ফিরে আসুন হুমায়ূন আহমেদ

ছোট বেলায় তখনকার সময়ের একমাত্র সম্বল বিটিভিতে দেখা ধারাবাহিক নাটকগুলোর মধ্যে প্রথম সবচেয়ে পুরনো যে নাটকটি কথা মনে আছে সেটা হলো বহুব্রীহি, এর আগে প্রচারিত আরো দু একটা নাটকের নাম আর দু একটা দৃশ্যের কথা মনে পড়লেও সেটা ঠিক স্মৃতির পর্যায়ে পড়ে না। যেমন সকাল সন্ধ্যা আর এইসব দিন রাত্রি, এর মধ্যে কোন একটার মূল চরিত্রে ছিল পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় আর আফরোজা বানু, সেটার কিছু দৃশ্যের কথা মনে আছে।

বিস্তারিত»

গুডবাই সিসিবির জবাব

জনাব মহসীন ইমরান
আপনি আমার বলিষ্ঠ ভূমিকার প্রশংসা করেছেন, এজন্যে আপনাকে ধন্যবাদ। অনেকে আপনার লেখনীর প্রশংসা করেছেন, তাদের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি, এই ব্লগটি ক্যাডেট কলেজ ব্লগ। অর্থাৎ প্রাক্তন ক্যাডেট এবং তাদের পরিবার সদস্যরাই এর সদস্য হবার যোগ্যতা রাখেন। আপনার ক্যাডেট পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হওয়াতেই এত সংশয়। আর আপনি নিজেই বলেছেন কলেজ আপনাকে গ্রহণ করে নাই। এর বেশি কিছু বলারও নাই।
আর আপনার লেখার যারা ভক্ত,

বিস্তারিত»

তারেক মাসুদ এবং আমরা

জহির রায়হান, আলমগির কবীর, এবং তারেক মাসুদ আমাদের ফিল্মের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র; এদের তিনজনকেই আমরা অকালে হারিয়েছি । আবিশ্বাস্য হলেও সত্যি জহির রায়হানকে হত্যা করেছে আল-বদর/রাজাকার, তাও ১৬ই ডিসেম্বরের পরে, আর আলমগীর কবীর, এবং তারেক মাসুদ দুজনকেই হারাতে হল সড়ক দুর্ঘটনায়। তারেকের “মাটির ময়না” আমাদের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের চলচিত্র এবং উল্লেখ্য যে, মাটির ময়নার পুরটাই আমাদের মাটির রস সিঞ্চিত। আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় বর্ষের ছাত্র,

বিস্তারিত»

গভীর শ্রদ্ধা: চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ

কিছু মানুষ থাকেন যাদের মুক্ত চিন্তা, নিঁখুত রাজনীতি সচেতনতা এবং নির্মল টলটলে দৃষ্টিভঙ্গী ও জীবনবোধ আমার বা আমাদের মতো ছাপোষা মানুষদের জীবনকে গভীরভাবে স্পর্শ করে এবং মননকে বিশেষভাবে আলোড়িত করে। আমার কাছে তারেক মাসুদ তেমন একজন ব্যক্তিত্ব। মানুষটিকে চিনেছি ‘মাটির ময়না’ দিয়ে। এবং এরপর ‘মুক্তির গান’ দেখার মাধ্যমে। আর কিছু টেলিভিশন ইন্টারভিউ, পত্রিকার প্রবন্ধ এবং সাক্ষাৎকার ধরণের লেখার মাধ্যমে। কি নম্র ভব্য তাঁর বাচন এবং প্রকাশভঙ্গী।

বিস্তারিত»

ইসসিরে……ঢাকায় গ্যাস নাই

ইসসিরে, ঢাকার বাসায় গ্যাস নাই। এখন সেহরি ইফতার কেমনে খাই!!!
(ঢাকায় আগমণের পর মালসিংহ ফয়েজ ভাইয়ের বোধদয়)
বিঃদ্রঃ চিন্তা করবেন না ফয়েজ ভাই, সামিয়া আপনাকে সেহরির জন্য ডিনারপ্যাক আর মাম পানির বোতল দিয়ে দিবে।

বিস্তারিত»

সৃষ্টিকর্তার সাথে কিছুক্ষণ!!!

স্বপ্ন ছিল সৃষ্টিকর্তার সাথে দেখা করবো!!!
কল্পনায় দেখা হলো… …

“তুমি আমার সাথে দেখা করতে চাও?
জিজ্ঞাসা করলেন তিনি।

-যদি আপনার সময় হয়

তিনি হাসলেন।
-“আমার সময় অনন্ত তো তুমি কী জানতে চাও?

-মানুষের কোন দিকটা আপনাকে অবাক করে?

-“এই যে তারা শৈশব নিয়ে বিরক্ত হয়ে পড়ে
খৃব তাড়াতাড়ি বড় হতে চায়
অতঃপর..

বিস্তারিত»

আজম খান

চুপ,চুপ,চুপ, অনামিকা চুপঃ

তখন সম্ভবত সেভেন বা এইটে পড়ি, বাসায় টিভি চ্যানেল বলতে সেই আদি অকৃ্ত্রিম বিটিভি। ডিশের স্বাদ পেতে তখনো অনেক দেরি তাই পড়াশোনা বাদে বাসায় থাকার সময়টাতে বাংলা সিনেমা, নাটক, বির্তক, খবর সব দেখি। এমনকী মাঝে মাঝে জনি প্রিন্ট শাড়ির এ্যাড দেখার জন্যও বসে থাকি। সেই সময় একদিন হঠাৎ বিটিভি ছাড়তেই দেখি এক টিঙটিঙে বুড়ো গান গাইছে- চুপ, চুপ,চুপ, অনামিকা চুপ

বিস্তারিত»

আপডেটঃ মুক্তিযোদ্ধা মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়ার সাথে সরাসরি আড্ডা, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে

আমাদের আশা ছিলো মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করার। কিন্তু আয়োজকদের ব্যর্থতায় খুব বেশি সংখ্যক মানুষের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে ভেন্যু এবং সময় পরিবর্তনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। অনানুষ্ঠানিক আড্ডাটি হবে মেজর কামরুল হাসানের নিজ কার্যালয়ে। সময় পরবর্তীতে ঘোষণা পোস্টে জানানো হবে।

সবাইকে ধন্যবাদ।
________________________________________
আগামী ১০ই জুন বিকাল চারটা থেকে সন্ধ্যা মুক্তিযোদ্ধা মেজর কামরুল হাসান ভূঁইয়ার সাথে একটি আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে।

বিস্তারিত»

“খুকি, সব্যসাচী ও একজন গুরুর গল্প”

মৃত্যুশয্যায় আজম খান

আজকে টিভিতে দেখলাম লাইফ সাপোর্ট দিয়ে বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের গুরু আজম খানকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। শুধু নাকি তার মস্তিষ্ক কাজ করছে।
হয়তো সাপোর্টও খুলে নেওয়া হবে।

ধরে নেওয়াই যেতে পারে এই মহান শিল্পী আর আমাদের মাঝে থাকবেন না। কিন্তু তার সৃষ্টি থাকবে।Screen Shot 2015-10-14 at 13.36.20

আমার প্রিয় ব্যান্ড শিল্পীদের মাঝে আজম খান সর্বত অগ্রে থাকবেন।

বিস্তারিত»

তোমারে দাও, আশা পুরাও

ঠাকুর এ পৃথিবীর বায়ু গ্রহণ করেছিলেন আশি বছর। দিয়ে গেছেন তার চেয়ে অনেক, অনেক বেশি। জন্মেছিলেন কলকাতার সবচাইতে সম্ভ্রান্ত পরিবারে। ঐশ্বর্য কম দেখেননি, ছেলেবেলা থেকেই দেখেছেন চারপাশে জাঁকজমকের আধিক্য। বিলাত ভ্রমণ করে আসা জমিদারপুত্র রবীন্দ্রনাথ হয়ে থাকাই তার জন্য অনেক সহজ ছিল। কিন্তু সে পথ তাকে টানেনি। টেনেছে তাকে নানা রকমের প্রশ্ন; টেনেছে তাকে জীবন।

সেই আশি বছরে ঠাকুর প্রেম খুঁজেছেন, প্রেমের কারণ খুঁজেছেন,

বিস্তারিত»

“একটা চিঠি” ……(বাবা-মায়ের লেখা, যা পোস্ট করা হয়নি)……….

প্রিয় সন্তান,
…………

আমি যখন বার্ধক্য উপনীত হবো…।আমি আশা করবো.. “তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সাথে ধৈর্যশীল হবে”

ধরো আমি যদি হঠাৎ থালা ভেঙ্গে ফেলি,অথবা টেবিলে স্যুপ ফেলে নষ্ট করি…..
কারণ আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হরিয়ে ফেলছি….। আশা করি তুমি আমার প্রতি চিৎকার করবে না।

বয়স্ক মানুষ খুব স্পর্শকাতর….……
তুমি যখন চিৎকার করে কথা বলো তখন তারা নিজের কাছে খুব ছোট হয়ে যায় ,

বিস্তারিত»

হাবিবুল্লাহ স্যারের অপ্রত্যাশিত চিরবিদায়

ছোটবেলায় আব্বার কাছে শুনতাম ‘কলেজের বারান্দায় পা না রাখলে নলেজ হয়না’।১৯৯৩ সালের ২০শে মে সপ্তম শ্রেনীতেই ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের আঙ্গিনায় পা রাখার মাধ্যমে আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়।নলেজ হয়েছে কিনা জানিনা কিন্তু আমার কলেজ যে অনেক নলেজেবল স্যারের উপস্থিতিতে নলেজের আধার ছিল তা বেশ বুঝতে পারি।
কলেজে গিয়েই হাউস মাস্টার হিসেবে পাই ইংরেজীর হাবিবুল্লাহ স্যার কে।অনেক জ্ঞানী,ড়ায়নামিক,মানষিকভাবে অনেক তরুন সেইসাথে কড়া।একদিন উইকএন্ড মুভি শো হচ্ছিল অডিটরিয়ামে।আমি তখনো যাইনি,হাউসে ফাঁকি মারছিলাম।হাউসের সামনে স্যারের কাছে ধরা।স্যার খুব শান্তভাবে জিজ্ঞেস করলেন কেন যাইনি।আমি আমতা আমতা করে কিছু বলতে গেলেই আমাকে ধরার জন্য থাবা দিয়েছেন।আমি যখন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলাম স্যারও আমাকে ধরার জন্য রীতিমত দৌড়।ধরতে না পারলেও ঐ বয়সে ভালই ধাওয়া দিয়েছিলেন আমাকে।স্যার কোন এক টার্মে আমার রেজাল্ট শীটে হাউস মাস্টারের কমেন্টে লিখলেন “সম্ভাবনাময় ক্যাডেট” যা আমার মনে খুব দাগ কেটেছিল।কালে কালে বেলা অনেক গড়িয়েছে স্যারও অবসর জীবনে চলে গিয়েছেন।গত রিইউনিয়নে(ডিসেম্বর ২০০৯)অনেকদিন পর স্যারের সাথে দেখা।সালাম দেয়ার পর স্যারকে বললাম,

বিস্তারিত»

ছাগলে তো সব ঘাস খেয়ে ফেললো…

ঢাকার বন্ধুর ফোন এল।

– কিরে, তুই নাকি ইউনুসের জন্যে ‘ফাইট’ করছিস।
– ঠিক ইউনুসের জন্যে না। আমার জন্যে।

অপর দিক থেকে খানিকক্ষন চুপচাপ।

– তাহলে ঠিক আছে।
– ঢাকার লোকের চিন্তাধারা কোন দিকে?
– সবাই আছে যায় যার তালে। এদিকে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। জানিনা কোন দিকে যাচ্ছে।
– তোর তো কোন অসুবিধা নেই।

বিস্তারিত»

ইতিহাসের অংশ

কলেজে কয়েকটা বিষয় ছিল- ইতিহাস, পৌরনীতি, ভূগোল যেগুলো বিজ্ঞান মানবিক বিভাজনের পর বিজ্ঞানের ছাত্রদের তেমন একটা পড়তে হয়নি। সংগত কারণেই এই বিষয়গুলো শেষ পড়েছি সেই ১৯৯৭ সালের দিকে। কিন্তু এখনো মনে পড়ে ইসহাক আলী স্যার এর পৌরনীতি বা হেদায়েতুন নবী স্যারের ইতিহাস পড়ানো। ইসহাক আলী স্যারকে নিয়ে আমার ফ্ল্যাশব্যাকে কিছু শেয়ার করেছিলাম পরে হয়ত আরো কিছু শেয়ার করবো কিন্ত আজ ইতিহাস নিয়েই বলতে চাই।

বিখ্যাত শিল্পী রফিকুন্নবীর(রনবী)ভাই হওয়ার কারণে হেদায়েতুন নবী স্যারকে হেনবী বলতাম আমরা।

বিস্তারিত»

এলোমেলো কথামালা-২

এলোমেলো কথামালা-১

১। এই সিরিজটি শুরু করার সময়ে ভেবেছিলাম…পরের কয়েকটি পর্ব জুড়েই শুধু বদরুল ভাইয়ের (নামঃ বদরুল আলম, ক্যাডেট নং-৩৯৯, বদর হাউস, ৮ম ইনটেক, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ, কলেজে অবস্থানকালীন সময়ঃ ১৯৭১-৭৭) কথা লিখবো। কিভাবে তিনি তুরস্কে আসলেন…কিভাবে ভাবী-র সাথে তাঁর পরিচয়…বিবাহ…সন্তানদের গল্প…ইত্যাদি …ইত্যাদি।

২। পরের দিকে লিখতে চেয়েছিলাম…কিভাবে তিনি তুরস্কের মার্সিন শহরে একজন অনাহুত আগন্তক থেকে সেখানে একজন ব্যবসায়ী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন…কিভাবে তিনি বাংলাদেশের একজন ব্যবসায়ী-র পাল্লায় পড়ে ২/৩ লাখ মার্কিন ডলার লস খেয়েছিলেন……আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছিলেন…।

বিস্তারিত»