ব্লগে নাই বেশ কয়েকদিন। অজুহাত দিয়া পোলাপাইনের মিজাজ খারাপ করুম না। তবে সত্যই ম্যালা চাপের মইদ্দে আছি। সফটয়্যার রিলিজের শেষ পর্যায়ে আছে টিম। ভয়ানক প্রেশার। তবে ফাকেঝুকে প্রায়ই ঢু মারি। আইজকা তো দেখি ব্যাপার ম্যালা দূর গড়াইছে। কে কি পোস্ট দিসে জানিনা, পড়িনাই, তাই কইতে পারুম না। তয় যা হইতাচে তাও ভালা লাগতাছে না। পোলাপাইন, সব ঠিক হয়া যাও। দ্যাশে আইসা তো মনে লইতাচে সবগুলারে ডলা দিতে অইব।
বিস্তারিত»খয়েরি রঙের ব্যাথা …
যদিও আমি কখনও পোস্ট উৎসর্গ করিনাই তাও এই পোস্টটা ফয়েজ ভাইকে …
১…
একটা মেডেল পাওয়ার লক্ষ্যে ঢুকেছিলাম কলেজ বাদক দলে। দুইবছর প্যাঁপু প্যাঁপু করতে হবে তারপর অবসর। অবসরের আগে গলায় ঝোলানো হবে মেডেলখানা। সোনার না। মহাখালির এমিকন থেকে বানানো খুব বেশি হলে পঞ্চাশ টাকার জিনিস। তাও মেডেল নামটার মধ্যে একটা ব্যাপার আছে এবং ব্যাপার স্যাপারের দিকে আমার সর্বদাই লোভ আছে,
বিস্তারিত»শৈশব-ইন্দ্রিয়ের গান
ঘুড়ির লেজে করে উড়ে গেছে দুরন্ত আটপৌরে রোদ। শরীরে ঘুমপ্রিয় ক্লাশরুমেরা একা একা অযথাই ফাঁকা হয়ে বসে থাকে। ক্লাশের মেয়েরা বেণীর পেছনে মেঘের দরজা খুলে নেমে আসে, ওড়নাপ্রান্তে বেঁধে নিয়ে নিজ নিজ হোমওয়ার্ক। হাত বাড়িয়ে মেঘপ্রান্তের ঢেউ ছুঁয়ে দেখেছি, সেখানে শুভ্র রাতের ওপারে কুসুম কমলা ভোর আঁকা। পানিতে ঢেউ কেটে কেটে একবালিকার অবসন্ন রাত থরথরিয়ে ওঠে, দ্রুত নেমে যায় নিঠুর কাঁপন! যেমন ভেবেছি: কাটাকুটি খেলার গোপন টিফিন-আওয়ার,
বিস্তারিত»সুপার কাপঃ সেমিফাইনাল ঢাকা মোহামেডান ০-১ চট্টগ্রাম মোহামেডান (এগ্রিগেট ১-১)টাইব্রেকার(৩-২)
কোটি টাকার টুর্ণামেন্টের ফাইনালের আকর্ষনের ষোল কলা পূর্ণ হয়েছে। আগামী ২৭ মার্চ স্বপ্নের এই ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চির প্রতিদ্বন্দি ঢাকা আবাহনী ও ঢাকা মোহামেডান।
সুপার কাপের শেষ সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হয়েছিল ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই মোহামেডান। আজকের ম্যাচের হিসাব-নিকাষ ছিল গতকালের ম্যাচের মতোই, প্রথম লেগে ১-০ গোলে জয়লাভ করায় আজ নূন্যতম ড্র করলেই ফাইনালে পৌছে যেত ঢাকা মোহামেডান, ২ গোলের ব্যবধানে জিতলে ফাইনালে যেত চট্টগ্রাম মোহামেডান,
বিস্তারিত»আমি মডারেটর প্যানেল থেকে সরে দাঁড়িয়েছি
আমি মডারেটর প্যানেল থেকে পদত্যাগ করেছি। ইতিমধ্যে আমার অ্যাকাউন্ট থেকে মডারেটর অপশন সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং আমি এখন থেকে একজন সাধারণ “লেখক” (Author)। এই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ আমার নিজস্ব। কেউ আমাকে বাধ্য করেনি বা সরে যেতে বলেনি।
কারণ
আমি অন্যের ব্লগে নিজের কিছু কমেন্ট এডিট করেছিলাম, এমনকি কিছু কমেন্ট ডিলিট করে দিয়েছিলাম। এটা আবার সবার অগোচরেই করেছি। অন্য কারও এমন এডিট বা ডিলিটের ক্ষমতা নেই।
বিস্তারিত»জেন্টল্ ক্যাডেটস!
আমি আমার আগের লেখাতেই বলেছিলাম ক্যাডেট থাকা অবস্থায় বাইরের মেয়েদের সাথে আমাদের চিন্তাধারার অনেক পার্থক্য ছিল। কলেজের নিয়মকানুন আর ব্যস্ততার জন্যই হয়তোবা নিয়ম ভাঙার বিষয়গুলো আমাদের অনেক বেশি আকৃষ্ট করত।
আমরা যখন ক্লাস টেন এ পড়ি, কোন এক ছুটিতে আমার কাজিনদের একজন ইটালি থেকে এসেছে। সঙ্গে এসেছে তার ছোট বেবিটা। আমাদের সব কাজিনদের গেট টুগেদার হচ্ছে বড়খালার বাসায়। ওখানে আমাদের একজন আরেকজনকে পঁচানোর উপায় ছিল ‘কুদ্দুস’ বলা।
বিস্তারিত»একটা পোস্ট দেই?
এখন বাজে রাইত তিনটা দশ। কালকে সকালে অফিস, তাড়াতাড়ি যাইতেই হবে। অনেকগুলো খাতা দেখতে হবে, প্রশ্ন বানাতে হবে ফাইন্যালের। এসব নিয়ে খুবই মেজাজ খিচড়ানো অস্থিরতার মধ্যে আছি। ২৫শে ফেব্রুয়ারির পর থেকে আমি ব্লগের মধ্যে দিয়ে মানুষ চিনতেছি। প্রথমে চিনলাম সামহোয়ারে। সেখানে নানারকম ছাগু-কাগু থাকে, তাই কিছুটা প্রিপেয়ার্ড ছিলাম। তবুও কিছু নিকট ব্লগারের বিচারবুদ্ধির উপরে ভরসা ছিল, সেটা চলে গেছে। সেই সপ্তাহটা আমি পুরা সিসিবিতে কাটাইছি।
বিস্তারিত»সিক্সটি নাইন
প্রথম কয়েক মিনিট শুধু মেজাজ খারাপ হচ্ছিল।এখন মনে হচ্ছে উঠে গিয়ে শরীরের সব শক্তি দিয়ে একটা চড় মেরে আসি। ব্যাটা ন্যাকার বাদশা কোথাকার!! পাশের মেয়েটার দিকে তাকিয়ে চড় মারার ইচ্ছেটা সমানুপাতিক হারে আরো বেড়ে যাচ্ছে। বুঝতে পারছিনা সত্যি সত্যিই উঠে গিয়ে চড় মেরে আসবো কীনা। জোর করে চিন্তাটা ডাইভার্ট করার চেষ্টা করি। টেবিলে রাখা গ্লাসের বাকি অর্ধেক পানিটুকুও এক নিঃশ্বাসে শেষ করে ফেললাম।
আমি রকিব এর কথা বলছি।
বিস্তারিত»জুবায়ের অর্নব ভাইয়ের পোস্ট এবং আমার নৈশ কালের আজাইরা চিন্তার খসড়া
( জুবায়ের ভাইএর পোস্ট “সো লেটস স্টার্ট লিভিং এ লাইফ” পড়ে ভেবেছিলাম একটা মন্তব্য করবো কিন্তু মন্তব্যটা বড় হয়ে যাওয়ায় পোস্ট আকারে দিচ্ছি )
আমরা ভাবতে গেলে প্রায়শই চিন্তাভাবনা এগোতে পারে না, এটা হয়ত পরিপক্কতার অভাব ,যেমন প্রাচীন মানুষরা আকাশের তারকা কে অলৌকিক শ্বাপদের চোখ ভাবত। এখানে যত মানুষ জেনেছে ততই ভ্রান্ত এবং অলৌকিকের ধারনা থেকে মুক্ত হয়েছে। এই মুক্ত হওয়াটা কোন সার্ব্জনিন বিষয় নয় অবশ্যি,
বিস্তারিত»ভালোবাসার বন্ধুত্ব-০৩
ভালোবাসার বন্ধুত্ব-০১
ভালোবাসার বন্ধুত্ব-০২
১০।
বাসায় এসে নীল লাঞ্চের পর শুয়ে বিশ্রাম করতে গেলো। কালকে থেকে আর এভাবে আরাম করা হবে না, তিন মাস। বাবা, মা আবার কই যেনো গেছে। প্রিয়াও গেছে পড়তে।
হঠাত গেটে যেনো কে কলিং বেল দিলো।
গেট খুলতে গিয়ে দেখে অনীতা।
নীলঃ প্রিয়া তো বাসায় নাই।
অনীতাঃ ভাইয়া ওর রুমে কালকে আমার একটা বই ফেলে গেছি।
কলেজ লাইফ-ক্লাস এইট
কলেজ লাইফ-ক্লাস সেভেন
ক্লাস এইটে অফিসিয়ালি উঠলেও আমরা কিন্তু এক হিসেবে ক্লাস সেভেনেই ছিলাম যেহুতু আমাদের জুনিয়র আসেনাই তখনও। ~x( কেন্টীন এ যাওয়া, হাউজ ডিউটী ক্যাডেট এর দায়িত্ব পালন করা, আরো অনেক ব্যাপার। এর মাঝে আবার মিশন একাডেমী করতে গিয়ে ধরা খাওয়া। কিছুদিন পর আমাদের জুনিয়ররা চলে আসলো শুধু আসলো যে তা না আসার কিছুদিন আগে থেকে আমাদের ঘুম হারাম করে দিল।
ব্লগের গত কয়েকদিনের আলোচনা দেখে আমার ভাবনা
একটা ছোট সত্য ঘটনা বলি প্রথমে। দিনটা ৫ই অক্টোবর। বাংলাদেশের অন্যতম আধুনিক সুযোগ সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে ভর্তি হলেন একজন মানবী। তার অবস্থা এমন ছিল হয়তো অন্য কোন হাসপাতালে গেলে সেদিনটাই তার শেষ দিন হতে পারত। কিন্তু অত্যাধুনিক ঐ হাসপাতাল তাকে বাঁচাতে না পারলেও তার মৃত্যু দীর্ঘায়িত করল। শুধু এখানেই শেষ হতে পারত। লাইফ সেভিং নামে একটি অপারেশন করে হাসপাতালের পিছে কাড়ি কাড়ি টাকার সাথে আরো কিছু টাকা বাড়ানো হলো।
বিস্তারিত»তদন্ত কমিটি ও একটি প্রাকটিক্যাল জোক
কিছুদিন আগে সামীউর তদন্ত কমিটি নিয়ে একটি অসাধারন স্যাটায়ার দিয়েছিল। আজকে এক তদন্ত কমিটির অসাধারন রিপোর্টের খবর দেখলাম। বসুন্ধরার আগুন লাগার ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি তদন্ত শেষে তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেখানে তারা নতুন আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করার সুপারিশ দিয়েছে।
এই খবর শুনে হাসবো না কাদবো এখনও বুঝে উঠতে পারছি না।
বসুন্ধরা: তদন্ত রিপোর্টে আরেক তদন্ত কমিটি গঠনের পরামর্শ
বিস্তারিত»মন ভালো নেই…..
অনেকদিন ধরেই আসলে মনটা ভালো নেই।
এখনো মানসিকভাবে ঠিক আছি…এইটা বউকে বোঝানোর জন্যে সিসিবি-তে আসি……বউ-য়ের গালি শুরু-র ঠিক আগেই চলে যাই (মনে মনে হয়তো বা চলে আসার জন্যে বউয়ের গালিটা আসার অপেক্ষাতেও থাকি…)
………এভাবেই চলছিলো।
গত কয়েকদিন ধরে সিসিবি-র আবহাওয়াটা-ও খুব একটা Smooth ছিলো না বলেই মনে হয়…
কিছুই ভালো লাগছিলো না।
তবে এখন আমার ভালো লাগছে…বেশ ভাল লাগছে।
কারণঃ
১) আমার ছেলে তার জীবনের লক্ষ্য বদলেছে……তার এই প্রায় সাড়ে চার বছর জীবনে সে আজ পর্যন্ত রিক্সাওয়ালা,
সুপার কাপঃফাইনালে আবাহনী… সেমিফাইনাল ২য় লেগ ঢাকা আবাহনী ০ – ০ ব্রাদার্স ইউনিয়ন(এগ্রিগেট ৩-২)
কোটি টাকার সুপার কাপের ফাইনালে উঠেছে ঢাকা আবাহনী, ব্রাদার্স ইউনিয়নের সাথে প্রথম সেমিফাইনালে ৩-২ গোলে জয়লাভের পর দ্বিতীয় লেগে গোলশূন্য ড্র করে তারা ফাইনালে উন্নিত হয়। ২৭ মার্চ ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে ঢাকা চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম মোহামেডানের মধ্যে বিজয়ী দলের।
খেলার প্রথমার্ধ ছিল অনেকটাই নিস্প্রভ। দু দলই কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরী করলেও ফরোয়ার্ডের ব্যর্থতা ও স্বার্থপরতার কারনে গোল করতে ব্যর্থ হয়।তবে প্রথমার্ধের সহজতম সুযোগটি নষ্ঠ করে ব্রাদার্সের জাহিদ পেনাল্টি মিস করে।
বিস্তারিত»