আমার ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এডভাইজিং অফিস ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে একটা প্রোগ্রাম আয়োজন করে প্রতিবছর। প্রোগ্রামটা বেশ মজার। ক্রিসমাসের ছুটি শুরু হওয়ার আগে প্রত্যেক ফ্যাকাল্টিতে তারা নোটিশ পাঠায় ফ্যাকাল্টি মেম্বার আর স্টাফদের কাছে। খোঁজ করে কারা তাদের ফ্যামিলির ক্রিসমাস ডিনারে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের অতিথি হিসাবে পেতে চায়। আর ইমেইল করে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের, কারা ক্রিসমাসের ডিনারে যেতে চায়। উভয়পক্ষের তালিকা পেলে তারা দৈবচয়নের মাধ্যমে আগ্রহী ফ্যামিলিগুলোতে এক, দুই বা তিনজন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
বিস্তারিত»প্রিন্সিপাল এসেম্বলী!! (সিসিবি ভার্সন) পর্ব ৩
৫।
-জুনায়েদ, তোর কাছে ম্যাচ বা লাইটার আছে? পকেটের শেষ সিগারেটটা ধরাবো…
পাভেল ভাই (‘৯৩) এর কথা শুনে থমকে গেলাম। আমার জানা মতে উনি তো সিগারেট খেতেন না। কবে থেকে শুরু করলেন?? যাই হোক, কথা না বাড়িয়ে পকেট থেকে ম্যাচ বের করে দিলাম। উনি বুক পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে অস্ফুট স্বরে গালি দিয়ে উঠলেন,
বিস্তারিত»ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডসঃ ওয়ান্স আপ’ন এ টাইম, ইন নাৎজি অকুপাইড ফ্রান্স
[ব্লগ লেখা এক মারাত্মক নেশা। ঘাড় থেকে নামিয়ে রেখেছি আশ্বাসে নিশ্চিন্ত হয়ে বসলেই টের পাই কোন ফাঁকে সে আবারও ঘাড়ে চড়ে বসেছে এবং দুই হাঁটু দিয়ে কানের ওপরে চাপ দিচ্ছে! একটা ব্লগ না লেখাতক এই অদৃশ্য ব্যথাটি সরছে না!]
Inglourious Basterds নামটার মধ্যে প্রথমেই যেটা খেয়াল করলাম সেটা হলো নামের বানান ভুল। ভাবলাম টাইপো, তারপরে ভাবলাম টারান্টিনো কি ভুল শিখেছেন নাকি (যদিও চিন্তাটা শিশুতোষ ভীষণ),
বিস্তারিত»ঈশ্বর, সমাজ ও ব্যক্তি নিয়ে আমার ভাবনা
১
সমাজবিজ্ঞানে ধর্মের আলোচনা শুরু করেছেন এমিল ডুর্খেইম (Emile Durkheim) তার Elementary Forms of Religiuos Life গ্রন্থে। এখানে তিনি দাবী করেন যে, সমাজই ঈশ্বর (God of a community is the community itself)।
ডুর্খেইম তার স্বভাবসিদ্ধ বিনির্মাণ (Deconstructive) ধারায় শুরু করেছেন কোনটা ধর্ম নয় তা’ দিয়ে। তিনি বলেন, ধর্ম কোন অতিমানবীয় বা রহস্যময় কোন জিনিস নয়। ধর্ম দেবদেবী বা অন্যকোন স্বত্ত্বায় বিশ্বাসও নয়।
বিস্তারিত»টানাপোড়েন
দ্বিধায় আছি, দ্বন্দে আছি
অজানা সুর ছন্দে আছি
আছি অবাক মোহে মায়ায়
কিংবা শীতল গাছের ছায়ায়
জগৎ জুড়ে আগুন জ্বলে
তবুও হৃদয় সিক্ত জলে
অবাক দ্বন্দ!পাইনা ভাষা
কোনটা আমার মনের আশা?
এ ট্রিপ টু রিমেমবার-৪
এ ট্রিপ টু রিমেমবার- [১] [২] [৩]
নেপাল থেকে ফিরার সময় তানভীররে বলতেছিলাম আমি আমার ধারা বজায় রেখে কয়েকটা ফটোব্লগ দিয়া দিমু নে আর তুই তো অনেকদিন লেখোস না, তাই তুই একটা ভ্রমন ব্লগ দিয়া দিস।
ফিরার পরেই আমি আমার কথা রেখেছিলাম। তানভীর ও লেখা দিলো। কিন্তু জিনিয়াসের মাথা থেকে আরেক জিনিয়াস আইডিয়া বের হলো। আসলে ফাকিবাজির ধান্দা আর কি।
একুশের পাঠশালায় একজন বৃষ্টি … …
১.
সে অনেক কাল আগের কথা। আজ অনেক দিন পরে যৌবনের সেই টকটকে দিনগুলোর কথা মনে পড়ছে। ইস্ , কী দূর্দান্ত ছিল সেই দিনগুলো!!!
আমরা ৬/৭ জন বন্ধু ছিলাম একে অন্যের জানের জান। আর আজ? কে কোথায় আছে, কে জানে! “বৃষ্টি”র জন্যে আজও খুব খারাপ লাগে; না জানি, কেমন আছে বেচারী! রাতুলকে ভালবাসতো ও, খুব ভাল ছেলে ছিল রাতুল। যেমনি চেহারা ,
ফিরে পাওয়া শৈশব পাহাড় আর সিসিবির ভালোবাসা
এই দিনগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম অনেকদিন ধরেই। ২০০৮ সালে হতে হতেও হলো না। ফলে বিদেশ থেকে আসা বেশ কয়েকজন বন্ধু ফেরত গেল। কিন্তু দেশে যারা আছি বা থাকি, বেঁচে থাকলে ঠেকায় কে? ফৌজদারহাটের পূণর্মিলনী, তাও আবার সুবর্ণজয়ন্তীতে। ৫১ বছর বয়সী একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আমরাও বেরিয়েছি ২৯ বছর হয়ে গেল। কি একটা অদ্ভূত টান! বারবার ফিরে গেলেও আবার যাওয়ার আকাঙ্খা এতোটুকু কমে না। এ কেমন ভালোবাসা?
বিস্তারিত»বিজ্ঞাপণ
বিজ্ঞাপণ! বিজ্ঞাপণ! বিজ্ঞাপণ!
আচ্ছা বড় ভাই ও বোনেরা, ছোট ভাই ও বোনেরা কেউ কি আমার জন্য একটা উপযুক্ত পাত্র খুজে দিবেন? যার হাইট হবে পাচ ফিট এগারো। মাথার চুলগুলা হবে সিল্কি। গায়ের রং শ্যামলা। তাকে অবশ্যই অবশ্যই কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের ১২তম ব্যাচ হতে হবে। তাকে ভাল এ্যাথলেট হতে হবে। বাংলাদেশ আর্মিতে যার চাকরীর বয়স ১০ বছর হবে। আমিসহ আমার ছেলেদের সমস্ত অন্যায় আবদার যে রাখবে।
হাড়কাঁপানো শীতে/ আমরা পারি ওদের দিকে / হাত বাড়িয়ে দিতে
ঠান্ডায় মাথা খারাপ মত হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে এই ছাতার রাতের দিকে বাসায় ফেরার সময়, যখন ঠান্ডা হাওয়া মুখের মধ্যে খোচা দেয়, তখন মনে হয় দেশটা লন্ডন হয়ে যেতে আর বেশি বাকি নাই। আমার চেয়ে দুই সাইজ বড় জাম্পার দিয়ে নিজেকে কোনমতে ঢেকেঢুকে বাসায় ফিরি। এত বড় একটা জাম্পার থাকতেই আমার এই অবস্থা, রাস্তার মানুষদের না জানি কি অবস্থা, চিন্তা করেন খালি।
চলেন সবাই মিলে তাই একটু উনাদের কথা ভাবি।
বিস্তারিত»তোর ঘ্রাণ পাই
তোর ঘ্রাণ পাই——–মাঠে এলে রোজ
তুই এসেছিলি——–আমি তারই খোঁজ
পেয়ে এসে দেখি——কেউ আর নেই
তবু জানি ঠিক——–চলে যাবো যেই
তুই আবারো———-ফিরে আসবি
অস্থির আমি———-দেখে হাসবি
ছুটির শুরুঃ কিছু কথা
বলাই বাহুল্য আমার ক্যাডেট কলেজ খুবই ভাল লাগে!তবুও বাসা…অন্যরকম ভাব আছে না! এবার আমি মরেই যাচ্ছি! নিয়মানুযায়ী ইলেভেন হিসাবে আমার রেজাল্ট ভয়ংকর!!!
আম্মা তাই দুনিয়ার যত পড়াশোনার ব্যাবস্থা আছে সব খুঁজে বের করে ফেলছে! দিন রাত… কোনো ব্রেক নাই! তাই সিসিবি তে ও কম বসা হয়। কলেজে বসে অনেক কবিতা, গল্প লেখা হলেও বাসায় এসে তা দেয়া হচ্ছে না। আমি প্রহর গুনছি…আমার রেজাল্ট কবে আম্মার পছন্দ হবে!
খুঁজে বেড়াই সহজ কবিতা
অজস্র কবিতায় কঠিন সব শব্দের খেলা
বুঝতে পারি না কিছুই – নিজেকে বড়ই ক্ষুদ্র মনে হয়।
মনে হয় আমি এখনও অনেক ছোট,
এখনও কবিতা বুঝতে গিয়ে অন্ধকারে ডুবে যাই আমি,
সহজ বাংলায় ‘ভালবাসি’ না বলে কবি কেন যে লিখে ফেলেন
দুই লাইনের শব্দজট – এখনও মাথায় আসে না আমার;
সহজ শব্দের ‘জল পড়ে, পাতা নড়ে’ আজ যেন হারিয়ে গেছে –
শপথ
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ। কত আলোচনা, সভা, বিশেষ দিনগুলো সুন্দরভাবে পালন করা সহ কত কবিতা-গান তৈরী করা, সেগুলো উপস্হাপন করা, নাটক-সিনামা তৈরি করা, তার জন্য কত নিত্য নতুন পোশাকের ধরন, কালার নির্বাচন, শরীরের বিভিন্ন স্হানে পতাকা ও বাংলার বিভিন্ন চিন্হসহকারে বহুরকম ট্যাটো আকা, বইমেলা, বিজয়মেলা, পিঠামেলা এবং সৃত্নিচারণসহ অনেক কিছু করে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য কত চেষ্টা করা। কিন্তু এখন আমার কথা হল, আমাদের এই ঐতিহ্য পালন করলেও আমরা কি সঠিকভাবে মর্যাদা দিয়ে একে মূল্যায়ন করি?
বিস্তারিত»সানশাইনঃ সূর্যস্নানের মানবিক ছবি
[পুরোপুরি স্পয়লারমুক্ত মুভি-রিভিউ 😀 ]
ধরা যাক, আমরা একটি সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র বানাতে যাচ্ছি। ছবিটির কাহিনী অনেকটা সময় পরের পৃথিবীর পটভূমিতে। এমন একটা সময়ে যখন সূর্যের আয়ুষ্কাল শেষের পথে। তারকা হিসেবে সূর্যের দীপ্তি কমে আসছে, ধীরে ধীরে সে নিভে যাচ্ছে। সূর্য নিভে গেলে প্রাণের উদ্ভব হওয়া গ্রহটিতে সকল প্রাণ বিলুপ্ত হবে। মানুষ হিসেবে তখন সবচেয়ে জরুরি কাজই হবে সূর্যকে টিকিয়ে রাখা। মানব সভ্যতার এরকম একটা ক্রান্তি সময়ে একদল নভোচারীকে পাঠানো হলো সূর্যরক্ষা মিশনে।
বিস্তারিত»