
কথায় কথায় অভিমান করো
কথায় কথায় অফলাইন,
ভালোবাসার জোরে চালাও
স্বেচ্চাচারী আইন।
হুট করে নেই কোন কথা,
অজুহাত দাও শরীর খারাপ ,মাথা ব্যাথ্যা
একটু এদিক সেদিক হলে
মুখটা করে হাঁড়ি,
দুচোখের নীরব চাহনীতে
লক্ষ লক্ষ ঝাড়ি।

কথায় কথায় অভিমান করো
কথায় কথায় অফলাইন,
ভালোবাসার জোরে চালাও
স্বেচ্চাচারী আইন।
হুট করে নেই কোন কথা,
অজুহাত দাও শরীর খারাপ ,মাথা ব্যাথ্যা
একটু এদিক সেদিক হলে
মুখটা করে হাঁড়ি,
দুচোখের নীরব চাহনীতে
লক্ষ লক্ষ ঝাড়ি।
১.
সিসিবি জন্মদিন উদযাপন নিয়ে আগের পোস্টে দুই-একজন ছাড়া বাকি সবাই আবাহনী-মোহামেডান খেলা নিয়াই বেশি ব্যস্ত ছিল। রেশাদ ভাই ছাড়া আর কেউ সত্যিকার অর্থে আয়োজনে সহযোগিতা করার মতো মন্তব্য দেন নি। আমরা আরেকটু বেশি ফিডব্যাক আশা করেছিলাম। কারন সবার ফিডব্যাক ছাড়া আসলে বড় করে কোন অনুষ্ঠান আয়োজন করা যায় না। যাই হোক, সমস্যা নেই, সিসিবি’র জন্মদিন উদযাপন এতে আটকাবে না। 😀 উৎসব হবে। বড়সড় করেই হবে।
মেটাবলিক সিন্ড্রোম- সরাসরি বাংলা করলে অর্থ দাঁড়ায়, বিপাকীয় লক্ষণ সন্নিপাত। চৌকষ বাংলা তবে সহজ কথায় বললে, বেশী খাওয়ার ফলে উদ্ভুত শারিরীক লক্ষণ সমূহ। বেশী খেলে স্বাভাভিকভাবেই প্রথম যে শারিরীক লক্ষণ আমাদের মনে আসে, তা হলো একটা নাদুস নুদুস ভুঁড়ি। মেটাবলিক সিন্ড্রম এক অর্থে এই ভুঁড়িটির দিকেই আঙ্গুল দেখায়। অনেকে হয়তো ভাববেন, ভুঁড়ি একটা অত্যন্ত নিরীহ শারিরীক লক্ষণ, তা নিয়ে আবার এত কথা কিসের। জাপানে দীর্ঘ প্রবাস জীবনে আমি নিজেও এতদিন তাই মনে করে নিশ্চিন্তেই ছিলাম।
বিস্তারিত»বহুদিন হয় কোনো কিছু লেখা হচ্ছে না। আসলে লেখা তো দূরে থাকুক, সিসিবির পোস্টগুলো পড়ে ঠিকঠাক মতন কমেন্টও করা হচ্ছে না। দুই সপ্তাহ আগে মনে হয়, ছোট্ট রকিব মেইল দিয়ে বলেছিলো একটা লেখা দিতে। আসলে লিখতে কিন্তু খুব ইচ্ছে করে। বহুদিন ধরে একটা গল্পের প্লট মাথায় ঘুরছে, শব্দে রুপ দেয়া হচ্ছে না সেটাকে। মাঝখানে শখ হয়ে ছিলো অনুবাদ লিখবো। কিন্তু যে বইগুলো পড়ছি, সেগুলো সুন্দর করে অনুবাদ করার সাধ্য এবং ধৈর্য- দুইটারই অভাব আছে আমার মধ্যে।
বিস্তারিত»একটা জীবন শেষ করলাম। ঘোরের মধ্যে ছিলাম, আছিও হয়ত। ভাল লাগাটা এই পর্যায়ে ছিল যে লোকনাথের দোকানে বসে ডালপুরি খাওয়া এক বালকের টক দিয়ে সালাদের মাখামাখিতেও আমার মুগ্ধতা ছিল, কিংবা দুপুর বেলাতে শুয়ে শুয়ে বিছানার পাশের জানালা দিয়ে আকাশে খাবারের খোঁজে পাক খাওয়া পাখিদের দেখাতেও। আফিসার্স ক্লাবের ছাদে বসে চানাবুট আর পিঁয়াজু চিবুতে চিবুতে এক ঝাক চড়ুইয়ের সাথে সখ্যতা, আকাশে তাদের কিচির মিচির আর একপাশে শীতলক্ষ্যা।
বিস্তারিত»এক. রোববার রাতে মামুনের বাসায় বন্ধুদের আড্ডা বসেছিল। রাত পৌণে বারটায় বাসা থেকে ফোন, “কোথায় তুমি?” বললাম, এখনও আড্ডায়। বললো, “শোনো, দেরি করো না। হাউজিংয়ের লোকজন এসে বলে গেছে, সাবধানে থাকবেন। বাসার পাহারাদারকে রাতে জাগিয়ে রাখবেন। হাতে লাঠি আর বাঁশি দেবেন। প্রায় প্রতিদিনই এখানে ডাকাতি হচ্ছে। এসব শুনে বাসায় সবাই বিশেষ করে আম্মা খুব টেনশন করছেন।” ঠিক আছে- বলে আমি বাসার লোকজনকে আশ্বস্ত করলাম। সাড়ে বারোটায় বাসায় পৌঁছেও গেলাম।
বিস্তারিত»১।
পরের দিন সকালে বাসে চড়তে হবে বলে, আর দুপুরে আমাদের রাস্তায় খেতে হবে বলে রাত জেগে মা খাবার তৈরী করেন। বাবার হাঁক-ডাকে সক্কাল বেলায় উঠে আধো ঘুমেই আমরা জামা কাপড় পরে তৈরী হয়ে নেই। নয়টা সাড়ে নয়টার বাস ধরতে পারলেও লাল-দিঘী নামতে নামতে দুপুর সাড়ে বারো বা একটা বেজে যায়। লাল –দিঘীর হাটে গরু অথবা মহিষের গাড়ি অপেক্ষায় থাকে, আর সাথে থাকে সদা হাস্যময় প্রিয় খলিল চাচা।
গত কয়েকটাদিন ধরে আমার মাথা ঠিকমতো কাজ করছেনা। হয়তো এর কারন আমি সারাক্ষণ কেনাকাটা আর গোছগাছ নিয়েই বেশি ভাবছি। ফ্লোরিডার সুদীর্ঘ
৫ বছরের পড়াশোনা আমার শেষ হয়ে এলো প্রায়। আর একটি মাত্র মাস, এরপর আমি ফিরে যাব আমার দেশে, আমার ভালবাসার দেশ, বাংলাদেশে! ও আমার মা,
আমার আমার প্রিয় জন্মভূমি, কবে আবার তোমার দেখা পাবো, পাবো তোমার স্নেহের স্পর্শ! কবে তমার বুকের শিশিরভেজা ঘাসের মাঝে হেঁটে বেড়াবো।

রাত দুইটার সময় যদি কেউ ঘুম ভাঙিয়ে বলে “স্যার আপনারে ডাকে”-তাহলে কেমন মেজাজ গরম হয়!ঠিক সেই ঘটনাই ঘটলো!রাত দুইটায় হাউজ বেয়ারা গফুর ভাই দরোজা ধাক্কিয়ে ঘুম ভাঙালো,বললো
-আপনারে স্যার ডাকতাসে!
-“স্যার মানে?কোন স্যার?”আমার গলায় তীব্র বিরক্তি!
-ডি এম সাবের স্যার।স্যার ওইখানে খাড়ায়া আছে।
জানালায় দাঁড়িয়ে দেখলাম ডি এম রুমের লাইটা জ্বালানো,বাইরে একটা ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে!সাবের স্যার,ক্যাডেট কলেজে সবচেয়ে অপছন্দ করি এমন স্যারদের একজন।আমাদের ইংরেজী পড়ায়।পড়ায় মানে ক্লাসে আসে আর কি!পড়াশোনা কিচ্ছু নাই!আর ক্যাডেটদেরও নাক একটু উঁচু,ইংলিশ ভার্সনে পড়ি…ইংরেজী তো আমরা পারিই!তাই স্যারও অবসরে শুধু কার কী ফল্ট আছে এইসব খুঁজে বেড়ায়!আর সবসময় দেখেছি ইংলিশ ডিপার্টমেন্টটাই বজ্জাত হয় সবচেয়ে বেশী।আর ইয়াং টিচারদের গ্রুপদেরও নাম থাকে আলাদা,যেমন বন্ড,ডগ স্কোয়াড ইত্যাদি!
সে আমার নয়, ছিলো কি কখনো?
প্রেম এক বহমান নদী, বাঁকে বাঁকে যার
অসংখ্য পুরুষ – নারীর জন্য
আসংখ্য নারী – পুরুষের জন্য।
বাঁক থেকে বাঁকে তারা ছুটে ছুটে যায়।
পুরুষ ছুঁয়ে যায় কত নারী,
নারী স্পর্শ নেয় কত পুরুষের!
গতকাল ইতিহাস আজ, আগামী রহস্যে ভরা
কিন্তু বর্তমান আমার আশীর্বাদ।
তুমি আজ অন্যের বাহুডোরে,
কিন্তু জেনে রাখো,
“আজ ঈদ, মদীনার ঘরে ঘরে আনন্দ”- কোন একটা ছোট ক্লাসের বাংলা বইয়ের এই লাইনটা সম্ভবত আমাদের অনেকের ছোটবেলার ঈদের সবচেয়ে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন। ঈদের আগের সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার জন্য ব্যস্ততা, সকাল বেলা গোসল শেষে নামায আর তারপর বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে সালাম আর সেই সাথে সালামীর ভাগ। আর কোরবাণী ঈদের সময় পশু নিয়ে আমারা ছোটদের ছোটাছুটি মাঝেমাঝে বড়দের ব্যস্ততাকেও ছাড়িয়ে যেত নিশ্চিত। এত এত ব্যস্ততার মাঝে তখন বুঝতে পারিনি কিন্তু এখন নিশ্চিত কলোনী কিংবা গ্রামের বাড়িতে করা সেইসব ছোটবেলার ঈদ স্মৃতির দৌড়ে এগিয়ে থাকবে বহুদূর।
বিস্তারিত»তোমা-আমায় বন্ধুত্ব জমছে দারুন ভালো
তোমার হাসি আমার প্রানে ছড়ায় রঙিন আলো
যখন তুমি সঙ্গে থাকো, দারুন হাসাহাসি
অযুত নিযুত কোথা মোদের,কত্তো রাশি রাশি
তোমার আমার দুষ্টুমি তে দুলছে চারিপাশ
সূর্য প্রথম শুকায় যেমন শিশির ভেজা ঘাস
গল্পে দুজন মেতে উঠি, যখন আসি কাছে
একটুখানি, সারাদিনের ব্যস্ততার ই মাঝে।
বরাবরের মতই এই মাস্ফ্যুর ঘাড়েই দায়িত্ব পড়ছে ঈদের দিনেও সিসিবির ইঞ্জিনটা চালু রাখার।গরু এইমাত্র কোরবানি দিয়া আসলাম-ভাই বোন যারা যেইখানে আছেন সবাইকে ঈদ মোবারক…ঈদের দিনে যারা সিসিবিতে ঢুঁ মারবেন কষ্ট কইরা একটু পদচিহ্ন রাইখা যান এইখানে…
বিস্তারিত»কলেজ থেকে বের হলাম প্রায় দেড় বছর হয়ে গেল…। কলেজ থেকে বের হবার আগে ক্লাসমেটরা কলেজ থেকে বের হওয়ার পর কি আমরা কলেজ কে মনে রাখবো কিনা বা কতদিন মনে থাকবে এই নিয়া অনেক কথা হতো। যেমন অনেকে বলতো কলেজ থেকে বের হবার ২/১ মাস পরই সব খতম। আমরা সব ভুলে যাবো।
আজকে ১.৫ বছর হয়ে গেল, কেউ ভুলতে পারেনাই বরং আরো বেশি করে কাহিনী মনে পড়ে।
[ঈদ চলে আসল উৎসবের আমেজ নিয়ে। ছোট বেলায় যখন ঈদ উৎসব নিয়ে রচনা লিখতাম ঈদের আনন্দে মোহবিষ্ট হয়ে গিয়ে যা করি আর যা করতে চাই সব কিছুকে চালিয়ে খাতার মাঝে এক জগত তৈরি করে ফেলতাম। নিজের রচনা নিজেই পড়তে পড়তে অদ্ভুত ভার্চুয়াল সুখে মেতে উঠতাম। সময়ের আবর্তনে এখন যখন একটু দেখি চারপাশে বাস্তবতার আঘাতে সেই আনন্দ হারিয়ে যেতে চায়। কুরবানীর ঈদকে অনেকে বলে বড় ঈদ।
বিস্তারিত»