সময়টা আশির দশকের শেষ দিকে অথবা নব্বই দশকের শুরুতে। সেই সময়টা মনের পাতায় এলেই শান্ত সৌম্যভাব কাজ করে। তখন শহরের ধূলোবালি হয়তো কম ছিলো এখনকার চেয়ে। নাগরিক যান্ত্রিকতায় ছেয়ে যাওয়া এই শহরের বুকে হয়তো একটু বেশি প্রাণের স্পন্দন ছিলো। সেই সময়ের শিশুদের শৈশবে হয়তো শান্ত নীরবতার স্থান এখনকার চেয়ে একটু বেশি। দুপুর শেষ করে বিকেলের ছুটোছুটি কিংবা নিরর্থক ক্রীড়ার আয়োজনও ছিলো তখন বেশি। আর বিকেল শেষে সন্ধ্যার আগে অথবা দুপুর শেষে বিকালের আগে টেলিভিশনের পর্দায় কার্টুনের আনাগোনাও তখনকার সময়ের এই আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে গিয়েছিলো।
বিস্তারিত»তেলেপোকারা ফিরে আসে!
একটা গুরুত্ব পূর্ণ সরকারী অফিসে বসে আছি। সাড়ে বারটায় এপয়েনমেনট ছিল, এখন দুপুর ২.৩০ । হয়ত দুপুরের খাবারের পর ডাক পরবে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত অভ্যর্থনা কক্ষে বসে আফিস-অধিপতিদের নাম এবং সময়কালের ক্রম তালিকা পড়তে পড়তে এক জায়গায় এসে বার বার হোঁচট খাচ্ছিলাম ,”মতিউর রহমান নিজামি”, মাননীয় শিল্প মন্ত্রী।
সত্যি সেল্যুকাস কি বিচিত্র এদেশ !
তরুন নবাব সিরাজ বা খুদিরাম যেমন বলে গিয়েছিলেন,
বিস্তারিত»জীবনের ওপারে আকাশগঙ্গা…..
মৃত্যু- যখন আসার কথা তখনই আসবে। সময়মতোই এসে হাজির হবে-
উদার কপাটে-
থামানো যাবে না তাকে কোনমতে।
ক্ষয়রোগ বাসা বেঁধেছে- চলে যেতে কীটস এর পথে। শরীরটা শেষ ঝাকুনি দিয়ে
থেমে যাবে অবশেষে- চির দুখী বিদায়ে।
ভাবতেই পারি না কোনভাবে- নাহ! মানতেই পারি না যে!
এই আলোর মতো জীবনটা, এই চৈত্রের হলকা হলকা হাওয়ার মতো জীবনটা
আমার- নাই হয়ে যাবে একেবারে!
অস্থিরতা
ভালোবাসা-
অস্থির ভাবনার কী স্বস্তিময় এক ঠিকানা!
অনুভূতি, অনুরণন,অনোনুমেয় প্রকম্পন,
অবাধ্য আচরন- কতই না অসাধারন ক্ষন
ক্ষনস্থায়ী, আটপ্রৌড়ে, আর দশটা দিনের মত নয়।
তামাশা দর্শনের উদ্দেশ্যহীন দিনের শেষে,
অমূল্য হৃদয় বিকোনোয় লোকসানের ভয় আর
মোহকে ছিন্ন করা স্থির সেই দৃষ্টি,
কেমনে ভুলিব আমি,
আকাংক্ষাহীন, নিশ্চুপ বাক্যপূর্ণ, গভীর সাগর।
কতই না নিরাপদ, বিশ্বস্ত, অটল পর্বত।
তবু অস্বস্তি মনে,
আমি কেন ব্লগে লেখালেখি কমালাম?
[প্রাককথনঃ ‘সদালাপ’ নামে একটা ব্লগের উদ্দেশ্যে মূলত এই প্রবন্ধটা লেখা। তবে বিনে পয়সায় উপদেশ বিতরণের মজ্জাগত খাসলতের ওপরে কোনোক্রমেই উঠতে সক্ষম না হওয়ায় শেষমেশ সিসিবিতেও লেখাটা পাঠালাম। লেখাটা সিসিবির অধিকাংশ লেখার বা আলাপচারিতার ধারার সাথে খুব একটা সংগতিপূর্ণ না হলেও লেখার সার্বিক মেসেজটা হয়ত কারো কারো কিঞ্চিত উপকারে লাগতেও পারে, বিশেষ করে সিসিবির যেসব সদস্যরা ধর্ম নিয়ে অন্যান্য ব্লগে লেখালেখি করেন, তাদের।
আরেকটা কথা।
বিস্তারিত»প্রতিবিম্ব
এই তো সেদিন রাতে,
চারপাশের কোলাহল যখন আরেকটি ভোরের প্রতীক্ষায়
রাতজাগা তারা রা আলো জ্বেলে ক্লান্ত
ঠিক তখন মুখোমুখি হয়েছিলাম একটি ছায়ার।
প্রথমে ভেবেছি স্বপ্ন বুঝি,
আশৈশব কল্পনার কোন এক অস্পৃশ্য চরিত্র
বুঝি নেমে এসেছে স্বর্গ থেকে মর্ত্যে ।
ভেবেছিলাম হাত বাড়ালেই হয়ত বা অধরা,
ভালো করে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি-
ছায়া টা দাঁড়িয়ে আছে ঠায়
ভুতুড়ে গল্পের মত……
বৃষ্টি শেষের গান
লেখার শুরুতেই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের তৃতীয় ব্যাচের ক্যাডেট, মুক্তিযোদ্ধা লেঃ কর্নেল(অবঃ) খায়রুল আলম বেলাল ভাইকে। ভাইয়া অশেষ ধন্যবাদ,এই সময়ের একজনকে সেই সময়ে নিয়ে যাবার জন্য।
আমার মা’র কথা
মা’র জন্য আমাকে প্রায়ই বিব্রত হতে হয়। বিশ্বাস করুন প্রায়ই হতে হয়। বিশেষ করে ছুটি শেষে কলেজে ফেরার সময়। মা আমাকে বিদায় দিতে রেলষ্টেশন পর্যন্ত চলে আসেন । আমি সব সময়ই চাইতাম- বিদায় পর্বটা অন্তত বাড়িতেই শেষ হোক।
বিস্তারিত»জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পূবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৩)
৯
বাংগালিরা নাকি খুব সমালোচনাপ্রবণ। আমার কাছে এক্ষেত্রে পশ্চিমাদের খুব একটা ধোয়া তুলসী পাতা বলে মনে হয় না। সমালোচনা পৃথিবীর সব জায়গাতেই হয়। বরং আমি বলব পশ্চিমে পাবলিক ফিগারদের যে রকম চুলচেরা বিশ্লেষন এবং জবাবদিহিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, পূবে সেরকমটা হয় না বললেই চলে। এর একটা উকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে দুই প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের কথা ধরা যাক। একজন পশ্চিমের বিল ক্লিনটন আর আমাদের এরশাদ।
বিস্তারিত»স্বাধীনতাযুদ্ধে ভিনদেশী বন্ধুরা
১৯৭১.
২৬৬ দিন।
তিরিশ লক্ষ জীবন। যেখানে হিসাব করলে দাঁড়ায় প্রতি মিনিটে প্রায় ৮ টি প্রাণ। অগণিত মা- বোনের সম্ভ্রম আর শত- সহস্র মানবিকতা বিরোধী অপরাধের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি পাঁচ বর্ণের একটি শব্দ “ বাংলাদেশ”। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেদের অবদান অনস্বীকার্য কিন্তু বহির্বিশ্বে অনেক বন্ধু ছিল যারা এই বাংলা মায়ের জন্য যুদ্ধে নেমেছিল। তবে তাঁদের যুদ্ধটা ছিল একটু ভিন্ন। তাঁদের যুদ্ধ ছিল এই ছোট্ট ব-দ্বীপটাতে সত্যিকার অর্থে কি ঘটছে তা বিশ্ববাসীকে অবগত করা।
মনে পড়ে সেই দিনের কথা
আরেকবার সারাদিন এই রকম মন খারাপ হয়ে ছিল। ‘৯৩/’৯৪ সালের ICC Trophy এর সেমি ফাইনালে বাংলাদেশ যখন কেনিয়ার কাছে হারল। জিততে পারলেই বাংলাদেশ ’৯৬ সালের বিশবকাপ খেলতে পারত । ম্যাচ যদিও আজকের মত এত ক্লোজ ছিল না, কেনিয়ার ২৯৫ তড়া করে বাংলাদেশ করতে পেরেছিল ২৮২ রান। কেনিয়ার প্রথম ১০০ করতে যেখানে ৩০ ওভারের মত লেগেছিল, সেইখানে মরিস ওদম্বের মিডল অর্ডারে ব্যক্তিগত ১১৯ রানের মার কাটারী ইনিংসের সুবাদে কেনিয়া রানের পাহাড় গড়ে ফেলল।ও যখন ব্যাট করতে নামে তখন কেনিয়া রীতিমত ধুকছিল,
বিস্তারিত»দেখা হবে বিজয়ে
কাছের মানুষেরা বলে আমার চোখে সমস্যা আছে, কাঁদলে আমার চোখ থেকে নাকি পানি পড়ে না। এ নিয়ে নিজে বেশ কয়েকবার বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি। এমন অনেক সময় হয়েছে যখন হাজার চেষ্টা করেও চোখ থেকে এক ফোঁটা পানি বের হয়নি, যদিও কষ্টে বুক ফেটে যাচ্ছিল। আজ অবশ্য হয়েছে উল্টোটা, গত ৮ ঘন্টা যাবত একটু পরপরই চোখ ভিজে উঠছে। ফেসবুকে এক একটা ছবি, এক একটা স্ট্যাটাস, ইউটিউবের ভিডিও,
বিস্তারিত»আসুন একটি কঠিন কাজ করি…!!!
এই মুহুর্তে সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে দু-এক জনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নিজের মনকে হালকা করে নেয়া। তারচেয়ে বরং আসুন একটি কঠিন কাজ করি-আমাদের সকল দামাল ছেলের পাশে থাকি। বিশ্বাস করুন, ওরা আমাদের চেয়েও অনেক অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছে। অথচ ওদের অর্জন কিন্তু কম নয়। সারা বিশ্ব এখন থেকে জানবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আর আন্ডার এস্টিমেট করার মতন কোন দল নয়, ইউনিস খান বা শেবাগের মতন অকাট মূর্খরা আমাদের ক্রিকেটকে অবজ্ঞা করে কিছু বলার আগে অবশ্যই দুইবার ভাববে।
বিস্তারিত»সংসদে অশালীন ভাষার ব্যবহার ও কিছু কথা
সংসদ অধিবেশনে প্রধান বিরোধী দল বি এনপির যোগদান বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও একটি আশান্বিত হওয়ার মতো বিষয়। সংসদে সরকারি বা বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখা প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই দায়িত্ব। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে বিরোধীদল সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য সংসদ অধিবেশন বর্জন করে। সংসদীয় রীতিতে এটা মোটেও গ্রহণযোগ্য নহে। এবার জাতীয় সংসদের ২৮৫ কার্যদিবসে বিরোধী দলের উপস্থিতি মাত্র ৫৫ দিন। অধিকাংশ দিন অনুপস্থিতির জন্য বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি,
বিস্তারিত»একটি চিঠি…. ত্রিভুজের তিনটি কোণ….. অত:পর…………..
” ELEMENTS ” , জ্যামিতি শাস্ত্রের এক মহা পবিত্র গ্রন্থ । ৩০০ সাল থেকে উনিশ শতকের গোঁড়া পর্যন্ত জ্যামিতি বলতে বোঝাত ইউক্লিডের হাতে গড়া এই এলিমেন্টস্ বইটিকেই। দীর্ঘ দুই হাজার বছর ধরে ইউক্লিডীয় জ্যামিতি একচেটিয়াভাবে শাসন করেছে জ্যামিতি শাস্ত্রকে । সমগ্র ইউরোপের বাঘা বাঘা সব পণ্ডিতেরা ইউক্লিডীয় জ্যামিতিকে অগ্রাহ্য করার চিন্তা ভুলেও কখনও মাথায় আনতেন না। ভাবা যায়? কতখানি প্রভাব বিস্তার করলে এমনটি হওয়া সম্ভব!
বিস্তারিত»একটুখানি সবুজ খুঁজি
নানাবিধ ঝামেলায় আজকাল মন মেজাজ খালি খারাপ থাকে। কারণে অকারণে চোখ ফেটে পানি আসে। বুঝতে পারি অনেকদিন ঘরের মেয়ের ঘরে ফেরা হয় না। গুগল ম্যাপের কিয়দাংশ জুড়ে থাকা বঙ্গোপসাগরের ধারের পিচ্চি দেশটা বড্ড জ্বালাতন করে। সকাল বিকাল বাবা-মার সাথে দু এক কথা বলে “কাজে যাই” বা ” কাজ আছে সকালে, ঘুমাতে হবে” বলে ফোন রেখে দিই। বলতে বাধো বাধো ঠেকে যে আমার আর ভালো লাগে না,
বিস্তারিত»