অনেক আগে ছোট থাকতে কোন এক গল্পের বইয়ে পড়েছিলাম কাফ লাভ শব্দটি। একেবারেই কোন ধারণা ছিল না এটা কি ধরনের ভালবাসা হতে পারে। ততদিনে অমুক তমুক অনেক ভালবাসার কথা শুনে ফেলেছি কিন্তু এটা নতুন ছিল। তাই অন্য কাকে যেন জিজ্ঞেস করেছিলাম এইটার মানে কি। কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করলে ঐ বয়সে কেউ কেন জানি জানিনা এই কথা বলত না একটা কিছু না একটা কিছু উত্তর দিতই।
বিস্তারিত»আকাশ বাড়িয়ে দাও(আপডেটেড)
প্রিয় ভাই বোনেরা,
গতকাল জাকিরের সাথে(জেসিসি ৩৫তম) কথা হল।ওর মায়ের অপারেশন ভারতে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু পোস্ট অপারেটিভ জটিলতার কারণে ওখানে আরো প্রায় দুই মাসের কাছাকাছি অবস্থান করতে হবে-যার জন্যে খুব শিগগিরি দেড় লাখ টাকার মত প্রয়োজন।আরেকটি দুঃসংবাদ হচ্ছে,প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা ওর কাছ থেকে ছিনতাই হয়ে গিয়েছে মাস খানেক আগেই-বেচারা ভয়ে/লজ্জায় আমাদেরকে বলতে পারেনি।
আমরা জানি যে বিপদ যখন আসে চারদিক থেকেই আসে-আর এমন দুঃসময় যে কোন মানুষের জীবনেই আসতে পারে।সিসিবির ফেসবুক একাউন্টের মাধ্যমে সবাইকে ইমেইল করে ইতোমধ্যে জানিয়ে দেয়া হয়েছে,বাকিদের জানানোর জন্যে এই ব্লগে সরাসরি লিখে দিলাম।
বিস্তারিত»নিঝুম দ্বীপ
বুয়েটে আসার পর ছুটি পেলেই কোথাও ঘুরতে যাওয়া মোটামুটি অভ্যাসে দাড়িয়ে গিয়েছে। কিছুদিন আগে কুরবানির ঈদ আর মিডটার্মের ছুটি ছিল ২ সপ্তাহ। হটাৎ সিদ্ধান্ত হল নিঝুম দ্বীপ যাব । নিঝুম দ্বীপ কোথায় তা সম্পর্কে আমাদের প্রায় কারোরই কোন আইডিয়া ছিল না। কিন্তু যেতে তো হবেই।
সদরঘাট। জীবনে লঞ্চে চড়েছি মাত্র কয়েকবার তাও আরিচা – গোয়ালন্দ রুটে । সদরঘাটে লঞ্চের আকৃতি দেখে তো আমি অবাক ।
বিস্তারিত»তুমি জানবেও না যে এই লেখাটা তোমায় নিয়ে…
আ,
ছোটবেলায় আমি একবার দৌড়ের রেসে নেমেছিলাম। অনেক প্রাণপণ দৌড়ে নিঃশ্বাসের শেষবিন্দুতে পৌঁছে দেখি আমি হেরে গেছি আরেকটা ঢ্যাঙা ছেলের কাছে। সেদিন ফিনিশিং লাইনের পাশে দাঁড়িয়ে আমার অনেক কান্না পাচ্ছিলো, ছোট ছিলাম। আবেগী ছিলাম। এখনও হতচ্ছাড়া আবেগ আমায় ছাড়ে না। সেদিন থেকে হারতে বড়ো কষ্ট হয় সবসময়।
২
বছরের বিশেষ দিনগুলোতে আমাদের কখনোই দেখা হয় না! এটা খুব অদ্ভুতভাবে তুমি একদিন বললে,
বিস্তারিত»মুভি ব্লগ: শূন্য দশকের সেরা ১০ ছবি
শূন্য দশকের সেরা ছবি কোন দশটা? এক কথায় উত্তর দেওয়া মুশকিল। একজনের সাথে আরেকজনের পছন্দ মিলবে না। ওয়েব সাইট ঘাটলে একশর বেশি তালিকা পাওয়া যাবে, একটির সাথে আরেকটি সম্পূর্ণ মিল নেই। সমালোচকদের এক রকম পছন্দ, দর্শকদের আরেকরকম। আর গত ১০ বছরে যত ছবি বের হয়েছে তা দেখাও একজনের পে সম্ভব না। তারপরেও গ্রহণযোগ্য কিছু তালিকা ধরে শূন্য দশকের সেরা ছবির একটি তালিকা এখানে করা যেতে পারে।
বিস্তারিত»নীরবে একদিন
বুয়েটের হলের খাওয়াদাওয়ার মান সেইরকম। প্রতিদিন একই রকম অখাদ্য। মাঝে মাঝে কনফিউজড হয়ে যাই,ভাত খাচ্ছি না ঘাস খাচ্ছি। কোন টেস্ট পাই না। অবশ্য শুনসি ঢাকা ভার্সিটির খাওয়াদাওয়ার মান আরো খারাপ। তো সপ্তাহে একদিন আমরা এই অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচার জন্য বাইরে খাইতে যাই। জেনারেলি চাঙ্খারপুলের নান্না মিয়াই আমাদের ভরসা। মাঝেমাঝে স্টার বা নীরবেও যাওয়া হয়।
এই ঘটনা এই টার্মের ফোর্থ বা ফিফথ উইকের। বুধবার রাতে আমি বাইরে খাইতে যাব।
এরেই বলে ‘টেক কেয়ার’ !!!
এয়ারফোর্সে চান্স পাওয়ার পর থেকেই মনের ভিতর জানি কেমন কেমন লাগা শুরু হইল,সেই সময় আবার ‘ভীর-জারা’ মুক্তি পেল।মোনতাসিমদের বাসায় প্রায়ই যেতাম(মোনতাসিম ও চান্স পেয়েছিল,বুদ্ধিমান দেখে জয়েন করে নাই)।আমি আর মোনতাসিম ‘ভীর-জারা’র গানগুলি দেখতে দেখতে ভাবতাম আমরা আই এস এস বি কোয়ালিফাইড(হোয়াট এ সুপার কোয়ালিটি!!), এই বুঝি মেয়েরা প্রোপজ করা শুরু করল…একজন আরেকজনরে বলতামঃ
দোস্ত,তোর কি বিরক্ত লাগবে না,এত মেয়ে সামলাইতে?কয়টাকে রিফিউজ করব?
আরে আমরা কি সবাইকে বেল দিব নাকি?একজন/দুইজন থাকবে কনস্ট্যান্ট,বাকিদেরকে :just: ঘুরাবো!
পাঠকের ডায়েরীঃ লারা
কিছু কিছু বই আছে কেন জানি পড়া হয় না। পড়া হয় না মানে হয়ত বইটা কাছেই আছে কিংবা চাইলেই পড়ার সুযোগ পাওয়া যায় তবুও কেন জানি আর পড়া হয় না। কলেজে টেস্ট বা প্রিটেস্ট কোন একটা পরীক্ষার আগে ফর্মে আমার পাশে বসে বসে ইরফান একটা বই পড়ে, উলটে পালটে আবার পড়ে এবং পড়া শেষে প্রত্যেকবার বলে- রাশেদ বইটা পড়িস কিন্তু। কিন্তু আমার আর পড়া হয় না।
বিস্তারিত»আমি লোভী নই…তবুও আজকাল

আমি লোভী নই: তবুও আজকাল মাঝে মধ্যেই
লোভ আসে সুচতুর জোয়ারের মতন
বুকের মধ্যে দীর্ঘ বছরের জমানো লোভেরা বেড়ে উঠে
বিকেলে বৃক্ষের ছায়ার মতো দীর্ঘতর হয় জ্যামিতিক হারে।
আজকাল খুব ইচ্ছে করে কৈশোরের যুক্তিহীনতায়
ফিরে গিয়ে চোখে রাখি রঙিন চশমা
ঠোঁটে মৃদ্যু গুঁজে দেই সাদা সিগারেট
তারপর উদ্ধত ভঙ্গিতে হেটে যেতে আঙুলে চিরুণী চালাই চুলে।
৭ জানুয়ারি,২০০৫
১.
বুধবার দিনটা আমাদের রুটিন খুবই পেইনফুল। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ক্লাস। ক্লাস থেকে বের হবার পর আর কিছু করার এনার্জি থাকে না। এমনি ঘুমাই,বা মুভি দেখি,বা গেম খেলি। আজকে কিছুই করতে ইচ্ছা হচ্ছিল না। বসে বসে কার্ড গেম খেলসিলাম। এমন সময় হঠাৎ করে স্ক্রিনের ডানের কোনায় টাইম & ডেটে চোখ গেল। ৬ জানুয়ারি,ডেটটা কেন জানি অনেক পরিচিত লাগসিল। তারপর মনে পড়ল,
আমার পরিচয়
প্রথমবার দেখেই আমি পাগল হয়ে গিয়েছিলাম। আমার ওকে অনেক সুন্দর মনে হতো। কেমন ঠোট বাঁকা করে কথা বলত। মাই গড সহ্য করাটা অসম্ভব ছিল। আর কেমন যেন পাত্তা দিত কম কম। আমি এত দেশে ঘুরলাম, সিনিয়ার, ক্লাস-মেট কাউকে সেরকম এ্যাফেয়ার করার জন্য পছন্দ হয় নাই। হঠাৎ ওর জন্য অস্থির হয়ে গেলাম। ও যতই বুঝতো আমি ইমোশনাল হচিছ ততই বেশী আমাকে ঘুরাতো। একবার দেখা করার জন্য ফোর্স করে ক্যাম্প থেকে বের করলাম।
বিস্তারিত»আচার ২৯: ক্রিসমাস
আমার ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এডভাইজিং অফিস ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে একটা প্রোগ্রাম আয়োজন করে প্রতিবছর। প্রোগ্রামটা বেশ মজার। ক্রিসমাসের ছুটি শুরু হওয়ার আগে প্রত্যেক ফ্যাকাল্টিতে তারা নোটিশ পাঠায় ফ্যাকাল্টি মেম্বার আর স্টাফদের কাছে। খোঁজ করে কারা তাদের ফ্যামিলির ক্রিসমাস ডিনারে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের অতিথি হিসাবে পেতে চায়। আর ইমেইল করে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের, কারা ক্রিসমাসের ডিনারে যেতে চায়। উভয়পক্ষের তালিকা পেলে তারা দৈবচয়নের মাধ্যমে আগ্রহী ফ্যামিলিগুলোতে এক, দুই বা তিনজন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
বিস্তারিত»প্রিন্সিপাল এসেম্বলী!! (সিসিবি ভার্সন) পর্ব ৩
৫।
-জুনায়েদ, তোর কাছে ম্যাচ বা লাইটার আছে? পকেটের শেষ সিগারেটটা ধরাবো…
পাভেল ভাই (‘৯৩) এর কথা শুনে থমকে গেলাম। আমার জানা মতে উনি তো সিগারেট খেতেন না। কবে থেকে শুরু করলেন?? যাই হোক, কথা না বাড়িয়ে পকেট থেকে ম্যাচ বের করে দিলাম। উনি বুক পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে অস্ফুট স্বরে গালি দিয়ে উঠলেন,
বিস্তারিত»ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডসঃ ওয়ান্স আপ’ন এ টাইম, ইন নাৎজি অকুপাইড ফ্রান্স
[ব্লগ লেখা এক মারাত্মক নেশা। ঘাড় থেকে নামিয়ে রেখেছি আশ্বাসে নিশ্চিন্ত হয়ে বসলেই টের পাই কোন ফাঁকে সে আবারও ঘাড়ে চড়ে বসেছে এবং দুই হাঁটু দিয়ে কানের ওপরে চাপ দিচ্ছে! একটা ব্লগ না লেখাতক এই অদৃশ্য ব্যথাটি সরছে না!]
Inglourious Basterds নামটার মধ্যে প্রথমেই যেটা খেয়াল করলাম সেটা হলো নামের বানান ভুল। ভাবলাম টাইপো, তারপরে ভাবলাম টারান্টিনো কি ভুল শিখেছেন নাকি (যদিও চিন্তাটা শিশুতোষ ভীষণ),
বিস্তারিত»ঈশ্বর, সমাজ ও ব্যক্তি নিয়ে আমার ভাবনা
১
সমাজবিজ্ঞানে ধর্মের আলোচনা শুরু করেছেন এমিল ডুর্খেইম (Emile Durkheim) তার Elementary Forms of Religiuos Life গ্রন্থে। এখানে তিনি দাবী করেন যে, সমাজই ঈশ্বর (God of a community is the community itself)।
ডুর্খেইম তার স্বভাবসিদ্ধ বিনির্মাণ (Deconstructive) ধারায় শুরু করেছেন কোনটা ধর্ম নয় তা’ দিয়ে। তিনি বলেন, ধর্ম কোন অতিমানবীয় বা রহস্যময় কোন জিনিস নয়। ধর্ম দেবদেবী বা অন্যকোন স্বত্ত্বায় বিশ্বাসও নয়।
বিস্তারিত»