আমার নানার তখন ১০ জনের সংসার।শাহীনবাগের আধপাকা তিন রুমের নিজ বাড়ী আর নানার সরকারী চাকরীটা তখন এই পরিবারের সম্বল।বাসার বড় বোন হিসাবে আম্মুকে তখন একহাতেই সব সামলাতে হতো।ছোট ভাই বোনদের খাবার,গোসলের পানিটা কল থেকে তোলা,পড়াশোনা আম্মা বেশ ভাল ভাবেই সামলাতেন।এক ভাইকে কোলে নিয়ে আরেক বোনকে পড়াটা দেখিয়ে দিতে দিতেই রান্নাও করতেন।আমার মামা,খালারা এখনও মাঝে মাঝে ই গল্প গুলো বলেন।বড় আপার প্রতি সম্মান এর চাইতে ভালবাসাটি তাদের বেশী।তাইতো দেখি তাদের অতি ছোটখাটো কোন আয়োজনেও আমার মা কে তাদের চাই।সুদূর কানাডা বা অস্ট্রেলিয়া থেকেও তারা তাদের বোনটিকে ভুলে যায় না একবারও।সেই কষ্টের দিনগুলোতেও আমার মা একবারও পথ হারাননি।আমার নানা তার শেষ দিনগুলোতে অনেক কথা বলতেন আমার সাথে।আম্মার জন্য নানা যত দোয়া করে গেছেন তাতে অন্য ভাই বোনের হিংসা করতে ই পারে ।
বিস্তারিত»অর্থনীতি বিষয়ক কিছু ভাবনা – ২
আগের পোষ্টের ইফতেখার ভাইয়ের মন্তব্য থেকে এবং সেখানে থাকা উইকিপিডিয়ার লিংক থেকে অর্থনীতিতে ব্যাপারটাকে কীভাবে দেখা হয় তার উপর একটা ছোটখাটো ধারণা পেলাম। অর্থনীতির পরিভাষায় এই ব্যাপারটাকে বলা হয় “অর্থ প্রবাহ” বা “Money Supply”। আমার চিন্তার সাথে অবশ্য অর্থনীতির ব্যাখ্যা পুরোপুরি মেলে না। কারণ বেশ কিছু ব্যাপার আমার মাথায় আসেনি।
যেমন আমি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের কথা একদমই চিন্তা করিনি। পুরো ব্যাপারটা নিজের মত করে চলছে এমনই ছিল আমার ধারণা।
বিস্তারিত»একটি সাময়িক পোস্টঃ ভোট চাই, সময় নাই…
বুয়েট এবং বুয়েটমুগ্ধ এবং বুয়েট বিরুদ্ধ সকল ভাই ও বোনেরা…
আমাদের বুয়েটের এক আলোকচি্ত্রী বন্ধু সম্প্রতি কিউবি আয়োজিত একটি অনলাইন আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় প্রথম ২৫ জনের মধ্যে এসেছে।।
ছবিটি ফেসবুকে সবার লাইক দেবার জন্য কাল রাত [৫ তারিখ] ১২ টা পর্যন্ত উন্মুক্ত আছে।মোট লাইকের উপর পুরষ্কার।অতএব এই স্বল্প সময়ে কেডু কেরামতির অপেক্ষায় আছি
প্রথমে qubee এর FB পেইজে লাইক দিতে হবে।
বিস্তারিত»শেখ আলীমের হাইকু ৭
মোমের আলোয় শোকার্ত নিউ ইয়র্ক
বাগদাদে মাতা সন্তান হারা কাবুলে এতিম শিশু
জুডাস তোমার চুম্বনে মৃত যিশু।
——————————————–
ফুলের কাছে পাতার কতো দায়
পাপড়ি হারা নিস্ব সবুজ ঝরে পড়ার দিন
ফলের কাছে গাছের যত ঋণ।
——————————————–
যা পাই নগদে কিনে রাখি
বাঁশ পাতা পাখী কাঠের নৌকা মাটির বউ
পথের মেলায় পথ তবু বাকী।
লুকিং ফর সন্ত্রাসীইজ
আমি বরাবর সর্প্শ কাতর বিষয়ে কথা বলার জন্য সমালোচিত হয়।আমি এটা কিছু মনে করিনা কারণ এটাই স্বাভাবিক।
আসুন ফিরে যাই ৯/১১ এই দিনে সারা বিশ্ব অবাক হয়ে দেখল আমেরিকার টুইন টাওয়ারকে মাটির সাথে মিশে যেতে।আর এর পরেই তদকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জুনিয়র বুশ সন্ত্রাসের বিরূদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন।আর একটা নাম আলোচিত হল ওসামা বিন লাদেন।
ওসামা বিন লাদেন সৌদি আরবের রিয়াদে ১৯৫৭ সালে জন্মগ্রহন করেন।
বিস্তারিত»নাম ছাড়া…
৩০ এ এপ্রিল, ২০০৩, নাদান একটা
হিসাবে ক্যাডেট কলেজে ঢুকসিলাম, ক্যাডেট কলেজে ঢুইকা প্রথম দিন সবাই
, আমার কেন জানি কান্দা আইতেসিল না, বরং বেশ আনন্দ লাগতেসিল, যাই হোক দুইদিন বাদেই আমার ভুল ভাংলো, শুরু হইল ক্যাডেট কলেজের বাশ, ড্রিল খুব একটা ভাল পারতাম না, স্টাফ এর প্যাদানি খাইতে খাইতে জীবন প্রায় যায় যায়, সাথে ক্লাস ৮ এর সিনিয়ারদের জালা ত আসেই। মনে হইত কবে বাইর হমু “ক্যাডেট কলেজ”
অসাধারণ এক দ্বিতীয় জন্ম!!
একটু পরেই চলে যেতে হবে। শুধু মনে হচ্ছিল কী দরকার ছিল এভাবে বন্দী এক জীবনে আমাকে পাঠিয়ে দেবার? কিন্তু মুখ দিয়ে টু শব্দটি করার উপায় নেই। এতদিনে যে শাসনে ছিলাম । সবার ছোট হলে যা হয় আর কী। এতদিন বড় আপুর ছায়াতলে ছিলাম। যা কিছু অর্জন আমার তার ৮০%তার অবদান। যা ভেবেছিলাম তাই। আপু জিজ্ঞেস করে বসল-
– এবার তো একা থাকতে হবে। পারবি তো?
গেরিলা দেখতে গিয়ে
নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত ছবি ‘গেরিলা’ মুক্তি পেলো ১৪ এপ্রিল, নববর্ষের দিন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর বানানো ছবি। গল্প নেয়া হছে সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’ থেকে। চিত্রনাট্যে উপন্যাসের পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা পরিচালকের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকেও গল্প নেয়া হয়েছে। মুক্তি পাওয়ার পরে আমার ছবিটা দেখতে যেতে একটু দেরি হলো। প্রথম সপ্তাহে পারলাম না, দ্বিতীয় সপ্তাহের মাঝামাঝিতে একদিন স্টার সিনেপ্লেক্সে গিয়ে টিকেট কাটলাম। এক সপ্তাহ আগেই ‘আমার বন্ধু রাশেদ’
বিস্তারিত»বিকেলে

সেদিন জ্যামিতিক বিকেলে
অতর্কিতে দিয়েছিলো হানা
উড্ডয়নের সুনীল প্ররোচনা
কেটে কি যেতোনা
ডানা গুটনো
সমূহ নিমেষ
ধ্যানের
সুনিপুণ অভিনয়ে,
নীলসাদার
ছকে ছকে
আকাশ
অনুবাদঃ পাকিস্তান কিভাবে ১৯৭১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেঃ কয়েকটি সাক্ষ্য
[কয়েকদিন আগে ই-লাইব্রেরি থেকে এই বইটি পড়ছিলাম। পড়ার পর মনে ভীষণ চাপ পড়ছিল, সেটাই আপনাদের সাথে ভাগ করে নিলাম। বইটি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর ওয়ার্ল্ড এফেয়ার্স কর্তৃক ১৯৭২ সালে প্রকাশিত। মোট ২৬ টি সাক্ষ্য এতে আছে। আমি শুধু প্রথমটাই অনুবাদ করার চেষ্টা করলাম। অনুবাদের দূর্বলতা হয়তো পুরো অনুভূতি তুলে ধরতে পারেনি, সেটার দায় আগে থেকেই মেনে নিচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের ছবিটা ওই স্ক্যান করা বই থেকে নেয়ার কারণে এত খারাপ অবস্থা।
বিস্তারিত»বাক্স (পর্ব ১ – মানুষটা)
নিথর, নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে আছে মানুষটা। নাকে দু’টো আতর লাগানো তুলো গোঁজা। তার দিকেই অবাক নয়নে তাকিয়ে আছে তার ছোটো নাতনী হৃদিতা।
– ভাইয়া, দাদার নাক থেকে ওটা খুলে দাও না, দাদা তো নিঃশ্বাস নিতে পারছে না।
অর্ক তাকে কিভাবে বলবে যে দাদা আর কখনো শ্বাস নেবেন না। সেও তো এ বিদায় মেনে নিতে পারছে না; মনে মনে অনেকবার ভেবেছে দাদা এখনই জেগে উঠবে;
বিস্তারিত»দাওয়াতের পরে দাওয়াত
প্রিয় সিসিবিবাসি,
এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানান যাচ্ছে যে, আগামী শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সেনাকুঞ্জে আমার আয়োজিত হতে যাচ্ছে। উক্ত অনুষঠানে আপনাদের সকলকে সাদর আমন্ত্রন জানানো হলো।
একই দিন দুপুরে একই স্থানে আয়জিত হতে যাওয়া মেজবানে আশাকরি অনেকেই যোগ দেবেন। তাদের জন্য একতি বিশেষ্ প্রস্তাবনাঃ আপনারে মেজবান শেষে এ্লাকা ত্যাগ না করে পরবর্তী কিছু ঘন্টা বিভিন্ন শারীরিক কসরতে ব্যস্ত থেকে মেজবান হজম করে এ আয়োজনে যগ দিয়ে ২য় ইনিংস শুরু করে দিতে পারেন।
বিস্তারিত»জবাই
শান দেয়া ছুরিটা দুই হাতে শক্ত করে ধরতেই সুলতান মিয়ার শরীর একটু কেঁপে ওঠে। হালকা কাঁপুনি, দুই সেকেন্ডেই হারিয়ে যায়। আঙুলগুলো নাড়াচাড়া করে সুলতান আরো শক্ত করে ধরে লম্বা বাঁকানো ছুরিটার বাট। বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। নামাজের ওয়াক্ত চলে গেছে। আজকে সারাদিন আকাশ মেঘলা বলে সূর্যের তেজ বুঝতে পারছে না সুলতান। ঘোলা ঘোলা মেঘের সাথে আজকে বেশ বাতাস ছুটেছে। গ্রামের মাঠে বাতাসের তোড়ে লুঙ্গি সামলানো কঠিন।
বিস্তারিত»আমাদের সেইসব মায়েরা………
আমাদের দেশের মায়েদের তুলনায় অধিক স্নেহ-প্রবণ মা কি আছে আর কোথাও? সন্তানের সামান্য অসুখ করলেও আমাদের মায়েরা রাতের পর রাত পার করেন নির্ঘুম কাটিয়ে। আর ছেলেদের প্রতি তাদের পক্ষপাত তো বাড়াবাড়ি পর্যায়ের। ছেলেদের বেলায় তারা যথার্থই স্নেহান্ধ। অথচ একাত্তরে এই দেশেরই মায়েদের আত্মত্যাগের কাহিনী আজ অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। মনে হয় হাজারবার পড়ি, মনে হয় সারাবিশ্বকে যদি জানিয়ে দিতে পারতাম যে আমাদের মায়েরাও পারে! এই দিনে শতবার পড়া ও জানা সেই মায়েদের গল্পই করবো।
বিস্তারিত»অংক
তোমাকে হারিয়ে স্থবির জীবনের অর্থ খুঁজেছি নিয়ত
প্রতিদিন সকালে আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখে,
নিজেকে চেনার চেষ্টা করেছি-একটু একটু করে-নতুন করে
তবুও লাভ ক্ষতির হিসেব আমি করিনি।।
অধরা তুমি,অধরা আমার নিয়তির পিছনে ছুটেছি অনেক-
হয়েছি ক্লান্ত,রিক্ত,
শেষে নিজের প্রতি বিদ্রূপের হাসি হেসে ছুটেছি আবার-
তবুও আমি লাভ-ক্ষতির অংকে যাইনি।।
তোমার চলে যাওয়া পথে হেঁটে গেছি বারবার,
বিস্তারিত»