মর্চুয়ারি

[এখানকার বক্তব্যগুলো হায়দারের স্ত্রী প্রেরণা’র লেখা]

ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে কেন যে লাশগুলোকে আইডেন্টিফাই করা হলো না, বুঝতে পারলাম না। ভাইদের লাশগুলোর তো খুবই বিশ্রী অবস্থা ছিল। খুবই কম সংখ্যককে চেনা গেছে। পোস্ট মর্টেম করার সময় স্যাম্পল সবারই রাখা হয়েছিল। দাফন করা লাশগুলোকে কেন কবর থেকেই বা তুলতে হবে, আমি বুঝি না। মেডিকেল সায়েন্স না পড়ে থাকলেও এতটুকু জ্ঞান তো আমার আছে। প্রত্যেকের বাচ্চার সাথে স্যাম্পলের ডিএনএ টেস্ট করা যেতে পারে।

বিস্তারিত»

কেএফসি

[এখানকার বক্তব্যগুলো হায়দারের স্ত্রী প্রেরণা’র লেখা]

আমার ঠিক তারিখটা মনে নাই, জুন মাসের দিকেই হবে। মন খারাপ লাগলে প্রায় পিলখানার গেটের সামনে দিয়ে যাই এবং দাঁড়াই। মনে হয় এখানের মাটিতে তো তানভীর পাড়িয়েছে। ও আমার কাছ থেকে হারিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, আমার অপেক্ষার প্রহর বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই ভাবি ও সামনে আসলে কি করবো। আমার সারাদিন ওর কথা ভাবতে ভীষণ ভালো লাগে।

বিস্তারিত»

টিউবলাইট ছ্যাঁকা- দ্য নিউ মুনমুন

এম্নিতে আজগুবী সিনেমা আমি ব্যাপুক ভালু পাই। ধুমধাড়াক্কা সাই ফাই থিয়েটারে আসলে আমি নিয়মিত দেখি। আর ভুত-প্রেত-ভ্যাম্পায়ার থাকলে তো কথাই নাই! রাতের বেলা ঘর অন্ধকার করে ভুতের মুভি দেখার মজাই আলাদা।
শেষবার সিরিয়াসলি ভয় পেয়েছিলাম হিন্দি একটা মুভি দেখে, নাম ছিলো বাস্তশাস্ত্র। আমি তখন ডারবানে থাকি, ইউনিভার্সিটির ছুটি চলছিলো তখন। পুরো হলে আমি ও আমার মতন আরও দু’চারজন ভিনদেশী অভাগা ছিলাম শুধু, যাদের যাওয়ার কোন জায়গা নাই।

বিস্তারিত»

ফয়েজীয় ভঙ্গিমায় বাড্ডে পোস্ট…

প্রিয় ভাইবোনেরা,

আমি জানি যে এই ব্লগে যে কোন পোস্ট দেওয়ামাত্র আপনারা শেষ লাইন পড়ে ফেলেন-তাই এইবার আর কোনো ধানাই পানাই নাই-আগেই স্বীকার করে নিচ্ছি ইহা একটি আদি অকৃত্রিম জন্মদিনের পোস্ট। মাস্টার্স পরীক্ষা,বিসিএস গতটার(২৮তম) অনিশ্চয়তা এবং পরবর্তীটার(২৯তম) রিটেনের প্রস্তুতির কারণে এই অধম বড়ই মাইনকা চিপায় আছে। বন্ধুবর সোনিয়া(মগকক-১৯তম) এটা নিয়ে কমেন্টে ঝাড়িও দিয়েছে-বিশ্ব জন্মদিন দিবসে জেপির (জন্মদিন প্রিফেক্টের) কুনো পোস্ট নাই কেনু?

এই পোস্ট লেখা নিয়া কে কে কি অজুহাত দি্যেছে সেইগুলা একটু তুলে ধরিঃ

রকিব-ইয়ে মাস্ফ্যুদা,

বিস্তারিত»

ছয়টি তারে লুকিয়ে আছে…

একটা বেসিন ভাঙা দিয়া শুরু ক্লাস সেভেনে। পুরাকালে পেপসির লিটার যখন কাচের বোতলে বিক্রি হইত, একটা বোতল খালি করে কলেজে নিয়ে গেছিলাম। পানির কনটেইনার হিসাবে ব্যবহার করার ইচ্ছা। বাথরুম থেকে পানি ভরার পর বোতলটা হাত ফস্কে পড়ে গেল বেসিনের উপর। কি কেরমতি বোতলের! বোতল তো ভাঙলই না, বেসিনের মধ্যখান থেকে চারকোনা একটা টুকরা টপ করে ভেঙ্গে নিচে পড়ে গেল। দেখলাম বাথরুমে কেউ নাই, তাড়াতাড়ি ভাঙা টুকরাটা বেসিনের উপর চেপেচুপে বসিয়ে দিয়ে চলে আসলাম।

বিস্তারিত»

আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা

সব ঠিকঠাক। ১১ ডিসেম্বর, শুক্রবার। সিসিবি পিকনিক।
স্থানঃ মুন হাউজ, শাহাদাত ভাইয়ের বাগান বাড়ি
গাজীপুর।

বাস ছাড়বেঃ
সকাল ৮-৩০ মিনিট শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং আশেপাশের এলাকার সকল সদস্যকে ৮-১৫ মিনিটের মধ্যে বাসের ভিতর অবস্থান নেবার জন্যে অনুরোধ করা হচ্ছে। একবার বাস ছেড়ে দিলে তখন শুধু লাকি আখন্দের গান বাজবে- আমায় ডেকোনা , ফেরানো যাবে না।

নিচের লেখা পথ দিয়ে বাস যাবেঃ

কারওয়ান বাজার —পান্থপথ—

বিস্তারিত»

নিজের ঢোল নিজেই পিটামু, কার কি???

ঘটনা ১.
“ওই বেটা, ফুয়াদ কইলো তুই নাকি ভালো ডিজাইন করস, ক্যাডেট কলেজ ব্লগের লাইগা একটা সুন্দর দেইখা ডিজাইন কইরা দে ।”… ডাকটা শুইনা পিছন দিকে ফিরা তাকাইলাম, দেখি রায়হান। যাইতেছিলাম আই ইউ টির ক্যান্টিনে চা খাইতে। ঘটনাটা গত বছরের শেষের দিকের। সময়ে সময়ে কচ্ছপও নাকি আমার চেয়ে দ্রুত হাঁটে, এই রকম অলস আমি রায়হানের প্রস্তাবে বললাম, “ঠিক আছে, কইরা দিমু”। কিন্তু অলসতার দায়;

বিস্তারিত»

বোমাবাজের ভালবাসা

দিন তারিখ মনে থাকে না বলে একটু পার্ট নেয় অনেকে, আবার দিন তারিখ ঘন্টা সেকেন্ড কাঁটায় কাঁটায় বলে দিয়েও অনেকে পার্ট নেয়। আমার দেখা মানুষ জনের মাঝে প্রথম শ্রেণীর মানুষ বেশি, বলা বাহুল্য আমি নিজেও। মানুষজনের জন্মদিন মনে থাকেনা, ফ্রেন্ডরা আজকাল তাই আর মন খারাপও করেনা। কাছের যারা, তারা নিজেরাই রাতের দিকে ফোন দিয়ে বলে, অই কালকে কিন্তু আমার জন্মদিন, বারোটায় ফোন দিস মনে করে।

বিস্তারিত»

শব্দ পরিচয়, এই শীতে

আমি অনেকদিন ধরেই কিছু লিখতে পারছি না। লিখতে না পারার যন্ত্রণা বা অসহায়ত্বের সাথে আমার অনেকদিনের সখ্য। এমন অনেকদিন হয়েছে, আমি দিনের পর দিন লিখতে পারি নি। আমার চারপাশে যারা লেখেন, তারা খুব চমৎকার লেখা পাতার পর পাতা লিখে ফেলেছেন। আমার তেমন কিছু মনে হয় নি। অন্যের লেখা পড়েও আমি টের পেয়েছি আমার ভেতরে কোনো শব্দ নেই। কোন সুর নেই। তাই আমি চুপচাপ হয়ে গেছি।

বিস্তারিত»

মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক

আইজকা হইলো গিয়া হেপ্পি বাড্ডে। জব্বর একখান ব্যানার টাঙ্গাইছে মিচকা কাইয়ুম।

জানি পুলাপাইন আইসা আমারে মেলা পচাইবো। তাতে কি? আমি কি ডরাই নাকি? আমি হইলাম গিয়া, যারে বলে সিংহ।

হেপ্পি বাড্ডে সিসিবি। আইজকা শুধু এই কথা কই

“মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি সিসিবির লোক” ।

বিস্তারিত»

আচার ২৮: আমি আছি! আমি আছি!! আমি আছি!!!

স্যার আর্থার কোনান ডয়েল নাকি শার্লক হোমস লিখে সেভাবে পরিতৃপ্ত হতে পারেননি। তার দৃষ্টিতে ওই লেখাগুলো ছিল সস্তাদরের, রদ্দিমাল। তাই উৎকৃষ্ট সাহিত্য রচনাকল্পে তিনি কিছু ভারী উপন্যাস লিখলেন। বাজারে সেইগুলা কোন ভাত পাইল না, দুঃখের বিষয়। আমারও সেইম অবস্থা। আমার ব্লগগুলা খুব আমি কেন্দ্রিক হয়, কিংকং-এর ভাষায় কোন টুথপেস্ট দিয়া দাঁত মাজি এইসব নিয়া ব্লগ। স্যার ডয়েলের মতো আমিও ভাবলাম ভালো কিছু লিখতে হবে। সুতরাং টুথপেস্ট মার্কা ব্লগ না লিখে গল্প লিখতে হবে।

বিস্তারিত»

এক জিনিয়াসের কাহিনী

আমাদের এস এস সি এর প্রি-টেষ্ট পরীক্ষার আগে একদমই পড়ালেখা করি নাই। কি করমু, জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। বুঝি নাই কতো টুকু সিরিয়াস হইতে হবে। তাই রেজাল্ট বেশি ভালো হয় নাই।বিশেষ করে উচ্চতর গনিতে আমরা কয়েকজন বেশ খারাপ করলাম। কোনোরকমে পাশ। আমরাও ওই সাবজেক্ট বেশি পড়ি নাই যেহেতু ৪র্থ বিষয়। কিন্তু প্রবলেম করলো স্যার। ঘোষনা করা হলো আমাদের আবার পরীক্ষা দিতে হবে। ভালো না করলে আমাদের ফর্ম ফিলাপ করতে দিবে না।

বিস্তারিত»

যখন মন মানেনা!!!

মনটা ভাল নেই………

কোনকিছুতেই মন বসছে না…

একটি ছেলের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে………

ছেলেটি জন্ম নিয়েছিল…নির্দিষ্ট সময়ের কয়েকদিন আগে-ই…
হয়তো বা সে কারণেই … কিংবা জন্মের সময়ে বাবাকে পাশে না পাওয়ার জন্য……কিংবা অন্য কোন কারণে………জন্মানোর সময় থেকে অনেকদিন পর্যন্ত তার ভ্রুঁ সবসময়ে-ই কোঁচকানো ছিল। সবাই বলতো…বড় হলে খুবই রাগী/বদরাগী হবে সে!!!

ধীরে ধীরে সে জানতে পারলো…তার জন্মদিনটা আসলে তার বাবা এবং মায়ের জন্যে দুইটি কারণে ভীষণ আনন্দের……

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন!!!!

আহমদ ভাইয়ের লেট করার রোমান্টিক স্টোরি পড়ে অনেকেই নিশ্চয়ই ভেবেছেন আর যাই হোক এইরকম ভুল পুরো দুনিয়া করলেও আপনি করবেন না। কিন্তু কথা হচ্ছে আমরা যা ভাবি হয় তার উল্টা। বিশ্বাস হচ্ছেনা? যদি এখনি প্রমাণ করে দেই যে আপনিও আপনার প্রিয় মানুষটির কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে বসে আছেন?

সুপ্রিয় সিসিবিবাসী, বলতেই হচ্ছে, আপনাদের দলে আমিও আছি। আপনাদের মত আমিও প্রিয়জনের বিশেষ উপলক্ষ্যের দিন ভুলে বসে আছি বেকুবের মত।

বিস্তারিত»

আমার প্রেমিকারা-৩

বয়স সে এক বিশাল ধাঁধাঁ।এই ধাঁধাঁর ঘোর এখন ও আমার কাটলো না।ছোটবেলায় বয়স যখন খুব কম, স্কুলে পড়ি তখন, ক্লাসের এক বান্ধবীকে প্রেম নিবেদন করেছি মাত্র। সাহস ও ছিলনা তখন খুব একটা।স্কুল ছুটির সময় মনে অনেক সাহস সঞ্চয় করে খালি একখানা চিরকূট দিয়ে লিখেছি- ‘তোমায় দেখলে নড়ে হৃদয়ের পেশি’।তারপর সারাদিনের সেকি উত্তেজনা।সে গল্পে আজকে আর না যাই।অবশেষে পরের দিন তিনি যখন ক্লাসে এলেন,আমার তখন হৃদস্পন্দন চলছে মাইক্রো সেকেন্ডে।সারাদিন অপেক্ষায় রেখে ঠিক ছুটির সময় আমাকে পাল্টা আরেক খানা চিরকূট পাঠালেন।তাতে লেখা-‘তোমার বয়স কম,চয়েজ বেশি’।

বিস্তারিত»