আজকাল খুব ব্যস্ত পড়াশোনা আর থিসিস নিয়ে। কাজ করতে অনেক রাত হয়ে যাই সকাল ঘুম থেকে উঠে আবার পুরান গৎবাধা জীবন।আমি এখন সবার থেকে দূরে দূরে থাকার চেষ্টা করি সবার থেকে কারণটা হল আমার একটা দৃঢ় বিশ্বাস জন্মে গেছে সেটা হল আমার প্রিয় জিনিষ গুলো আমার কাছ থেকে কেন জানি দূরে সরে যাই হাজার চেষ্টা করেও আমি আমার কাছে নিজের করে রাখতে পারিনা।তাই অজানা ভয়ে প্রিয় মানুষ গুলোর কাছ থেকে দূরে দুরে থাকার চেষ্টা আমাকে করতে হয়।
বিস্তারিত»হালখাতা
শুভ নববর্ষ ১৪১৮।
বাংলা ক্যালেন্ডার এমনিতেই পিছানো থাকে গ্রেগরিয়ান বছরের তুলনায়। পাক্কা ৫৯৩ বছর, ভাল ভাবে বললে ৫৯৩ বছর ৩ মাস ১৩ দিন ৬ ঘন্টার এদিক ওদিক। এই জন্যই বুঝি আমরা এখনো পিছিয়ে পশ্চিমের তুলনায়। শুধু তাই নয় দিন শুরুতেই পিছিয়ে পড়ি কমসে কম ৬ ঘন্টা। গ্রেগরিয়ান(যাকে আমরা ইংরেজি ক্যালেন্ডার বলি) দিন যেখানে শুরু হয় রাত ১২টায় আমাদের বাংলা দিন শুরু হয় ভোরে সূর্যের সাথে।
ডাকঘর – দুই
ক্ষণে ক্ষণে বসন্তদিন ফেলেছে নিঃশ্বাস
[আগের চিঠিটি এখানে]
প্রিয় পুণ্ডরীক,
তোমার চিঠি আমাকে চমকে দিলো এতো বছর পর। বিরিশিরি গিয়েছিলাম একটি রেসিডেন্সিয়াল আর্ট এ্যাপ্রিসিয়েশন ওয়ার্কশপ করাতে। দুদিন আগে ফিরে দেখি অমুক বিলের চিঠি, তমুক দাওয়াতের কার্ডে লিভিং রুমের চায়ের টেবিলে খামের স্তূপ। আজ সেগুলো ঘাটতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত তোমার এই চিঠি আমাকে ভীষণ আশ্চর্য করলো।
বিস্তারিত»বৃক্ষরোপণ এবং অপ্রাসঙ্গিক কিছু কথা
প্রথম লেখা ব্লগের কিছু কমেন্ট থেকে দ্বিতীয় লেখার প্রেরণা পেলাম। ধন্যবাদ সবাইকে।
প্রথমেই অপ্রাসঙ্গিক কি সেটা বলি।
গত কয়েকদিন যাবত নিজের অজান্তে/ ভুলে হারাম কোক খাচ্ছি।
না ইয়াহুর সেই বহুল আলোচিত কোকের প্রস্তুত প্রণালীর কথা বলছিনা; পাত্রের কথা বলছি। (এখানে অনেকেই কোক খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে) একটু অবাক শোনাচ্ছে; নয় কি?
পাত্র বলতে কোক পান করার পাত্র বা গ্লাস বুঝচ্ছি।
বাজার
[এই সাইটের (http://onlinebdbo.co.cc/) একটা পেজে (https://sites.google.com/site/bdbolab/sample-questions) ব্যবহারের জন্য ছড়াটা লেখা। ভাবলাম, শেয়ার করি!]
সকাল বেলা টিংকু মিয়া থলি হাতে বাজারে
গিয়ে দেখে ভনভনিয়ে উড়ছে মাছি হাজারে
তারই মাঝে মাছ-মাংস চলছে বেচাকেনা
নোংরা হাতে রক্তমাখা নোটের লেনাদেনা
বিশ্রী পচা আঁশটে গন্ধে উল্টে আসে নাড়ী
মাংস নিয়ে কুকুর দুটো করছে কাড়াকাড়ি
আবর্জনার সাথে পশুর রক্ত নিরবধি
পড়ছে গিয়ে ড্রেনে সবই সেখান থেকে নদী
এসব দেখে আঁতকে উঠে টিংকু মিয়া ভাবে
আজকে নাহয় খালি হাতে বাড়ি ফিরে যাবে
জ্যোতিষ শাস্ত্র (বাংলাদেশ) ১০১-পর্ব এক
জ্যোতিষ শাস্ত্র হল কিছু পদ্ধতি, প্রথা এবং বিশ্বাসের সমষ্টি যাতে মহাকাশে জ্যোতিষ্কসমূহের আপেক্ষিক অবস্থান এবং তৎসংশ্লিষ্ট তথ্যাদির মাধ্যমে মানব জীবন, মানুষের ব্যক্তিত্ব এবং মানবীয় ও বহির্জাগতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে ভবিষ্যত বাণী করা হয়।
-সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
আপনারা এই লেখার শিরোনাম ভাল করে খেয়াল করে থাকলে নিশ্চয়ই দেখেছেন বন্ধনীর মধ্যে বাংলাদেশ শব্দটি লেখা আছে। এর মানে হচ্ছে আমাদের এই কোর্সটি গতানুগতিক জ্যোতিষ শাস্ত্র থেকে কিছুটা…আসলে মিথ্যে বলে কি লাভ,
বিস্তারিত»“একটা চিঠি” ……(বাবা-মায়ের লেখা, যা পোস্ট করা হয়নি)……….
প্রিয় সন্তান,
…………
আমি যখন বার্ধক্য উপনীত হবো…।আমি আশা করবো.. “তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সাথে ধৈর্যশীল হবে”
ধরো আমি যদি হঠাৎ থালা ভেঙ্গে ফেলি,অথবা টেবিলে স্যুপ ফেলে নষ্ট করি…..
কারণ আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হরিয়ে ফেলছি….। আশা করি তুমি আমার প্রতি চিৎকার করবে না।
বয়স্ক মানুষ খুব স্পর্শকাতর….……
তুমি যখন চিৎকার করে কথা বলো তখন তারা নিজের কাছে খুব ছোট হয়ে যায় ,
পর্যায়-১০১

এষা,আমি কষ্টে আছি।লেবুর ঘ্রাণে বিষ মনে হয়,ফুলের গায়ে ছদ্মবেশে লাল পিঁপড়ে ঘুরে বেড়ায়।আমায় দেখে হঠাৎ এরা রক্তচক্ষু তেড়ে আসে।এখন আমার ত্রিনয়নই বেঁধে রাখা থান কাপড়ে।সারা আকাশ মাতাল হয়ে আমায় শোনায় অট্টহাসি।টিনে গড়া সৈনিকেরা আমায় কাটে লাখ টুকরায়।জোৎস্না রাতে বাঁশির সুরে আমার গায়ে বর্শা ফোটে।শেষ প্রহরে কুকুরগুলো আমায় দেখে হল্লা করে।আমার কাছে একমাত্র আপন নারী তুমিও এষা মৌন থাকো?কোন অভিমান তোমায় এমন নীরব রাখে?আমার এত দহন তোমায় পোড়ায় না আর?এষ,হঠাৎ চুপ কেন আজ?
বিস্তারিত»মেজর জিয়ার জন্য দোয়াপ্রার্থী
কিছুক্ষন আগের সংবাদ । কংগোর রাজধানী কিনসাসাতে একটি ইউ এন এয়ারক্রাফট ক্র্যাশ করে ২৯ জন মারা গেছেন । টিভির স্ক্রলে বাংলাদেশী ২ জন দেখালেও সংখ্যাটা সম্ভবত ৪ । যার মধ্যে আছেন বাংলাদেশ মিলিটারী পুলিশ ইউনিটের অফিসার কমান্ডিং মেজর জিয়া । সম্ভবত ঝিনাইদহের এক্স ক্যাডেট ( যদি আমি ভুল না করে থাকি ) । সিলেটের এ্যাডজুটেন্ট ও ছিলেন । যাওয়ার আগেও আমার সংগে কথা হয়েছে ।
বিস্তারিত»কোন আশ্রয় নেই বলেই … ..
ছুটি দেখতে দেখতে একেবারে শেষপ্রান্তে এসে গেল। ব্লগ লেখাই হলো না। এর মাঝে মনে পড়ে গেল গত সপ্তাহের কথা। অন্যরকম দিনগুলোর স্মৃতিময়তায় লেখা এই স্মৃতিকথা…
দ্বিতীয় পর্বের সবচেয়ে বড় এক্সারসাইজ ছিল লৌহকপাট। আর এখন তৃতীয় পর্বের প্রথম বড় এক্সারসাইজ রণগতি। এটার কষ্ট একটু বেশী যে হাঁটতে হয় অনেকটুকু পথ।
“দেখতে দেখতে লৌহকপাট থেকে রণগতি। আজ লেখার এই সময়টা চমকপ্রদ। সেবার পুরো একটা নোটবুক লিখেছিলাম ট্রেঞ্চ এ বসে।
বিস্তারিত»প্রবাসজীবন, পরবাস এবং
এটা আমার লেখা প্রথম ব্লগ। লেখার ইচ্ছা থাকলেও সময়ের অভাবে লেখা হয়ে ওঠেনা। তবে মাঝে মাঝে পড়ি, বিশেষত ব ক ক র নাজমুল (২৫) যখন কোনও লেখা সম্পর্কে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
লন্ডন বা ইংল্যান্ড এ প্রচুর বাঙালি ছাত্র রয়েছে, আর এদের মাঝে ক্যাডেটদের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। যারা আছে তারা তো আছেই নতুন যারা এখানে আসতে চায় তারা যাতে এই ভুল না করে এই লেখার উদ্দেশ্য সেটাই।
ডাকঘর – এক
অতীত হয় নূতন পুরানায়
একসময়কার পুরানো ঢাকার তরুন-তরুণীর গল্প। দেশে পড়ালেখার পর্ব চুকিয়ে প্রেরক এবং প্রাপক একই সময়ে বিদেশে যায় পড়তে। প্রাপক স্পেনে এবং প্রেরক কিউবাতে। একসময় তাদের বিচ্ছেদ হয়। প্রাপক দেশে ফিরে আর্ট হিস্ট্রির শিক্ষকতা করে আর প্রেরক হ্যাভানার একটি কলেজে পেইন্টিংসের শিক্ষক। অনেক বছর পর এই চিঠি লেখা হয়।
প্রিয় জারুলফুল,
পরশু শেষরাতে নেভিলের টেলিফোনে আমার ঘুম ভাঙ্গলো।
বিস্তারিত»জিয়া চলে গেল…..
মেজর কে এম জিয়াউল হক, ইনফ্যাণ্ট্রি, ২৬ বিএমএ লং কোর্স, ক্যাডেট নম্বর ১১১০, খায়বার হাউস, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ আজ এক মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন….

সবচেয়ে সামনে খায়বার(নীল) ক্রসবেল্টে বসা জিয়া

ক্লাস ইলেভেন এ তোলা – পেছনের সারির বাম দিক থেকে চার নম্বরে দাঁড়ানো জিয়া
সদালাপী, হাসিখুশী,
বিস্তারিত»“ভিনগ্রহের জাতি ও আপনার করণীয়”
************
একটা Geek Website -এ এই অদ্ভুত আর্টিকেলটা পাইলাম। প্রথমে পড়তে অনেক ফালতু লাগলেও পরে দেখলাম যে কত জটিল কিছু point এই লেখাটায় উঠে এসেছে। কষ্ট করে পুরোটুকু পড়লে বোঝা যাবে কি বলতে চাচ্ছি। ইংরেজী থেকে অনুবাদিত। খানিকটা ‘বাংলা কালচারায়িত’।
************
আসুন, মনে করি,
যে, কোন কারণেই হোক, আপনি মানব ইতিহাসে প্রথম ব্যাক্তি যার সাথে ভিনগ্রহের কেউ (সহজ বাংলায় alien) সরাসরি যোগাযোগ করেছে।
বিস্তারিত»অতীত বয়ান কেউ যদি শুনতে চায় (জীবন যেরকম)
১
অনেক আগে বয়স যখন পনের-ষোল ছিল তখন সুনীলের একটা উপন্যাস পড়েছিলাম। বইটির নাম ‘জীবন যেরকম’। উপন্যাসের একটি চরিত্রের নাম ছিল শান্তা। একটি চরিত্র আমার মিতা ঠিক এ কারনে নয়, উপন্যাসটির ঘটনার বুনন আমাকে পড়ার সময়টুকুতে মোহাবিষ্ট করে রেখেছিল। অক্ষর দিয়ে বোনা চলচিত্র। মনে হচ্ছিল চরিত্রগুলো সত্যি সত্যি শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে। সুনীলের এই এক বাহাদুরী। এই বইটি আমার ব্যক্তিগত লাইব্রেরীতে ছিল না। কার থেকে নিয়ে পড়েছিলাম তাও মনে নেই।

