হাসান মোহাম্মেদ ফারুক কে ঈদের শুভেচ্ছা !

হাসান মোহাম্মেদ ফারুক কে ঈদের শুভেচ্ছা ! আমি জানিনা তুমি কোথায় থাক, কি করো ! তোমার সাথে আমার জীবনে কখনো দেখা হয়নি, কিন্তু তোমার জন্যে আমার অঢেল ভালবাসা রইল । কি বলবো তোমায় , আসলে আমাদের সাধ্যের মধ্যে যত টুকু সম্ভব সকলেই যদি কিছু কিছু করে করতে পারতাম, তাহলে আর কোন সমস্যাই থাকত না।

আমার বাবা এই জানুয়ারিতে মারা যাবার পর, ওঁর আলমারি ঘেঁটে এদিক সেদিক বেশ কিছু দশ,

বিস্তারিত»

প্রথম ডেটের গল্পটা,সিঁড়িঘরে চুমু অথবা এ জার্নি বাই লোকাল বাস!

আচ্ছা,কাল কী হয়েছিল বজ্জাত ঘড়িটার?কাল দুপুরে
অমন ছুটছিল,যেন রেসের ঘোড়া,আমার সাথে শত্রুতা
ফাঁস পরাবোই,কিন্তু এখানে অনেক রোদ ভেঙে আসি
জানালার কাঁচে ধূলোতে তর্জনী ছুঁইয়ে নাম লিখি
একবারও ভাবে নি,মুখ তুলে চায় নি আমাদের দিকে!
ওভারব্রীজটা পার হতে যেন উড়ে যাই,ধীর সয় না
তিনতলাতে ছয়তলাতে লিফটটা থামে,অলস একটা
বিশ্রী গরম-এই শেষ শ্রাবনে-এত ঘামি,রেণু নাকে মুখে
তাসমিয়া-রাকিব ওরা নেমে গেল কেন?

বিস্তারিত»

আমার আমেরিকা ফেরত বন্ধুর বউ

আমেরিকা থেকে এসেছি কয়েক দিন আগে। এখনো এক সপ্তাহ হয়নি। বন্ধুদের সাথে দেখা সাক্ষাত করে বেড়াচ্ছি। এরকম একদিন দুপুরের শেষে এক বন্ধুর বাসা থেকে নিজের বাসায় ফিরছি। আমাদের বাসার সামনে আসতেই দেখি নীচে আব্বা দাঁড়িয়ে আছে। আব্বা আমাকে দেখে হেসে বলল যে, তাড়াতাড়ি উপরে যা, তোর এক আমেরিকা ফেরৎ বন্ধুর বউ এসেছে। একটু অবাক হলাম। কে আসল আবার? আব্বা সহ উপরে আসলাম। ঘরে ঢুকে দেখি বেশ লম্বা সুশ্রী একটি মেয়ে সাবলীল ভাবে কথা বলে যাচ্ছে আম্মার সাথে।

বিস্তারিত»

অসমাপ্ত আর্তনাদ

অদ্ভুত নিস্তব্ধতা

কিছুই যেন বলার নেই কারো

নিরবাক তাকিয়ে থাকা কিছুক্ষণ

কিসের যেন ব্যাকুলতা

যা বাড়তে থাকে আরও

কারো নিষ্প্রাণ দীর্ঘশ্বাস

বিস্তারিত»

দ্বিতীয় পর্ব

তুমি আমার বুকের কাছে
দুখের কাছে
ওম রেখেছো
ক্লান্তি পেতেই ঘুম রেখেছো
মেঘলা দিনে হাত বাড়াতেই বৃষ্টি দিলে
চৈত্র দিনে ফুল দিয়েছো দু’হাত ভরে
শেষ বিকেলে গান শোনালো বুলবুলিতে
স্বপ্নে বিভোর দিনগুলিতে
আকাশ এসে রঙ ঢেলেছে সারাবেলা
বারান্দাতে এক চিলতে রোদের খেলা

তুমি আমার দুঃসময়ে সঙ্গী ছিলে
আমায় তুমি নিয়ে যেতে কাজলবিলে
সারা আকাশ উপুর হয়ে দেখতো মোদের পদ্মচুরি
মেঘের ঘুড়ি
ঘুরে ঘুরে ছায়া দিতো চিলের সাথে
জোৎস্না রাতে
চুপটি পায়ে আসতে তুমি আমার চোখে স্বপ্ন নিয়ে
স্বপ্নে মোরা দেখতে পেলাম বিজন বনের সবুজ টিয়ে
চিত্রা হরিন,রঙিন চিতা
ভালোবাসার লাল কবিতা
তাদের সাথে রঙধনুরা ঘুরতে এলো এই পাড়াতে
এসব কিছু ঘটলো কেবল তোমার হাতের ইশারাতে।

বিস্তারিত»

পাগল মন!

মন কি এবং মনের কাজই বা কি ?  কিভাবে চলে মনের কাজ কারবার ? কখনোই সংজ্ঞায়িত করা  হয়তো সম্ভব হবে না।

মনে কি থাকবে আর কি থাকবে না ? ব্যাপারটা ‘মনই’ নির্ধারণ করে ।আজব ! অনেক গুরুত্ব পূর্ণ , অতীব গুরুত্ব পূর্ণ ঘটনা হয়তো বেমালুম ভুলে আছি, আবার  অনেক বছর আগের নেহায়ত সাধারণ কিছু হয়তো মনে জ্বল জ্বল করে জ্বলছে। যেন এইতো গতকাল ঘটে যাওয়া ঘটনা ।

বিস্তারিত»

ঈদ মোবারক

নদীর পাড় থেকে আমাদের বাসার দূরত্ব খুব বেশী হলে ৭৫ মিটার । ছোট বেলায় অবশ্য ঐ দূরত্ব টাকেই প্রায় ৫০০ মিটার মনে হতো । ৩০ কিংবা ২৯ রোজার ইফতারটা কোন মতে শেষ হওয়ার জন্য শুধু অপেক্ষা করতাম । কোন মতে ১ গ্লাস সরবত খেয়েই ১ দৌড়ে নদীর পাড়ে । ঈদের চাঁদটা যে সবার আগে আমাকেই দেখতে হবে ! ধীরে ধীরে আমার সংগে যোগ হতো আমার বয়সের বাকী সৈন্য সামন্ত ।

বিস্তারিত»

যে কথা বলা হয়নি।

আমার বাবা একজন ভীষণ বোকা মানুষ। সারাজীবনই চাকরীসুত্রে বাইরে বাইরে কাটিয়েছেন। দূরত্ব বিবেচনা করলে,মার সাথে আমার দূরত্ব এক ইঞ্চি হলে, বাবার সাথে কয়েক আলোকবর্ষ। বাবা ছিলেন আমাদের দুই ভাইের প্রধানতমশত্রু। ছোটকাল থেকেই আমরা দুই ভাই চূড়ান্তভাবে স্বাধীন। মা টাইট দেওয়ার চেষ্টা করতেন অবশ্য। কিন্তু সে চেষ্টায় বিশেষ কোন লাভ হয়নি।

আমাদের টাইট দিতে পারতেন আমাদের বাবা। ছয়ফুট শরীরের বিশালদেহী একজন মানুষ। সাধারণ শিশুরা ছুটি ছাটায় বাবারা বাড়ি এলে,

বিস্তারিত»

অক্সিডেন্ট আর ছায়াশ্রমিক- মধ্যিখানে ব্রেনার পাস

রোমে আসার আগে শুনতাম এই শহরে নাকি ৩০,০০০ বাঙালি আছে, আসার আগে বিশ্বাস হয়নি। কিন্তু আসার পর মনে হচ্ছে সংখ্যাটা এরও বেশি হতে পারে। আমি থাকি মূল শহরের বাইরে গ্রামমত একটা জায়গায়, আশেপাশে অনেক খোলা জায়গা, পাশেই ইউনিভার্সিটি। শহরকেন্দ্রে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ১ ঘণ্টা, বাসে ২০ মিনিট আর মেট্রোতে ৪০ মিনিট। প্রধান বাস এবং ট্রেন স্টেশনের কারণে কেন্দ্রটির নাম তেরমিনি (Termini)। এখান থেকেই শুরু অভিবাসীস্থানের।

বিস্তারিত»

মুঠোফোনের কবিতা – ১৯ ও ২০

১৯
কোমল রোদে রাঙ্গা প্রভাত-
ঘুম ভাঙ্গায়ে গেল।
ভোরের পাখি আপন সুরে-
গান শুনায়ে গেল।
ঘুমের শেষে তন্দ্রা হয়ে-
অবশ করে গেল।
গহন সুখে সাতসকালে-
হৃদয় নাচায়ে গেল।
২০
আলতো এসে এলোচুলে
বাতাস হয়ে ছুঁয়ে গেলে।
একটু হেসে সর্বনাশের
নীরব আগুন জ্বালিয়ে গেলে।
রাঙ্গা লাজের পেখম মেলে
তুমুল আমায় নাড়িয়ে গেলে।

বিস্তারিত»

আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ।(সাত)

যুদ্ধের ভয়াবহতা ধীরে ধীরে টের পেতে লাগলাম । এলাকায় পাক আর্মি যেমন তাদের লোকবল বৃদ্ধি করতে লাগলো, সাথে সাথে মুক্তি বাহিনী ও দিন দিন শক্তিশালী হতে লাগল। বাঙ্গালী বীর যোদ্ধা ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিমের নেত্রীত্বে মানিকগঞ্জ ,তাল তলা এলাকায় ভয়াবহ সম্মুখ সমরে  নাকানি-চুবানি শুধু নয় প্রকৃত অর্থেই ওরা ‘পানিতে চুবানি’ খেতে লাগলো ।

বাজার ঘাটে গানবোটের সমারোহ বাড়লো । মুক্তি বাহিনীর ভয়ে থানার ঘাটির আশে পার্শের বাজার,

বিস্তারিত»

বাইকে দেশভ্রমনঃ দুই হুজুগের বাসিন্দার একটি প্রডাক্তিভ পাগ্লামি—(৩)…এবারে জাফ্লং রোডে

জাফলং পথে – যেন ২ ওয়েস্টার্ন কাউবয় আর বিচিত্র ট্রেইল।।

রাজশাহী থেকে ঢাকা হয়ে সিলেট এসে পওছেছিলাম। ১৫০০ কিলোমিটার এর প্রায় ৭০০ কিলোমিটার এখানে আসতেই। এই লেখা যখন লিখছি আমার এক বন্ধু আমাকে বলছিল মাথায় আঘাত পেয়েছিলাম নাকি ছুটি যাওয়ার আগে! হ্যাঁ, হয়ত তাইই, বা তা না হয়ে অন্য যা কিছুই হয়ে থাক। আমি বলবো ভাগ্য ভাল আঘাত টা পেয়েছিলাম। না হলে এই দেশে থেকে নিজেকে ওয়েস্টার্ন কোন গল্পের অজ্ঞাত কাউবয় ভাবার সৌভাগ্য কিভাবে সম্ভব ছিল!

বিস্তারিত»

আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ!(ছয়)

শুনে বাবা খুশী হওয়ার বদলে গম্ভীর হয়ে পড়লেন।কারন টা দুদিনেই বুঝা গেল। আবার গ্রামে আর্মি আসছে।এবং এবার আর ফ্রেন্ডলি নয়।দুদিনেই গ্রামটার প্রান চঞ্চল্ল্য কোথায় যেন হারিয়ে গেল। কেমন থমথমে হয়ে পড়লো। শিশুরা কান্না করলে ও “আর্মি আসছে” বলে চুপ করানো হয়।

বর্ষার থৈ থৈ পানি চারিদিকে। রাস্তা ঘাট থক্-থকে কাঁদায় ভরপুর। আর্মিরা পারত পক্ষে থানা থেকে বেরুতে চাইতো না। সুদৃঢ় ব্যাংকার পরিবেষ্টিত হয়ে থানায়ই থাকা নিরাপদ মনে করতো।

বিস্তারিত»

দেশে ফেরার গল্প – তিন

দেশে ফেরার গল্প – দুই

ট.
অনেকদিন পর দেশের সকালবেলার নিরেট আলো চোখে এসে লাগলে যে কি ভাল লাগে তা বলে বোঝাবার না। সকাল ব্যাপারটাই আসলে খুব স্নিগ্ধ। কেমন মোলায়েম পেলব আলো, নতুনদিনে জেগেওঠা মানুষজন, শহরের ব্যস্ত হয়ে ওঠার প্রস্তুতি – সব মিলে বেশ একটা আয়োজন। এয়ারপোর্ট থেকে বাসায় যাচ্ছি। এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে প্রথম চোখে পড়লো এয়ারপোর্টের মুখেই বেরিয়ে হজ্জ্ব ক্যাম্প-এয়ারপোর্ট এবং এয়ারপোর্ট-উত্তরা সড়কের সংযোগে যেখানে লালনের ভাষ্কর্য হবার কথা ছিল সেখানে কেমন যেন বাইন মাছের মতো পেঁচানো পেঁচানো একটি স্থাপত্য।

বিস্তারিত»

আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ!(পাচ)

১৫০০০ ফিট উপর থেকে সবুজ শ্যামল দেশটা কে কত সুন্দর লাগছে। ছোট ছোট ম্যাচ বক্স এর মত ঘর বাড়ি ,পুকুর।এর চেয়েও ছোট মানুষ। পিঁপড়া থেকেও ছোট ।এত উপর থেকে দেখা যাবে কিনা সন্দেহ। তাদের এই জমিনএ এই তাণ্ডব, এত হানা-হানি।আল্লাহ্‌ তালা নিশ্চয় উপর থেকে অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করছেন ও হাসছেন।ভাবনাটা সাংঘাতিক।ছোটদের এরকম ভাবতে নেই ।শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

সবুজ পোশাক, সবুজ টুপি পরা বিমান বালা এবার ভালো ব্যাবহার করেই ‘কে,রাহমান’

বিস্তারিত»