ভাঁজ করা কাগজের ভেতরে একটা বিয়ের নেমন্তন্ন লুকিয়ে আছে, চারভাঁজি কাগজে ভাঁজে ভাঁজে বর, কনে, ও তাদের পিতামাতাগণ গা মিশিয়ে শুয়ে আছেন চিড়েচ্যাপ্টা। তাদের পাশেই, কাগজের গায়ে জমছে ধুলো, গত বছরের নেমন্তন্নের চিঠিটা ফেলা হয়নি! একটু দূরে রঙহীন তরল বিষ নিয়ে অ্যারোসলের ধাতবে ঢুকে যাচ্ছি আমি। বিন্দু বিন্দু বিষ, বাতাসে! ঝুম ঝুম ঝুমকার মত ঝুলছে, বাজছে। মুখোমুখি পড়ে আছে রুপালি ঘড়ির শরীর, জড়াজড়ি করছে তার সাথে আমার চাবির গোছা।
বিস্তারিত»Nokia E71 এ কিভাবে ক্যাডেট কলেজ ব্লগ দেখব?
বড় ভাই রা সালাম। ছোটরা আদর। দয়া করে কেউ কি জানাতে পারবে নকিয়া ই -৭১ এ এই ব্লগ (অথবা যেকোন বাংলা ব্লগ বা পত্রিকা) দেখতে/পড়তে চাইলে কি করতে হবে? সমস্যা ফন্ট নিয়া। মোবাইলে ফন্ট ইন্সটল করতে হয় কেমনে?
বিস্তারিত»মুক্তিযুদ্ধ ভাবনা
(আমি প্রথমেই বলে নিতে চাই,যারা ভাবেন দেশটা যেমন চলছে চলুক আমি ভালো থাকলেই ভাল লেখাটা তাদের জন্য না।)
আমাদের একসময় নাম ছিল ভেতো বাঙালি।অনেক রক্ত আর অনেক প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই কটাক্ষের উপযুক্ত জবাব আমরা দিয়েছিলাম পাকিস্তানী জেনারেলদের।তারা বুঝেছিল এই ভেতো বাঙালির তেজ।আমাদের দেশের অনেকে এই কথা শুনে বলবেন আরে ওতো তিরিশ বছর আগের কথা আল্লাহর কসম তাদের মুখে আমি স্যান্ডেলের বাড়ি মারি।আমার জন্ম ১৯৮৮,আমি যুদ্ধ দেখিনি গল্প শুনেছি।আমার বাবার কাছ থেকে।আর অনেক বই পড়ে।
বিস্তারিত»স্মৃতি………
আমি শুধু মাত্র আমার মনের কষ্টের কথা গুলাই এখানে শেয়ার করেছি। কিন্তু সত্যি বলছি কাউকে কখনো কষ্ট দেবার কোনরকম ইচ্ছা আমার ছিল না বা হবেও না। তবে হয়তো নিজের অজান্তে আমার ইমোশনটা আমি সেরকম ভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছি। আশা করি কেউ অন্যভাবে নেবেন না।

ইমরান, মুসা, মহসিন,আখতার,মঈনুল,আহমেদভাইসহ আরো অনেক জন আছেন যারা আমাদের সংসারের শুরু থেকে আমাদেরকে অনেক সাহস ও সহযোগিতা করেছেন।
বিস্তারিত»আমরা জেগে উঠি
আমি সকালে কি খেয়েছি আমার মনে নেই।কারন আমি জানি দুপুর এমনকি রাতেও আমার জন্য বাসায় খাবার তৈরী থাকবে।আমার নিজের এমন অনেকদিন হয়েছে বার্গার অর্ধেক খেয়ে উঠে পড়েছি।আমরা হর হামেশাই এরকম করে থাকি।আমার বন্ধু.সিনিয়র,জুনিয়র যারা আছনে,তাদের বলছি আমরা কি কখনো এমন ভয়ে থেকেছি এখন তো খেলাম আবার কখন খাবো?
অনেকের কাছে অত্যন্ত হাস্যকর প্রশ্ন।আমি বিধাতাকে সবসময় ধন্যবাদ দিই এই কারেন যে আমার ক্ষুধায় তিনি খাবার দিচ্ছেন।কিন্তু আমাদের এই চেনা পৃথিবীর বুকে অনেক মানুষ আছে যাদের অনেকেই ভুলে গেছে খাবারের স্বাদ কেমন হয়
আমরা কত ভাগ্যবান আমরা পৃথিবীর এমন একটা অংশে জন্মগ্রহণ করেছি,যারা জানিনা ক্ষুধার কষ্ট কেমন হয়।আমরা জানিনা নিজের চোখের সামনে ক্ষুধা,তৃষায় নিজের সন্তান তিলে তিলে শেষ হয়ে গেলে এক পিতার এক মায়ের বুকে কি রকম হাহাকার ওঠে।কিন্তু আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীর বুকেই অনেক মায়ের কোলে ক্ষুধায প্রাণ হারাচ্ছে তারই নাড়ী ছেড়া ধন।
বিস্তারিত»যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (৩)
গেল বছরে আজকের দিনে একটি খোলা চিঠি
…………………………………………………………
আমার নীলিমা,
অনেক দিন তোমায় চিঠি লিখিনা।
মোবাইল – এস এম এস -ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারের দাপটে আজকাল আমাদের কথাবার্তা গুলোও বড্ড ডিজিটাল হয়ে উঠেছে।
গুছিয়ে ফরম্যাল চিঠি লেখা আমার কম্ম নয়। তোমায় কিছু লিখতে গেলে সব কিছু কেমন এলোমেলো হয়ে যায়।
খেই হারিয়ে ফেলি আমি। অনুভূতির লজিকেরা খুব বিব্রত দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে থাকে।
ফারজানার জন্য…
ফারজানার জন্য………..
এমসিসি ক্যাডেট মির্জা আদনান এর আনুরোধে আমি অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী এক্স- ক্যাডেট দের ই-মেইলে অনুরোধ করি ফারজানাকে আর্থিক সাহায্যের জন্য। এতে বেশ সারা মিলে। প্রাথমিক ভাবে ১,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার সংগ্রহ হয়।
তারপর রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের আব্দুর কাদেরি (৯ম ব্যাচ, ১৯৭৮ পাস আউট) একটা সুন্দর প্রস্তাব দেয় – একটা সঙ্গীতানুষ্ঠান করবার জন্য। সে ১,০০০ ডলার দেবে এবং ঐ অনুষ্ঠানে গান গাইবে। আর দর্শকরা যা দেবে তাও ফারজানার ফান্ডে যাবে।
আবারও পেরেক
পেরেক এর আরেক ঘটনা বলি . এটাও আমি ক্লাস টুএলভ এ থাকার সময়কার ঘটনা . তখন কলেজ এ নতুন ক্লাস সেভেন এসেছে , মনে হয় ১০ – ১৫ দিন হবে. প্রতিদিন সেকেন্ড প্রেপ এর পর হাউস রাউন্ড দেয়া ছিল আমার একটা রেগুলার রুটিন. ( কারণ জুনিয়র পান্গাতে আমার সেই রকম ভালো লাগত ) .
যাই হোক ঘটনায় আসি, এই যে নতুন ক্লাস সেভেন তা এসেছে,
এ ট্রিপ টু রিমেমবার-২
[নবাবের মত অফিসে এসে আরাম করে মাত্র ল্যাপটপ খুলছি, দেখি মেসেঞ্জারে তানভীরের নক, ব্লগ লিখে ফেলছে,একটু পরেই পাবলিশ করবে। ড্রাফট কপি পড়তে বসলাম…ওমা,একি!এত ছোট কেন??শুরু না হতেই শেষ! তানভীর আস্বস্ত করল,এটার সিরিজ হবে। আমার মাথায় তৎক্ষণাৎ হাজার ওয়াটের বাত্তি জ্বলে উঠল আর বুদ্ধি দিয়ে বসলাম,তাইলে রিলে সিরিজ কর! বলেই বুঝলাম, মামা!গলদ জওয়াব!! আমি তো খাল কাইটা কুমির আনিনাই, পুরা কুমিরের খালে পা ডুবায়ে দিছি!
বিস্তারিত»ওয়াচ ম্যান
আমি যখন ক্লাস টুয়েলভ এ তখনকার কথা . আমার হাউস মাস্টার ছিলেন “পেরেক” . এটা যে তাঁর নিক নেম তা নিশ্চই বুঝতে পারছেন . আমি হাউস প্রিফেক্ট ছিলাম বলে আমার সাথে স্যার এর রিলেশনটা একটু ভালো থাকা টাই স্বাভাবিক ছিল . কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তিনি আমাকে অত্যধিক পছন্দ ও বিশ্বাস করতেন . সেটার মাত্রা যে কেমন ছিল এই ঘটনা টা পরলেই পরিষ্কার হযে যাবে.
হাউস মাস্টার স্যার আবার ভিপি স্যার এর খুব ই ক্লোজ লোক ছিলেন .
বিস্তারিত»এ ট্রিপ টু রিমেমবার-১
[উৎসর্গ দিহানকে, অনেক দূরে থেকেও যে আমাদের সবার খুব কাছের মানুষ।]
প্রথমে ভেবেছিলাম ভারতের শিলং-দার্জিলিং যাব, কিন্তু ভিসা নিতে গেলে অনেক জটিলতা, অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তারপরও ভিসার কাগজ জমা দিতে পারার নিশ্চয়তা পাওনা যায় না। তাই সবাই মিলে সিদ্বান্ত নিয়ে ফেললাম- উড়াল পথে নেপাল গিয়েই ঘুরে আসি, কি আছে জীবনে! আমি, আরমান (এমসিসি), জহুরুল (এমসিসি)-টুম্পা, রবিন (সিসিসি) আর ইমরান (সিসিআর)- এই ৬ জন রাজী ঘুরে আসতে।
বিস্তারিত»আমার প্রেমিকারা-৪
কেউ-ই আজকাল আর আমাকে দেখেশুনে রাখছেনা,তাই খুব দুষ্টু হয়ে যাচ্ছি।আচার-আচরণে,স্বভাবে কিংবা প্রেমিকার অভাবে চরিত্রের ধরন হয়ে যাচ্ছে সরকারি দলের ছাত্র-সংগঠনের মত।মানে মুরগির বাচ্চার চোখ না ফুটতেই ডিম পাড়ার ভাব। আমার এই অস্থিরতা দেখে কাছের এক বড় ভাই যিনি আবার এক বহুজাতিক কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা,ডেকে বললেন-
‘শোন গাধা, ভাত ছিটানো যার স্বভাব, হয়না তার কাকের অভাব’।
আমি বললাম-গুরু, কিছুই তো বুঝলামনা। আবার আমায় সহজ করে বুঝিয়ে দিয়ে বললেন-‘টাকা খরচ কর,
বিস্তারিত»হিমালয়ের দেশে : নেপাল ফটোব্লগ ০২
ভাল্লাগে না
“ভাল্লাগে না”
একদা একটা পোলা ছিল ভাল্লাগত না তার কিছু
জাইগা জাইগা স্বপ্ন দেখা ছাড়ত না তার পিছু
ক্লাসের এক কোণায় বসে সে আর তাহার কল্পনা
সারাদিন খালি-ই ঝাড়ি-ই খাইত, পাত্তা-ও খুব একটা পাইত না।
পড়াশুনা তো একদম-ই নাই; রেজাল্ট হইত সেইরকম
ক্লাসটেস্ট,কুইজ তো বাদ-ই দিলাম attendance-ও কম কম।
রেজাল্ট যদি হয় সেইরকম, বাসায় কি আর শান্তি মেলে
ঘরেও তাহার একই অবস্থা বাইরে যেমন চলে।
আমার চাইতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ যে মানুষটির জন্মদিন আজ
এ ব্লগে আজ আমার জন্মদিনে রকিব আর ইফতেখার ভাই পোস্ট দিয়েছেন।ইফতেখার ভাই,যাঁর এক্স ক্যাডেট হবার সাল আর আমার জন্মসাল একই-এরকম একজন মানুষ তাঁর প্রথম পোস্টটি দিয়েছেন আমার জন্মদিনে।আর রকিবের কথা কি বলব-এই ফাজিলটা গোপনে গোপনে আমার বাসার সবার সাথে যোগাযোগ করেছে সেই কানাডা থেকে,সিসিবির অনেক মেম্বারের কাছে ধৈর্য ধরে ইমেইল করেছে,সেগুলো থেকে উত্তর সংগ্রহ করেছে তার পোস্ট লেখার জন্যে।সাব্বির ভাই,রেজওয়ান,তুহিন-এরা তিন দিন ধরে তাগাদা দিয়ে গেছে যাতে সঠিক সময়ে পোস্ট আসে,কেউ ভুলে না যায়।
বিস্তারিত»