আমি একজন নারী। নিজেকে মাঝে মাঝে খুব অসহায় মনে হয়েছে, আবার কখনও কখনও দূর্গার মত শক্তিধর মনে হয়েছে। যখন নাটক নভেল গুলোতে নানা রঙ্গে ঢঙ্গে নায়িকার শৈল্পিক উপস্থাপন পড়েছি তখন নিজের অজান্তেই অনেক মজা লাগতো, হিরোইনের জায়গায় নিজেকেই কল্পনা করে ফেলতেও সামান্য দ্বিধা হয়নি কখনোই। জোরে শব্দ করে হাসার কারণে খুব টিপিকাল আমার মা যখন বলতো “মেয়েদের এভাবে হাসতে হয়না” মায়ের উপর রাগের পাশাপাশি নিজের উপরও মেয়ে হয়ে জন্মানোর জন্য যে সামান্যও অনুশোচনা হয়নি তা বোধহয় বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবো না।
বিস্তারিত»বাবুরাম চাকুরে
বাবুরাম চাকুরে
কোথা যাস বাপুরে
আয় বাবা দেখে যা
CV খানা রেখে যা
যে লোকের চোখ নেই
দাঁত নেই নখ নেই
ছোটে সে তো হাটে না
ছুটি ছাটা নেয় না
করে না কো উৎপাত
খায় শুধু নুনভাত
সেই লোক জ্যান্ত
ধরে ক’টা আনতো
নিয়ে দাস খতে সইটা
দেই তারে JOBটা
(স্বর্গীয় সুকুমার রায়ের নিকট ক্ষমাপ্রার্থী)
বিস্তারিত»হাসি
ধ্রুব তারাটা হাসছে
মিটিমিটি হাসছে তারাগুলো
চাঁদের অধরে হাসির আভা
সুতাবুড়িটাও হাসছে মুচকি
জ্যোৎস্না লুটে পড়ছে অট্টহাসিতে
আঁধার হেসে উঠছে অপার আলোয়
জোনাকিরা হাসছে দেখ চেয়ে
হাসছে সকল ঝি ঝি পোকা
রাতজাগা নিশাচরের কণ্ঠে হাসি
সূক্ষ্ম হাসি প্রকৃতির নিঝুমতায়
মেতেছে প্রকৃতি আজ হাসির খেলায়
তবুও সকল হাসি ম্লান হয়ে যায়।
যখন,
চোখ মেলে দেখি
কান পেতে শুনি
হৃদয়ে উপলব্ধি করি
কল্পনা করি তোমার হাসি।
মাগনা বিদেশ যাওয়ার সহজ উপায়…
জিতুকে ধন্যবাদ। বেচারী শীতের দুপুরে লেপের আরাম বাদ দিয়ে অনেকটা সময় কানে ফোন রেখে আমাকে ব্লগ লেখার কৌশল শিখিয়েছে। ভালো টিচাররা এমনই হয় :thumbup:
(এটা ওর স্কুলের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা কমিশন হিসেবে আমার রেফারেন্সে ২ জন ফুল ফ্রীইইইইই)
এবার ব্লগ শুরু করি…
আস্ট্রেলীয় সরকার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কিছু বৃত্তি দিয়ে আসছে বেশ অনেক বছর ধরে। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ৪টি হলোঃ
1.
প্রথম রাত…সারদাতে…
আজ ১২ তারিখ,এখন রাত ২টা ৩০ বাজে কাঁটায় কাঁটায়।গতকাল বেলা ১১ টার সময় ঢাকা থেকে রওয়ানা দিয়ে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে গন্তব্যে পৌঁছেছি।সব জিনিসপত্র গুছানো শেষে এইমাত্র ল্যাপটপ খুলে বসলাম।সকাল থেকে থেকে(পরবর্তী নোটিশ না পাওয়া পর্যন্ত) মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের মডেম “আউট-অফ-বাউন্ড” হতে যাচ্ছে-জানিনা কতদিন পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।তাই ঝটপট কিছু অনুভূতি শেয়ার করিঃ
১) ৬ বছর ক্যাডেট কলেজ এবং তারপর বিএমএ তে থাকার অভিজ্ঞতা-এর পরেও আমার মা একটুও বদলাননি।বিশেষ করে একাডেমিতে আসার শেষ কয়েক দিন আগে এমন কান্নাকাটি করছিলেন যে আমার পক্ষে অশ্রু সংবরণ করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছিলো।মা-রা বোধহয় এমনই হন,সময়ের সাথে সাথে সব কিছু পাল্টালেও সন্তানের প্রতি তাঁদের মমতার বিন্দুমাত্র হেরফের হয়না…
বিস্তারিত»আমার ক্ষুদ্রঋণ ও দেশপ্রেম ভাবনা
গত সপ্তাহে নরওয়ের এক সাংবাদিক গ্রামীন ক্ষুদ্রঋণের উপর একটা প্রামান্যচিত্র প্রকাশ করে বেশ হইচই ফেলে দিয়েছে। সেই প্রামান্যচিত্রে দেখানো হয়েছে ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতাদের উপর ক্ষুদ্রঋণের ফলাফল যা’র পুরোটাই নেতিবাচক। এই ব্যাপারটি আমাদের মধ্যবিত্তের কাছে (যারা তথ্যের জন্য মিডিয়ার দিকে চেয়ে থাকে) একধরনের শক, কারণ এতোদিন ধরে দেশী-বিদেশী মিডিয়া শুধু ক্ষুদ্রঋণের প্রশংসাই শুনিয়েছে। ক্ষুদ্রঋণের গ্রহীতাদের নানান দূর্ভোগের বিবরণের পাশাপাশি এই তথ্যচিত্র আরো একটি বিষয় তুলে ধরেছে, তা হলো বিদেশী অনুদান হিসেবে প্রাপ্ত তহবিল মিস-ম্যানেজমেন্ট।
বিস্তারিত»পশ্চিম পর্ব (ভূমিকা পর্ব )
বজ্র পর্বতের পায়ে ছোট্ট একটা শহর। শহরে একটা মল, কিছু সাধারন দোকান আর গোটাকয়েক আবাসিক এলাকা। স্বল্প আয়তন, অল্প মানুষ আর গোছানো পরিসরে ছবির মত সাজানো শহরটার নাম সিয়েরা ভিস্তা। মেক্সিকোর সীমান্ত ঘেঁষা হুচুকা মাউন্টেনের পায়ের কাছে এই শান্ত শহরটাতে মাস সাতেক বাস করতে হয়েছিল আমাকে।
সিয়েরা ভিস্তা, নামটাই তো কেমন অন্যরকম। কিশোর বেলায় পড়া ওয়েস্টার্ন গুলোতে এই নামটা ছিলো কিনা মনে নেই,
বিস্তারিত»একজন নগর পরিব্রাজক – দুই
কোথায় যেন পড়েছিলাম জীবন এক বহতা নদীর মতো। কোন বিখ্যাত মনীষির চাপাবাজি সমগ্রতে মনে হয়। গ্যান্দাকালে পড়ছিলাম, তাই মানে মুনে খুঁজতে যাইনি, বরং মুখস্ত করে পৌরনীতি, বাংলা এমনকি ইসলামিয়াত পরীক্ষাতেও কবি আইয়ূব বাচ্চুর নামে চালিয়ে দিয়েছি লাইনটা সুযোগ পেলেই 😛 কিন্তু ইদানিং মনে হয় জীবন নদীর মতোন হয়তো ঠিকাছে, কিন্তু ব্যাটা ঠিক বহমান নাই, পদে পদে বাধ তার, কোন কোনটা ডিঙ্গিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, কিংবা কোন কোনটা তার গতিপথও পালটে দিচ্ছে প্রথম বেলার প্রতিশ্রুতির চেয়ে ভিন্ন পথে,
বিস্তারিত»সুনীল সুখ ও রূপোলী দুঃখ
আমি সুনীল সুখ ও রূপোলী দুঃখের কথা বলি
দুপুরের মেঘে ভেজা ফসলের মাঠ
ঘাস ও ঘাসফুলে মৃদু চারুপাঠ
বাতাসের কথা বলি
আকাশের কাছে প্রার্থনার ভঙ্গিতে মাথা নিচু করা
বটবৃক্ষের নাম লিখে কেটে ফেলি বারবার
লজ্জাবনতা ডেওয়ার গাছ মুখ নিচু করে জলের গায়ে
নিজেকে দেখে
আমি তার ও তার স্তনরূপ ফলের স্তাবক করি
মানীকে হীন করি না,হীনকে জানাই না সংবর্ধনা
গভীর রাত্রে ঘুম ভেঙে জেগে উঠোনে হাটি
বিড়বিড় করে পাঠ করে নেই বিপুল আঁধার
আঁধার কাব্য
জোৎস্না আমাকে কটাক্ষ করে,মুখ ঘুরিয়ে নেয়
আমি হাসি,হা-হা,কোন মঞ্চে যেন জোকস শুনেছি
ডাইনী আমাকে মারতে আসলে চোখ টিপে দেই
সে তো হতবাক
আমি কারুকে আঘাত করি না,এর মানে নয় আমি ভালো লোক
এ হলো আমার দুর্বলতা
তবে ঠিক ঠিক মানুষের মতো রাগ জমে আমার
সাগরের কাছে নতজানু হয়ে ক্ষমা চাইবার ইচ্ছে আছে
কতদিন আমি সাগরের খুব কাছে যাই নি
হাসিতেও বেদনা ছড়ানো যায় একথা আমি আগে শুনি নি
সম্প্রতি জেনে আয়নার সামনে দাড়াতেই কেমন কান্না পেলো
আমার কোন কবিতায় আমি ব্যাক্তিগত দুঃখ লিখি না
এমন একটি কবিতাও নেই সুখের দিনে কাঁদতে পারি
আমি ব্যর্থতম কবি!
কাব্য আসে না….
মন কিংবা মগজে
কলম থেকে কাগজে
যতই কিবোর্ড চাপি-যে
চড়ে শব্দের জাহাজে…
কাব্য আসে না …..না না …কাব্য আসে না।
অহেতুক অলস-ভাবনা
যাবতীয় জটিল-দোটানা
গর্হিত গোপন-অনুশোচনা
সুতীব্র সম-আলোচনা (সমালোচনা)
যাপিত যান্ত্রিক-যন্ত্রণা
আর আবহাওয়ার-বেজায় বেখেয়ালীপনা……
সব এসে, ফিরে চলে যায়
শুধু আহত,করে যে আমায়।
তবু,কাব্য আসে না ……..না না …কাব্য আসে না।
ভুল উপদেশ
কথা ছিলো ঘর থেকে বেরিয়ে
হাজার মাইল হাঁটবো।।
এ পথে আমার সঙ্গী-সাথীরা
বেরিয়ে গেছে অনেক আগে।
আমাদের এই ঘরে ছিলেন
জনাকয়েক দাঁড়ি গোঁফ পাকা গুরুজন।
এ পথ ধরেই তারা গিয়েছিলেন
এবং
ফিরেও এসেছেন।
তাদেরই প্ররোচনায় আমার বন্ধুরা
এবং শেষান্তে আমি
ঘর ছাড়া হলাম।
গুরুজনদের কেউ একজন বলেছিলেন……
“এ পথেই এক ঝর্ণা নেমে আসে
তার স্রোতধারার পরে
নেচে নেমে আসে অসংখ্য জলপরী
তারা দু’মুঠোয় ভালোবাসা বিলায়”
কিন্তু
তিনি আমাকে এক চিমটি
ভালবাসা নিয়েই
আবার চলতে বলেছিলেন।
জনৈক মুক্তিযোদ্ধা বলছি……
সিগারেট চায়ের মিশ্র চুম্বনে
যে জ্বালা চোখে জল আনে-
মাথার ভিতর ফাঁপা কোন স্বরে
ডেকে যাওয়া এক দেশের নামে,
কলমের ডগায় না বলা কথা-
কাগজের বুকে ফেরি করা, এক মিথ্যে ফেরিওয়ালা-
প্রাণের কাঁদন যে সুরে হয়ে যায় গান
এই পাতা ঝরার মৃত সেই সুরে, শুধু হতাশা-
ভাঙ্গাচোরা-পোড়া এই দেশটার তরে,
আমি হৃদয় পেতে দেই, সব ব্যথা নিয়ে নেই পাঁজরে।।
পূর্ণ কর হাতখানি মোর
পূর্ণ করে দাও গো আমার শূন্য দু’টি হাত
দাও করুণা- দাও মমতা-দাও গো মাগফেরাত।
পাপের বোঝা মাথায় নিয়ে বাঁচব বল কোথায় গিয়ে
কার দুয়ারে গিয়ে বল পাতব আমার হাত?
দাও করূণা দাও মমতা দাও গো মাগফেরাত।
বিস্তারিত»খেজুরে আলাপ – ১
বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে সকালে ঘুম ভাঙলো। বেশ হিমহিম রোমান্টিক আবহাওয়া। ব্যাচেলর মানুষ, বিছানায় একাই ঘুমাই। কাঁথাটাকে আরেকটু জোরে আঁকড়ে ধরে পাশ ফিরলাম। মাথার মধ্যে জসীমউদ্দীনের কবিতা উঁকি দিয়ে গেল:
“আজিকে বাহিরে শুধু কলকল ঝরঝর চারিধারে
বেণুবনে বায়ু নাড়ে এলোকেশ, মন যেন চায় কারে।“
এই আবহাওয়ায় অফিসে যাওয়ার মোটেই ইচ্ছা জাগে না। যাব কি যাব না করতে করতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটা চূড়ান্ত করে ফেল্লাম।
বিস্তারিত»সাময়িক পোস্ট
জিতুর বাসায় বসেই প্রিন্সিপ্যাল স্যারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে নিছি। বুকে এখন অনেক সাহস।
যাই হোক… প্রচন্ড দৌড়ের উপরে আছি। গুছিয়ে কিছু লিখতে পারছিনা। অনেক দেরী কইরা ফালাইলেও সিসিবি’র সবার আন্দোলনের মুখে গত বছর ২৫ সেপ্টেম্বর আমার কুমার জীবনের পতন হয়। আন্দোলনের সেই ফল যে খুব একটা খারাপ হইছে তা আমি বলবোনা। যাহোক, আন্দোলনের সেই মধুমাখা ফলাফল কে আরো সুমধুর করতে প্রিন্সিপ্যাল স্যারের অনুমতি নিয়া একটা খানা পিনার আয়োজন কইরা ফালাইছি।