এক.
দিনটার কথা এখনো স্পষ্ট মনে পড়ে। সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে পাবনা সার্কিট হাউসে পৌছলাম। লাঞ্চ সেরে, পোশাক পাল্টে সাদা শার্ট, সাদা প্যান্ট এবং কালো অক্সফোর্ড সু পরে রেডি হলাম কলেজে যাবার জন্য। একুশে মে, ১৯৯২ সাল। সাথে আব্বা এবং বড় ভাই। দুপুর দুইটার দিকে কলেজে পৌছলাম। পথে ক্যালিকো কটন মিলস পড়লো, আব্বা মোটামুটি সেটার নাতিদীর্ঘ ইতিহাস বললেন। পাবনা পৌছাবার পর থেকে পাবনা জেলার ইতিহাসও বলে যাচ্ছিলেন বড় ভাইকে।
স্ট্যান্ডিং এট দি এজ (Standing at the Edge)
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। আমার জীবনের কতো কতো স্মৃতি জড়িয়ে রেখেছে সযত্নে। কতোবার এই সবুজের বুক চিরে ছুটেছি, কখনো এদিক, কখনো ওদিক। কোনদিন তো এমন হয়নি আমার, এই চিরচেনা পথটার জন্যে এভাবে বুকটা হুহু করে ওঠেনি!
ছয়তা বছর ধরে, বছরে সাত-আট বার আমি এই সড়ক পাড়ি দিয়েছি। যতবার এই পথে ছুটেছি আমি, প্রতিবার নতুন কিছু পেয়েছি, নতুন নতুন জিনিস দেখেছি। মনেহয় যেন এই সড়কের প্রতিটি নুড়ি আমার চেনা।
ঝরে না পড়া সূর্যমুখীদের কথা
কেমন যেন ঝাপসা লাগছে চারিটা দিক। সিলিং এর দিকে এক দৃষ্টিতে চেয়ে আছি। সিলিং এর ইন্টেরিয়র কালারটা যে কি ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। কখনো সাদা, কখনো হলুদ, আবার কখনোবা হালকা গোলাপী লাগছে। কেমন যেন একটা ঘোর লাগা ভাব। সিলিং ফ্যানটার দিকে তাকিয়ে থাকতে ভালোই লাগছে। ছন্দিত গতিতে চরকির মত ঘুরে যাচ্ছে অনবরত। আচ্ছা এই সিলিং ফ্যান এর কয়টা পাখা? তিনটা? নাকি চারটা? ঠিক এই প্রশ্নটাই আমাকে ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ভাইভাতে জিজ্ঞাসা করেছিলেন একজন আর্মি অফিসার।
বিস্তারিত»আমি একটা বাঘের বাচ্চা!
গ্রীষ্মকাল, আম কাঁঠালের দিন। নতুন ক্লাস 12!! বাকিটা মনেহয় বলা বাহুল্য!
সারা গেমস টাইম কেটে যায় আমগাছ গুলোর নীচে! গাছগুলাও basketball এর বারি খেতে খেতে fed up হয়ে গেছে! আমি মিউজিক ক্লাব এর প্রানী, মোটামুটি দিনের আলোই দেখিনা! ব্যান্ড প্র্যাকটিস Banned হয়ে যাওয়ায় আমার কিছুটা কুবেরের মতো দশা হোল “অন্ধকারে যে বাস করে মৃদু আলোতে তার চোখ ঝলসাইয়া যা আর চোখ ঝলসানো আলোতে সে হয় অন্ধ।” দীর্ঘদিন পর গ্রাউন্ডে গিয়ে ক্লাসমেটদের আম পাড়ার অভিনব দক্ষতা দেখে আমি মুগ্ধ!
বিস্তারিত»ফেরারী (২)
ফ্রাঙ্কফুর্ট,জার্মানী
গত চারটা দিন জিকোর উপর দিয়ে অনেক ধকল গিয়েছে। মন্ট্রিলে ঐ কাহিনীর পর বিএসএস ওর পিছনে লাগবেই এটা ধরে নিয়ে এগিয়েছে ও।প্রথমে মন্ট্রিল থেকে নিজের নামে ইস্যু করে অটোয়ার ট্রেন টিকেট।কিন্তু ট্রেনে না গিয়ে রেন্টে কার এ বেনামে ভাড়া করে একটা টয়োটা,ড্রাইভ করে নিজেই চলে আসে অটোয়াতে।সেখান থেকে টিকেট কাটে নিউইয়র্কের।অবশ্যই নিজের নামে।কিন্তু এখানেও ও বদলে ফেলে নিজের গন্তব্য।
বিস্তারিত»হাতি ও পিঁপড়া কৌতুক সমগ্র
এক্সক্যাডেট ফোরামে শরীফ ভাই এর দেয়া হাতি পিঁপড়া জোকস দেয়ার পর অনেক গুলো কমেন্টে আরো কিছু জোকস উঠে এল। সব গুলোর একটা কালেকশান করে ফেললাম। যদিও অধিকাংশ অনেকের ই জানা। তবুও নতুন ফ্লেভারে পুরাতন জোকস
হাতি আর পিপড়া প্রেম কইরা ধরা খাইছে।
পিপড়ার মা : তোর এত বড় সাহস তুই আমার
মেয়ে হইয়া হাতির লগে প্রেম করোস? আজ
থেকে হাতির সাথে তোর যোগাযোগ বন্ধ
পিঁপড়া: (কাঁদো কাঁদো কন্ঠে) তা হয়না মা আমার
পেটে হাতির বাচ্চা.
বৃষ্টিবিলাস
আকাশজুড়ে মেঘের সভা, সূর্য মেঘে ঢাকা
চিন্তা ছিল, ভাবনা ছিল, মনটা বেঁধে রাখা।
রসায়নে মন বসে না, বইয়ের পাতায় চোখ,
জানলা খোলা, ভেজা হাওয়া জানায় অভিযোগ।
এলোমেলো মাতাল হাওয়ায় উড়ুউড়ু চুল,
সমীকরণ লিখতে গিয়ে সাজাই শুধু ভুল।
চোখ চলে যায় মাঠ পেরিয়ে মেঘবালিকার সাথে,
বই খাতা সব রইল পড়ে, বৃষ্টি আমায় ডাকে।
বড় বড় ফোঁটায় নামে কালো মেঘের ঢল
ভিজছি আমি,
একটি ছারপোকার আত্মকাহিনী
এই ছারপোকা কলোনির সবচেয়ে দুঃখী মেয়ে আমি। অথচ একসময় কি সুখময় ছিল আমার জীবন!ছোটবেলা থেকেই আমি একটু দস্যি টাইপের ছিলাম। দিনরাত সঙ্গী সাথিদের নিয়ে বাঁদরামি করে বেড়াতাম আমি। আমাদের কলোনির পাশে যে মনুষ্য দৈত্যের বাস সে ছিল নিতান্ত নিরীহ ও অলস প্রকৃতির। সে আমাদের তেমন একটা ঘাটাতো না। রাতের বেলায় দলবেঁধে রক্ত খেতে বেড়াতাম আমরা। কখনো পায়ের আঙ্গুল, কখনো পায়ের পাতা সব জায়গা চষে বেড়াতাম আমরা।
বিস্তারিত»ফেরারী
:gulli2:
ভূমিকাঃ
জিকো বসে আছে একটা কফিশপে।রিকার্ডো কে একটা পাবলিক ফোন বুথ থেকে ফোন দিয়েছে কিছুক্ষন আগে।ওর এতক্ষনে চলে আসার কথা।জিকো আছে কানাডার মন্ট্রিলে। বনসিকিউর মার্কেট এরিয়া নামে একটা জনবহুল এলাকা।গা ঢাকা দিতে এরকম জনবহুল এলাকাই অনেক ভাল।হাজার লোকের ভিড়ে ছদ্মবেশ নিয়ে মিশে যাওয়া যায় সহজে।এলাকাটিতে বাড়ি ঘরগুলো পুরোনো আমলের দূর্গের মত করে বানানো।রাস্তা ঘাটও তাই।সবকিছুতেই পুরাতন ঐতিহ্যের ছাপ।কিন্তু এই সৌন্দর্য উপভোগের জন্য আসেনি ও।রিকার্ডোকে ওর দরকার।দরকার একটা সেফ হাউজের।পুরোপুরি আন্ডারগ্রাউন্ডে যেতে হবে ওকে।
বিস্তারিত»বরাবর,অধ্যক্ষ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, পাবনা।
জীবনে যে কতবার লিখছি এই কথাটা তা গুনে শেষ হবে না। তো যাদের কাছে এতগুলা চিঠি লিখলাম তাদের নিয়ে লিখতে বসছি আজ। আমার জীবন কালে আমি সাড়ে তিন জন প্রিন্সিপাল পাইছিলাম।
এক.) মাহবুবুর রহমান ফারুক স্যারকে পাইলাম গিয়া সেভেনে। তখন ক্লাশ এইটের ঠেলাতেই জানডা আলজ্বিভ ধরে ঝুলত, কখন জানি বাইর হইয়া যায় অবস্থা। প্রিন্সিপাল তো ভিন গ্রহের কথা। তখন মনে করতাম হাউস মাস্টারই সবকিছু কলেজের।
বিস্তারিত»রং বদল – ২
হলে ফিরে রুমে আসার পর দেখলো রাবেয়া কান্না ভেজা চোখে ওর বিছানার উপর বসে আছে। অজানা আশংকায় কাকনের বুকটা কেঁপে উঠেছিল। তারপরই সে রাবেয়ার কাছ থেকে সেই ভয়ংকর সংবাদটা শুনেছিল.
-চাচীর হার্ট এ্যটাক করেছে। অবস্থা খুব আশংকাজনক। এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ারে আছে।
সে আর দেরী করেনি। পরদিনই চলে গেল ময়মনসিংহে। মা কোন রকম ভাবে প্রাণে বেঁচে রইলো। তবে বুকের ভেতর একটা ভালভ নষ্ট হয়ে গেছে।
যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম (পর্ব ৪)
নতুন জীবন ও একজন জুনায়েদ স্যারঃ
নেমপ্লেটটার দিকে তাকিয়ে ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি। পাশের বেডে বসা তারান্নুম (সেই রোগা টিংটিঙে মেয়েটা) পা দোলাতে দোলাতে জিজ্ঞাসা করলো,” এমন বড় বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলছিস কেন?” আমি আরেকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলি,”আমার নেমপ্লেট দেখে! এটা কোন নাম হলো বল তো? রাহাত আরা! খেয়া নামটা কতো সুন্দর না?” তারান্নুম হি হি করে হাসে,” সত্যিই তো! রাহাত আরা,কি আজব নাম!
বিস্তারিত»রং বদল – ১
(পোস্টের সংখ্যা ৫৯ এ আটকে আছে দেখে তা ৬০ করতে ইচ্ছে হলো। অন্য কোথাও প্রকাশিত অনেক আগে লেখা একটি গল্প পোস্ট করলাম।)
-তোমাকে না ফাইলটা নতুন করে এডিট করতে বলেছিলাম?
-করেছি তো। এটা তো নতুন ভার্সন।
-তাহলে যে গতকাল আমি নতুন কয়েকটা পয়েন্ট দিলাম সেগুলো কোথায়?
-আপনি তো সেগুলো এখানে ঢুকোতে বলেননি।
-তাহলে কোথায় ঢুকোতে বলেছিলাম?
-বলেছেন পরে যখন আপগ্রেড ভার্সন হবে তখন নতুন এইসব পয়েন্ট সেখানে যোগ করতে।
ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ৪ – ইতালী

ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ৩ – ক্রোয়েশিয়া
ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ২ – নেদারল্যান্ডস
ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ১ – জার্মানী
পর্ব চারে স্পেনের আসার কথা ছিল, আর পর্ব পাঁচে ইতালী। সিরিয়ালে একটু ওলট পালট হল কারন স্পেন বা পর্তুগালের আগেই ইতালী তাদের ৩২ জনের প্রিলিমিনারী স্কোয়াড ঘোষনা করেছে গতকাল,
বিস্তারিত»প্লীজ আলটিফাই ইওরসেলফ!
‘ধূম’ ছবির সিলেট শাখার মহানায়ক কিছুদিন আগে ইংরেজী ভাষার উপর ক্যাপসুল কোর্স করে এসেছেন বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী থেকে। ক্যপসুল কোর্সের বদৌলতে কতগুলো অলস সময় যে আমরা ফ্লোরে গড়িয়েছি হাসতে হাসতে তার সঠিক সংখ্যাটা কারও জানা নেই।হাসির ফাঁকে একটু দম নিতাম আর বলে বলে উঠতাম, “এতদিন কোথায় ছিলে?” নায়কের জানার পরিধি তখন ভূগোলের গন্ডি পেড়িয়ে আমেরিকান ইংরেজীর দিকে ধাবিত হতে লাগল চরম গতিতে এবং স্ববেগে।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জনের সাথে বলা মহানায়কের সেই আমেরিকান ইংরেজীর কিছুটা তুলে দেওয়া হল।
বিস্তারিত»