পশ্চিম পর্ব (ভূমিকা পর্ব )

বজ্র পর্বতের পায়ে ছোট্ট একটা শহর। শহরে একটা মল, কিছু সাধারন দোকান আর গোটাকয়েক আবাসিক এলাকা। স্বল্প আয়তন, অল্প মানুষ আর গোছানো পরিসরে ছবির মত সাজানো শহরটার নাম সিয়েরা ভিস্তা। মেক্সিকোর সীমান্ত ঘেঁষা হুচুকা মাউন্টেনের পায়ের কাছে এই শান্ত শহরটাতে মাস সাতেক বাস করতে হয়েছিল আমাকে।

সিয়েরা ভিস্তা, নামটাই তো কেমন অন্যরকম। কিশোর বেলায় পড়া ওয়েস্টার্ন গুলোতে এই নামটা ছিলো কিনা মনে নেই,

বিস্তারিত»

একজন নগর পরিব্রাজক – দুই

কোথায় যেন পড়েছিলাম জীবন এক বহতা নদীর মতো। কোন বিখ্যাত মনীষির চাপাবাজি সমগ্রতে মনে হয়। গ্যান্দাকালে পড়ছিলাম, তাই মানে মুনে খুঁজতে যাইনি, বরং মুখস্ত করে পৌরনীতি, বাংলা এমনকি ইসলামিয়াত পরীক্ষাতেও কবি আইয়ূব বাচ্চুর নামে চালিয়ে দিয়েছি লাইনটা সুযোগ পেলেই 😛 কিন্তু ইদানিং মনে হয় জীবন নদীর মতোন হয়তো ঠিকাছে, কিন্তু ব্যাটা ঠিক বহমান নাই, পদে পদে বাধ তার, কোন কোনটা ডিঙ্গিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, কিংবা কোন কোনটা তার গতিপথও পালটে দিচ্ছে প্রথম বেলার প্রতিশ্রুতির চেয়ে ভিন্ন পথে,

বিস্তারিত»

সুনীল সুখ ও রূপোলী দুঃখ

আমি সুনীল সুখ ও রূপোলী দুঃখের কথা বলি
দুপুরের মেঘে ভেজা ফসলের মাঠ
ঘাস ও ঘাসফুলে মৃদু চারুপাঠ
বাতাসের কথা বলি
আকাশের কাছে প্রার্থনার ভঙ্গিতে মাথা নিচু করা
বটবৃক্ষের নাম লিখে কেটে ফেলি বারবার
লজ্জাবনতা ডেওয়ার গাছ মুখ নিচু করে জলের গায়ে
নিজেকে দেখে
আমি তার ও তার স্তনরূপ ফলের স্তাবক করি
মানীকে হীন করি না,হীনকে জানাই না সংবর্ধনা
গভীর রাত্রে ঘুম ভেঙে জেগে উঠোনে হাটি
বিড়বিড় করে পাঠ করে নেই বিপুল আঁধার
আঁধার কাব্য
জোৎস্না আমাকে কটাক্ষ করে,মুখ ঘুরিয়ে নেয়
আমি হাসি,হা-হা,কোন মঞ্চে যেন জোকস শুনেছি
ডাইনী আমাকে মারতে আসলে চোখ টিপে দেই
সে তো হতবাক
আমি কারুকে আঘাত করি না,এর মানে নয় আমি ভালো লোক
এ হলো আমার দুর্বলতা
তবে ঠিক ঠিক মানুষের মতো রাগ জমে আমার
সাগরের কাছে নতজানু হয়ে ক্ষমা চাইবার ইচ্ছে আছে
কতদিন আমি সাগরের খুব কাছে যাই নি
হাসিতেও বেদনা ছড়ানো যায় একথা আমি আগে শুনি নি
সম্প্রতি জেনে আয়নার সামনে দাড়াতেই কেমন কান্না পেলো
আমার কোন কবিতায় আমি ব্যাক্তিগত দুঃখ লিখি না
এমন একটি কবিতাও নেই সুখের দিনে কাঁদতে পারি
আমি ব্যর্থতম কবি!

বিস্তারিত»

কাব্য আসে না….

মন কিংবা মগজে
কলম থেকে কাগজে
যতই কিবোর্ড চাপি-যে
চড়ে শব্দের জাহাজে…

কাব্য আসে না …..না না …কাব্য আসে না।

অহেতুক অলস-ভাবনা
যাবতীয় জটিল-দোটানা
গর্হিত গোপন-অনুশোচনা
সুতীব্র সম-আলোচনা (সমালোচনা)
যাপিত যান্ত্রিক-যন্ত্রণা
আর আবহাওয়ার-বেজায় বেখেয়ালীপনা……

সব এসে, ফিরে চলে যায়
শুধু আহত,করে যে আমায়।
তবু,কাব্য আসে না ……..না না …কাব্য আসে না।

বিস্তারিত»

ভুল উপদেশ

কথা ছিলো ঘর থেকে বেরিয়ে
হাজার মাইল হাঁটবো।।
এ পথে আমার সঙ্গী-সাথীরা
বেরিয়ে গেছে অনেক আগে।
আমাদের এই ঘরে ছিলেন
জনাকয়েক দাঁড়ি গোঁফ পাকা গুরুজন।
এ পথ ধরেই তারা গিয়েছিলেন
এবং
ফিরেও এসেছেন।
তাদেরই প্ররোচনায় আমার বন্ধুরা
এবং শেষান্তে আমি
ঘর ছাড়া হলাম।

গুরুজনদের কেউ একজন বলেছিলেন……
“এ পথেই এক ঝর্ণা নেমে আসে
তার স্রোতধারার পরে
নেচে নেমে আসে অসংখ্য জলপরী
তারা দু’মুঠোয় ভালোবাসা বিলায়”
কিন্তু
তিনি আমাকে এক চিমটি
ভালবাসা নিয়েই
আবার চলতে বলেছিলেন।

বিস্তারিত»

জনৈক মুক্তিযোদ্ধা বলছি……

সিগারেট চায়ের মিশ্র চুম্বনে
যে জ্বালা চোখে জল আনে-
মাথার ভিতর ফাঁপা কোন স্বরে
ডেকে যাওয়া এক দেশের নামে,
কলমের ডগায় না বলা কথা-
কাগজের বুকে ফেরি করা, এক মিথ্যে ফেরিওয়ালা-
প্রাণের কাঁদন যে সুরে হয়ে যায় গান
এই পাতা ঝরার মৃত সেই সুরে, শুধু হতাশা-
ভাঙ্গাচোরা-পোড়া এই দেশটার তরে,
আমি হৃদয় পেতে দেই, সব ব্যথা নিয়ে নেই পাঁজরে।।

বিস্তারিত»

পূর্ণ কর হাতখানি মোর

পূর্ণ করে দাও গো আমার শূন্য দু’টি হাত

দাও করুণা- দাও মমতা-দাও গো মাগফেরাত।

পাপের বোঝা মাথায় নিয়ে  বাঁচব বল কোথায় গিয়ে

কার দুয়ারে গিয়ে বল পাতব আমার হাত?

দাও করূণা দাও মমতা দাও গো মাগফেরাত।

বিস্তারিত»

খেজুরে আলাপ – ১

বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে সকালে ঘুম ভাঙলো। বেশ হিমহিম রোমান্টিক আবহাওয়া। ব্যাচেলর মানুষ, বিছানায় একাই ঘুমাই। কাঁথাটাকে আরেকটু জোরে আঁকড়ে ধরে পাশ ফিরলাম। মাথার মধ্যে জসীমউদ্দীনের কবিতা উঁকি দিয়ে গেল:
“আজিকে বাহিরে শুধু কলকল ঝরঝর চারিধারে
বেণুবনে বায়ু নাড়ে এলোকেশ, মন যেন চায় কারে।“

এই আবহাওয়ায় অফিসে যাওয়ার মোটেই ইচ্ছা জাগে না। যাব কি যাব না করতে করতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটা চূড়ান্ত করে ফেল্লাম।

বিস্তারিত»

সাময়িক পোস্ট

জিতুর বাসায় বসেই প্রিন্সিপ্যাল স্যারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে নিছি। বুকে এখন অনেক সাহস।
যাই হোক… প্রচন্ড দৌড়ের উপরে আছি। গুছিয়ে কিছু লিখতে পারছিনা। অনেক দেরী কইরা ফালাইলেও সিসিবি’র সবার আন্দোলনের মুখে গত বছর ২৫ সেপ্টেম্বর আমার কুমার জীবনের পতন হয়। আন্দোলনের সেই ফল যে খুব একটা খারাপ হইছে তা আমি বলবোনা। যাহোক, আন্দোলনের সেই মধুমাখা ফলাফল কে আরো সুমধুর করতে প্রিন্সিপ্যাল স্যারের অনুমতি নিয়া একটা খানা পিনার আয়োজন কইরা ফালাইছি।

বিস্তারিত»

দোস্তের শুভ দিনে…

ছোটবেলা থেকে পেরেন্টস এর কাছে শুনে এসেছি ভালো ছাত্রদের হাতের লেখা ভালো হতে হয় আর ভালো হাতের লেখা তাদেরই হয় যারা ফাউন্টেন পেন দিতে লিখে।
কলেজে যাবার পর দুইটা কথাই যার সাথে মিলে গেছে সে আমার কঠিন এক দোস্ত। মাইরে বাপ টাইপের ছাত্র।ভালো ছাত্র দের উদাহরন দিতে গিয়ে বলা হয়, জীবনে সেকেন্ড হয় নাই। আমার এই দোস্ত কিন্তু একবার সেকেন্ড হইছে। এস এস সি তে।

বিস্তারিত»

কিছু ছবি আর একটি ফালতু পোস্ট

ডিস্ক্লেইমারঃ এই পোস্টটিতে পড়ার মত কিছু নাই, কেবল কয়েকটি ছবিই এটির মূল বিষয়।

তখন বিরাট গন্ডোগোল, মিশনে আসিবার পূর্বে শত সহস্র ডামাডোলে এই ব্যাগ গুছাও তো ঐ তাহারে বিমানে তোল তো এই ওজন যন্ত্রে খাড়া হইয়া নিজের শীর্ণতার পরীক্ষা করিয়া লইবার , নচেত যাইবার আগে দুরদুরান্তের কোনো মাতুল বংশীয় কংশমামাকে “মামু গেলুম” বলিয়া সমাজ রক্ষার কর্তব্য পালন করিবার তীব্র তোরজোড়। এই হট্টগোলের ভীড়েও কেবল যাহারা আসিয়া ফিরিয়াছেন তাহাদের একটি বাক্যই শান্তির সুধা লইয়া আসিতো।

বিস্তারিত»

২০ জুলাই

সময়ঃ রাত ৩:২০

আমি জানি না কোনদিনও তুমি বুঝতে পারবে কিনা এই আমাকে। আর তাই বোঝানোর চেষ্টাও এখন আর করি না। গতকাল ফারজানা স্ট্যাটাস দিয়েছে,”কেউ যদি তোমাকে প্রতিনিয়ত বলে যায় সে তোমাকে সত্যি ভালোবাসে এবং তুমি তার বিশেষ একজন তবে বুঝে নিও সে তোমাকে ভালবাসে না। কারণ যে তোমাকে সত্যি ভালোবাসে তার ভালোবাসার কথাগুলো সবসময় বলা লাগেনা, তার নিরবতাই তোমাকে বুঝিয়ে দিবে সবকিছু।”

বিস্তারিত»

চুমু

চুমু দিলাম, চুমু দিলাম
চুমু দিলাম তোমার ঠোটে..

উঠলে বুঝি একটু কেঁপে-
থরথর।

কাঁপছে কেন ওষ্ঠ তোমার!
চোখ তো খোল,

মেয়ে চোখ তো খোল,

কপোল জুড়ে লালচে আভা
সে কি ! কাঁপছো কেন !

জুড়িয়ে দিলে
আমার বুকে তোমার মাথা।

ভাবছো কেনো মিষ্টি মেয়ে ?

তাকাও দেখি

বিস্তারিত»

রিভিউ পোস্টঃ সিসিবি জন্মদিন

এত্তদিন পর সবাইকে একসাথে দেখে চোখের পানি নাকের পানি আলাদা করতে পারছি না। নেট না থাকার কল্যাণে মিষ্টি খাওয়া মিস করলাম, কিন্তু অসুস্থ প্রতিযোগিতা দেখতে গিয়ে এই রাত চারটার সময় হো হো করে হাসতে গিয়ে বহু বহু বহুউউউউ দিন পর চেয়ার থেকে পিরা গেলাম :D। মনটা খারাপ ছিল, এখন মনটা এতই ভাল হইসে যে ইচ্ছা করতেসে কয়েকটা পটকাকে ফলইন করায় সিরিয়াল ধরে আগুন জ্বালায় দেই।

বিস্তারিত»

আজ রুমকির বাবার জন্মদিন

আজকে সিসিবির জন্মদিন গেল, বলা যায় এই উপলক্ষ্যে অনেক পুরাতন পাপীদের লেখা দেখা গেল আজ। মন্তব্য, প্রতিমন্তব্য আর ফ্রিজ খুলে মিষ্টি খাওয়ার মাঝে সিসিবি বেশ কয়েকমাসের মধ্যে আজকেই সবচাইতে জমজমাট। তবে এই উতসব উতসব ভাবের মাঝে সম্ভবত সবার অলক্ষ্যেই চলে যাচ্ছে এই ব্লগের এক পুরাতন পাপীর জন্মদিন। এদিকে মাস্ফু ভাই নাকি এই শীতের রাতে চোর ডাকাতের ডিউটিতে ব্যস্ত আর রকিব মিয়া নাকি সুন্দরী বালিকাদের চা বিলানোতে ব্যস্ত কিন্তু তাই বলেতো জন্মদিনের পোস্ট থেমে থাকতে পারে না তাই আজকে রাতের এই কী-বোর্ডবাজি আমাদের ভাতিজি রুমকির বাবার জন্য 😀

তা এই রুমকির বাবার সাথে আমাদের অনেকের পরিচয় ইন দ্যা ইয়ার নাইন্টিন নাইন্টি নাইন।

বিস্তারিত»