ইসসিরে, ঢাকার বাসায় গ্যাস নাই। এখন সেহরি ইফতার কেমনে খাই!!!
(ঢাকায় আগমণের পর মালসিংহ ফয়েজ ভাইয়ের বোধদয়)
বিঃদ্রঃ চিন্তা করবেন না ফয়েজ ভাই, সামিয়া আপনাকে সেহরির জন্য ডিনারপ্যাক আর মাম পানির বোতল দিয়ে দিবে।
আমার জন্যে রেখে গেছেন একটি দাতব্য হাঁসপাতাল ।
১৯৮৮ থাকে এক্সটেনশন জীবনটা চলছিলো এডহক ভিত্তিতে কোনমতে।দ্বিতীয় হার্ট এট্যাকটা হল তখন ! আমরা ভেবেছিলাম সব শেষ ! কিন্তু আল্লাহ আরও অনেক হায়াত রেখেছিলেন ওনার। সেই থেকে প্রায় প্রতি বছর হজ্বে যাওয়ার বায়না ধরেন। গেলেন ও বেশ কয়েক বার। শুধু একটি খায়েশ,যদি আল্লাহ মক্কা মদিনাতে হায়াত কবুল করেন, তাহলে ‘জান্নাতুল বাকি’ বা ‘জান্নাতুল মওলায়’ শেষ আশ্রয় স্থানটুকু হয়তো নসীব হবে!
আমার বাবা,
বিস্তারিত»উল্টোদেশে,উল্টোরথে – ০১
প্রায়ই আমরা একটা কথা শুনি গ্লোবাল ভিলেজ। শব্দটি নতুন; ১৫/২০ বছর বয়স হয়তো।
সত্যিই সবকিছু চলে এসেছে হাতের নাগালে। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা তো এখন অপূর্ব। তা সে পায়ে, চাকায়, বায়ুতে যেভাবেই হোক না কেন। আর মাধ্যম তার বা বেতার যেভাবেই হোক না কেন।
জেমস বন্ডের খুব সম্ভবত টুমরো নেভার ডাইসে দেখেছিলাম কিভাবে খবর বানানো হয়। আমরা অনেকটা সেইরকম না হলেও ঘটনা ঘটার প্রায় সাথে সাথেই জেনে যাচ্ছি।
বিস্তারিত»ফোন কিচ্ছা
ইভটিজিং একটি বৈচিত্র্যময় অপরাধ। নানা উপায়ে আপনি এই অপরাধ সংঘটিত করতে পারেন, যার একটি হলো অচেনা ইভদের ফোন করে করে তার গলা যে কত সুন্দর, তা বোঝানোর চেষ্টা করা। মেয়ে হিসেবে এই ধরণের ফোনের ভুক্তভোগী আমিও, তবে দুঃখের বিষয় আমাকে যারা ফোন করে তারা কেউ চাওয়ালা, পানের দোকানদার, কিংবা পতাকা বিক্রেতা। তবে দিন সবার খারাপ যায় না, তাই এবার আমার ভাগ্যে একজন প্রবাসী যুবক জুটেছে,
বিস্তারিত»মুঠোফোনের কবিতা-১৭ ও ১৮
১৭
যাবনা অজানায়,
জাগবনা জ্যোৎস্নায়,
যায় জীবন যায় যাক;
মিছে কোন বাসনায়।
আঁকব না সপন,
ভাবব না আপন,
হয় জীবন হয় হোক;
একান্ত গোপন।
হাসিমুখ বয়ে বেড়ায়;
তিক্ত ক্রন্দন;
এই তো জীবন।
১৮
প্রণতি হৃদয়ের গহন চূড়ায়,
আকূল হয়ে বয়ে চলা রিমঝিম ঝরণায়।
প্রতিক্ষণ জীবনের পথ চলায়;
পাগল পারা বোধে পথ হারায়।
আপা আমদের দিকে একটু তাকান।
বেশ কয়দিন হল আমার মনে একটা প্রশ্ন এসেছে। একজন বাঙ্গালির কত টুকু দেশপ্রেম থাকলে এই দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্তেও এখানে বাস করবে ? কি অদ্ভুত একটা দেশ।
যে দেশে অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে বাস করে সে দেশের বানিজ্য মন্ত্রী বলেন আপনারা কম খান তাইলে জিনিস পত্রের দাম কমবে। যেই দেশে ছিন্তাইকারীর গুলিতে বাবার কোলে তার মেয়ের মৃত্যু হয় আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছেন।এই দেশে জনগনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তেল গ্যাস নিয়ে অসংলগ্ন অসামঞ্জস্যপুর্ন এরকম চুক্তি হয় যেন দেশটা সরকারের বাপের।
বিস্তারিত»বিজয় দিবস উপলক্ষে এক্স ক্যাডেটদের আলোকচিত্র প্রদর্শনী
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আগেই আমি এই ব্যাপারে একটা মোটামুটি পোষ্ট দিয়ে রেখেছিলাম যাতে করে সবাই একটু প্রস্তুতি নিতে পারে । এখন জরুরী ভিত্তিতে ছবিগুলি দরকার । আলিয়ঁস ফ্রঁসেস ছবি দেখে আমাদের এক্সিবিশনের পেমেন্ট মওকুফ/কমানোর সম্ভাবনা আছে । তাই ওগুলি দরকার । নীচে আমি বিস্তারিত দিয়ে দিলাম ঃ
১। বিষয় ঃ পজিটিভ বাংলাদেশ
২। ছবির সাইজ ঃ কমপক্ষে ২০০০ পিক্সেল ( বড় সাইজ)
৩।
মুঠোফোনের কবিতা- ১৫ ,১৬
১৫
না ফোটা পাপড়ি নিভৃতে ঘুমাক,
গহন খেলাঘর ঢেউয়ে ভেঙ্গে যাক।
সময়ের বালুচরে; স্মৃতিগুলো-
গোপনেই থাক।
জ্যোৎস্না মেখে যেন চেয়ে থাকে-
একফালি চাঁদ।
এতটুকুই সাধ।
১৬
কষ্টগুলো উড়িয়ে নিল
এলোমেলো বাতাস।
গোপন আমার অন্তঃপুরে
কাহার বসবাস?
গহন আধার মুছিয়ে নিল
জ্যোৎস্নাধোয়া আলো
হৃদয় আমার কারে বাসে ভাল?
অবাক প্রেমে অবাক জীবন;
আমাদের ছেলেবেলা । (এপিসোড ৩)
সিনিওরদের কাছে শোনা কিছু গল্প।
১) ১৪তম ব্যাচ। স্টাডি ট্যুরে গেছে। রাস্তায় এক সময় শুরু হল বাস থামানো হোক। টয়লেট করব। আনোয়ার স্যার বলল একটু পর। খানিক পর শুরু হল চিৎকার। গাড়ি থামবে ক্যাডেট মুতবে। এক পর্যায়ে শুরু হল, ক্যাডেট থামবে গাড়ি মুতবে। স্যার অনঢ়। তারপর শুরু হল বিট। সাথে দাড়ি নিয়ে নানান কথা।আনোয়ার স্যারের দাড়ি ছিল। এক পর্যায়ে স্যার বলল “এই তোমরা ড্রাইভারকে গালাগালি করছ কেন?
বিস্তারিত»স্বাধীনতা তুমি
না, আমি কোন কবিতা লিখতে বসিনি। কোন গল্প-উপন্যাসও নয়। বা আবেগপ্রবণ দেশপ্রেমের কোন প্রবন্ধও নয়। আমার এই লেখার উদ্দেশ্য ‘স্বাধীনতা’ শব্দটির অর্থ খোঁজা। যেই শব্দটির জন্য আমরা এবং পৃথিবীর আরো অনেক মানুষ অনেক বড় বড় ত্যাগ স্বীকার করেছে, জীবন বিসর্জন দিয়েছে, তার মর্মার্থ কী? আসলে আমি শব্দটিকে বোঝার চেষ্টা করে যা পেয়েছি, সেটাই এখানে সবার সাথে শেয়ার করতে চাই।
অনেক আগেই প্রশ্নটা মনে এসেছিল- ‘স্বাধীনতা’
বিস্তারিত»হ্যাপি বাড্ডে বাআআই…
আমরা তখন ক্লাস এইটের এন্ডটার্মে কি নাইনের শুরুতে, আমদের মধ্যে একজন চারিদিক বদলানোর স্বপ্নে বিভোর। ক্যাডেট কলেজের চারদিক বলতে কলেজের ভেতরেরই কথা বলছি। দুচোখ ভরা সব স্বপ্ন তার, ক্যাডেট ইচ্ছেমত বাহিরে যাবে, যখন ইচ্ছে হয় খেল্বে, রাতে যখন ইচ্ছে ঘুমাবে, স্যারদের বিট দিবে কিন্তু স্যাররা কিছু মনে করতে পারবে না, এমন আরও অনেক কিছু। অতি স্বাভাবিকভাবেই তার এইসকল চিন্তাধারা আমাদের আনন্দের খোরাক হয়ে দেখা দিতে লাগলো,
বিস্তারিত»দেশে ফেরার গল্প – দুই
চ.
লন্ডন-কুয়েত ফ্লাইট কিছুটা দেরি করায় কুয়েতে স্টপওভার পেলাম মাত্র এক ঘন্টার। তবে কোন সমস্যা হয়নি কারণ একটি গেইট দিয়ে নেমে কুয়েত এয়ারলাইনসের ঢাকা ফ্লাইট ছিল কাছাকাছি আরেক গেইটে। কুয়েত এয়ারপোর্টের ঢাকা ফ্লাইটের আশেপাশে পরিবেশ খুবই অন্যরকম। স্মোকিং রুমের একশো গজের মধ্যে টেকা দায়। ধূমপায়ী-অধূমপায়ী সবার জন্য। স্মোকিং রুম ছাড়াও এয়ারপোর্টের যত্রতত্র মানুষজন বিড়ি ফুঁকছে।
আমার ছোট বেলা-তিন “অদ্ভুতুড়ে গল্প”।
“নাপিতের ভিটা” নিয়ে অনেক ভয়াবহ গল্প আছে । বহু মানুষের চাক্ষুষ প্রমান সমৃদ্ধ গল্প।তার মধ্যে একটা না বলে পারছিনা। চাঁদ রাত। পরের দিন সকালে ঈদের নামাজ পরে দু-চার শ ‘সমাজই-জমাতি’ মানুষ ক্ষীর পায়েস খাবে।তাই হ্যাজাক লাইট জ্বালিয়ে দালান বাড়ির উঠানে বড় কাচাঁরি ঘরের সামনে মণই ডেকচা তে কলস কলস দুধ ঢালা হচ্ছে ঘন মিষ্টান্ন করার উদ্দেশ্যে ।
“সমাজই- জমাতি” মানুষ হচ্ছে,
বিস্তারিত»আমার ছোট বেলা-দুই “অদ্ভুতুড়ে গল্প”।
আমাদের বয়স ১০/১১ হবে।সবে মাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। গ্রামে আছি মাস কয়েক ধরে অর্থাৎ সেই যে ১৩ই ডিসেম্বর ঢাকা থেকে পালিয়ে চলে এসেছি , তার পর রয়েই গেছি গ্রামে।গ্রামের নাম জয়পারা।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে কলাকোপা-বান্ধুরা।ওখান থেকে নৌকায় দোহার। শহর কেন্দ্র থেকে ৫০ মাইলের মধ্যে হলেও বর্ষায় মোটর লঞ্চে শাত/আট ঘণ্টার নদী পথ, বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ঈছামতি পেরিয়ে নৌকায় আড়িয়াল বিল এর প্রচণ্ড ঢেউর নাচনে প্রাণটা যখন হাতের মুঠায়,
বিস্তারিত»অতঃপর…
আজ সকালে ঘুম ভেঙেছে বিন্দারের ফোনে। যারা আমার আগের লেখাগুলো পড়েছেন, তারা বোধহয় আমার এই ভাগিনাকে ভাল করে চেনেন। বিন্দারের ফোন মানেই সেখানে বিশেষ কিছু থাকবে। সেই বিশেষ কিছু টা কী হতে পারে আমার ধারনার বাইরে। আমি যদিও বিন্দারের মামা, তারপরও আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, এই শিশুর কাছে আমি কিছুই না। বাঁদরামি ব্যাপারটাকে বিন্দার রীতিমত আতংক বানিয়ে ফেলেছে। আর ভয়টা সব সময় আমারই বেশি।
বিস্তারিত»