মুঠোফোনের কবিতা- ১৫ ,১৬

১৫
না ফোটা পাপড়ি নিভৃতে ঘুমাক,
গহন খেলাঘর ঢেউয়ে ভেঙ্গে যাক।
সময়ের বালুচরে; স্মৃতিগুলো-
গোপনেই থাক।
জ্যোৎস্না মেখে যেন চেয়ে থাকে-
একফালি চাঁদ।
এতটুকুই সাধ।

১৬
কষ্টগুলো উড়িয়ে নিল
এলোমেলো বাতাস।
গোপন আমার অন্তঃপুরে
কাহার বসবাস?
গহন আধার মুছিয়ে নিল
জ্যোৎস্নাধোয়া আলো
হৃদয় আমার কারে বাসে ভাল?
অবাক প্রেমে অবাক জীবন;

বিস্তারিত»

আমাদের ছেলেবেলা । (এপিসোড ৩)

সিনিওরদের কাছে শোনা কিছু গল্প।

১) ১৪তম ব্যাচ। স্টাডি ট্যুরে গেছে। রাস্তায় এক সময় শুরু হল বাস থামানো হোক। টয়লেট করব। আনোয়ার স্যার বলল একটু পর। খানিক পর শুরু হল চিৎকার। গাড়ি থামবে ক্যাডেট মুতবে। এক পর্যায়ে শুরু হল, ক্যাডেট থামবে গাড়ি মুতবে। স্যার অনঢ়। তারপর শুরু হল বিট। সাথে দাড়ি নিয়ে নানান কথা।আনোয়ার স্যারের দাড়ি ছিল। এক পর্যায়ে স্যার বলল “এই তোমরা ড্রাইভারকে গালাগালি করছ কেন?

বিস্তারিত»

স্বাধীনতা তুমি

না, আমি কোন কবিতা লিখতে বসিনি। কোন গল্প-উপন্যাসও নয়। বা আবেগপ্রবণ দেশপ্রেমের কোন প্রবন্ধও নয়। আমার এই লেখার উদ্দেশ্য ‘স্বাধীনতা’ শব্দটির অর্থ খোঁজা। যেই শব্দটির জন্য আমরা এবং পৃথিবীর আরো অনেক মানুষ অনেক বড় বড় ত্যাগ স্বীকার করেছে, জীবন বিসর্জন দিয়েছে, তার মর্মার্থ কী? আসলে আমি শব্দটিকে বোঝার চেষ্টা করে যা পেয়েছি, সেটাই এখানে সবার সাথে শেয়ার করতে চাই।

অনেক আগেই প্রশ্নটা মনে এসেছিল- ‘স্বাধীনতা’

বিস্তারিত»

হ্যাপি বাড্ডে বাআআই…

আমরা তখন ক্লাস এইটের এন্ডটার্মে কি নাইনের শুরুতে, আমদের মধ্যে একজন চারিদিক বদলানোর স্বপ্নে বিভোর। ক্যাডেট কলেজের চারদিক বলতে কলেজের ভেতরেরই কথা বলছি। দুচোখ ভরা সব স্বপ্ন তার, ক্যাডেট ইচ্ছেমত বাহিরে যাবে, যখন ইচ্ছে হয় খেল্বে, রাতে যখন ইচ্ছে ঘুমাবে, স্যারদের বিট দিবে কিন্তু স্যাররা কিছু মনে করতে পারবে না, এমন আরও অনেক কিছু। অতি স্বাভাবিকভাবেই তার এইসকল চিন্তাধারা আমাদের আনন্দের খোরাক হয়ে দেখা দিতে লাগলো,

বিস্তারিত»

দেশে ফেরার গল্প – দুই

দেশে ফেরার গল্প – এক

চ.
লন্ডন-কুয়েত ফ্লাইট কিছুটা দেরি করায় কুয়েতে স্টপওভার পেলাম মাত্র এক ঘন্টার। তবে কোন সমস্যা হয়নি কারণ একটি গেইট দিয়ে নেমে কুয়েত এয়ারলাইনসের ঢাকা ফ্লাইট ছিল কাছাকাছি আরেক গেইটে। কুয়েত এয়ারপোর্টের ঢাকা ফ্লাইটের আশেপাশে পরিবেশ খুবই অন্যরকম। স্মোকিং রুমের একশো গজের মধ্যে টেকা দায়। ধূমপায়ী-অধূমপায়ী সবার জন্য। স্মোকিং রুম ছাড়াও এয়ারপোর্টের যত্রতত্র মানুষজন বিড়ি ফুঁকছে।

বিস্তারিত»

আমার ছোট বেলা-তিন “অদ্ভুতুড়ে গল্প”।

“নাপিতের ভিটা” নিয়ে অনেক ভয়াবহ গল্প আছে । বহু মানুষের চাক্ষুষ প্রমান সমৃদ্ধ গল্প।তার মধ্যে একটা না বলে পারছিনা। চাঁদ রাত। পরের দিন সকালে ঈদের নামাজ পরে দু-চার শ ‘সমাজই-জমাতি’ মানুষ ক্ষীর পায়েস খাবে।তাই হ্যাজাক লাইট জ্বালিয়ে দালান বাড়ির উঠানে বড় কাচাঁরি ঘরের সামনে মণই ডেকচা তে কলস কলস দুধ ঢালা হচ্ছে ঘন মিষ্টান্ন করার উদ্দেশ্যে ।

“সমাজই- জমাতি” মানুষ হচ্ছে,

বিস্তারিত»

আমার ছোট বেলা-দুই “অদ্ভুতুড়ে গল্প”।

 

আমাদের বয়স ১০/১১ হবে।সবে মাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। গ্রামে আছি মাস কয়েক ধরে অর্থাৎ সেই যে ১৩ই ডিসেম্বর ঢাকা থেকে পালিয়ে চলে এসেছি , তার পর রয়েই গেছি গ্রামে।গ্রামের নাম জয়পারা।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে কলাকোপা-বান্ধুরা।ওখান থেকে নৌকায় দোহার। শহর কেন্দ্র থেকে ৫০ মাইলের মধ্যে হলেও বর্ষায় মোটর লঞ্চে শাত/আট ঘণ্টার নদী পথ, বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ঈছামতি পেরিয়ে নৌকায় আড়িয়াল বিল এর প্রচণ্ড ঢেউর নাচনে প্রাণটা যখন হাতের মুঠায়,

বিস্তারিত»

অতঃপর…

আজ সকালে ঘুম ভেঙেছে বিন্দারের ফোনে। যারা আমার আগের লেখাগুলো পড়েছেন, তারা বোধহয় আমার এই ভাগিনাকে ভাল করে চেনেন। বিন্দারের ফোন মানেই সেখানে বিশেষ কিছু থাকবে। সেই বিশেষ কিছু টা কী হতে পারে আমার ধারনার বাইরে। আমি যদিও বিন্দারের মামা, তারপরও আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, এই শিশুর কাছে আমি কিছুই না। বাঁদরামি ব্যাপারটাকে বিন্দার রীতিমত আতংক বানিয়ে ফেলেছে। আর ভয়টা সব সময় আমারই বেশি।

বিস্তারিত»

মানুষ চেনা

ফেইসবুক একটা বড় উপকার করে দিয়েছে আমাদের, সেটা হলো মানুষের মানসিকতা বোঝা। যদিও দেশের খুবই নগণ্য একটা অংশ ফেইসবুক ব্যবহার করে, তারপরেও এই নগণ্য অংশের মানসিকতা বোঝার জন্যই ফেইসবুক যথেষ্ট। মাঝে মাঝে অদ্ভুত ভাললাগায় ভরে যাই আমি, কারও সুন্দর কোন কথা ছবি বা কাজে দেখে, আবার রাগে দাঁত কিড়মিড় করে উঠি কারও শেয়ার করা কোন লিঙ্ক দেখে, আবার হাত অজান্তেই মুষ্টিবদ্ধ হয়ে যায় কারও লেখা কোন নোট পড়ে,

বিস্তারিত»

আমাদের ছেলেবেলা । (এপিসোড ২)

কিছু ঘটনা জায়গায় উপস্থিত ছিলাম না তাই ডায়লগ চেঞ্জ হতে পারে কিন্তু মূল ঘটনা অপরিবর্তিত।

১) ক্লাস নাইন। গেমস্‌ এর ফলিন। আমি রেজোয়ানের ডান পাশে দাড়ানো ছিলাম।  ইলেভেন এসে দাড়াইছে। আমি সামনের লাইনে চলে গেছি। রেজোয়ান দেখে নাই। সামনে JP আরমান ভাই। রেজোয়ান ইলেভেনের শাকিল ভাইয়ের কাধে হাত দিয়ে বলল “দেখ আরমান ভাইরে কি চিকি লাগতেসে।” শাকিল ভাই ওকে বলল হাউসে গিয়ে দেখা করবা।

বিস্তারিত»

হযবরল


লন্ডনের বাসের গল্প শুনেছি, এর জন্য নাকি লম্বা সময় ধরে অপেক্ষা করে থাকতে হয় কিন্তু বাস আর আসতে চায় না, আর যখন আসে তখন দুটো এক সাথে আসে। আমার ব্লগের অবস্থাও সেরকম, মাঝে মাঝে কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করে, কিন্তু লেখার মত কিছু খুঁজে পাই না আর যখন একটা লিখে ফেলি তখন মাথায় আরো ব্লগর ব্লগরের আইডিয়া গিজগিজ করতে থাকে আবার ওদিকে আগের লেখাও প্রথম পাতা থেকে যেতেই চায় না।

বিস্তারিত»

ফ্যান্টাসি ফুটবল ইজ ব্যাক :D

ফুটবল পাগলদের এখন সুসময়। আগস্ট মাস এসে গেছে। বেজে উঠেছে ইউরোপিয়ান লিগগুলোর দামামা।বরাবরের মত বিভিন্ন পত্রিকা/চ্যানেল/ওয়েবসাইট আয়োজন করছে বিভিন্ন ফ্যান্টাসি ফুটবল প্রতিযোগিতার। চা’ওয়ালা রকিব আর কোলকাতার আকাশ খোমাখাতায় বলল ফ্যান্টাসি ফুটবল নিয়ে পোস্ট দিতে, ভাবলাম দিয়ে দেই, অনেকদিন তো কোন পোস্ট দেই না 😛

ম্যাক্সিস এফসি ম্যানেজার

জনপ্রিয় স্পোর্টস চ্যানেল ইএসপিএন স্টারস্পোর্টসের ফ্যান্টাসি ফুটবল প্রতিযোগিতা ‘ম্যাক্সিস এফসি ম্যানেজার’ এর এবারের প্রাইজমানি মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মত।

বিস্তারিত»

এবিসি জেনারেশন কনসার্ট – ফটোব্লগ

মনে পড়ে ছাড়পত্র অ্যালবামের কথা – এল আরবি আর মাইলসের কীবোর্ডওয়ালা আমি নেই-তুমি নেই গানের ভীড়ে এই অ্যালবাম মাথায় একেবারে ঢুকে গিয়েছিল। শুনলাম একে বলে আন্ডারগ্রাউন্ড মিউজিক। ভাল, আরও শুনলাম – আরসিসিতে কনসার্টে যেতে থাকলাম, ইয়ো গ্রুপ হল আর আমিও তারছেড়া হয়ে গেলাম। যেখানে পড়তাম সেখানে ক্লাসে ক্লাসে গিটারিস্ট ভোকাল আর ড্রামার থাকত, ১২টা ব্যান্ডের যেকোন আন্ডারগ্রাউন্ড কনসার্টে গেলে দেখতাম সব ব্যান্ডেই কেউ না কেউ আমার ক্লাসমেট।

বিস্তারিত»

আমাদের ছেলেবেলা।

কলেজের কিছু ঘটনা বলি। এটাও মনে হচ্ছে বাজাজ টেলিফিল্ম এর সিরিয়াল গুলার মত হবে। এত ঘটনা। এর বেশ কিছু ঘটনা জায়গায় উপস্থিত ছিলাম না তাই ডায়লগ চেঞ্জ হতে পারে কিন্তু মূল ঘটনা অপরিবর্তিত।

 

১) ক্লাস সেভেন। প্রথম প্যারেন্টস ডে। আমার আর মুসফিকের প্যারেন্টস আসে নাই। মন খারাপ। আর এক জনের মন খারাপ।সে ক্লাস টুয়েলভের সারোয়ার ভাই। উনার ও কেউ আসে নাই।

বিস্তারিত»

যাচ্ছে জীবন – ৩

অনেক দিন কিছুই লেখা হয় না। তাতে যে বিশেষ কোন অসুবিধা হচ্ছে তা নয়। মাঝে মাঝে খালি মাথায় অনেক বিষয় ঘুরে লেখার জন্যে, কিন্তু যথারীতি তা মাথায় থেকে যায়।

দুনিয়া জুড়ে এত্তো গেঞ্জাম চলছে মাঝে মাঝে মনে হয় ফেসবুকের গ্রুপের মতো বলি “খোদা! আমারে উডায় নাও! নাইলে দড়ি ফালাও, বায়া উডি যাই!”। অর্থনীতি যে কবে সচল হবে কে জানে, চাকুরীতে ছাটাই চলছেই, যেই বাড়ির দাম আগে দুইশ হাজার ছিল এখন তার দাম দুইশ হাজারের কম।

বিস্তারিত»