ভিগো মর্টেনসেনের কবিতা

ইন্টারনেটে ঘুরতে ঘুরতে প্রিয় অভিনেতার প্রোফাইল দেখছিলাম। একটু বিস্মিত হয়ে জানলাম, ভিগো মর্টেনসেন কবিতা লেখেন। প্রকাশিত বই আর নিজের একটা প্রকাশনীও আছে তার। খুঁজে পেতে কিছু কবিতা পড়ে চমকিত, মুগ্ধ। ঝটপট বাংলা করতে ইচ্ছা করলো। কবিতার সুর আসলে ভাষান্তর করা যায় না। তাই নিচের লেখাগুলো মূল কবির প্রবল প্রভাব-আচ্ছন্ন লেখা বলা যায়। পাঠকের প্রতিক্রিয়াও হিসেবেও ধরা যায়।

(মূল লেখাগুলো পাওয়া যাবে এখানে)

সূচীর বাইরে

ফর্শা শাদা পা
দুয়েকটা জন্মদাগ।
আড়াআড়ি রাখা, ডানের ওপর বাম।
সন্ধ্যার গাঢ় আলোটুকু মেখে নিচ্ছে,
হাঁটুর নিচের মাংশ থেকে
আরেক উরুর মাংশ অবধি।
হাল্কা নীল নাইলন মোজা পরে আছে
গোড়ালির কাছে ঘনসবুজ – যেন সদ্যকাটা
ঘাসের রঙ মেখে এসেছে,
হেঁটে বেড়াচ্ছে রান্নাঘরে ইতস্তত।
স্যুপের বাটিটা অর্ধেক ঘাসে আর অর্ধেক সিমেন্ট-বাঁধানো উঠানে।
বাটিতে দুটো সিগারেটের মোথা, খুব তৈলাক্ত ভাসছে।
আছে নির্জলা জল অর্ধেক বোতল,
সেখানে ঝঞ্ঝারত মশা একটি, আরেকটি মরে ভেসে আছে।
এক লম্বাটে গেলাসের শুকনো তলানিতে পড়ে আছে
সূর্যালোক মাখা নির্লিপ্ত লেবুর স্লাইস
গেলাসের কিনার জুড়ে রক্তিমাভা লিপস্টিক
আর মাঝ বরাবর সানট্যান লোশন-আঙুলের দাগ।
ঝাঁ চকচকে ম্যাগাজিনের স্তূপ,
নারী-ম্যাগাজিনগুলো ঘোষণা দিচ্ছে শপিংয়ের তালিকা,
আর কীভাবে আয়নায় দেখবেন তার নিয়মাবলী।
সিনে-ম্যাগাজিনগুলো বলে দিচ্ছে কোন ছবি দেখতে হবে
আর কোথায় কোন অনুষ্ঠানে হাজির হতে হবে।
একটি ঘিয়েরঙা পুশবোতাম টেলিফোন, অ্যানসারিং মেশিনের
লাল আলো জ্বলছে নিভছে আর এক্সটেনশন কর্ডটা চলে গেছে
সুবিন্যস্ত বালুর ভিতর
পাতাবাহারের ঝোপের ওপাশে
লাল গোলাপের মধ্যে।
একটি উড়োজাহাজের প্রোপেলার মাইল মাইল দূরে
সমুদ্রের ওপর গর্জন করছে।
একটি ধবল বক গ্যারেজের চালে বসে পড়ার আগে
একবার সুতীক্ষ্ণ ডেকে উঠলো।

সেলফ সার্ভিস বদ্বীপ

এখানে যারা আসে গাড়ি চড়ে, তাদের
অনেকে শেয়ার করে নিজের গাড়ি নেই বলে
কেউ কেউ আসে ট্যাক্সি চেপে
কেউ কেউ বহুদিন এদিকে আসেনি।
অনেকে এবারই প্রথম এলো এইখানে
কেউ কেউ নিজে নিজেই চলে এসেছে
তাদের গাড়িগুলো তাদের বাড়ি নিয়ে যায়
যেতে যেতে তারা হয়তো ব্যাঙ্কের চেকবুক
কিংবা কোন প্রাগৈতিহাসিক আলাপের কথা ভাবছিলো
তারা বিস্মিত হয়, যখন টের পায় ফাঁকা ড্রাইভওয়েতে
নিশ্চুপ গাড়িতে বসে আছে।
তারা তারপর নিজ নিজ সংসারে ঢুকে পড়ে
কেউ কেউ কখনো বাড়িতে পৌঁছুতে পারে না
কেউ কেউ সারাজীবন ট্রাক চালিয়ে বেড়ায়
সদাচলিষ্ণু, মধ্যরাতের হাইওয়েতে
নিখোঁজ – যেন হাওয়ায় মিলিয়ে যায়।

অনেকবার আমি গ্যাসস্টেশনে থেমেছি, মৃদু বৃষ্টির মাঝে
আমার বিস্রস্ত ভাবনা খেই হারিয়ে ফেলেছে
প্রতি গ্যালনে লাফাতে থাকা ডিজিটগুলো সাথে।

ইউনিভার্সাল

একটি একাকী তৃষ্ণার্ত পন্ডারোসা* জন্ম নিয়েছে
কঠোর পাথরের বুকে ধোঁয়াশাঢাকা বন্ধ্যা পাহাড়ের
পাদদেশে। এখান থেকে সে দেখছে নর ও নারী বাহুমূলে
মাতাল স্বপ্ন নিয়ে স্টুডিওর পার্কিং লট পেরিয়ে যাচ্ছে।

(*উত্তর-পশ্চিম যুক্তরাষ্ট্রে এক প্রকার পাইন গাছ)

মায়ামি

শীতল সূঁচালো ভারী ও স্পষ্ট স্রোতরাজি
তার করতলের ক্লান্ত গর্তে সশব্দে ঢুকে পড়ছে।
হাড়ের ভেতর, কব্জির মোচড়ে, আর সুকঠিন অনমনীয়
পেশীর গভীরে চলে যাচ্ছে। ঠাণ্ডা পানির স্রোত তার কাঁধ জুড়ে
আর বুকের মধ্যে ঠেলা দিচ্ছে, ব্যথাটাকে ধাক্কিয়ে পাঠিয়ে
দিয়েছে ঘাড়ের ভেতর, চুলের ভেতর। কে যেন তাকে বলেছিল,
অহিবিষের সাথে যুদ্ধ চলছে এখন, তাই স্রোতের প্রয়োজন।

আলিঙ্গন

বৃষ্টিতে ঢুকে গেছে
ব্যাকটেরিয়া,
একাকী নর ও নারীর
গোপন পরীক্ষায়
যার জন্ম।
এ তেমন দুঃসময়
শীত ও বসন্তের মাঝামাঝি
নিরানন্দময়, হুমকিস্বরূপ।
যখন এই শহর
তার ঘামসিক্ত
করিডোরগুলো
ভরে দিচ্ছে বাতাসে,
দুই পাখা, দুই পা মেলে ধরছে
ইন্দ্রিয়-অবোধ্য সংকেতে
প্রতিদিন সকালে
ঠিক এক ঘণ্টার জন্য।
শান্ত কণ্ঠসমূহ ফিসফাস নির্দেশ দেয়
হাতের ঝাপ্টানি
স্ট্রিটলাইটের আলোয়
লাল স্ফীত জিহ্বা লালানো
পাশবিক মুখগুলো
লুকিয়ে থাকে তার পিছনে।
নিঃশব্দেই তারা একে
অপরকে গোগ্রাসে গিলে।
কৃতজ্ঞ কোমল কাঁপুনি,
প্রবল গতিচালনায়
খাপে খাপ,
তীব্র নখর,
বিদ্রূপ।

দেহাবশেষ

তোমার মুখের ওপর কালো পর্দাটা
কী চমৎকার এঁকে দিলো কয়েকটা
কালো তিল, আজ কবরখানার সূর্যালোয়।
টানাবারান্দার এক কোণে দেয়ালে সাজানো
ছবিগুলোর মাঝে, তুমি একদম শেষেরটা।
মন চাইছে আলতো ছুঁয়ে দেই তোমার মুখ, তোমার পিঠ,
যেভাবে তুমি আমার বালিশে মৃদুশ্বাস ফেলতে,
আলতো, কোমল।

সেদিন খুব চড়া গ্রীষ্মে, সা-রা-টা দিন
তুমি খুব ঘুমুচ্ছিলে আমার বিছানায়।
এখন আমার কাছে শুধু তোমার একটা
ফটোগ্রাফ বৈ কিছু নেই। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়
আত্মীয়স্বজন ফিসফিস করছে, ফিটফাট বসে
ঘাসের ওপর, সরীসৃপ-ন্যায়।

৩৩

কতোদিন হয়ে গেছে, আমি তোমাকে উঁচু থেকে দেখছি
অন্যেরা ধরে নিয়েছে এ এক উড়ান। আমি নিজেও
ভালোবাসি প্লেন, কিন্তু উঁচুতে উঠতে আমার প্লেন লাগে না।
তোমার চোখের বদলে বরং নিজের করতলে চেয়ে থাকি
যখন তুমি নিজেও তোমার নাম ভুলে যাবে, কেউ তোমার কথা
শুনতেও পাবে না! তখন টিনের চালের ‘পরে বৃষ্টি গেয়ে যাচ্ছে,
কিছু অতীত স্বপ্ন, ফোঁটা ফোঁটা এসে স্তব্ধ হয়ে পড়ছে রান্নাঘরের
চালে, যেখানে আমি বিড়ালটাকে কোলে নিয়ে স্বপ্ন দেখছি।

গলাধঃকরণ

ছিপসহ বড়শিটা
গিলে ফেলছি
সেই সাথে
তোমার সঙ্গে
দেখা হবার দিনের
বিকেলটুকুর
বিশ্বাসটাও গিলেছি।

তোমার চোখে
নিজেকে দেখলাম
তোমার বাহুতে
আর
তোমার অধরে
একটা সম্পূর্ণ জীবন
কাটিয়ে দিলাম
সেই দিন বিকেলে
যেদিন তোমার সঙ্গে
দেখা হলো।

দশটি শেষরাত্রি

ভাঙা চেয়ারের অবশিষ্ট স্তূপ
গলির মোড়টায়
পেরিয়ে এসে আমি
টের পাই ত্বকের ওপর
তুমি ধীরে ধীরে শুকাচ্ছো।

তোমার ঠোঁটে জ্বলজ্বল
রক্তের স্বাদ এখনো পাচ্ছি।

অপরাধবোধের মত লেগে আছে।

শুধুই কফি

সে আরো উদাত্ত ভালোবাসা চায়
চাইতেই পারে, যেমন স্বপ্ন দেখতে
দেখতে সে রোজ ঘুমুতে চাইতে পারে।
টেবিলে বসে বসে সে একবার
দুই পা গুটিয়ে নিলো, আর কিছু’খন
অপেক্ষা করলো কখন তার চোখ
অশ্রুতে ভরে ওঠে। মেয়েটি কেঁদে
ফেললে, সে তার হাত দু’খানি ধরে
ভান করলো, যেন টেবিলের পাশ
দিয়ে হেঁটে যাওয়া যুবতীর দিকেই
তার সব মনোযোগ।

পাথরজীবন

সূর্যের কাছাকাছি কোন হ্রদের তীরে দেখা হলো।
সূর্যতাপে তোমার মুখ ও চোখ,
হাত ও পা গলে গেলো, যেন
বহুকাল ধরেই আমরা একে অপরকে চিনি জানি
শুধু অপেক্ষা পুরোনো পরিচয়ের সলতে জ্বলে ওঠার।

যেন এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার পুরষ্কার এসব,
এখন আমরা সবকিছু ভাগাভাগি করে নেব।

নেব্রাস্কার চিঠি

লোকমুখে শুনি, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে এমন গ্রীষ্মকাল
আর আসে নি। সবাই যখন কাজে গেছে,
তখন রৌদ্রজ্জ্বল আকাশেও ঝলসে ওঠে বিদ্যুচ্চমক।
পশু বেড়ে যাচ্ছে রাতের আঁধারে গুণনের সূত্রে। সর্বদাই খাদ্যাভাব।
প্রতিদিন চল্লিশ কি পঞ্চাশটি খুন। ওদিকে নির্যাতনের দেয়ালের ওপারে
কতো মানুষ নৃশংসতায় মরছে, কে জানে তার হিসাব!
ঘুরে বেড়ানো অনেক শিশুকে দেখি, পড়তেও শিখেনি এখনো,
অথচ দৃঢ় সংকল্প মুঠি তাদের, চোখ মাটিতে জুতোর দিকে নিবদ্ধ।
ডুবে মারা যায় অনেকেই, খবর পেয়েছি। কেমন করে জানি
আমরা সবাই সাঁতার ভুলে গেছি। কেউ শেখাতেও পারছে না ইদানিং।
লোকজন পানিকে এতোটাই ভয় পায় যে ব্রিজ আর উদ্যানগুলো
ফাঁকা পড়ে আছে। আজকাল আর এখানে বৃষ্টি হয় না।
সূর্যের রশ্মিও ফিকে হয়ে যাচ্ছে, কোণে কোণে গাঢ় কালোমেঘ
জমে উঠছে। বিশ বছর পুরানো রদ্দি সব গান বাজে রেডিওতে সারাদিন।

আর এপ্রিলের পর থেকে আমি একটা কথাও বলি নি।

ঠাঁই

যেখানে গেলে সব হৃত জিনিস খুঁজে পাওয়া যায়
সেই জায়গার প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা, ভীষণ ভক্তি
প্রায় মূর্তি উপাসনার কাছাকাছি। তার ফ্রিজে
অনেকগুলো না-খোলা চিঠি পড়ে আছে,
আছে সাবান-দানিতে রাখা নকল নখ, এদিক-ওদিক
ছড়ানো জুতো। এইসব টুকিটাকি, যত্রতত্র ফেলে যাওয়া
অবশিষ্ট টুকরোগুলো, এক বিধুর বায়ুর স্মৃতি বয়ে আনে।
বন্ধ দরোজার ওপার থেকে, বিশুদ্ধ স্মৃতিজালের বিনিসুতোর নকশা তৈরি হয়।
এসব কিছুর ঊর্ধ্বে বসে সে ঘড়ির কাঁটার চলন
সৃষ্টি করে একাগ্র নিয়ন্ত্রণে।

ভিন্ন মত

তারা ওই ছোট্ট প্রদীপটিকে দপ্‌ করে নিভিয়ে দিলে
আরো একটি রেড-ক্রস-শ্রোণির আলো নিঃশেষিত হবে
আগাছাবিহীন বাগান থেকে আসবে ঋতুস্রাবের শিল্পী
মেকি ফায়ারপ্লেস থেকে জ্বলবে নিষ্কলঙ্ক নীলাভ রশ্মি
সেই আলোয় পুড়ে যাবে আমার চোখের কোণ। নির্বেদ
নিঃসীম পানে চেয়ে থাকা ছাড়া আমার পরিত্রাণ নেই!

একটা অজানা হাত দরজা খুলে দিলো, মসৃণভাবে ভেতরে
ঢুকে পড়লো সে, মৃতের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা।

বারবার উল্লেখ করছিলো ব্যাপারটার ভালো ভালো দিক,
কালো প্যান্ট পড়লে তোমার খুব বেশি ব্যথাবোধ হবে না,
আর ন্যাপকিনে মুড়ে একটা কুকি দিয়েছি, আরো আছে
কাগজের কাপে করে রক্তাভ জুসটুকু, খেয়ে নিলে
শক্তি ফিরে পাবে সহসাই।

আমাদের সূর্যটা সত্যিকারের নয়, তাই
বাড়ি ফেরার পথে আমরা চোখের পলকও ফেলি নি।

শেষ গন্তব্য

সকাল থেকে চল্লিশ মাইল গাড়ি চালানোর পর
সহসাই তুমি বললে আমি নাকি তোমাকে ইগনোর করছি
তখন থেকে তোমার আরেক দফা অভিযোগের অপেক্ষা করলাম
কিন্তু সেটা আসছে না।
এরপর এক ঘণ্টা ধরে ব্যাপারটা ভাবছি অভিযোগ নিয়ে
কিন্তু তুমি কী বুঝালে তা এক্টুও ধরতে পারছি না।

মনে হয় তুমি একটু কথাবার্তা বলতে চেয়েছিলে।
আমি তা চাই নি।
আমি রাস্তার দিকে মন দিচ্ছিলাম।
আমি দেখছিলাম ঝোপগুলো সবুজ হচ্ছে,
গুল্মরাজি নতুন, তুলতুলে।
আশেপাশে প্রচুর কাক।
পথের পাশে একটু ভেজা ভেজা মাটি
সেখানে তিন দিন পুরোনো শ্যাওলা জমেছে।
এমনকি শিমুল গাছেও ধরেছে ফুল।
কিন্তু তুমি এমন অভিযোগ করার পর
আমার আর এগুলো বলতে ইচ্ছা করছে না।
যেমন রাস্তার ‘পর ওই মরে পড়ে থাকা বিড়াল
কিংবা মাত্র পেরিয়ে আসা ধূপখালি,
যেগুলো তোমার কাছে একঘেঁয়ে পোস্টকার্ডের মতো।
মনে হয় তুমিই ঠিক
মনে হয় আমার এই নিশ্চুপতা চাপ ফেলছে তোমার মনে-
বুঝিয়ে দিচ্ছে এখানে এক গভীর সন্তাপ লুকিয়ে আছে।
কিন্তু এই বছরটা মাত্র শুরু হলো,
আর গাড়িটাও চমৎকার চলছে!

স্মৃতিচিহ্ন

এখনো অব্যবহৃত পড়ে আছে
খাম খোলার ছুরিটি,
উপহার পেয়েছিলেন অনেক
আগের কোন জন্মদিনে,
সময়ের চাপে নিষ্প্রভ হয়ে গেছে।
ছুরিটি রাখা ছিল জানালার চৌকাঠে,
উত্তরে চলে আসার আগে যেবার
তিনি সমুদ্রের উপকূলে গেলেন
লেখক হবার আগে
মা হওয়ার আগে
সেই উপকূল থেকে আনা ঝিনুকটির পাশে।
তার ছেলে ওটা নিতে চায়
তার ঘরের কোনাঘুপচির
দৈত্যদানো আর খারাপ লোকদের
মোকাবিলায় অস্ত্র হবে ওটা,
কিন্তু সে এখনো ছুরিটার নাগাল পায় না।

******

৯২৩ বার দেখা হয়েছে

৪ টি মন্তব্য : “ভিগো মর্টেনসেনের কবিতা”

  1. সাইফুল (৯২-৯৮)

    আন্দালিব,

    জানিনা বাংলা ভাষী দেখে কিনা, ইংরেজীর চেয়ে তোমার অনুবাদ গুলো পড়তে ভাল লাগলো, যদিও আমি কবিতা বুঝি অনেক কম 🙁 ।

    "মায়ামি" টার অনুবাদ বেশ ভাল লাগলো।

    তুমি অনুবাদ খবু ভাল করতে পার। আরও এরকম অনুবাদ করলে আমার মত "বকলম" লোকজন অনেক ভাল কিছু পড়তে পারত।

    চালিয়ে যাও... :thumbup:

    জবাব দিন
  2. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    সবগুলো কবিতা পড়িনি এখনো।
    তোমার সচ্ছন্দ অনুবাদ দারুণ লাগলো।
    কতটা সময় দিয়েছো, আর ডুবে দিয়েছো এসব কবিতার ভেতরে তা বলাই বাহুল্য।
    'গলাধঃকরণ' বানানটা ঠিক আছে? আ-কার হবে?
    'এক্টুও' তে যুক্তাক্ষর কি ইচ্ছে করে? খারাপ লাগছেনা দেখতে যদিও!

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।