জীবনের তিনটি নতুন আনন্দময় মুহূর্ত

০৪/০৭/২০১৩ এই দিন টিতে আমি আমার জীবনের তিনটি নতুন আনন্দময় মুহূর্তের সন্ধান পেয়েছিলাম।

১মঃ আমি লেখক হিসেবে খুব ভাল না হলেও আমি অনেকদিন ধরেই লেখার মতো কোন প্লট পাচ্ছিলাম না। ধন্যবাদShuvro Saleh আমাকে সুন্দর একটি প্লটের সন্ধান দেবার জন্য,( যা আমার জীবনের একটি ক্ষুদ্র সময়ের সঙ্গে মিলে যায় )।

২য়ঃ আমি আমার জীবনে প্রথম বারের মতো দুর্ঘটনায় মারাত্মক অসুস্থ একজন রোগীর জন্য রক্ত দান করলাম। (রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শুভ্রের সাথে ঘুরছিলাম হটাৎ ওর কাছে ফোন আসে যে O+ রক্ত লাগবে তার পরই………….)

৩য়ঃ রক্ত দান শেষে তৃপ্তি রেস্টুরেন্ট এন্ড চায়নিজ এ ২ জন খাবার অর্ডার করার পর waiter ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করলো “আপনার বাড়ি কোথায়?” আমি উত্তর দিলাম। আমাকে অবাক করে তিনি আমাকে বললেন “তোমার নাম আদনান না ?” (তিনি আমার মায়ের প্রাইমারী স্কুলের ছাত্র। যখন আমার বয়স মাত্র ৩.৫ থেকে ৪ বছর। আমাকে তিনি কোলে নিয়ে ঘুরতেন।)

দীর্ঘ ১৬ বছর পর তিনি আমাকে কিভাবে চিনতে পারলেন এবং আমার নামটিও তার কিভাবে মনে আসে আমি জানি না। এই উষ্ণ ভালোবাসায় সিক্ত আমি এর প্রতিদান কোনদিন দিতে পারব কিনা জানিনা, মনে হয় পারব না।

সেই ভাইটির নাম আতিক। রাজশাহী কলেজে অধ্যয়নরত। এবং পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করেন।

ও আরেকটি কথা বলতে ভুলে গেছি আমাদের খাওয়া শেষে তিনি তার নিজের খরচে আমাদের ২ কাপ chocolate milk খাওয়ালেন।

{আমার লেখা প্রথম ব্লগ। বড় ভাই ও আপুরা  ভুল গুলো ধরিয়ে দিয়েন। }

১,১৫৭ বার দেখা হয়েছে

২২ টি মন্তব্য : “জীবনের তিনটি নতুন আনন্দময় মুহূর্ত”

  1. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    ভুল টুল পরে দেখা যাবে, আগে ১০টা ফ্রন্টরোল লাগাও তো দেখি, তারপর বাকি কথা :grr:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  2. তাওসীফ হামীম (০২-০৬)

    জায়গায় লাগাও ফ্রন্টরোল, কুইক, বড় ভাইরা আসতেছে, এসে এমাউন্ট ঠিক করবে
    শুভ ব্লগিং


    চাঁদ ও আকাশের মতো আমরাও মিশে গিয়েছিলাম সবুজ গহীন অরণ্যে।

    জবাব দিন
  3. সামিউল(২০০৪-১০)

    ভাই, পোলাডা নতুন আইছে তো ফ্রন্টরোল দেয়া শিখে নাই। শিখায়া দেওন লাগবো।

    এই পোলা, তোমার গাইড কেডা???

    :frontroll: ফ্রন্টরোল এমনে দিতে হয়......


    ... কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!

    জবাব দিন
  4. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    ভাবছিলাম বিশাল এক ঝাড়ি দিবো এতো ছোট লেখার জন্য।
    ছোট্ট লেখার কপিরাইট একমাত্র ফয়েয ভাইএর।

    কিন্তু এই লাইনটা পইড়া মাপ কইরা দিলাম।

    রাজশাহী কলেজে অধ্যয়নরত। এবং পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করেন।

    বাংলাদেশ হারবে না।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।