ক্যাডেট কলেজের কর্মব্যস্ত দিনের মাঝে প্রতিদিনই ঘটত মজার ঘটনা।মাঝে মাঝে হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়িও দিতাম।তেমনি কিছু ঘটনা আজ সবার সাথে শেয়ার করছি।
ঘটনা১# প্রিন্সিপাল ইনসপেকশন শুরু হতে বিশ মিনিট বাকী।জনৈক JP সাহেব ভীষন ব্যস্ত।মাত্র দু দিন আগে JP ship দিয়েছে।তাই কোন অবস্থাতেই ধরা খেলে চলবেনা।তড়িঘড়ি করে ছুটলেন জুনিয়র করিডোরে।উদ্দেশ্য জুনিয়রদের রুম ঠিক আছে কিনা দেখা।এক রুমে ঢুকে দেখলেন দেয়ালে মাকড়শার জাল ঝুলতেছে।দেখেই JPসাহেবের মাথা গেল গরম হয়ে।উত্তেজিত হয়ে রুম লীডারকে ডেকে বললেন…’room leader,,c..o..m..e here,,still there is mosquito net on the wall.
প্র্যাকটিক্যাল জোক: ভাষা বিভ্রাট ( কিন্ঞ্চিত ১৮+ সতর্কতা) : একটা ছবি ফাও
১
প্যারিসে আসার পর কিছুদিন ফ্রেন্ঞ্চ ভাষা কোর্স করতাম। প্রথম ক্লাসে টিচার ( টিচার আবার সেই রকম ফ্রেন্ঞ্চ সুন্দরী ছিল !) সবার নাম ,দেশ ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করছিল। সবাই এক এক করে পরিচয় দিচ্ছিল। আমার দেশ জিজ্ঞাসা করতে আমি বললাম বাংলাদেশ। উনি বললেন ‘দাকো’ ( ওকে)। তার মুখে ডাকো শুনতে কিছুটা ‘ঢাকা’ র মত মনে হলো। আমি ভাবলাম বুঝি উনি জানতে চাইছেন আমি ঢাকা থেকে কিনা।
একজন খাদিজা বিবির গল্প
শাহজাদপুর এলাকায় থাকছি প্রায় দেড় বছর ধরে । বছর খানেক হবে আমাদের এলাকার মসজিদটা ভেঙে আবার চারতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে নতুন করে করা হচ্ছে।মোটামুটি প্রতি সপ্তাহেই জুম্মার নামাজের সময় ইমাম সাহেব মসজিদের কাজে সহযোগিতার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান করছেন। অনেকেই এগিয়ে আসছেন। খুতবা শেষে ইমাম সাহেব কারা কারা কত সাহায্য করলেন তার একটা ছোট হিসাব দিতেন। নামাজ শেষে তাদের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা হতো।
বেশ কিছুদিন আগে ইমাম সাহেব জানালেন দোতলার ইলেক্ট্রিক ওয়ারিং এর কাজ বাবদ প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা লাগবে।
বিস্তারিত»ভালোবাসা বিদ্যা
তোমার মাঝে হারিয়ে গেছি তাই আর কাউকে খুঁজিনা
তুমি আমার Math,Biology অন্য কিছুই বুঝিনা
তুমি আমার laws of motion,তুমি chemistry
তুমি আমার Civics,physics তুমি History
Theory of relativity তোমার মাঝে পাই
ভালোবাসার integration এ limit তুমি তাই
তুমি আমার calculus আর তুমি Mechanics
তুমি আমার ভালোবাসার first law of thermodynamics
তুমি আমার economics আর তুমি accounting
তুমি আমার Management আর তুমি Marketing
তুমি আমার Finance আর হাজার হিসেব নিকাশ
সব হারিয়ে তোমায় পেয়ে তোমার মাঝেই বিকাশ
তুমি আমার Geography এর সাতটি মহাদেশ
আকাশ ভরা হাজার তারার দীপ্ত আলোর রেশ
(ক্লাল টুয়েলভে পড়ার সময় বাধ্য হয়ে লেখা)
ফেসবুকে’র জন্য কিছু শর্টকাট (এবং অন্য কিছু)
আমাদের প্রতিদিনই এখন কমবেশী কম্পিউটারে বসা লাগে – এবং নেটে বসলে একবারের জন্য হলেও যার ফেসবুক এ্যাকাউন্ট আছে সে ফেসবুকে যাবেই!
তো কিছুদিন আগেও আমি এই ফেসবুক ব্যাবহারের সময় বেশকিছু নিরাপত্তার ব্যাপার-স্যাপার নিয়ে লিখেছিলাম। আজকে লিখব ফেসবুকে কিছু “কী-বোর্ড শর্টকাট” নিয়ে – যা আমি নিশ্চিত আমাদের অনেকেই কোনদিন জানতই না!! (আমি নিজেও জানতাম না –
বিস্তারিত»অজানা ডাইরীর পাতা থেকে
জীবনটা আর্শ্চয রকমের ছন্নছাড়া হয়ে যাচ্ছে।কিছু ভাললাগেনা কিচ্ছুনা।আমার নিজের মধ্যে আর্শ্চয রকমের একটা পরিবর্তন।আমি হেরে যাচ্ছি আমার কাছে।হাজারো চিন্তা আমাকে অজগরের মত পেচিয়ে ধরেছে।শুনেছি অজগরেরা নাকি শিকারকে না মারা পর্যন্ত এভাবে পিষতেই থাকে।জীবন আমাকে হয়ত অমৃত্যু এভাবেই পিষে যাবে।
পড়াশোনাটা শেষ হয়ে যাচ্ছে, তার চেয়ে বড় কথা সুমাইয়ার কাছে চেয়ে নেওয়া সময় গুলো শেষ হয়ে যাচ্ছে।ভয় হয় একদিন হয়ত হঠাৎ দেখব সব শেষ।এই যে জীবন নিয়ে এত চিন্তা সব অর্থহীন হয়ে যাবে।
ফটোগ্রাফী কন্টেস্ট – রেডিও সার্কেল ও চিটাগাং
ফেসবুকে রেডিও সার্কেলের ব্যানারে এক ফটোগ্রাফী কন্টেস্ট চলতেছে, সবাই মনেহয় দেখে ফেলছেন অলরেডী। যারা দেখেন নাই, এখানে ক্লিক করেন। আর যারা দেখছেন ৫টা করে ফটো দিয়া আইসেন, উইনারকে নাকি একটা ডিএসএলআর দিবে।
আমি অবশ্য রেডিও সার্কেল বা এদের কাউকেই চিনি না, তবে সুন্দর একটা ফটো গ্যালারী অলরেডী ওখানে হয়ে গেছে। ইভেন্ট পেইজে গেলে ফটোগুলা দেখতে মিস করবেন না কেউ, বেশীরভাগ ছবি দেখলেই চোখ ট্যারা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে,
বিস্তারিত»ভিগো মর্টেনসেনের কবিতা
ইন্টারনেটে ঘুরতে ঘুরতে প্রিয় অভিনেতার প্রোফাইল দেখছিলাম। একটু বিস্মিত হয়ে জানলাম, ভিগো মর্টেনসেন কবিতা লেখেন। প্রকাশিত বই আর নিজের একটা প্রকাশনীও আছে তার। খুঁজে পেতে কিছু কবিতা পড়ে চমকিত, মুগ্ধ। ঝটপট বাংলা করতে ইচ্ছা করলো। কবিতার সুর আসলে ভাষান্তর করা যায় না। তাই নিচের লেখাগুলো মূল কবির প্রবল প্রভাব-আচ্ছন্ন লেখা বলা যায়। পাঠকের প্রতিক্রিয়াও হিসেবেও ধরা যায়।
(মূল লেখাগুলো পাওয়া যাবে এখানে)
সূচীর বাইরে
ফর্শা শাদা পা
দুয়েকটা জন্মদাগ।
টুকরো স্মৃতি২
প্রথম লেখাটায় সবার রেসপন্স পেয়ে অনেক ভালো লাগল।এর মাঝে সাকিব ভাই অনুরোধ জানালেন মুজিব স্যারকে নিয়ে কিছু স্মৃতিচারন করতে।ঠোঁটের ওপরে ঈঁশা খার মত বিশাল মোচের সত্বাধিকারী এই স্যার ইতিহাসের শিক্ষক।ক্লাসে এলে সর্ব প্রথম যে কথাটি বলতেন তা হলো ‘আমার বুকে বড় ব্যাথা।ঠিক কি কারনে স্যারের বুকে ব্যাথা আমরা তার রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি।আমরা তখন সবেমাত্র ক্লাস সেভেন।বড় ভাইদের দেখতাম স্যারকে দেখলেই কোরাস ধরত।. . .বুকের জমানো ব্যাথা.
বিস্তারিত»পাগলা জহির স্যারের গল্প
ক্লাস সেভেনেই আমরা যে কজন পাগলা স্যারকে পেয়েছিলাম, জহির স্যার তাদের একজন। তার ইতিহাসের ক্লাস মানেই “এরাবিয়্যান নাইটসের” কাহিনী শুরু হয়ে যাওয়া। মোঘল সম্রাট জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর তার প্রিয় লোক হওয়ায় আমাদের কাছে তার নিকনেম ছিল “বাবর”।
যে কয়েকটা ঘটনা এখনও মনে পড়ে তা শেয়ার করা লোভ সামলাতে পারছি না।
ঘটনা-১:
আমরা তখন ক্লাস সেভেনে। নতুন নতুন কলেজে এসেছি। সিঙ্গেল লাইনে হাটা তখনও বাধ্যতামূলক।
ফ্লামেংকো
লেখাটি প্রায় আট/নয় বছর আগের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দেয়ালিকার জন্য। খুঁজে দেখলাম কয়েকটি লেখা চিরদিনের মতো হারিয়ে গিয়েছে। সেজন্য কিছুটা আফসোস হচ্ছে। আজ এই পুরানো লেখাটি পেলাম। ফ্লামেংকো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সংগীত এবং নৃত্যধারা মাধ্যম – আমি যার কিছুই বুঝি না এবং জানিনা। সম্বলটুকু হলো শুধু নির্বোধ ভাল লাগা। এককালে স্প্যানিশ ভাষা শেখার চেষ্টা চালিয়েছিলাম। তার লেজ ধরে – হিস্পানি সংস্কৃতির ফ্লামেংকো, ষাড়ের লড়াই, কিছু সিনেমা,
বিস্তারিত»টুকরো স্মৃতি-১
দেখতে দেখতে কখন যে ছয়টি বছর কেটে গেল ঠিক যেন বুঝে উঠতে পারলাম না।গত পাঁচ জুন যখন শেষ ডিনার করলাম তখন ভাবতেও কষ্ট হচ্ছিল ক্যাডেট লাইফের এটা শুধু শেষ ডিনারই নয় সব ক্যাডেটদের সাথে এটাই শেষ কোন কার্যক্রম।টেবিল লীডার ছিলাম বলে টেবিলমেট দের সাথে সখ্যতাও বেশ জোরালো ভাবেই গড়ে উঠেছিল।যতই ক্যাডেট থেকে বের হবার দিন ঘনিয়ে এল ততই স্মৃতির পাল্লা ভারি হতে লাগল।কিছু টুকরো টুকরো স্মৃতি আজ স্মরন না করে পারছিনা।
বিস্তারিত»আমার ছোট বেলা
ছোট বেলার কথা মনে হলেই যে ঘটনা গুলি মনে সব চেয়ে বেশি নাড়া দেয়, এবং পরবর্তী জীবনে যার প্রভাব সব চেয়ে বেশি, সেটাই আজ লিখবো ।
বাবা ছিলেন প্রচণ্ড রাশ ভারী মানুষ । আনন্দ-উচ্ছ্বাস , হাসি-কান্না কোন কিছুর বাহুল্যই তাঁর অপছন্দ ছিল। পাঁচ বোন এর একটি মাত্র ভাই হিসাবে কখনো কোন বিশেষ ছাড় পেতাম না বাবার কাছে।
খুব যে বেশি মারতেন ,
বিস্তারিত»সচেতনতামুলক পোস্টঃ ব্রাউজারে ইউজারনেম পাসওয়ার্ড হ্যাকিং
ছোটখাট একটা সচেতনতামুলক পোস্ট দেই।
আমরা অনেকেই কম্পিউটারের ব্রাউজারে ইউজার নেম পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখি। যাতে কষ্ট করে বার বার ইউজারনেম – পাসওয়ার্ড দিতে না হয়। আপনি যদি ব্রাউজারের মাস্টার পাসওয়ার্ড সেট না করেন, তাহলে এই জিনিসটা খুবই মারাত্মক। যে কেউ আপনার পিসিতে ঢুকে আপনার সব ধরনের পাসওয়ার্ড হ্যাক করে নিতে পারবে। ব্যাপারটা খুবই সোজা।
যদি মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করেন তাহলে নিচের মত করে যানঃ toolsoption

এবার security tab এ saved password button এ click করুনঃ

ব্যাস,
বিস্তারিত»ফার্মগেটে কিছুক্ষণ….
এইতো সেদিন ফার্মগেট থেকে ঘুরে আসলাম । মাঝখানে কেটে গেছে দুইটা বছর। ফিরে এসেছিল সেই ঘিঞ্জি ফুটপাত আর পুরানো আমি । আশপাশ থেকে আসছিল গাড়িঘোড়ার সেই পুরানো শব্দত্যাচার । আসছিল দোকানিগুলার চিৎকার , “একশ, একশ। একদাম একশ”, রাস্তায় শুয়ে থাকা হাত পা হীন ভিক্ষুকটার গোঙানি, কপোত-কপোতীদের হাসাহাসি, আরো সব এলোমেলো কোলাহল….
সব কিছুই আগের মতো লাগছিল । কিন্তু সেই এক রকম ছিলাম না আমি ।
বিস্তারিত»