সুশীল অবকাশ
রাজপথে ছুটে চলে কলের দানব যত
লোকটা ঘুমায় অঘোরে জিন্দালাশের মত
মাছি বসলেও নড়ে না
কারও দিকে তাকায় না
সুশীল অবকাশে মানবতা নত।
[ শিরোনামটি মোকাব্বির সরকারের ব্লগ থেকে ধার করা]
বিস্তারিত»সুশীল অবকাশ
রাজপথে ছুটে চলে কলের দানব যত
লোকটা ঘুমায় অঘোরে জিন্দালাশের মত
মাছি বসলেও নড়ে না
কারও দিকে তাকায় না
সুশীল অবকাশে মানবতা নত।
[ শিরোনামটি মোকাব্বির সরকারের ব্লগ থেকে ধার করা]
বিস্তারিত»এক।
এবং সে ছোরা,
খালের ঘোলাজলের
কোলাহলে
পড়ে থাকা সে
একদা-রক্তাক্ত
ক্লান্ত হতাশ ছোরা –
রাগে নিশপিশ বাঁট নিয়ে
একদা-উদ্ধত
একবুক যৌবন নিয়ে
মিছেমিছিই
দেখে স্বপ্ন
আর গুনগুন করে গান :
আ হা,
তেমন হাতে
ফিরে গেলে ফের
যকৃৎ কণ্ঠনালী চিরে চিরে
ফোটাতো কত
বর্ণিল বাগান!
দুই।
বিস্তারিত»জ্যৈষ্ঠের দুপুর
করোটিতে সূর্যকিরণ
মগজ হলো কর্পূর
জ্যৈষ্ঠের দুপুর।
বৃষ্টি আবাহন
ডিম মুখে পিঁপড়ের দল চলছে সারি সারি
ঝালাপালা হলো কান ঝিঁঝিঁর কিরি কির কিরি।
গলা ফুলিয়ে কোলা ব্যাঙ
গাইবে শুধু ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।
ঝমঝমিয়ে মুষলধারে নেমে আসুক বারি !
[০১.০২.১৪২১]
বিস্তারিত»ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ জাহাঙ্গীর গেট সংলগ্ন শাহীন কলেজে ভর্তি পরীক্ষা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগের পরীক্ষাটিতে কিছু একটা গোলমাল করে এসেছি। শুনে বাসায় সবার মুখ কালো। বিরতির পরের দুটো পরীক্ষা দিয়ে মনে হচ্ছে সম্ভব…দেখা যাক। সংবাদপত্রে রোল নম্বর দেখে মায়ের মুখে হাসি দেখেছিলাম কি? মনে নেই। শুক্রবার আসা হলো মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ প্রাঙ্গনে। মৌখিক পরীক্ষা। হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হলো আমাদের ১০-১৫ জনকে। সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট হাতে ছোট টেস্টটিউব ধরিয়ে দিয়ে কর্কশ গলায় বলল,
বিস্তারিত»২০১৪ সাল।এপ্রিল মাসের প্রথম পক্ষ ।আমার স্বামী বেচারা খুব অন্যমনষ্ক।ন্যাড়া মাথা বিমর্ষ মুখ।কী যেন ভাবে।মনে হয় ঘোরের মধ্যে আছে।জানালা দিয়ে মাঝে মাঝে রাস্তার দিকে তাকায়।বিশেষ কিছু খুজে।রাতে ঠিক মত ঘুমায় না।ছোট চার্জার লাইট জালিয়ে ডায়েরীতে কী সব লেখে।হঠাৎ করে তার খুব হাইকু লেখার বাতিক হয়েছে। বাস্তব জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য কয়েক দিন আগে হুমকি দিয়েছিলাম। ছন্দের আকারে-
হাইকু লেখলে হাত ভাঙ্গব
কলম আর কম্পিউটার
কবি হতে চাইলে ফের
বাড়ি খাবে ঝাঁটার।
ক্লাস সেভেনের সেকেন্ড টার্মে। তখন আমরা সকাল-বিকাল ড্রিল করি। অথরিটির দয়া যেদিন উপচে পড়ার পর্যায়ে চলে যায় সেদিন বিকেলে গেমস করি। এমন এক উপচে পড়া দয়ার বিকেলে গেমসের সময়ে অ্যাথলেটিক্স গ্রাউন্ডের কোনার আম গাছ থেকে তিনজন ক্লাস সেভেন আম পাড়ছিল। এ পাড় থেকে গ্রাউন্ড সুপার তাদের নাম জানতে চাইলে ক্লাস সেভেনের আমরাও নাম বলে দিলাম জসীম, কাশেম এবং রুবেল। বিজয়ীর হাসি মুখে নিয়ে নাম লিখে নিয়েছিলেন গ্রাউন্ড সুপার,
বিস্তারিত»
ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্স আন্তর্জাতিক স্থাপত্য ও শিল্পের ইতিহাসে কি পরিমান গুরুত্ব বহন করে এ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই। কিসের জন্য এই বিশাল স্বীকৃতি, কেন এই পোস্ট-মডার্ণ স্থাপনা পৃথিবীর সর্বকালীন সেরা ১০০ স্থাপত্যের নিদর্শনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে, তা নিয়ে অনলাইন ঘাটলে প্রচুর লেখা পাওয়া যাবে। তবে একটা precise সারমর্ম দাঁড় করাতে চাইলে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যবইয়ের কোন বিকল্প নাই।
বিস্তারিত»কালবৈশাখী
ধূলা বালি শিমুল তুলা
খড়কুটা ঝরা পাতা
শোঁ শোঁ শোঁ পাগলা হাওয়া
রাতকানা চোখে
খিচখিচে ধোঁয়া।
গুড় গুড় গুড় মেঘের ডাক
কড় কড় কড় বিজলীর হাঁক
মড় মড় মড়াত
কড় কড় কড়াত
ঘরের চাল গাছের ডাল
কলা বাগান পেপের ক্ষেত
জলে ভেজা বজ্রপাত
শেকড় বাকড় চিতপাত।
[০১.০৫.২০১৪ রাতে যেমন দেখলাম]
একটা কবিতা শুনিয়ে সে
গাঢ় চোখে চেয়ে জানতে চেয়েছিল-
“কেমন লাগলো?”
জানিনা কেমন লেগেছিল আমার।
তবু কেন অঙ্কের খাতায় বার বার ভুলে-
লিখে আসি সেই কবিতা?
কিছু একটা ভুল করে-
লাজুক হেসে বলেছিল-
“আর হবে না”।
কী হবে না, কেন হবেনা, প্রশ্ন করিনি আমি।
খালি চেয়েছিলাম-
ভুল হোক;
এক, দুই, তিন, সহস্রবার।
ফেইসবুক স্ট্যাটাসঃ প্রসংগ ৬০৩ (১৯৮৮-’৯৪), সিসিআর
কেন যেন হঠাৎ করেই নীচের লাইনগুলো লিখতে ইচ্ছা হল। ইদানিং ইমোশোন চেপে রাখা খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। ৬৪২-এর ফেইসবুক স্ট্যাটাস অনুযায়ী আসলেই বোধহয় আমাদের ঘণ্টা বাজার সময় শুরু হয়ে গেছে।
গত কয়েকদিন খুব কষ্ট করে নেট ব্যবহার করতে হয়েছে। ছিলাম দিনাজপুরে, থ্রী-জি কাজ করেনা সেখানে। গরুর গাড়ির গতিতে ৬০৩-এর ব্যপারে প্রতিটা খবর নিচ্ছিলাম। মনের অবস্থা কেমন ছিল,
বিস্তারিত»“তারপর, আবার কবে আসবেন?” মিথিলা হাস্যোজ্জল মুখে মাসুদকে জিজ্ঞেস করে।
মিথিলা মাসুদের খালাতো বোন। অন্যরকম চেহারার এ মেয়েটিকে দেখলে মাসুদ নিজের অজান্তেই শিহরণ অনুভব করে। কতবার সে চেষ্টা করেছে তার মনের কথা মিথিলাকে বলবে…কতবার সে নানাভাবে বুঝানোর চেষ্টা করেছে…কিন্তু প্রতিবারই মিথিলার অতি সরম ব্যবহারে তাকে ফিরে যেতে হয়েছে। বা এমনওতো হতে পারে, পুরোটাই মিথিলার অভিনয়!
– মন তো চায় প্রতি সপ্তাহেই তোমাদের বাসায় আসি,
বিস্তারিত»মাইক্রোসফট এক্সেলে যেমন জটিল সব সমস্যা সমাধান করা যায় তেমনি তৈরী করা যায় মজার সব এপ্লিকেশন।আজকের পোস্টটি তেমন একটি এপ্লিকেশন নিয়ে।এটি আমার তৈরী একটা স্মার্ট হ্যান্ডি ক্যালেন্ড্রার।
তাহলে একনজর দেখে নেয়া যাক ক্যালেন্ডারটি।
এই ক্যালেন্ডারটিতে ব্যবহারকারী তার পছন্দ মত বছর এবং মাস বেছে নিতে পারবেন। সেভাবে ক্যালেন্ডারটিও কাস্টমাইজড হবে।ধরেন যদি ২০১৪ কে বছর আর মার্চকে মাস হিসেবে সিলেক্ট করা হয় তবে ক্যালেন্ডারটি দেখাবে এমনঃ
লক্ষ্য করুন এটি সরকারী ছুটির দিন গুলোকে মার্ক করে দিতে পারে যদি ছুটির দিনগুলোর তালিকা দেয়া থাকে।.
বিস্তারিত»*শর্ত প্রযোজ্য
ছোট বেলা থেকেই জেনে আসছি এই নীতি কথা, সবার উপরে মানুষ সত্য। কিন্তু এর সাথে যে একটি তারকা চিহ্ন যুক্ত রয়েছে খালি চোখে সেটা কখনোই নজরে আসেনি। ইদানিং কালে উপলব্ধি হচ্ছে এই গুরুত্বপূর্ণ তারকা চিহ্ন আর তার সাথে জুড়ে থাকা শর্তের উপস্থিতি সম্পর্কে।
‘মানুষের’ কাছে আপনাকে মানুষ হিসেবে বিবেচিত হতে হলে আগে পূরণ করে নিতে হবে বেশ কিছু শর্তাবলী।
বিস্তারিত»মিরপুর থেকে কুড়িল বিশ্বরোডের জার্নিটা মিনিট বিশেকের বেশি স্থায়ী হয় না। রেল ক্রসিঙের জায়গাটায় দারুণ ভিড়। গরম বেশি পড়ায় বিভিন্ন ফলের রসের দোকান গজিয়ে একেবারে ব্যাড়াছ্যাড়া অবস্থা। মানুষ হা করে ছুটছে ছায়ার আশায়। যত তাড়াতাড়ি গন্তব্যে পৌঁছানো যায় ততই মঙ্গল। আমিও ছুটছি। ১২ টার দিকে স্ট্যাটিস্টিকস ফাইনাল। তবে কিছু একটার দিকে চোখ আটকে গেল। খুবই সাধারণ একটা দৃশ্য। আমি শতভাগ নিশ্চিত এই একই ফরম্যাটের জিনিস আমরা সবাই বিভিন্ন জায়গায় হরহামেশাই দেখি।
বিস্তারিত»“You enter it by the Ancient way
Through Ivory Gate and Golden”
১.
অদ্ভুত একটা কমপ্লেক্সিটি…অনেকগুলো গলিপথ-ঘুপচি…যার শেষ সমুদ্রে…এগুলো নদী না নিশ্চিত…নদী হলে নৌকা থাকতো…মাছ থাকতো…পাড়ঘেষে বাড়ি থাকতো…বাড়িতে মানুষ থাকতো…মানুষের সংসার থাকতো…
এখানে কেবল বৈরাগ্য!
২.
যে রাবারের বনের কথা বলা হয়েছে পুরোনো গল্পে,সেখানে এখন এয়ারফিল্ড হয়ে গেছে,যার রানওয়ে ঘিরে আলোর স্ফটিক,সোডিয়াম আলোর পরিবর্তে সাদা ফ্লাডলাইট।যার কন্ট্রোলরুমে বসে ইউনিফর্ম পড়া রমনীরা মৃদুভাষ্যে বলে যাচ্ছে দুঃসময়ের সঙ্কেত।