সেই ভোরবেলা থেকে ঝমঝম করে বৃষ্টি ঝরেই চলেছে। মন খারাপ করে সারাদিন বসে থাকবো সে উপায় নেই। সকাল সকাল এত্তেলা, অফিস চলো। ছুটির দিনে অফিস। বসের পিণ্ডি চটকাতে চটকাতে একেকটা রেড লাইট পেরিয়ে চলেছি হঠাৎ হুডতোলা পর্দাঘেরা রিকশায় একটি যুগলকে দেখলাম অপলক দৃষ্টিতে পরষ্পর চেয়ে আছে তো আছেই, আশপাশের বৃষ্টি কাদাজল অ্যাম্বুলেন্স ট্রাফিক পুলিশ ঝাপসা সিগন্যাল বাতি গলগল বয়ে চলা ড্রেন ছলছল ঢাকা শহর, কিছুই যেন আর ওদের বিব্রত করতে পারছেনা।মনটা ভীষণ অন্যমনা হয়ে গেলো।
বিস্তারিত»নক্ষত্র কন্যার কাছে
নক্ষত্র রাতের মতো মেয়ে
বারবার এসে ব্যাথা দিয়ে যাও আমাকে
দূরারোগ্য ব্যাধি হয়ে এসো, বাসা বাঁধো আমার রক্ত কণিকাতে
আমি মারা যেতে চাই- তোমার নির্দয় আক্রমনে
দূরে থেক না, আমার মেঘলা আকাশের রাজকন্যা
; দূর থেকে নিঃসঙ্গ বাতাস ধেয়ে আসে আমার এলোমেলো চুলে
প্রেম চাহনিতে, কোমল ত্বকে, শুষ্ক ঠোটে , উদল বুকে-
তুমি ফুল বনে বসে দোলা খাও ওই সাজানো বাগানে
ওখানে যেও না মেয়ে,
বিস্তারিত»কেবল তোমার পাঁপড়ি খুলে
কেবল তোমার পাপড়ি খুলে
চেয়েছিলাম জড়িয়ে দিতে
একান্ত রোদ
সেই প্রদোষে প্রেমকে ভুলে
পুড়িয়ে নিলে রাত নিশীথে
সমস্ত ক্রোধ
ফেসবুকের ঘুম ভাঙলো (সাময়িক পোস্ট)
সারাদিন ফেসবুকে বইস্যা থাকি…আম্মা ডাকলো খাওয়ার জন্য…গেলাম।ফিরে এসে দেখি ফেসবুক নাই…নাই মানে কোত্থাও নাই।প্রক্সি দিয়েও কাজ হয় না…একটু গুগল গুতাগুতি জানলাম ফেসবুক ঘুমাইতে গেসে..কেমনে কী হইলো…তবে এইবার প্রধানমন্ত্রীর দোষ নাইক্ক্যা…অনেক দেশেই এই কাহিনী……
টুইটারে দেখেনঃ
এবং কিছুক্ষণ আগে সে ঘুম ভাঙলো…হ্যাপি ফেসবুকিং!
বিস্তারিত»দুটি বইমেলা ও একটি অতীত প্রেম
কালো শাড়ির অদ্ভুত কুচির ভাঁজে, উদল পেটে
একাদশীর দুষ্ট চাহনি, হাসি বাঁকা ঠোটের কোনে
দ্রুতগামী তরুণী রিক্সা ডিঙ্গিয়ে জ্যাম পার হয়ে চলে গেল
আর আমি হতভম্ব, প্রেম কণ্যার পিছে পিছে-
এগিয়ে দিতে গিয়েছি কার্জন হলের বাসে।
জগা বললো – জগাখিচুড়ি!
সময় খুব অদ্ভুত জিনিস। এই মুহূর্তে যা ভাবছি, সেই কথাটা হুশ করে আমার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে! এই পৃথিবী যে সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে বন বন করে, সেই ঘূর্ণনের বেগ জানি কতো? ১৬০০ কিলোমিটার প্রতিঘন্টায়! আমি থির হয়ে এক জায়গায় বসে থাকলেও সটান জোরে চলে যাচ্ছি কতো দূরে। এই দূরত্ব অমোচনীয়। আবার দ্রুততায় মিশে যাচ্ছি কারো কারো সাথে। আমাদের এই পরিচয়,
বিস্তারিত»অ্যালোভেরা – এক অলৌকিক ঊদ্ভিদ
পৃথিবীর পরিবেশ মানুষের জন্য যতই অবান্ধব হয়ে উঠছে, মানুষ ততই তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন হচ্ছে। গাড়ির ধোঁয়া, খাবারে ভেজাল, ফলমূলে বিষাক্ত রাসায়নিকের প্রয়োগ, অতিরিক্ত ভোজন বিলাস – সবকিছু মিলিয়ে এমন একটা পরিবেশের সৃস্টি হয়েছে যে স্বাভাবিক ভাবে স্বূস্থ্য থাকাই দায়। চেনা রোগের পাশাপাশি অজানা অনেক রোগের প্রাদুর্ভাবও ঘটছে। চিকিতসা করেও সারানো যায় না এমন রোগ যেমন ক্যান্সার, বহুমূত্র রুগীর সংখ্যা সমাজে অনেক বেড়ে গেছে।
বিস্তারিত»১০ বছরের পরিবর্তন…
খুব স্পষ্ট মনে আছে আমার, ক্লাস ফোর এর প্রথম দিনটির কথা। শ্রুতলিপি ক্লাসে সবার আগে লেখা শেষ করে আঁতেলের মত ম্যাডাম কে খাতা দেখাতে যাচ্ছিলাম। ব্যাপারটা একদমি সহ্য করতে পারেনি আমাদের সাথে সেকেন্ড টাইম চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া রাহাত। দৌড়ে গিয়ে সে আমার খাতায় ঘেচ করে একটি দাগ বসিয়ে দিল। আমি তখন কিছু বলিনি। পরে আবশ্য খোঁজ নিয়ে জানতে পারি সে নাকি ছেলে-মেয়ে, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা সবার সাথে সমানে বেয়াদবি করে বেরায়।
বিস্তারিত»অরন্যের একটি দিন এবং একটি রাত্রি – ৩
৩
শুভ’র হার্ড ব্রেকে একটা ঝাকুনী দিয়ে ফিল্ডারটি মূহূর্তেই থেমে যাবে।
(ক্লোজ শট)কিছুক্ষণ নিথর থেকে মনে মনে হিসাব কষে নিবে শুভ।
তারপর গাড়িটি রিভার্স গিয়ারে ফেলে পিছাতে শুরু করবে। সারাদিনের চিত্ত বিনোদন নিমিষেই উবে গিয়ে ভর করবে আঁধারে আবৃত অশনী সংকেত।
(হাল্কা জুম আউট ) এতক্ষণে গাড়ির বাকিরাও নড়ে চড়ে উঠবে।
পেছন থেকে স্নেহা (শুভ পত্নী) শুধালো, “কি হয়েছে ?
তুমি প্রেম দিলে……
তুমি প্রেম দিলে
মাতাল হবো;অট্টহাসিতে বিদীর্ণ করে
মেঘলা আকাশ সিঁড়ি গড়ে দেব বুকের পাঁজড়ে!
তুমি প্রেম দিলে
আগুন হবো;ঘোর অমানিশা জ্বালিয়ে দেবো
লেলিহান শিখা দাবানলে ছুড়ে অতীত পোড়াবো!
তুমি প্রেম দিলে
জোৎস্নার রাতে একা পাড়ি দেবো আটলান্টিক
নীল চাঁদ ভেঙে ছড়িয়ে দেবো রূপোলী সাগরে!
তুমি প্রেম দিলে
কাশবনে একা রাজহাস হবো;তোমার পায়ের
নিকটে থাকবো চিরকাল প্রেমী ভৃত্যের মতো!
একটি মোবাইল কল এবং অতঃপর…
(কাহিনীটা আসলে আমার দুই জন সি সি আর ক্লাসমেট এর। কিন্তু দুইজনই ব্যস্ত থাকায় ওদের অনুমতি সাপেক্ষে আমি লিখছি।)
সেই নার্সারী থেকে শুরু করে আজ অব্দি মোস্তফার দুঃখ, সে জীবনে প্রেম তো দূরে থাক কোন মেয়ের কাছাকাছি আসার সুযোগ ও পায় নি। তাই মেয়েদের মিষ্টি কন্ঠের প্রতি তার আকর্ষণটা একটু বাড়াবাড়িই। অফিস এর চরম ব্যস্ততার মাঝেও ভর দুপুরে কোন এক নাম না জানা ভার্সিটি কন্যার অজানা নাম্বার হতে কল তাকে বিরক্ত করতে পারার কথা না।
বিস্তারিত»স্ব-রচিত প্রথম
কলেজ এর সাহিত্য সাময়িকী তে একবার টুক্লিফাইং করে এক কবিতা দিছিলাম। সেইটা ছাপা হওয়াতে খুব মজা পাইছিলাম। তবে এবার নিজেই একটা লিখছি। তবে এটা কবিতে হইছে কি না এখনও সন্দেহ আছে আমার। এই জন্য শিরোনাম এ কবিতা কথাটা উল্লখ করি নাই। যাউকগা ছাইড়া দিলাম সবার সামনে।
দ্বন্দ্ব
না,
নাটোরের বনলতা সেনের কথা বলছি না।
যার বর্ণনা দিয়ে স্মরণীয় হয়ে গেছেন কবি।
চৌত্রিশের প্রথম আনুষ্ঠানিক জামাই-কেচ্ছা
মাসখানেক আগে আমার সাবেক রুমমেট আমাকে একদিন ফোন করে বলে: বন্ধু, ঈদের তৃতীয় দিন আমার বিয়ে। চলে আসিস। আমি তো বলা যায় আকাশ থেকেই পড়লাম। সাধারণত বিয়ের মাসতিনেক আগে থেকে বেশ কানাঘুষা শোনা যায়, এর বেলায় সেগুলির কোনো বালাই নেই। আমি জিজ্ঞেস করলাম: কে রে? সেই জন যাকে দেখেছিলুম? উত্তর পেয়ে আশ্বস্ত হলাম।
আফটার অল, আমাদের প্রথম কারোর এরকম ঘটা করে বিবাহ, তাই আমি নিজেকে কোনোভাবেই চুপ রাখলাম না।
বিস্তারিত»হাজার ফুল
হাজার ফুলের গন্ধে আমার হৃদয় মাতোয়ারা
আকুল করে- ব্যাকুল করে- করে পাগলপারা
এমন ফুলের ঘ্রাণ
ভরিয়ে দিল প্রাণ
বাজিয়ে দিল আমার প্রাণে কোন সে সুরের ধারা।
ডঃ লরা কী বলেন
ডঃ লরার কথা প্রায়ই শুনতাম এখানে আমার কিছু বন্ধুদের কাছ থেকে যাদের প্রায় সবাই আন্তঃধর্ম কিম্বা আন্তঃরাষ্ট্র বিয়ে করেছে। পেশায় একজন মনোনিজ্ঞানী এই মহিলা রেডিওতে একটা জনপ্রিয় টক শো করতেন সেখানে শ্রোতাদেরকে সম্পর্ক বিষয়ক নানা সমস্যার সমাধান দিতেন। তার নানারকম চটজলদি সমাধানের রেশ ধরে বন্ধুদের মধ্যে ডঃ লরার প্রসঙ্গ উঠতো। আমিও তার টক শো শুনেছি। প্রাশ্চাত্যের তুলনায় কিছুটা রক্ষণশীল বলে মনে হয়েছে। তবে মোটের উপর বেশ ভালোই লাগতো।
বিস্তারিত»![MPj03875520000[1]](http://www.cadetcollegeblog.com/wp-content/uploads/2010/09/MPj038755200001-214x300.jpg)

