কবি হেলাল হাফিজ ও ব্যক্তিগত অনুভূতি

nullমুল লেখাঃ
কবি হেলাল হাফিজের সাথে আমার পরিচয় খুবই অদ্ভুত ভাবে। এক বিকেলে চারুকলার সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে ঢেলে সাজানো বই গুলোর দিকে চোখ বোলাতেই একটি বই চোখে লেগে যায়। যে জলে আগুন জ্বলে। চোখে লাগার মতোই বই। অদ্ভুত শিরোনাম। বই হাতে নিয়ে কয়েক পাতা ওল্টাতেই একটা কবিতা চোখে পড়ে। এক নিমিষেই পড়ে ফেলি।

“প্রেমের কষ্ট ঘৃণার কষ্ট
নদী এবং নারীর কষ্ট
অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট
কষ্ট নেবে কষ্ট?”

বিস্তারিত»

যদ্যপি আমার গুরু…

জীবনে প্রথম কোন বই পড়েছিলাম মনে নেই। ঠাকুরমা’র ঝুলি হবে হয়তো। তবে সবচেয়ে বেশী পড়েছি হুমায়ুন আহমেদ স্যারের বই। এটা নিশ্চিত।

আজ অনেকে বলছে স্যারের মৃত্যুদিবস!!! আমার প্রশ্ন স্যার মারা গেলেন কিভাবে??

তাঁর কি মৃত্যু আছে? একজন হুমায়ূন আহমেদ কি মরনশীল কেউ? এই নষ্ট পৃথিবী কে স্যারের দেহ ত্যাগ করেছে…কিন্তু স্যার তো আমাদের মাঝেই আছেন! পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অগুনিত হিমু-মিসির আলী-শুভ্র-রুপা-মাজেদা খালা-মহাজ্ঞানী ফিহা-মজিদ-রমনা থানার ওসি-পাংখাপুলার রশীদ-তিতলী-কংকা-মুনা-বাকের ভাই-সৈয়দ বংশের পোলা-বদি-ধনু শেখ-মুহিব-বাদল-আতাহারদের মাঝেই স্যার চিরকাল থাকবেন!

বিস্তারিত»

আমাদের নায়ক

Mandela 09

যে কোনো সময় খারাপ খবরটা আসতে পারে। তাই তৈরি হয়ে আছি। মনকে বুঝিয়েছি, এটাই বাস্তব। নির্মম সত্য। তবু কি মন মানতে চায়!

প্রিটোরিয়ার যে হাসপাতালটায় নেলসন মান্দেলা শেষ সময়টা কাটাচ্ছেন সেখানে বিশ্বের সব মিডিয়া ওৎ পেতে বসে আছে, কার আগে কে এই দুঃসংবাদটা প্রচার করবে! প্রিয় মাদিবার জন্য তার দেশের মানুষ প্রার্থনা করছে। হয়তো কোনো ‘অলৌকিক’ কিছুর অপেক্ষা করছে তারা।

বিস্তারিত»

মা তোমাকে খুব মিস করি

মা এর সাথে খুব বেশী সময় কাটাতে পারি নি। এক কি দেড় বছর। এ সময়ের মাঝেই মা আমার মা হয়ে উঠেন। আমার মা আমাদের তাহমিদের আম্মু আমাদের রকিমুন্নেসা ম্যাডাম।

ক্লাস ইলেভেনে হঠাৎই একদিন শুনলাম মা আসছেন আমাদের কলেজে। মা ভূগোলের শিক্ষিকা। আমিও ছিলাম হিউম্যানিটিজ গ্রুপে সেই সুবাদে কলেজে মার প্রথম দিনেই তার সাথে আমার সাক্ষাৎ। ডিপার্টমেন্টে গিয়ে মা কে সালাম দিলাম। বললাম “এতোদিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম।

বিস্তারিত»

একজন অখ্যাত মহানায়কের নীরব প্রস্থান

প্রায় তিন বছর পর আজ সিসিবিতে লিখতে বসলাম। কিছু পারিপার্শ্বিক কারনে এবং কিছুটা ব্যক্তিগত কারনে ইচ্ছাকৃতভাবেই সিসিবি থেকে দূরে ছিলাম। আজ আর সেসব কারন ঘাটতে যাবনা। একটি বিশেষ কারনে আমার এই প্রত্যাবর্তন। যারা সিসিবিতে নতুন তাদের আমি অনুরোধ করব ১০/১৫ মিনিট সময় নিয়ে আমার আগের এই পোষ্টটিতে একটু ঘুরে আসার জন্য। এখানে ক্লিক করুনঃ একজন অখ্যাত মুক্তিযোদ্ধার গল্প। আশা করি লিংকটি পড়ে এসেছেন।

বিস্তারিত»

আমার সুকুমার পরিচয়

রামগরুড়ের ছানা, হাসতে তাদের মানা,
হাসির কথা শুনলে বলে-
হাসব না-না,না-না…..
ছোটবেলায় মায়ের মুখে শুনতাম, আর হয়ত না বুঝেই খিলখিল করে হেসে উঠতাম। জানতাম ও না যে মা আমাকে কোন বিশাল এক সমুদ্র পাড়ের নুড়ি পাথরের স্বাদ দিচ্ছেন, গন্ধ দিচ্ছেন, ছোঁয়া দিচ্ছেন । নিজেকেই মনে হত একটা রামগরুড়ের ছানা 🙂 । আপনাকে চিনতে পারিনি তখন, ক্ষমা করবেন ।
কি বিচিত্র সুন্দর সৃষ্টির পসরা যে আপনি সাজিয়ে রেখে গেছেন তা বুঝতে একটু দেরীই হয়েছে বোধহয়।

বিস্তারিত»

টুশকি…মোস্ট জুনিয়র!

সায়েদ ভাই এর টুশকি সিসিবিতে একটা ক্যাটাগরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন উনাকে হারিকেন, মোমবাতি, হ্যাজাকবাতি কিছু দিয়েই আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু আমাদের সবারই ছয় বছরের ক্যাডেট জীবন টুশকিতে টুশকিময়। তাই কিছু টুশকি…মোস্ট জুনিয়র!
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ নিজ দায়িত্বে পড়িবেন!

১। এক স্যার এর টিজ নেম ছিল “ট্যাপা”। স্যার এই নাম শুনলে খুব ক্ষেপে যেতেন। তো এক দিন এই নাম শোনার পরঃ “ওই…

বিস্তারিত»

প্রিয় কবিতা বা কয়েকটি সন্ধ্যা’র দখলঃ ‘রাহুর প্রেম’-রফিক আজাদ

ভাবছো তোমায় ভুলে যাচ্ছি,ভুলতে পারা
সহজ নাকি?যদিও তোমার ইচ্ছাটা কি তাও তো জানিঃ
নিষ্কৃতি চাও,অন্য কারো কাছে যাতে পারমানেন্টলি
থাকতে পারো-বারে বারে “ভুলে যেও’’-এই কথাটা
ব’লে দেয়া!তোমার কি মত,তুমিই বলোঃ
ভোলা কি যায়?নাকি কেহ ভুলতে পারে-
ভুলে যাওয়ার কথা আজকে এতো করে ভাবছো কেন,
তোমায় কেন ভাবতে হচ্ছে এই এতোদিন গভীর খেলায়
মগ্ন থেকে-আজকে কেন নতুন করে ভাবতে হচ্ছে-
‘ভুলতে হবে’?এই এতোদিন পরে আমি এতোটা পথ
হেটে এসে আবার যে কোন চুলোয় যাবো,নতুন সে কোন
খানকি মাগীর দিকে আমি হাত বাড়াবো বলতে পারো?

বিস্তারিত»

হূ আহমেদ এবং রোযার কিছু কায়দা কানুন

বাংলাদেশ এবং দেশে বিদেশে থাকা বাঙালিরা (পূর্ব বঙ্গের)এখন ভুগছে হুমায়ুন আহমেদিয় জ্বরে। আলাদা করে পুর্ব বঙ্গ বলার কারণ কলকাতার ওঁরা নাকি হুমায়ুনের শোকে পাথর হননি। কি আর করা বাংলাদেশের বাঙালিরা এর উপযুক্ত জবাব চায়। ইন্টারনেট (বিষেশত ফেসবুক) ও পত্রিকাগুলো খুললেই পাওয়া যাচ্ছে এসব খবর। কেনো আমি এভাবে ভাবছি?! আমিও তো কয়েকখান স্ট্যাটাস শেয়ার করে দিলেই পারি; কি অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে বাঙলা সাহিত্যের, হুমায়ুন কতো উচু  মাপের লেখক ছিলেন,

বিস্তারিত»

আমাদের বাদশাহ নামদার হুমায়ুন আহমেদ

অকালেই চলে গেলেন হুমায়ুন আহমেদ। দেশের সব স্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হলেও সব চেয়ে নন্দিত ছিলেন মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর কাছে। ছিলেন মধ্যবিত্তের অন্যতম প্রতিনিধি। আমাদের একটি বিখ্যাত সামাজিক বচন- উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে, তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে। মধ্যবিত্তের এই তফাতে চলা কথাটা এক ধরণের বক্রোক্তি হলেও, বাস্তব সত্য হচ্ছে মধ্যবিত্তের তফাতে চলা ছাড়া উপায় নেই। কারণ মধ্যবিত্তকে হিসাব করে চলতে হয়। সেই হিসেবে সামান্যতম ভুল হবার জো নেই,

বিস্তারিত»

ধন্যবাদ হুমায়ুন আহমেদ ও তার মৃত্যুকে

হুমায়ুন আহমেদ মানুষ হিসেবে কেমন ছিলো সেটা নির্ণয় করার আমি কেউ না । অথবা অন্যভাবে বলতে গেলে এই মুহূর্তে আমি তাকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন বোধ করছি না । তবে গত ৫ দিনে যা ঘটলো সেটা থেকে মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায় তিনি একজন শক্তিধারী লেখক ছিলেন – হতে পারে সেটা সস্তা সাহিত্য, হতে পারে সেটা শ্রেষ্ঠ পর্যায়ের কথাসাহিত্যের রূপকার হিসেবে । কিন্তু সেটাও মাথা ঘামানোর মত তেমন কিছু না ।

বিস্তারিত»

আবু জাহলের ছেলে ইকরামাঃ ইনিই কি সেই লোকটি?

রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সাহাবা হবার সৌভাগ্য যারা লাভ করেছেন কুরআনে বর্ণিত আয়াতের প্রেক্ষিতে তাদের নামের সাথে একটি বিশেষণ তৎপরবর্তি কালের স্কলারগণ যুক্ত করেছেন যা হলো ‘রাদিআল্লাহু আনহু’, যে কথাটার অর্থ হলো আল্লাহ্ যার উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন। এই বিশেষণটি যে একদিন ইকরামার জন্য প্রযোজ্য হবে তা ছিল অসম্ভব কল্পনার মতো। তার বাবার নাম হলো আবু জাহল্, যে লোকটি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলো ইসলামের প্রধান শত্রু। বাবার মতোই ইসলাম ও মুসলিমদের সাথে শত্রুতায় আর সকলের চেয়েই অগ্রগামী ছিলো ইকরামা (কিংবা ইকরিমা,

বিস্তারিত»

হুমায়ূন আহমেদ : এক অনন্য স্রষ্টা

* এই লেখাটার বয়স ছ’বছর। কলেজ বার্ষিকীতে ছাপাবার জন্যে লেখা। কৈশোর জীবনের অণুপ্রেরণা এই প্রিয় লেখককে শ্রদ্ধা জানাতে সামান্য কিছু প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে এখানে দিলাম। প্রসঙ্গত, কারো যদি লেখার কোন অংশ নিয়ে দ্বিমত থাকে, তবে নির্দ্বিধায় প্রকাশ করবেন, তবে এতদিন আগে ভিন্ন চিন্তাভাবনা নিয়ে লেখা একটি রচনা নিয়ে তর্ক করবো না!

“আমাকে আর দশটা ছেলের মতো হলে চলবে না। আমাকে হতে হবে অসাধারণ।

বিস্তারিত»

অচিনপুরে যাত্রা…

হুমায়ূন আহমেদ চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর কিছু কাজের জন্য তাঁকে অপছন্দ করলেও তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য প্রাপ্য সম্মানীয় জায়গাটি ছিল অটুট। আমার একজন প্রিয় মানুষ ছিলেন তিনি। অদ্ভুত এক ধরনের শূন্যতা বোধ করছি।

শিল্প-সাহিত্যে ভয়ংকর রকম দুর্বল আর পিছিয়ে থাকা এই আমার সাহিত্য জগতে যা কিছু বিচরণ তার প্রায় পুরোটা জুড়েই হুমায়ূন আহমেদের গল্প আর উপন্যাস – বাকিটা জাফর ইকবাল, সত্যজিৎ রায় আর আর্থার কোনান ডয়েল এর কিছু লেখা।

বিস্তারিত»

একটি নক্ষত্রের বিদায়

আজ সকালে উঠে অভ্যাসবশতঃ অনলাইনে পত্রিকা খুলেই দেখি হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যু-সংবাদ! – আমার কাছে এটা একটা আকষ্মিক সংবাদই। কারণ, পত্রিকা মারফত বেশ কিছুদিন ধরে জানতে পারছিলাম তার শরীরিক অবস্থার ক্রমান্নতির কথা। আশা করেছিলাম তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আবার ফিরে আসবেন আমাদের মাঝে।

আমার পাঠাভ্যাসে এক বিশাল অংশ জুড়ে আছেন হুমায়ুন আহমেদ। শুরু করেছিলাম তার ‘আমার আছে জল’ আর ‘তোমাদের জন্য ভালোবাসা’ দিয়ে, সে-ই ক্লাস সিক্সে।

বিস্তারিত»