেনে ফকক’র প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসাবে গর্ব বোধ করি। বদি ভাইকে নিয়ে একটা লেখার তাড়নাও অনুভব করছিলাম গত এক বছর ধরে। এবার ডিসেম্বরে ফৌজদারহাটের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে একটা “মেমোয়ার” সম্পাদনার দায়িত্ব আকষ্মিকভাবেই কাঁধে চাপে। অফিসের কাজের চাপে একটু চিন্তিতই ছিলাম এর ভবিষ্যত নিয়ে।

বিস্তারিত»

শ্রদ্ধাঞ্জলি

শহীদ মেজর তানভীর হায়দার নূর (ডানে) ও শহীদ মেজর আবু সৈয়দ গাযালী দস্তগীর (বামে) কে আজ বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত করা হয়েছে। মেজর তানভীর ১৯৭৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দুই পু্ত্রসন্তান ও স্ত্রী রেখে গেছেন। উল্লেখ্য যে,কবরস্থ করার সময় ক্যাপ্টেন তানভীরকে মেজর পদবীটা দেয়া হয়েছে। সবাই তাঁদের আত্মার শান্তির জন্যে দোয়া করবেন।

graveyard

আজ থেকে আর কয়েকটা মুহুর্ত পরে ২০০৯ সাল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

শরৎবাবু, এ চিঠি পাবে কিনা জানি না … … [উত্তর মিলিয়ে নিন: Bold করে দেয়া আছে]

প্রিন্সিপার ইন্সপেকশনে স্টোর রুমের কদর খুব বেড়ে যেত … … কারণ … (… … থাক, নাইবা বললাম … …) তো একবার রুমের সকল “নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি” একটা ভাঙা বালতিতে ভরে স্টোর রুমে রেখে আসলাম । যথারীতি ইন্সপেকশন শেষ … … আর ইন্সপেকশন যেখানে শেষ, আমার আজকের গল্প সেখানেই শুরু … … …

ইন্সপেকশন শেষ হবার পর ঐ বালতিটি রুমে নিয়ে আসলাম, কিন্তু বালতির ভিতরে পেলাম আরও দুটো জিনিস …

বিস্তারিত»

বাড়াবাড়ি…!!!

(সিসিবির সবার প্রতি এই কঠিন লেখা দেবার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখলাম… এই ব্লগের সবাই একজনের জন্মদিন নিয়ে বিশেষ বাড়াবাড়ি শুরু করেছে…। ব্যাপারটা মোটেও পছন্দ হয়নি বলেই আমার এই স্পেশাল লেখা।)

বাড়াবাড়ি আমি কখনও পছন্দ করি না…। :no:
সে কারণেই আমি কাউকে বেশী ভাল বাসি নি পর্যন্ত…!! :thumbdown:
অন্যের জোরাজুরিতে এই ব্লগে এসেছিলাম…।
তারপর দেখলাম… সবাই কোন কারণ ছাড়াই একজনকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়…যার অত গুরুত্ব পাওয়ার কোন কারণই নেই…!!!!

বিস্তারিত»

জন্মদিন

দেখা হলেই আইসক্রীম খাওয়ায় খাওয়ায় তিনি আমার বিবেচনা বোধ নষ্ট করে দিয়েছেন। ক্রান্তিকালে মাথায় হাত দিয়ে সময়টা এক নিমিষে পার করে দিয়েছেন। গুরুগম্ভীর পরিবেশ হাসিঠাট্টায় ভরে দিয়েছেন, এই মানুষটাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে ভাবাভাবির দরকার ছিল না, কিন্তু ভাবতে হচ্ছে। গতকাল রাত থেকেই কীবোর্ড নিয়ে খুটখাট খুটখাট করতে বাসার সবাইকে জানিয়ে ফেলেছি যে আজকে লাবলু ভাইয়ের জন্মদিন। উনার জন্য কি লিখব কি লিখব ভাবতে ভাবতে ঘুমায় গেছি,

বিস্তারিত»

একজন অখ্যাত মুক্তিযোদ্ধার গল্প

চারু মিয়া সর্দারের তিন মেয়ে, দুই ছেলে। বড় ছেলে মোঃ সুলতান মিয়া সর্দার আর ছোট ছেলে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান। ছোট ছেলের নামের শেষে ‘সর্দার’ না রাখার কারন পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সর্দারীটা যেন বড় ছেলে পায়। শুধু তাই নয়, বড় ছেলের জন্য সব ভাল ভাল খাবার, জামা কাপড়, আর অন্যান্য যত্নের যেন কোন ত্রুটি না হয় সে বিষয়ে স্ত্রীকে সবসময় মনে করিয়ে দেন। বড় ছেলেকে তো সর্দার বানাতে হবে।

বিস্তারিত»

বোমাবাজের ভালবাসা

দিন তারিখ মনে থাকে না বলে একটু পার্ট নেয় অনেকে, আবার দিন তারিখ ঘন্টা সেকেন্ড কাঁটায় কাঁটায় বলে দিয়েও অনেকে পার্ট নেয়। আমার দেখা মানুষ জনের মাঝে প্রথম শ্রেণীর মানুষ বেশি, বলা বাহুল্য আমি নিজেও। মানুষজনের জন্মদিন মনে থাকেনা, ফ্রেন্ডরা আজকাল তাই আর মন খারাপও করেনা। কাছের যারা, তারা নিজেরাই রাতের দিকে ফোন দিয়ে বলে, অই কালকে কিন্তু আমার জন্মদিন, বারোটায় ফোন দিস মনে করে।

বিস্তারিত»

দৃষ্টিনন্দন দৃষ্টি

আব্বার হঠাৎ করেই চোখে ছানি পড়লো। ৫৫ বছর বয়সে বার্ধক্য ভর করেনি। এখনো আব্বা অনেক কর্মঠ এবং সার্ভিসে আছেন। কোন অসুখও নেই এবং এমন হয়নি যে কোন অপারেশন বা সিরিয়াস সিকনেসের কারনে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। ছানি আরো বেশি বয়সে হয় সাধারণত। কিন্ত আব্বার হঠাৎ করেই এবছর প্রব্লেম ধরা পড়লো এবং খুব দ্রুত ছানি ম্যাচিউরড হয়ে গেল। সামান্য দূরত্বেও মানুষ আইডেন্টিফাই করতে সমস্যা হয়। অনেকেই হয়ত ভাবে দেখেও কথা বললোনা তাই একটু বিব্রতকর বটে।

বিস্তারিত»

মাসুম ভাইকে অভিনন্দন

প্রথম আলোর বিজনেস এডিটর শওকত হোসেন মাসুম ভাইকে (বিসিসি, ৭৯-৮৫) অভিনন্দন ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটির বর্ষসেরা অর্থনৈতিক রিপোর্টের পুরস্কার জেতায় :hatsoff:

ক্যাডেটরা আসলেই পাথরায় :gulli2:

খাওয়াচ্ছেন কবে মাসুম ভাই? :awesome:

আজকে কি মাইলফলকের দিন নাকি? শততম পোস্টের পর ফৌজদারহাটের দ্বিশততম পোস্টটাও দেখি এই অধমের :goragori:

কি বলেন কাইয়ুম ভাই? :gulti:

বিস্তারিত»

সূর্যপুত্র (পর্ব নয়)

সূর্যপুত্র
(ভূমিকাসহ পর্ব এক)
(পর্ব দুই)
(পর্ব তিন)
(পর্ব চার)
(পর্ব পাঁচ)
(পর্ব ছয়)
(পর্ব সাত)
(পর্ব আট)
(পরীক্ষার চাপে দিশেহারা হয়েও মাঝে মাঝে ব্লগে আসি…আর অবাক হয়ে দেখি…কোন এক অজানা কারণে…পুকুরের মতন ঢেউহীন ব্লগ!!! :no:
কোন বার্তা নেই…কোন অস্বাভাবিক …ফাটাফাটি…লেখার ঢল নেই…আগের কয়েকটি লেখা-ই অবহেলিতের মতন পড়ে রয়েছে…!!

বিস্তারিত»

আজ ৭ নভেম্বর: তাদের জন্য . . .

3-of-them
২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: ক্যাপ্টেন তানভীর, কর্নেল আফতাব, এবং মেজর আজিজ

they-3
২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: মেজর আজিজ, ক্যাপ্টেন তানভীর, এবং কর্নেল আফতাব

exclusive-3
২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: কর্নেল আফতাব, মেজর আজিজ, এবং ক্যাপ্টেন তানভীর

with-soldiers-10-Dec-2007
এদেরই কেউ কেউ . . . ? নাকি সবাই . . . ?

Sipahi-Abu-Salekh-Runner
ক্যাপ্টেন তানভীরের বড় ছেলে ইফাজের সাথে সিপাহী আবু সালেখ।

বিস্তারিত»