দিনলিপি : উৎসবের মাঝে আমিত্বের আত্নত্যাগ স্বরণে

উৎসব উৎসব ভাবে চারদিক ছেয়ে গেছে আর বাই প্রোডাক্ট হিসেবে আছে গোবরের গন্ধ। গরু ছাগল উট ইত্যাদি ইত্যাদি। সকালে ছোটভাই এর সাথে একটা গবেষণা করলাম। কুরবানী করা যায় এইসব প্রাণীর ক্রাইটেরিয়া কি? মুরগী বা গাধাকে কেন বাদ দেয়া হবে ইত্যাদি।

উৎসবের প্রয়োজন মানব জীবনে কতটুকু সেটা আমি জানি না। সেটা ভ্যালেন্টাইনস ডেতে হুড তোলা রিকশায় লিপস্টিক দিয়ে রাঙ্গানো ঠোট চোষা বা ভরপেটে প্রাণীজ আমিষ খাওয়ার উপলক্ষ তৈরী করে দেয়া নাকি কোন সমাজতাত্বিক কারন আছে পৃথিবীজুড়ে উৎসবের দিনক্ষণ করার জন্যে।

বিস্তারিত»

খুচরো কথা-২

১।
জানালার ধারে বসে আঁধফালি চাঁদটা দেখছি খানিকক্ষণ। রুমের সাথে সাথে রাস্তার বাতিগুলোও নিভে গেছে; সম্ভবত বৈদ্যুতিক গোলযোগ; একটু অবাক হবার মতোই বৈকি। উত্তর আমেরিকার এসব দেশগুলোতে লোডশেডিং প্রায় নেই বললেই চলে, অন্তত আমার ক্ষুদ্র প্রবাস জীবনে এমনটি এই প্রথম। ভালোই লাগছে, ঘুঁটঘুটে অন্ধকারের মাঝে বসে মেঘের আড়ালে চাঁদের লুকোচুরি খেলা; এভাবে যে অনেকটা কাল চাঁদের নরম আলোয় গা ভেঁজ়েনি। ফুড়ুৎ করেই মনটা আবার উড়াল দেয় পেছন পানে।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ১৮

গত সাপ্তাহিকে সবার দোয়া চেয়েছিলাম যাতে পরবর্তী পর্ব ছুটিতে বসে লিখতে পারি। এর মাঝে ছুটিতে শেষ করেও ফেলেছি, কিন্তু লেখা হয়নি। ছুটিতে বিভিন্ন মহল থেকে আমার প্রতি অভিযোগ তোলা হয়েছে আমি নাকি তাদের থেকে ব্লগকেই বেশি সময় দেই। এ অভিযোগ থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে ছুটির মধ্যে রাতে অল্প কিছু সময়ের জন্য ঢুঁ মারা ছাড়া ল্যাপটপ চালুই করি নাই বলা যায়। ছুটি শেষ করেই আবার অফিসের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।

বিস্তারিত»

দৃষ্টিনন্দন দৃষ্টি

আব্বার হঠাৎ করেই চোখে ছানি পড়লো। ৫৫ বছর বয়সে বার্ধক্য ভর করেনি। এখনো আব্বা অনেক কর্মঠ এবং সার্ভিসে আছেন। কোন অসুখও নেই এবং এমন হয়নি যে কোন অপারেশন বা সিরিয়াস সিকনেসের কারনে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। ছানি আরো বেশি বয়সে হয় সাধারণত। কিন্ত আব্বার হঠাৎ করেই এবছর প্রব্লেম ধরা পড়লো এবং খুব দ্রুত ছানি ম্যাচিউরড হয়ে গেল। সামান্য দূরত্বেও মানুষ আইডেন্টিফাই করতে সমস্যা হয়। অনেকেই হয়ত ভাবে দেখেও কথা বললোনা তাই একটু বিব্রতকর বটে।

বিস্তারিত»

শুধু তোকে নিয়ে লেখা

তুই আর আমি,
যত বাঁদরামী
চিরকাল দুজন একসাথে,
যা হবে হোক
তোর আমার ঝোঁক
দুষ্টামী হাত রেখে হাতে।

বিস্তারিত»

হাতছানি

যতদূর এই চোখ চলে যায় নীল ,নীল শুধু নীল
দিগন্ত জুড়ে উড়ে চলে যেন এক ঝাঁক গাংচিল
শতযুগ ধরে পথে পথে মোরা করেছি অণ্বেষণ
শপথ নিয়েছি,সাগরের খোঁজ করে যাব আমরণ
আজকে যখন শুনতে পেয়েছি সমুদ্র দিল ডাক
না হয় সবাই ভুলবো বারণ বন্ধণ ছিঁড়ে যাক

বিস্তারিত»

আমার দু’চোখ উপড়ে ফেলে অন্ধ করে দিও

আমার দু’চোখ উপড়ে ফেলে অন্ধ করে দিও
হৃদয়টাকে হিঁচড়ে টেনে শূণ্য করে দিও
বোধের ঘরে নষ্ট ঘুণে
পুড়িয়ে দিও নীল আগুনে
জ্বালিয়ে দিও অস্থি-মজ্জা যেটুক থাকে বাকি
পারলে দিও নির্বাসনে একলা যেন থাকি!

কেউ যেন না পায় এ আমার নীরব প্রেমের জল
কেউ যেন না হয় আর অমন হঠাৎ বিহবল
তোমার প্রেমের অনন্তলোক
আমার আকাশ নিবদ্ধ হোক
কেবল যেন তোমায় আমি দেবী বলে মানি,

বিস্তারিত»

৩৬ দিনের দেশ- ০১

ইয়ে, যেহেতু সবাই ভুলে গেসে সামিয়া হোসেন কে ছিল, তাই আগের ব্লগটার লিঙ্ক দিয়ে দিলাম।
৩৬ দিনের দেশ

যশোর রোড ধরে আগাতে আগাতে আগাতে আগাতে একসময় আমরা কলিকাতায় পৌছে গেলাম। কলিকাতা, …আমার অঞ্জনের চোখ দিয়ে দেখা কলিকাতা। আপনি যদি কখনো অঞ্জনের ‘নিয়ে যা’ গানটা না শুনে না থাকেন, তবে অতি অবশ্যই শুনে ফেলবেন।

তিনশ বছরের পুরনো শহর এই কলকাতা।

বিস্তারিত»

আমরা কি পারব ?

( আমার পিতার বাইপাস অপারেশন গত ০৩ অক্টোবর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা জুনায়েদ এর লেখা থেকে আপনারা অনেকেই জ়ানেন। আপনাদের দোয়া তে এবং আল্লাহর রহমতে তিনি সুস্থ আছেন। আপনাদের সকলকে আমার পিতার সুস্থতা কামনার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমি ভাবলাম, আমার অনুভূতি/ উপলব্ধি আমার আপনজন এর সাথে শেয়ার করব। তাই এ লেখার চেষ্টা । ভুলত্রুটি মার্জনা করবেন।)

আমার বাবাকে যখন অপারেশন এর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে,

বিস্তারিত»

আঁকতে পারিনা

সুখের তুলিতে আঁকি
ব্যাথায় দুমড়ে মোচড়ানো এক
রঙ এ রঙ দিয়ে ঢাকি
হয়েছিল যত অজানা-জানা সে ভুল।

একে একে রঙ মাখি,
হাজার রঙের নকশাতে বুনি জাল
যতই না দূরে রাখি
সবকিছু ধীরে ধীরে হয়ে যায় লাল!

কষ্ট আমার রাঙ্গা
লালের নতুন খেলা যেন, বা নেশা
আমার হৃদয় ভাঙ্গা
বৃথাই আমার নির্বাণ অণ্বেষা।

বিস্তারিত»

কবি

যখন বয়েস কম ছিলো, অনেক সাহসী ছিলাম তখন। একেকটা ছোট ছোট রুলটানা কাগজের ডায়েরি, সেগুলোতে গোল গোল হরফে নানা রকম হাবিজাবি লিখে রাখতাম। কেউ জিজ্ঞেস করলে যে “কী এগুলো?”, নেপোলিয়ান অথবা আলেকজান্ডারের চেয়েও বেশি অহমিকা নিয়ে উত্তর দিতাম, “এগুলো কবিতা। কবিতা লিখেছি। ”
তারপর অনেকদিন গেলো। দিন যেতে যেতে পৃথিবীতে সবচেয়ে বাজে যে ব্যাপারটা ঘটল তা হলো যে, আমি বড় হয়ে গেলাম।

কেন যে বড় হলাম,

বিস্তারিত»

স্তুতি

নীল আকাশের বুকে ভাসে সাদা মেঘের ভেলা
আমার অবুঝ হিয়ার মাঝে রঙ সাজানর খেলা
মেটে রঙের দেশের মাটি, মেটে মায়ের বুক
দেশের মাটির মেটে আভায় উজলা সবার মুখ
আমার দেশের মানুষগুলোর চোখে আলকছটা
স্বপ্ন দেখা অমনি চোখ কে দেখেছে কটা?
সবুজ সবুজ চারিটাদিক সদাই দেখে দেখে
সবার মনে কচি সবুজ রঙ গিয়েছে মেখে
গাছের নতুন পাতার মতই কোমল সবার মন
আবার গভীর,

বিস্তারিত»

বিকিনি বারিস্তা

[ডিস্ক্লেইমারঃ ইহা একপিস ফাঁকিবাজি এবং সংক্ষিপ্ত পোস্ট]

গতকাল থেকে আমাদের এরিয়াতে তথাকথিত বিকিনি বারিস্তা নিয়ে বেশ ফাটাফাটি চলতাছে। ঘটনা কি? তার আগে কই বিকিনি বারিস্তা কি। খুব সোজা বিজনেস আইডিয়া। কফি শপ + স্ট্রিপার। মানে হোল এমন কফি শপ যেখানে কফি সার্ভ করে খুবই সংক্ষিপ্ত পোষাক পরা ললনারা। তো ঘটনা হইল গতকাল আমাদের শহরে (আমার অফিসের কাছের শহরটার নাম হোল বেলভিউ) এই টাইপের এক পিস বিকিনি বারিস্তা খোলা হয়েছে।

বিস্তারিত»

২৫ নভেম্বর ২০০৯: নয় মাস পর আবারো . . . আমার কিছু কথা . . .

ক্যাডেট কলেজ ব্লগের কথাগুলো গত একমাস ধরে পড়ছি। অনেক কিছুই জানলাম। সবার অনেক আনন্দ, কষ্ট, ক্ষোভের কথা শুনলাম। আজকে আমি কিছু বলতে চাই। আমি মিসেস ক্যাপ্টেন তানভীর। আমার সাথে তানভীরের বিয়ে হয় ২০০২-এর ২১ নভেম্বর। আমাদের নিজেদের পছন্দে দুই পরিবারের অমতে এ বিয়েটা হয়। আমার পরিবারের সাথে ওদের পরিবারের বনিবনা হয় নাই কোনভাবে। তানভীর আমাকে ১৪ তারিখ ফোনে জানায় যে, সে ছুটি নিয়েছে। সে কয়েকদিন চিন্তা করে একটা ডিসিশন দিবে।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ ঈদ মোবারক এবং অন্যান্য

সিসিবি তে প্রথম দিকে লিখতে গেলে যেমন লাগতো, এখন অনেকটা সিরকম লাগছে। কারন অনেক অনেক দিন পর লিখতে বসলাম।

নাহ, আসলে তেমন কোনো কারন নাই না লিখার।বিভিন্ন কারনে লেখা হচ্ছিলো না। আর নতুন নতুন অনেক লেখকের লেখা দেখতে ভালোই লাগে। কিন্তু গত কিছুদিন ধরেই সিসিবি কেমন যেনো একটু আস্তে আস্তে যাচ্ছে। লেখা কম, কমেন্ট কম। আগে যেখানে দুই ঘন্টা কমেন্ট এর ট্র্যাক না রাখলে আর খুজে পাওয়া যেতো না,

বিস্তারিত»