আমাদের সেইসব মায়েরা………

আমাদের দেশের মায়েদের তুলনায় অধিক স্নেহ-প্রবণ মা কি আছে আর কোথাও? সন্তানের সামান্য অসুখ করলেও আমাদের মায়েরা রাতের পর রাত পার করেন নির্ঘুম কাটিয়ে। আর ছেলেদের প্রতি তাদের পক্ষপাত তো বাড়াবাড়ি পর্যায়ের। ছেলেদের বেলায় তারা যথার্থই স্নেহান্ধ। অথচ একাত্তরে এই দেশেরই মায়েদের আত্মত্যাগের কাহিনী আজ অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। মনে হয় হাজারবার পড়ি, মনে হয় সারাবিশ্বকে যদি জানিয়ে দিতে পারতাম যে আমাদের মায়েরাও পারে! এই দিনে শতবার পড়া ও জানা সেই মায়েদের গল্পই করবো।

বিস্তারিত»

অংক

তোমাকে হারিয়ে স্থবির জীবনের অর্থ খুঁজেছি নিয়ত

প্রতিদিন সকালে আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখে,

নিজেকে চেনার চেষ্টা করেছি-একটু একটু করে-নতুন করে

তবুও লাভ ক্ষতির হিসেব আমি করিনি।।

অধরা তুমি,অধরা আমার নিয়তির পিছনে ছুটেছি অনেক-

হয়েছি ক্লান্ত,রিক্ত,

শেষে নিজের প্রতি বিদ্রূপের হাসি হেসে ছুটেছি আবার-

তবুও আমি লাভ-ক্ষতির অংকে যাইনি।।

তোমার চলে যাওয়া পথে হেঁটে গেছি বারবার,

বিস্তারিত»

একজন রহমান সাহেব ও অন্যান্য……

ভোরবেলা বাইরে থেকে হেঁটে এসেই খবরের কাগজ পড়াটা রহমান সাহেবের নিত্যদিনের অভ্যাস। কিন্তু আজ তার মেজাজটা খুবি খারাপ। হকার আজ পত্রিকা দিয়ে যায়নি। সেই সকাল থেকেই রাগে গজ গজ করছেন, যাকে সামনে পাচ্ছেন তাকেই তুলোধুনো করছেন। আর তার এই কাণ্ডকারখানায় সবচেয়ে আনন্দ পাচ্ছে যে ব্যক্তি, সে তার একমাত্র নাতি ৪ বছরের নিবিড়। WWF এর মতো এক এক জন প্রতিপক্ষকে রহমান সাহেব ঘায়েল করছেন আর একনিষ্ঠ সমর্থকের মতো হাততালির বৃষ্টি ঝরাচ্ছে ছোট্ট নিবিড়।

বিস্তারিত»

প্রলাপ-৫

মুঠোবন্দী অনর্থক মুহূর্তগুলো
আঙুলের ফাঁক গলে
ঝরে ঝরে
ক্রমশঃ নাগালের বাইরে
চলে যাচ্ছে দেখে
কুড়োবার ঝোঁকে
আকুল হাত বাড়াতে
দানাগুলো মুহূর্তে
সময়ের গেলাশে
মিশে
যেতে
যেতে
জানান দিয়ে যায়
অর্থ রয়েছে কেবল অর্থহীনতায়

বিস্তারিত»

স্বাধীন দেশের পরাধীন নাগরিক

১২ বছর বয়সে যখন ক্যাডেট কলেজএর গেট দিয়ে প্রবেশ করলাম তখন দু’ ধরনের অনুভুতি ভর করেছিল আমায়।প্রথমত স্বপ্ন পুরন হওয়ার আপ্লুত এক আনন্দ, দ্বিতীয়ত অচেনা এক নতুন পরিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়ার অজানা এক আতঙ্ক। সেদিন নিজেকে অনেক বড় মনে হছিল, কিন্তু এখন যখন ক্লাস ৭ কিংবা ৮ এর কোন ছেলের দিকে তাকাই তখন নিজে নিজে চিন্তা করি আসলে কতটা ছোট ছিলাম আমরা।

সেই ক্ষুদ্র বয়সে কৈশোর জীবনে বাবা-মা পরিবার পরিজন ছেড়ে বের হয়েছি।

বিস্তারিত»

সাম্প্রতিক এবং ছেঁড়া কথন ০২

কখনো বলা হয় নাই, লন্ডনে প্রত্যেকটা কাউন্সিলে লাইব্রেরী রয়েছে। বাঙালি অধ্যুষিত হওয়ায় প্রচুর বাংলা বই পাওয়া যায়; যা খুবই সুখকর একটা বিষয়। যদিও এখানের লাইব্রেরিতেই প্রথম কাসেম বিন আবু বাকারের বই পাই। কিন্তু একটাও আবুল বাশারের বই নাই। লাইব্রেরিতে বললাম একথা। দেখি কি করে? অনেকদিন আবুল বাশারের বই পড়িনা। নকশাল আন্দোলন নিয়ে ওনার একটা বই বেরিয়েছিল অনেক আগে। ২য় খণ্ড বেরিয়েছে কিনা জানিনা। অন্য কোনও লেখক এতো ব্যাপক ও গভীরভাবে নকশাল নিয়ে লিখেছেন বলে মনে পড়েনা!

বিস্তারিত»

আব্বু’র জন্য লেখা

গতকাল  হঠাৎ করেই মেহেদির  “মা” কে নিয়ে লেখা ব্লগটি পরে একটা ব্লগ লিখতে ইছা হল। জীবনে কখনও ব্লগ লিখিনি, তাই সব সময়ই মনে হত এই ব্লগ লেখা হয়ত আমার জন্য নয়। হয়ত ব্লগ লেখার মত যথেষ্ট যোগ্যতা আমার নেই। কিন্তু আজ হঠাৎ সিধান্ত নিলাম লেখার। আদৌ জানি না কেমন হবে। ভুল ত্রুটি নিজ গুণে ক্ষমা করবেন প্রথম ব্লগ বলে। লেখার সিধান্ত নেয়ার পর প্রথমেই মনে হল যে আমার প্রথম ব্লগটি লিখবো “আমার বাবা”

বিস্তারিত»

পাহাড়ের বুকে রক্তক্ষরণ

দেরিতে হলেও লিখছি। অল্প কথায়। অনেকদিন ভেবেছি পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং আদিবাসীদের কথা নিয়ে সিরিয়াসলি কিছু লিখবো। সেটি এখনো হয়নি। কবে হবে তাও জানিনা। ভাবলাম, আজ এলোমেলো কিছুই লিখি যা গত ক’দিন ধরে পত্রপত্রিকায় পড়ছি। একটি ব্যাপার দেখলাম, বছর ঘুরে বছর আসে পার্বত্য চট্টগ্রামে ন্যাক্কারজনক অমানবিক ঘটনা ঘটেই চলে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে আমরা শহুরে শিক্ষিত সমাজ এক ধরনের অদ্ভুত এবং নিষ্ঠুর নীরবতা পালন করি। আমি জানিনা ঠিক কেন।

বিস্তারিত»

পুলিশের পাঠশালায়…..

যান্ত্রিকতার চিৎকারে নিমজ্জিত,
মজ্জাগত ভয়ার্ত চাউনি…
আর কথার ঝাঁঝালো বৃষ্টি;

অসহায়ত্বের খোলসে বন্দি আমরা,
লাল ব্যারেটের কোর্স,
এখানে হাসতে তাদের মানা…।। ::salute::

বিস্তারিত»

ফেরারী ২

ফেরারী

লিজা বারান্দায় দাড়িয়ে। বাইরে খুব ঝড় হচ্ছে আজকেও আবীর আসবে কাক ভেজা হয়ে। আর ড্রাইভার আসবে ওর আগে এসে কাচুমাচু মুখে বলবে “স্যারকে নিষেধ করছি স্যার শোনে নাই।”অভ্যাসটা আবীরের অনেক পুরানো।তখন আমাদের নতুন বিয়ে হয়েছে খুব ঝড় আর বৃষ্টি বাইরে ও ভিজে এসে আমাকে বলল চল “বৃষ্টিতে ভিজি।”আমার খুব হাসি পেয়েছিল।কিন্তু আমি গিয়েছিলাম রিকশার হুড খুলে আমরা ভিজছিলাম কেন জানি আমার মনে হয়েছিল আবীর কাদছিল আমার হাতটা শক্ত করে ধরে রেখেছিল।আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টিধারা আর ওর চোখের জল হয়ত মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল আমি কিন্তু বুঝেছিলাম সেদিন।

বিস্তারিত»

মা, আমার মা……………

আজ “মা” দিবস নয়। তারপরও আজকের লেখাটা মাকে নিয়েই লিখলাম।

ফটিকের গল্পটা মনে আছে? “ছুটি” গল্পে ফটিক কেমন নির্বিকার ভাবে মাকে বলে গেলো, ” মা, আমার ছুটি হয়েছে, আমি যাচ্ছি……”।
ফটিকের সেই বিদায় কেন জানি আজ অবধি আমাকে কাঁদায়।

আমার মা একটু পাগলা কিসিমের। সন্তানের জন্য এত অফুরন্ত ভালোবাসা একজন মা কিভাবে বুকে ধারন করে রাখতে পারে, তা আমি আমার মাকে দিয়েই বুঝেছি।

বিস্তারিত»

শুধু তোমার জন্য

এই কবিতার একটা ইতিহাস আছে।তখন আমাদের হাউস মাষ্টার হল জামসেদ স্যার।আমাদের ক্লাসে একদল উঠতি কবি ছিল যারা কিনা নাইট প্রেপে বসে কাব্য চর্চা করত।আমিও সেই দলের এক কবি।যা হোক একদিন খুব মনোযোগ দিয়ে কবিতা লিখছি।হঠাৎ কেউ একজন টান দিয়ে আমার খাতা টেনে নিল।মাথা ঘুরিয়ে দেখি স্যার আর যাবা কই।আর এই কাজের শাস্তি হিসেবে স্টাফ লন্জে সব স্যারের সামনে এই কবিতা আবৃত্তি করতে হয়েছিল।আজও কবিতা লিখতে গেলে মনে পড়ে।তবে কবিতাটা শেষ করা হয়নি আজও

শুধু তোমার জন্য
আজও হেটে চলেছি জীবনের আকা-বাকা পথ ধরে
বন্ধুর পথে শুধু থুবড়ে পড়েছি
রক্তাত্ত হয়েছি,ক্ষত-বিক্ষত হয়েছি
তুবও থেমে যায়নি

শুধু তোমার জন্য
আজও স্বপ্ন দেথি
হাজারো দুঃস্বপ্নের ভীড়ে

শুধু তোমার জন্য
বুকের ডান পাশে জমিন ফাকা
কোন রিয়েল স্টেট কোম্পানীর প্রলোভনে
বিক্রি করেনি

শুধু তোমার জন্য
রাস্তার মোড়ে বসে সিগারেটে দম দেয়না
অফিস ফেরত আন্টিদের শিস দেয়না

শুধু তোমার জন্য
বৈশাখের প্রথম বৃষ্টিতে
কাক ভেজা হয়ে ঘরে ফিরি

শুধু তোমার জন্য
বেচে থাকা আর পখ পাড়ি দেওয়া

বিস্তারিত»

খাদু দাদু, চিল, অমল কান্তি, বেঞ্জামিন মূলায়েস ও অন্যান্য

কবিতা ও গানের একটা অদ্ভুত ক্ষমতা আছে। তারা শুধু তার মাঝেকার অন্তর্নিহিত ভাবের মাঝে সীমবদ্ধ থাকে না। মাঝে মাঝে তারা ধারণ করে পাঠক অথবা শ্রোতার হারিয়ে যাওয়া সময়কে। যে সময় খুঁজে পাওয়া যায় না শুধু নিজের স্মৃতিকোঠা ছাড়া সেই সময়ই হাপুস করে বেরিয়ে আসে কবিতা ও গানের কোল থেকে। প্রতি পাঠেই পূর্ব চর্চিত কোন এক সময় ফিরে আসে শ্রোতার মাঝে। তখন সেই প্রিয় সময়ের মতো কবিতাও আপন হয়ে যায়।

বিস্তারিত»

টুশকি জুনিয়ার ১.০

জমজমাট সিসিবি তে টুশকি কে খুব মিস করছি। সায়েদ ভাই তো ভুলেও এদিকে আসেন না। কিছু দিন আগে (চোখের নিমিষে ২/৩ বছর কেটে যায়) আমি টুশকি জুনিয়ার নামে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম। সেই ধারাবাহিকতায় জমজমাট সিসিবি তে আবারও ছোট টুশকির আগমন।

১। প্রাণবন্ধু স্যার সব খেলাতেই রেফারীর দায়িত্ব পালন করতেন। ফুটবল কম্পিটিশনের সময় ১৬তম ব্যাচের মাসুম ভাইয়ের হ্যান্ডবল হল নিজেদের গোল পোষ্টের খুব কাছাকাছি।

বিস্তারিত»

ঘুড়ি ২৯

…u can not make people listen to u, they are so busy preaching their own religion..interestingly u are not hearing too, coz, u hav your own.

সব মানুষকে মনের কথা খুলে বলা যায় না…মানুষ তার নিজের মনের কথাটা শোনাতে এত ব্যস্ত থাকে যে, তোমার কথা গুলো তার মাঝে হারিয়েই যাবে। তার বক্তব্যের চাপে তোমার সহজ সরল অভিজ্ঞতা গুলো, ভুল প্রমাণিত হয়ে মিথ্যে হয়ে যাবে।

বিস্তারিত»