চালের বস্তা কেটে কেটে
আনাজপাতি খুঁটে
সূঁচলো চোখে দাঁতে লেজে
ধুলো জমছিলো আর
মুহূর্তেরা সব কাটছিলো
ঝিমুনির নিরুত্তাপ আমেজে,
প্রচলিত সংজ্ঞায়
সকালের প্রথম রৌদ্র……
প্রথম সকালে
তুমি এসে ছুঁয়ে দিয়ে গেলে আমাকে আদ্যপান্ত
আছড়ে পড়লে আমার উদল বুকে-গলায়-মুখে
জড়িয়ে নিলে কোমল ছোঁয়ায় উষ্ণ আচল তলে
শেষ রাতে জড়িয়ে ধরা বিছানায় আমি ক্লান্ত
তোমার উত্তাপে খানিকটা বিরক্ত
এই ধ্বংসস্তুপে বর্ষার আকাশের তীব্র রৌদ্রে
ধর্ষিত রমনীর মতোই বিপর্যস্ত সবাই
পূব জানালা থেকে খানিকটা দূরে দেখি প্রতিদিন
পানির ট্যাংকির শরীর বেয়ে ওঠা সবুজ শ্যাওলা
বেচেঁ থাকে তোমার উত্তাপে।
ভালো থাক হাসনাত……ভালো থাক দোস্ত……..
সালটা ২০০৮ এর দিকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের কিছু বন্ধু যাদের সাথে নিয়মিত চলাফেরা, একে একে সব পাড়ি জমালো সাত সমুদ্রের ওপাড়ে। ইফতেখার, তন্ময়, রুবাইয়্যাৎ সবাই। ইচ্ছে একটাই– আরো বেশী মানুষ হওয়া…..আরো বেশী শিক্ষিত হওয়া।
সৃষ্টিকর্তা আমাকে আর দশটা সাধারণ ছেলের মতনই তৈরী করেছেন। বোর্ড পরীক্ষা গুলোতে খুউব ভালো করলেও নিজের দৌড় প্রথম বুঝতে পারি যখন বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে দেখি ফলাফলটা হয়েছে টেনেটুনে কোন মতে পাঁশ করার মতন।
বিস্তারিত»শহুরে অন্ধকারের বিপরীতে
এই স্যাঁতসেঁতে কুৎসিত গলিটাকে আমি ঘৃণা করি ভীষণরকম।
প্রতি সন্ধ্যায় একেকটা ক্লান্তিকর দিনশেষে আমি যখন আমার ফ্ল্যাট নামক কবুতরের খোপে ফিরে আসি, আমাকে এই অন্ধকার গলিটা পার করে যেতে হয়। প্রশ্ন উঠতে পারে এই গলিটার বিশেষত্ব কি? আমি উত্তর দেব এইভাবে,
দুর্গন্ধময়, কর্কশ, অন্ধকার এই শহরের প্রায় সমস্ত কদর্যতার খানিক প্রতিনিধিত্ব করা এই সংকীর্ণ রাস্তাটা আশ্রয় দ্যায় একজন অনিয়মিত ভিক্ষুক, দুটো উপচে পড়া ডাস্টবিন,
বিস্তারিত»একটি ভূমিকা এবং কিছু মানুষের গল্প
সিসিবি এখন বেশ সরব। কবিতা, গল্প, ভ্রমণ কাহিনী, দিনলিপি- নানা বিষয়ে কতো লেখা। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন ব্লগার, নতুন লেখা পাচ্ছি। অফিসে এসেই সিসিবির পাতাটা খুলি। যখনই সময় পাই, পড়ি।
নূপুর অনেকদিন পর মনে হয় কিছুটা অবসর পেয়েছে। ঝর্ণার মতো তড়তড় করে পরপর দুটো পোস্ট নামিয়ে দিয়েছে। ও স্নিগ্ধ রেশমি শব্দমালা দিয়ে এমন মুচমুচে পদ্য লিখে যে এরই মধ্যে শুধু “স্নানপর্ব” দিয়ে সিসিবির আন্ডা-বাচ্চা থেকে বুড়োদের পর্যন্ত তার পাঙ্খা বানিয়ে রেখেছে।
বিস্তারিত»স্মৃতিবিমুখ, প্রমুখ মুখ
০
চিলতে রোদে পাখনা ডুবাই, মুচকি হাসে শহরতলি
রোজ সকালে পড়ছে মনে, এই কথাটা কেমনে বলি?
~~~
– “বল, জোরে জোরে বল, ক’য়ে আ-কারে কা, ম’য়ে আ-কারে মা, ন — কামান”
ওপাশে খানিক নিশ্চুপ বিরতি, তার চোখের দৃষ্টি ফ্যালফ্যালে। বোবা।
– “কি হলো? চুপ করে আছিস কেন? কি বললাম, পড়্!”
ফ্যালফ্যালে চোখের সামনে শক্ত ঝুঁটি ঝলসে ওঠে।
বিস্তারিত»ঢেউপুরাণ
তেরো নদী পার হয়ে
সাত সমুদ্রে নেমে
আপনমনে দুলতে
শুরু করেছিলো,
একটুও না থেমে
অতঃপর ফিসফিসিয়ে
ফিসফিসিয়ে চলেছে
কখনোবা হিসহিসিয়ে
আচমকা, অহমিকায়
কেশর ফুলিয়েছে;
যত এগিয়েছে
অহেতুক
লাফিয়ে লাফিয়ে
গর্জে উঠেছে শুধু,
প্রতিবারের মতো
পুরনো কথা ভেবে
আক্রোশে
অভিমানে
গুমরে উঠে
ফুলতে ফুলতে
ফুলতে ফুলতে
থইথই কথামালার
ফেনিল উচ্ছ্বাসে
একলাফে
প্রায় আকাশ ছুঁয়ে ফেলেই
সমস্ত বুদ্বুদসমেত
হুড়মুড় ক’রে
শেষমেশ
তোমার পায়ে
ভেঙে পড়েছে…..
শব্দ অথবা প্রেমিকাগণ
১।
দিনের শুরু থেকে
গাড়ির হর্ণ
রিক্সার বেল বাজে
ফেরিঅলার কন্ঠে বাজে
পণ্যের বেসুরো বিজ্ঞাপন
ঘড়ির কাঁটায়
ঘন্টাগুলো বেজে যায়
বাজেনা কেবল
তোমার টেলিফোন
কাউরে পঁচানোর এবং নিজে পঁচাইন্যা থেইকা বাঁচার 5 Rules

পঁচাইন্যার সংজ্ঞা কী তা কাউরে নতুন কইরা বলার কোনো দরকার আছে বইলা মনে হয় না। যে কোনও আড্ডার মধ্যে সবচাইতে মজার আর সবচাইতে দীর্ঘতম আইটেম এইটা। যে পঁচে সে ছাড়া আর বাকি সবাই চরম উপভোগ করে এই আইটেম। একবার কাউরে পঁচানো শুরু হইলে সেই জাল থেইকা বাইর হইয়া আসা ৪টা খানি কথা না। একের পর এক সবাই মিলে সে পঁচিতো বান্দার গুষ্টি উদ্ধার কইরা দেয়।
শিরোনামহীন কথোপকথন – তিন
– হ্যাল্লো, জান্টুস! দেরি হলো কেনো ফোন রিসিভ করতে? আমি সেই কখন থেকে ট্রাই করতেছি।
– স্যরি, বাবু! আমি তোমাকে এফ,বি-তে অনলাইন দেখে বাজ দিয়ে বসে ছিলাম। ফোন ছিল ব্যাগে। বুঝবো কি করে বলো? রিংগার, ভাইব্রেশন সবই তো অফ করে রাখতে হয়। তোমার কোন ট্রেইস না পেয়ে এইমাত্র ফোন চেক করলাম।
– ওক্কে, ওক্কে, বুচ্ছি। বাট ফোনটা তুমি চেইক করবা নাহ?
বিস্তারিত»সাপ্তাহিক ২.৩
এই সপ্তাহান্তটা ভালই কাটলো, দলবেধে শহরে গিয়ে ইফতার, দুর্দান্ত আড্ডা, রাতভর মুভি, দিনভর ঘুম আর সব কিছুর সাথে অনবরত বৃষ্টি, এক কথায় দারুন।
তবে সপ্তাহের শুরুটা ছিল পুরো উল্টো। সারা রাত জেগে পড়াশুনা, লেখালেখি, তারপর সারাদিন বাইরে রোদে বৃষ্টিতে ভিজে পুড়ে বকর বকর। রোজা রেখে এগুলো করে পুরো নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল। তবে এসবের থেকেও ভয়াবহ ছিল ফ্যান্টাসী ফুটবলের ফলাফল। এর চেয়ে বাজে সূচনা মনে হয় সম্ভব ছিল না।
বিস্তারিত»যৌনকর্মীঃ একজন পেশাজীবীর স্বীকৃতি ও তদসংলগ্ন ছেঁড়া চিন্তা
গত পরশু (১৮/৮/২০১০) বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটু খবরের শিরোনামে এসেছেন। ধর্মনিরপেক্ষতা বলবৎ করার ব্যাপারে মূল আলোচনা বা বিতর্কের জায়গায় ছিলো সুপ্রীম কোর্ট। বাংলাদেশের সংবিধানের মূল স্তম্ভের একটাকে পুনর্বহাল করেছিলো তারা। আর এখন নির্বাচন কমিশন ভোটার আইডি’তে যোগ করেছেন বেশ কিছু পেশা। তাদের বক্তব্য, নতুন যোগ করা পেশাগুলোকে আগে চিহ্নিত করা হতো না। সেই পেশাজীবী মানুষদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতেই এই উদ্যোগ।
লিস্টিটা দেখলাম- যৌনকর্মী,
বিস্তারিত»কালপুরুষ………
নিস্তব্ধ গোধূলী
নির্বাক আমরা তিনজন
আলোর দেবতার পতনকাল
আধাঁর দেবীর আগমনী ঘ্রাণ বাতাসে
আলোর দেবতার কাছে আমাদের প্রতিশ্রুতি
তোমার গুপ্তচর হয়ে জোনাকির মত জ্বলব
ছিনিয়ে আনবো আধাঁর দেবীর সিংহাসন…………।।
মিডিয়া নির্মিত দালাল বুদ্ধিজীবী : ঢাউস স্যারের গল্প
স্যার একটু কথা ছিল…..
– হ্যা বলেন।
স্যার, ‘আমাদের হওয়ার কথা ছিল বটগাছ আর আমরা হচ্ছি বনসাই’ , ক্লাসে যা বুঝালেন।ব্যাপারটা ঠিক ভাবে বুঝি নি… আপনি কি এখন ফ্রি আছেন?
-না না, আমি অনেক ব্যস্ত… (বলতে বলতেই স্যার চলে গেলেন)
(স্যারের পিছনে পিছনে যেতে যেতে ….) স্যার আপনি কখন ফ্রি থাকবেন… যদি কাইন্ডলি একটু……
-না না.. আমি অনেক ব্যস্ত (স্যার পাত্তাই দিলেন না)
এমন সময় এক পত্রিকার এক সাংবাদিক এসে নিজের পরিচয় দিয়ে বললেন,
বিস্তারিত»রাঙ্গামাটির রঙ্গে চোখ জুড়ালো……এবং আমাদের হিরোহিতোর বিয়ে…
হিরোহিতোর বিয়ে…হিরোহিতো চাকমা…..চাকমাদের বিয়ে দেখার লোভ সামলাতে পারলামনা।..এমনিতে পোলাপাইনকে ঠেলতে লাগে দশদিন।কিন্তু যেই মাত্র তানভীর বলল, “দোস্ত, চাকমা বিয়ে দেখাও হবে, সেই সাথে চান্সে রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই ট্যুর। ব্যাস আর পায় কে?যেই ভাবা, সেই কাজ। তাড়াতাড়ি টিকিট ম্যানেজ করো। এই গরমে এ.সি বাস ছাড়া কাজ হবেনা, হাসনাতের আবদার। করপোরেট মানুষ।আমাদের মতন ছা পোষা না। ওর কথা তো ভাবতেই হয়।তো দায়িত্ব পড়ল ফরিদের ঘাড়ে। না করতে পারেনাই। কিন্ত এই গরমে আমাকে ধরছে যে টিকিট কিনতে ওর সাথে যেতে হবে।
বিস্তারিত»
