সুইজারল্যান্ড দেশটা একটু অদ্ভুত। জুরিখে নামলে সব জায়গায় দেখা যায় জার্মান ভাষা। মানুষ বলেও এই ভাষায়, দোকানে সাইনবোর্ডেও এই ভাষা। দক্ষিনে দাভোসের দিকে গেলে মানুষ বলে ইতালীর ভাষায়। আর যদি উল্টো দিকে জেনেভায় আসি সবাই বলে ফরাসী ভাষায়, দোকানের সাইনবোর্ড বা রাস্তার সাইনও তাই। কেউ যদি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে চান তাহলে চলে যান জুরিখ কিংবা আরও দক্ষিণে। সে তুলনায় জেনেভা অনেক নিরস। অনেকটা ওয়াশিংটনের মতো।
বিস্তারিত»ধন্যবাদ
আমার ২৫ নভেম্বরের পোস্টটা পড়ার জন্য সবাইকে অ-নে-ক ধন্যবাদ। লিঙ্কটা নেটে দেবার জন্য ধন্যবাদ। আরো থ্যানক্স আমার (ও হায়দারের) উদ্দেশ্যে দেওয়া কমেন্টের জন্য। ২১ ডিসেম্বর আমার জন্মদিন। প্রতি বছরই এই দিনটা আমার অনেক আনন্দের মনে হতো, মনে হতো আমাকে মহান আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তার সৃষ্টির সুন্দর সুন্দর জিনিস দেখতে, এবং আনন্দের সাথে জীবন-যাপন করতে। রুমির মত একটা এঞ্জেলকে পেতে। তার সাথে মহা সুখে সংসার করতে,
বিস্তারিত»হিমালয়ের দেশে : নেপাল ফটোব্লগ ০১
এক আতকা নেপাল ভ্রমন করে কালকে ফিরে আসলাম দেশে। ভ্রমন ব্লগ লেখার আগে কিছু ছবি শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারতেছি না। সবার আগে তো সিসিবি তেই শেয়ার করতে হবে নাহলে কেমনে কি?
বিস্তারিত»আমার দেখা স্বর্গপুরি – ২
খুব ভোরে প্যারিসে পৌঁছালাম। সকাল ৮ টা। ইন্টারন্যাশনাল বাস টার্মিনালের অপেক্ষাগারে ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত হয়ে বসে বসে ঠিক করে নিচ্ছি আজকের দিনের পরিকল্পনা। কোথায় আস্তানা গাড়বো সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে আর এর মাঝেই এক আগন্তুকের আবির্ভাব। আগন্তুক আমাদেরকে তার বাসায় পেইং গেষ্ট হিসাবে থাকার প্রস্তাব করলো। প্রতিদিন ২০ ইউরো দিতে হবে বিনিময়ে থাকা এবং খাওয়া। ফ্রড হতে পারে এইকথা মাথায় থাকার পরও কেমন করে যেন আমরা রাজি হয়ে গেলাম।
বিস্তারিত»যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (২)
যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (১)
………………………………………………………………………………………………
১ বছর পর আকাশ আর নীলিমা কক্সবাজারের বালুকা বেলায় ~
সময় ডিসেম্বরের মাঝামাঝি …
……………………………………………………………………………………………।
-
সিকোয়েন্স- ১। কথার পিঠে কথা ।
দৃশ্যপটঃ ১
ওপেনিং শট – সাগর আর আকাশ ঘুরে দুটো গাঙচিলের উড়ে চলা দেখিয়ে ফেড আউট।
জুম ইন-সাগর পাড়ের একটি কটেজ।
সেটঃ ইন্টেরিয়র-আকাশ-নীলিমা’র কটেজ।
আমার আপুসোনা – ৬
এটা আমার কাল্পনিক সিরিজ।
আমার আপুসোনা – ৫
মোবাইলের এসএমএসটা পড়ার সাথে সাথে আমার মধ্যে প্রথমেই যে অনুভূতি আসল সেটা হল অভিমান। তীব্র অভিমানে গাল ফুলিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছা হল। তীব্র ভাইব্রেশনে মোবাইল যখন একটি এসএমএস এর আগমনবার্তা জানাল প্রবল ভাল লাগায় সাথে সাথে মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি আমার আপুসোনার এসএমএস। একরাশ আনন্দ চোখেমুখে নিয়ে যখন এসএমএস পড়ছি তখন আস্তে আস্তে সেই জায়গায় অভিমান চলে আসল।
মনমরণের ইতিবৃত্ত
মন মরে যাবার প্রক্রিয়ার সাথে আমি তেমন পরিচিত ছিলাম না।
বিজ্ঞপ্তি ও বিবৃতিতে মানুষের বিদেহী আত্মার কথা শুনেছি কেবল
জেনেছি, কেউ কেউ মরে গেলে দেহ বিয়োজন ঘটে,
আর কোনো কোনো লাশের খবর থাকে না।
ঈর্ষা করেছি যারা আত্মা হয়ে গেছেন, চল্লিশ দিন
ঘুরে বেড়িয়েছেন ভরহীন অশরীরে।
দুঃখ-শোক-সন্তাপ-বিদুরিত-প্রাণে-অপ্রাণে
আর অনেক অনেক বছর পরে, বিদেহীদের পরিচয়
আমার কাছে আটপৌরে হয়ে গেলে,
একান্ত ব্যক্তিগত !!
আমি ধীরে ধীরে সিসিবি’র সাথে আমার মানসিক ভাবে জরিয়ে যাওয়া দেখতে পাচ্ছি। মাহমুদকে ধণ্যবাদ জানাই।
একটা কবিতা পোষ্ট করব বলে বসেছি। অতীতে লেখা।সবার জীবনেই যেমন কিছু মূহুর্ত আসে যখন মানুষ একটু করে বদলে
যায়, আমার তেমন একটি সময়ে লেখা।আমার খুব প্রিয় বন্ধুদের মনে করে লিখেছিলাম।
তোমাদের চোখে তাকিয়ে
আমি আমার বদলে যাওয়া দেখতে পাই।
হয়তো তোমরা আমার
নিজস্ব আয়নার মতো,
লাল সবুজের দেশে
মফস্বলের একটি প্রাইমারি স্কুল। সামনের বিশাল সবুজ মাঠটায় শিশুদের একত্রিত করা হয়েছে একটা দায়িত্ব দেয়ার জন্য। দায়িত্বটা খুব সাধারণ। জাতীয় পতাকাটা ধুয়ে ইস্ত্রি করে আনতে হবে। কারণ পরশু বিজয় দিবস। উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সামনে সেটার উত্তোলন হবে। সে উপলক্ষ্যে স্কুল ধোয়া-মোছার জন্য আগামীকাল ছুটি। বাচ্চাদের জোরালো করতালী তাই হেডমাস্টারের পুরো বক্তব্যকে আরো অর্থবহ করে তোলে।
এদের মধ্যে পদ্ম ও শাপলা যমজ ভাইবোন। দু’জন একই ক্লাসে পড়ে।
বিস্তারিত»প্যারিসে আমি (পর্ব-১)
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের ৭ম সম্মেলন জেনেভায় হবে শুনে মনটা একটু খারাপই হয়েছিল। কারণ এর আগে আমি সুইজারল্যান্ড গেছি, এবং জেনেভা, জুরিখ ও দাভোসের অনেকখানি আমার দেখা হয়েছে। নিজের পয়শায় দেশ-বিদেশ ঘোরার সামর্থ্য আমার নাই, আমন্ত্রণে অথবা অফিসের অর্থে যেতে হয়। ভেবেছিলাম এবার সম্মেলন হবে নতুন কোনো দেশে, কাজের ছলে নতুন একটা দেশও দেখা হবে।
২০০৮ সালে যখন সুইজারল্যান্ড যাই, সেসময় দেশটি সেনজেনের মধ্যে ছিল না।
একজন অখ্যাত মুক্তিযোদ্ধার গল্প
চারু মিয়া সর্দারের তিন মেয়ে, দুই ছেলে। বড় ছেলে মোঃ সুলতান মিয়া সর্দার আর ছোট ছেলে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান। ছোট ছেলের নামের শেষে ‘সর্দার’ না রাখার কারন পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সর্দারীটা যেন বড় ছেলে পায়। শুধু তাই নয়, বড় ছেলের জন্য সব ভাল ভাল খাবার, জামা কাপড়, আর অন্যান্য যত্নের যেন কোন ত্রুটি না হয় সে বিষয়ে স্ত্রীকে সবসময় মনে করিয়ে দেন। বড় ছেলেকে তো সর্দার বানাতে হবে।
বিস্তারিত»মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং কিছু ভাবনা
মাঝে মাঝেই ভাবি, সেইসব মানুষগুলির কথা যারা নিজের স্বার্থ উপেক্ষা করে কোন কিছু না ভেবেই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কোন কিছু চিন্তা না করেই…জীবনের নিশ্চয়তা নেই জেনেও। কত্ত সাহসী ওরা…কত্ত নিঃস্বার্থ ওরা…কত্ত নির্লোভ ওরা। ওরা তো আমাদেরকে শিখিয়ে গেছে দেশকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়…। ঠিক যেমন আল্লাহ-তা’লা মানুষের হেদায়েতের জন্য যেভাবে নবী রাসুলদের পাঠিয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই যেন দেশকে কিভাবে ভালোবাসতে হয় তা শেখানোর জন্যই হয়তো আল্লাহ এই মানুষগুলোকে পাঠিয়েছিলেন আমাদের মাঝে।
বিস্তারিত»বিজয়ের দিনে আমাদের প্রজন্মকে
আজ বাংলাদেশের ৩৯ তম বিজয় দিবস। বিজয়ের দিনে নানা মানুষের নানা রকমের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন দেখলাম, যার সর্বাগ্রে আছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি। যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি অনেক জটিল একটি বিষয়, যা হুট করে করা সম্ভব নয়, এর জন্যে আন্তর্জাতিক আদালতের কাছ থেকেও অনেক আইনি সাহায্য ও বিপুল তথ্যপ্রমাণের প্রয়োজন, যা সঠিকভাবে প্রয়োগ করার মতো যথেষ্ট প্রজ্ঞা বাংলাদেশের আছে। আমাদের প্রবল ইচ্ছা এবং সামর্থ্যের সহযোগে এ দেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার হবে,
বিস্তারিত»ঘৃণাবাক্য
আমি “ঘৃণা” করি তাদের, যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান করেই রাখতে চেয়েছিল; আমি “ঘৃণা ঘৃণা” করি তাদের, যারা স্বাধীন বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বা ছোট্ট পাকিস্তান/ সৌদিআরব বানাতে চায়; আমি “ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা” করি তাদের,যারা আমজনতা ছদ্মবেশে শর্টকার্টে বেহেশত পাবার লোভে সেই সাম্প্রদায়িকতাকে চেতন কিংবা অবচেতন ভাবে সমর্থন করে।

তবুও ভালোবাসি বাংলাদেশ
বিজয় তোমার পদধ্বনি শুনতে আমি পাই
বিজয় দিবস,বিজয়ী আজ আমরা সবাই
ভালবাসি তোমায় খুবই,তোমার বিজয় বেশ
লাল সবুজের রংয়ে আঁকা সোনার বাংলাদেশ ।
সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। হৃদয়ে বাংলাদেশ অটুট থাকুক আমরণ।
বিস্তারিত»