অনেক অনেক দিন পর ব্লগ লিখছি। যদিও এটা পুরাই ফাঁকিবাজি টাইপ। তাই প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। সিসিবি এক সময় খুবই প্রাণবন্ত ছিল। এখন যে নেই, তা বলবো না। মাঝে মাঝে এখনও জমে ওঠে সিসিবির আড্ডা। মনে পড়ে, কত্ত ছোট ছোট বিষয় নিয়ে আমরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যেতাম। এককথায় হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দিতে দিতে পিরা মিরা যেতাম। দিহান ভাবীর সাথে প্রতিদিনই দিনের সর্বোচ্চ মন্তব্যকারী হওয়ার লড়াই নেমে আমরা বিপুল ব্যবধানে হেরে যেতাম।
বিস্তারিত»হাবিবুল্লাহ স্যারের অপ্রত্যাশিত চিরবিদায়
ছোটবেলায় আব্বার কাছে শুনতাম ‘কলেজের বারান্দায় পা না রাখলে নলেজ হয়না’।১৯৯৩ সালের ২০শে মে সপ্তম শ্রেনীতেই ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের আঙ্গিনায় পা রাখার মাধ্যমে আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়।নলেজ হয়েছে কিনা জানিনা কিন্তু আমার কলেজ যে অনেক নলেজেবল স্যারের উপস্থিতিতে নলেজের আধার ছিল তা বেশ বুঝতে পারি।
কলেজে গিয়েই হাউস মাস্টার হিসেবে পাই ইংরেজীর হাবিবুল্লাহ স্যার কে।অনেক জ্ঞানী,ড়ায়নামিক,মানষিকভাবে অনেক তরুন সেইসাথে কড়া।একদিন উইকএন্ড মুভি শো হচ্ছিল অডিটরিয়ামে।আমি তখনো যাইনি,হাউসে ফাঁকি মারছিলাম।হাউসের সামনে স্যারের কাছে ধরা।স্যার খুব শান্তভাবে জিজ্ঞেস করলেন কেন যাইনি।আমি আমতা আমতা করে কিছু বলতে গেলেই আমাকে ধরার জন্য থাবা দিয়েছেন।আমি যখন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলাম স্যারও আমাকে ধরার জন্য রীতিমত দৌড়।ধরতে না পারলেও ঐ বয়সে ভালই ধাওয়া দিয়েছিলেন আমাকে।স্যার কোন এক টার্মে আমার রেজাল্ট শীটে হাউস মাস্টারের কমেন্টে লিখলেন “সম্ভাবনাময় ক্যাডেট” যা আমার মনে খুব দাগ কেটেছিল।কালে কালে বেলা অনেক গড়িয়েছে স্যারও অবসর জীবনে চলে গিয়েছেন।গত রিইউনিয়নে(ডিসেম্বর ২০০৯)অনেকদিন পর স্যারের সাথে দেখা।সালাম দেয়ার পর স্যারকে বললাম,
অটোয়ার জার্নাল – দুই
নেসলে টেস্টারস চয়েস
আগে বেশি কফি খাওয়া হতো না। এখন কেন জানি একটু বেশিই খাওয়া হয়। বাসায় থাকলে বাংলা স্টাইলের কফিই সই। মানে হলো আচ্ছা মতো কফিমেট আর চিনি দিয়ে। এরমাঝে একদিন ইউনিভার্সিটিতে লম্বা সময় থাকবো ঠিক করে আগের রাতে ঘটা করে পরের দিনের জন্য খাবারটাবার সব গুছিয়ে একেবারে গুডবয় স্টাইলে রাতে ঘুমালাম। সকালে সময়মতো উঠলাম। হালকা একটা নাস্তা সারলাম। তারপর ইলেকট্রিক কেটলিতে পানি গরম বসিয়ে বৈয়াম খুলে কফিমেট আর চিনি দিয়ে কাপ রেডি করে রাখলাম।
ক্রিকেট কিংবা বাবার গল্প
আব্বু বাংলাদেশের খেলা দেখছ? বাংলাদেশ কি অসাধারন খেললো !
আমার আব্বার কল, বাংলাদেশ জিতলে এই কল একটা রুটিন এর মত, খেলা শেষ হবার সাথে সাথে আব্বা এই কল দিবেই দিবে। ক্রিকেট খেলা মানেই আব্বা সারাদিন টিভি এর সামনে মোটামুটি আঠার মতো লেগে থাকবেন, বাংলাদেশ ভাল করলে স্নেহ ভরা চোখে তাকিয়ে থাকবেন,আর খারাপ করলে করুণ হয়ে যাবে তার মুখ। গত বিশ্বকাপ এর সময় আমাদের পুরান টিভিটা সমস্যা করায় আব্বা কিনলেন সাদা কাল টিভি ,যুক্তি হলো সাদা কাল টিভি হলে ব্যাটারি দিয়ে খেলা দেখা যাবে!!
বিস্তারিত»তোমার জন্য, প্রেমা
প্রেমা,
আজ তোমাকে খুব খুব মনে পড়ছে। কেমন আছো? নিশ্চয়ই ভালো, কারণ শেষবার যখন তোমাকে দেখি, খুব সুখীই লাগছিলো। ভুলে গেছো, না! আসলে এটাই স্বাভাবিক। জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না। তোমার বা আমার, কারোরই নয়।
জানো, আজ খুব বৃষ্টি হচ্ছে। এই বৃষ্টিকে আমি বলতাম “রোমান্টিক বৃষ্টি”। বর্ষার এই দিনগুলো তোমার সাথে ব্যালকনিতে বসে থাকতে কি যে ভালো লাগতো! মনে আছে তোমার,
বিস্তারিত»ওয়েষ্ট ইন্ডিজ এইটা কি করলো?
ভোর বেলায় ঘুম ঘুম চোখে বিছানা ছেড়ে নেটে বসলাম ইংল্যান্ডের পরাজয়ের চিপা দিয়া বামে দিয়া চামে বাংলাদেশকে কোয়ার্টার ফাইনালে যাইতে দেখমু………ঘটনার ধারাও সেইদিকেই চলছিল…… শেষ ১০ ওভারে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের জয়ের জন্য লাগে মাত্র ২৬/২৭ রান, হাতে ৪ উইকেট। এরপর থেকেই দেখি একে একে সবগুলা আউট হওয়া শুরু করলো!!! 😡 😡
=(( =((
সবগুলার গুষ্টি কিলাই…… x-( x-(
বিস্তারিত»উটপাল শুভড়ো সিনড্রোম !
সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে ক্রীড়া সাংবাদিকতা পেশা হিসাবে বেশ পরিচিতি পেয়েছে। বলা বাহুল্য এদের মধ্যে চেলিব্রেটি উটপাল শুভড়োর ধারে কাছে কেউ নেই। হালে এসব সাংবাদিকরা ক্রিকেট তারকাদের নাড়ির খবর, নারীর খবর, হাঁড়ির খবর আমাদের কাছে গরম গরম পরিবেশন করছেন। কোন খেলোয়াড় কখন কি খেয়ে কতটি ঢেঁকুর তুলেছেন, সেই টেঁকুরের সাথে কতখালি তৃপ্তি, কতখালি প্রতিশোধ মেশানো সেই খবরও আমরা তাদের ঢেঁকুর মিলিয়ে যাওয়ার আগেই পেয়ে যাচ্ছি।
বিস্তারিত»আন্তঃক্যাডেট কলেজ ফুটবল প্রতিযোগিতা
বিশ্বকাপ ক্রিকেট জ্বরে যখন সারা দেশ কাঁপছে, তখন অন্যান্য খেলার খোঁজ খবর রাখাটা নিতান্তই বাহুল্য। তারপরও কোনো আন্তঃক্যাডেট কলেজ প্রতিযোগিতা চলবে আর ক্যাডেটদের মাঝে এর কোনো অনুরণন ছড়াবে না, এ তো হতে পারে না। সিসিবির সকলের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, পাবনা ক্যাডেট কলেজে আন্তঃক্যাডেট কলেজ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এতে শুভসুচনা করেছে রাজশাহী ও স্বাগতিক পাবনা ক্যাডেট কলেজ। উদ্বোধনী ম্যাচে পাবনা ২-১ গোলে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজকে পরাজিত করে।
বিস্তারিত»আবোল তাবোল (জুনিয়র)
খেলা দেখে সিসিবিতে আসলাম। কোনো আপডেট বা পোষ্ট দেখতে পারলাম না :no: চিন্তা করলাম তাহলে নিজেই একটা লিখে ফেলি B-)
গতকাল ১২টা থেকে অপেক্ষা শুরু করলাম, ৩:৩০ এ খেলা । অপেক্ষা করতে করতে পোকার খেলা শিখে ফেললাম।
এখন পর্যন্ত ১০ পাউন্ড প্রোফিটে আছি।
ঘুম ঘুম চোখে প্রথম ১৫ ওভার বোলিং দেখে ঘুম। তারপর ৭টার সময় ঘুম থেকে উঠে দেখি, একটা মাঠের ছবি স্ক্রীন এ।
টুকরো স্মৃতি: অস্তিত্বের স্বীকৃতি
১
দুই বছর আগে যখন প্রথম এই কার্ডিফ শহরে এসেছিলাম, খুব মুগ্ধ হয়েছিলাম এই শহরের ল্যান্ডস্কেপ দেখে। পুরো ইংল্যান্ডে অনেক বাঙালি থাকলেও, কার্ডিফে বাঙালি খুবই কম। তখন কারো সাথে পরিচয় হলেই জিজ্ঞাসা করত, ‘হোয়্যার ইউ ফ্রম, আর ইউ ফ্রম ইন্ডিয়া?’ কেন জানি খুব গায়ে লাগতো আমার ইন্ডিয়ান পরিচয়টা, সবারই মনে হয় লাগে প্রথম প্রথম। জোর গলায় বলতাম, ‘নো, আই এম ফ্রম বাংলাদেশ’। নিশ্চিতভাবেই পরের প্রশ্ন,
আবোল তাবোল……..
মোটামুটি বছর খানেক হয়ে গেছে সিসিবি তে আসি। চুপচাপ ব্লগ পড়ি, চলে যাই। অনেক দিন চেষ্টা করছি কিছু একটা লিখার। কিন্তু কিছুই মাথায় আসেনা।
আজকে ঠিক করলাম যা খুশি লিখমু। কেউ তো আর গালি দিব না। চিন্তা কিসের??
কলেজ থেকে বের হলাম আজ প্রায় চার বছর। এখন আই.ইউ.টি তে ফাইনাল ইয়ার। আমাদের কলেজ এর ১৩ জন আছি আমরা এখানে। তাই আসলে এখন ও কলেজ এর মত ই লাগে।
বিস্তারিত»জাপান প্রবাসে ভূমিকম্প
১১ মার্চ ২০১১, শুক্রবার। লাঞ্চ আওয়ারে হাতে সময় ছিল তাই জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম মসজিদে। ওতসুকা মসজিদটি আমার কর্মস্থল থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে, তবে আমাদের বৈশাখী মেলা যেখানে হয় সেই ইকেবুকুরো থেকে কাছে। মসজিদে কয়েকজন প্রবাসী বাঙ্গালী ভাইয়ের সাথে দেখা হলো। নামাজ শেষে বৈশাখী মেলার সহযোগী মোঃ জসীম উদ্দীন আর আমি এলাম ইকেবুকুরোতে। এক সাথে লাঞ্চ শেষ করে জসীম রওনা হয়েছে মেট্রো স্টেশনে আর আমি বাসে ওঠার জন্য যাচ্ছি।
বিস্তারিত»ছাগলে তো সব ঘাস খেয়ে ফেললো…
ঢাকার বন্ধুর ফোন এল।
– কিরে, তুই নাকি ইউনুসের জন্যে ‘ফাইট’ করছিস।
– ঠিক ইউনুসের জন্যে না। আমার জন্যে।
অপর দিক থেকে খানিকক্ষন চুপচাপ।
– তাহলে ঠিক আছে।
– ঢাকার লোকের চিন্তাধারা কোন দিকে?
– সবাই আছে যায় যার তালে। এদিকে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। জানিনা কোন দিকে যাচ্ছে।
– তোর তো কোন অসুবিধা নেই।
জয়তু ক্রিকেট!জয়তু বাংলাদেশ!!
৯৩ বলে দরকার ৬৬ রান,হাতে ৬ উইকেট। পরিসংখ্যান,পরিস্থিতি নিয়ে মাথা ঘামালে প্রবল সন্দেহবাতিক লোকও জয় মেনে নিতে বাধ্য! কিন্তু খেলাটা যে ক্রিকেট,সে যে মহান গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা! ভাগ্যবিধাতাও যেন মুচকি হাসছিলেন একটু পরেই মানবসম্প্রদায়কে নাচানোর জন্য! নাহ,এত বিশাল শব্দ ব্যবহার করা ঠিক হয়নি। মানবসম্প্রদায় বলতে তো আমরা ‘কিছু-কতিপয়’ বাঙ্গালী-ই! কিন্তু ১৬ কোটি বাঙ্গালী একসাথে খেললে ঠেকানোর সাধ্য কার??
হাহ! এরপরই কাহিনীর শুরু। অবাক স্লগসুইপ খেলে চলে গেলেন সাকিব,তারপর আউটসুইং এর পসরা মেলে ব্রিটিশ পেসাররা তুলে নিল আরও তিন উইকেট।
বিস্তারিত»নারীর ক্ষমতায়ন কী পুরুষের জন্য অশনিসংকেত?
(কিঞ্ছিৎ ভূমিকাঃ আমার কম্পিউটার বিগড়ানোর আর সময় পেল না। সিসিবিতে কতো নতুন পোষ্ট! নারী দিবস উপলক্ষ্যে নতুন একটা লেখা দিতে চেয়েছিলাম তা আর পারলাম না। ঘরওয়ালার কম্পিউটার ধার করে লিখছি এখন। পুরনো একটা রেডিমেট লেখা পোষ্ট করছি। এজন্য আ্ন্তরিকভাবে দুঃখিত। লেখাটা প্রবাসের একটা পত্রিকায় ছাপানো হয়েছিল। এক বছর আগের লেখা। এর মধ্যে দিয়ে পদ্মায় অনেক পানি প্রবাহিত হয়ে গেছে। কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা একদম আগের জায়গাতে রয়ে গেছে বলে এই লেখাটার একটা শব্দও আর পরিবর্তন করলাম না)
১
নারীর ক্ষমতায়ন শব্দটি দিয়ে আসলে কী বোঝায়?
