হুমায়ূন আহমেদ

আমার এখন হিংসাই হচ্ছে। একটা মানুষ এত মানুষের ভালবাসা পায় কি ভাবে। মাত্র ঘন্টা খানেক পার হয়েছে তার মৃত্যু সংবাদের অথচ দেশ-বিদেশ জুড়ে সবাই শোক-বার্তা পাঠাচ্ছে। বন্ধুর ফোন পাচ্ছি – “শুনেছিস ?”

হুমায়ূনের লেখার ভাষা সহজ সরল – কোন অতিরিক্ত বাহুল্য নেই সেখানে। অথচ এই সহজ ভাষার লেখা দিয়েই সবার মন জয় করেছেন তিনি। এখানে অবশ্য তার লেখা সম্পর্কে কিছু লিখতে বসিনি। ইতিমধ্যে অনেক লেখা বের হবে হুমায়ূনের জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় নিয়ে।

বিস্তারিত»

প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ

প্রিয় হুমায়ুন আহমেদ,

অনেক আবেগ জমে গেলে আমি লিখতে পারিনা। শ্রাবন মেঘের দিনে তোমার চলে যাওয়াটাও মানতে পারছিনা। এই শ্রাবনে তোমার কোথাও যাবার কথা ছিলনা। শঙ্খনীল কারাগার কিংবা নন্দিত নরক কেউ তোমাকে পাওয়ার যোগ্য নয়। তুমি কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ হয়ে আমাদের জোছনা ও জননীর গল্প শোনাবে। তেতুল বনে যে জোছনার রূপ ঝরে পড়বে। মধ্যাহ্নের তীব্র রোদে হিমু হেঁটে চলবে ঢাকার রাস্তায়,তুমি রূপাকে চিরদিনের জন্য তাঁর করে দেবে।

বিস্তারিত»

সাহাবী আবদুল্লাহ বিন হুজাফাহ আস সাহমীঃ “প্রতিপালক, শুধু তোমার কাছেই আমি মাথা নুইয়েছি”


রাসুলুল্লাহ সাঃ যখন ইসলামের প্রচার শুরু করেছেন, তখন পৃথিবীর পূর্বাঞ্চলে দুটি সুপার পাওয়ার কর্তৃত্বরত ছিলো। এর একটি ছিলো বাইজেন্টাইন রোমান সাম্রাজ্য আরেকটি হলো পারস্য সাম্রাজ্য। সে সময় বাইজেন্টাইন সম্রাট হলেন হিরাক্লিয়াস আর পারস্য সম্রাট খসরু পারভেজ (আরবীতে বাইজেন্টাইন সম্রাটকে বলা হতো কাইসার আর পারস্য সম্রাটকে কিসরা)। দীর্ঘ সময় ধরে এই দুটি প্রতিবেশী সাম্রাজ্য যুগপত বিস্তার করে চলছিলো তাদের রাজ্যের সীমানা। একই সাথে পরস্পরের সাথে অব্যাহত বিরোধে প্রতিনিয়ত মারা পড়ত তাদের হাজার হাজার সেনাদল।

বিস্তারিত»

দ্বিতীয় জন্ম, প্রথম মৃত্যুর আগে

ক্লাস সেভেন পর্যন্ত বেশ গালভারী একটা নাম ছিল আমার। লোকে জিজ্ঞেস করলে যখন বলতা, তখন অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যেত। মাহিন? মাজিদ? তখন আমি বলতাম, “না, মাহিদ। শেষে “দ” হবে।” সামীউর রহমান নামটা তখন শুধু ব্লু বার্ড স্কুলের নাম ডাকার খাতায়, গড়ে প্রতি ২৮ ঘন্টায় একবার শুনতাম! ঐ স্কুলের প্রথম পিরিয়ডে আরকি! ১৫ বছর আগের আজকের দিনটায় এয়ারপোর্ট রোডের চা বাগানগুলো ছাড়িয়ে যখন সাদা চুনকাম করা দালানগুলো চোখে পড়েছিল,

বিস্তারিত»

আবু জর আল গিফারীঃ ডাকাত থেকে সাহাবী

মক্কা যে গিরিপথের মাধ্যমে বাকী পৃথিবীর সাথে যুক্ত ছিল সেটা ছিল ওয়াদান ভ্যালী এবং সেখানেই ছিল গিফার গোত্রের বাস। অত্যন্ত দুর্ধর্ষ এই জাতি মক্কা এবং সিরিয়ার মধ্যে যে সকল বানিজ্য বহর চলাচল করত তাদের জিম্মি করে চাঁদবাজী করত । বানিজ্য কাফেলা তাদের দাবী পূরণে ব্যর্থ হলে তারা মালামাল আর ধনসম্পদ লুন্ঠন করত । জুনদুব ইবন্ জুনাদা নামে এই গোত্রের ভয়ংকর এবং ক্ষিপ্র একজন নেতা ছিল,

বিস্তারিত»

সকল রবীন্দ্রনাথকে রবীন্দ্রজয়ন্তীর শুভেচ্ছা

আমার মাথা নত করে দাও হে
তোমার চরণ ধূলার পরে,
সকল অহংকার হে আমার
ডুবাও চোখের জলে

ঠিক এ কথাগুলোই মনে বাজছিল যখন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার একটি একক রবীন্দ্রসন্ধ্যা দেখছিলাম। ইচ্ছে করছিল তখনই গিয়ে ঠাকুরের পায়ের ধুলো নিয়ে আসি। কথায় আছে অতি শ্রদ্ধার মানুষের পায়ের ধুলো নাকি সোনালী হয়। রবীন্দ্রনাথের পদধূলি নিশ্চিত স্বর্ণই ছিল।

ঠাকুরবন্দনা আসার আগে বণ্যাবন্দনায় আসি।

বিস্তারিত»

“সত্য” সমগ্র

আজকাল ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের ফলে কলেজের স্মৃতিচারন করা সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। কোন কাহিনী লিখতে গেলে তা স্যার অথবা এডজুট্যান্টের চোখে পরার সমূহ সম্ভাবনা। 😕 কিছুদিন পূর্বে বন্ধু দিবসের এই পোস্টের ম্যাডাম তার পোস্ট খানা পড়ে বড়ই লজ্জ্বাগ্রস্থ হয়ে পরেছে বলে খবরে প্রকাশ। :grr: তাই “নাম বলব না” খালি অর্থনীতির এক শিক্ষকের কাহিনী বলে ক্ষান্ত দিব।

ক্লাশ নাইনে থাকতে স্যারের এফসিসি থেকে বিসিসিতে আগমন।

বিস্তারিত»

জীবনের ওপারে আকাশগঙ্গা…..

মৃত্যু- যখন আসার কথা তখনই আসবে। সময়মতোই এসে হাজির হবে-
উদার কপাটে-
থামানো যাবে না তাকে কোনমতে।

ক্ষয়রোগ বাসা বেঁধেছে- চলে যেতে কীটস এর পথে। শরীরটা শেষ ঝাকুনি দিয়ে
থেমে যাবে অবশেষে- চির দুখী বিদায়ে।
ভাবতেই পারি না কোনভাবে- নাহ! মানতেই পারি না যে!

এই আলোর মতো জীবনটা, এই চৈত্রের হলকা হলকা হাওয়ার মতো জীবনটা
আমার- নাই হয়ে যাবে একেবারে!

বিস্তারিত»

লিখছি নয়, পড়ছি

বিভিন্ন ব্যাস্ততায় লেখা হয়ে ওঠেনি বেশ কিছুদিন। তবে সময় পেলেই ব্লগে ঢু মেরে গেছি, অন্তত মন্তব্যগুলো মিস না করার চেষ্টা করেছি। সময় যেটুকু পাচ্ছি পড়ে পার করছি।

হুমায়ুন আজাদ এর বইগুলো আবার পড়ছি। বাংলাদেশে থাকলে একই অনুভূতি (বই পড়ার) হতো কিনা বলতে পারছি না। এই বিদেশের মাটিতে ব’সে, বিশেষ ক’রে এই স্বাধীনতার মাসে ছাপ্পানো হাজার বর্গমাইল পড়ার অনুভূতি কিছুটা আলাদা বৈকি।

বিস্তারিত»

যখন তুমি হঠাৎ করেই এতোটা একা হয়ে যাও

কতটা একা হয়ে গেলে নিজেকেও অনেক একা মনে হয়!
ঢোক গিলে গিলে কাঠ হয়ে যাওয়া গলাকে ভেজাতে হয়
মীরাক্কেল দেখেও হাসি পায় না- কতটা একা হয়ে গেলে মানুষ হাসির কথাও ভূলে যায়!

কতটা একা হয়ে গেলে নিজেকেও অনেক একা মনে হয়!
এদিকে ওদিকে তাকাতে তাকাতে বেলা গড়ায়, বিছানায় গড়িয়ে গড়িয়ে প্রণব ভৌমিক আবার উঠে দাড়ায়-
কানের পাশে মাথার রগগুলো তিড়তিড় তড়পায়
হাতের নখগুলো দাঁতের আদুরে চিমটিতে ছোট থেকে ছোট হয়ে যায়
কতটা একা হয়ে গেলে মানুষ হতাশার কথা ভূলে যায়!

বিস্তারিত»

আনুশেহ’র ভারচ্যুয়াল ‘রাই’

সকালে নাস্তা খেতে খেতে দৈনিক পত্রিকাগুলোয় নজর দিচ্ছিলাম। এমন সময় লুবনা আপার ফোন। লুবনা আপা অর্থাৎ লুবনা মরিয়ম। এবিসি রেডিও’তে “অপরাজিতা” নামে নারীর গল্প-কথার একটা আয়োজনের সঞ্চালক আমি। সেই আয়োজনে এসেছিলেন তিনি। তখন থেকে পরিচয়। স্নেহ করেন। মাঝে-মধ্যে ফোন করেন।

পরিচিতদের ফোন পেলে একটু ভয়ে ভয়ে ধরি আজকাল। তাদের ফোনগুলো অবশ্য আসে ভালোবাসার দাবি থেকেই। এবিসি রেডিও’তে কোনো ভুলভাল হলে, কিছু খারাপ লাগলে বা ভালো লাগলে তারা ফোন করেন।

বিস্তারিত»

“শুভেচ্ছা”

আজ সকালে ঘুম ভাঙ্গল ঠাডা পইরা। ঠাডা বুঝেন? বজ্রপাত রে আমাগো এলাকায় ঠাডা কয়।

 

সকালে সারে সাতটা নাগাদ বাপে ফোন দিয়া ঘুম ভাঙ্গাইল।ঘুম জড়ানো গলায় বললাম

-স্লামুয়ালাইকুম আব্বু

-নিচে আয়। আমি তোর বাসার নিচে।

ঘুম ছুইটা গেল। রুমের চারি দিকে তাকাইয়া।রুমের অবস্থা দেখে ইচ্ছা করল সিড়ি দিয়ে না নেমে সরাসরি ছয় তলা থেকে লাফ দিয়া নাইমা যাই।

বিস্তারিত»

“শাহাদাত”নামা

জনাব কাজী শাহাদাত হোসেন রাজীব শ্রীচরণেষূ
হে উদার
অর্ধ যুগ আগে, বিলাতের এক গ্রীষ্মকালে তোমার বদনখানি ভাসিয়া উঠিয়াছিলো বোকাবাক্সের চৌকোণায়। তুমি নাকি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট খেলিতে নামিতেছ। পত্র পত্রিকা মারফত জানিয়ছিলাম, বহুদিন পর নাকি এই অভাগা বঙ্গে এমন এক মানবসন্তানের আগমণ হইয়াছে, যে ফাস্ট বোলিংটা করিতে জানে। আরও জানিয়াছিলাম, তোমার আছে তালগাছের ন্যায় উচ্চতা আর ভীমের ন্যায় শক্তি। লক্ষণের শক্তিশেলের মত তুমিও নাকি চামড়ার গোলকটাকে সবেগে ছুঁড়িতে পার।

বিস্তারিত»

“মানিক বন্দোপাধ্যায় ও তার গল্প লেখার গল্প” -শেষ পর্ব

“মানিক বন্দোপাধ্যায় ও তার গল্প লেখার গল্প” –১ম পর্ব পড়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে…

গল্প লেখার গল্পঃ

“একদিন কলেজের কয়েকজন বন্ধু সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করছে। আলোচনা গড়াতে গড়াতে এসে ঠেকলো মাসিকপত্রের সম্পাদকের বুদ্ধিহীনতা, পক্ষপাতিত্ব, দলাদলি প্রবণতা ও উদাসীনতায়। বললাম, ‘কেন বাজে কথা বকছো? ভালো লেখা কি এত সস্তা যে, হাতে পেয়েও সম্পাদকেরা ফিরিয়ে দেবেন? মাসিকগুলি তো পড়ো, মাসে ক’টা ভালো গল্প বেরোয় দেখেছো?

বিস্তারিত»

“মানিক বন্দোপাধ্যায় ও তার গল্প লেখার গল্প” -১ম পর্ব

ইদানীং কোন লেখকের লেখা পড়তে যতটানা আগ্রহ বোধ করি তার চাইতে কেন জানি বেশি আগ্রহ জাগে ঐ লেখকের নিজের সম্বন্ধে, সেই সাথে তার লেখা সমূহের পেছনের ইতিহাস সম্বন্ধে, যা বেশির ভাগ সময় আমাদের কাছে অজানাই থেকে যায়। কল্পজগতের নাটকের চাইতে লেখকের নিজের জীবন যে ভাবনা তা আমার কাছে অনেক অনেক বেশি নাটকীয় মনে হয়। সেই সব অজানা কাহিনী যতই একের পর এক পাপঁড়ি মেলে ধরে ততই বিস্মিত হই।

বিস্তারিত»