এই ছবি গুলা ঈদের দিন তোলা। আশা করি ভাল লাগবে।







চলচ্চিত্রের বুদ্ধ: আন্দ্রেই তারকোভস্কি
“Andrei Tarkovsky – Senses of Cinema” by Maximilian Le Cain [অনুবাদ – খান মুহাম্মদ]
সের্গেই আইজেনস্টাইনের পরই রাশিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার আন্দ্রেই তারকোভস্কি। সিনেমাকে তিনি যেভাবে কবিতা হিসেবে দেখেছেন তা আধুনিক আর্ট ফিল্মের ভিত্তি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। রাজনীতিকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ না করলেও সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ তার উপর সর্বদা সদয় থাকেনি; বিশেষ করে তার আন্দ্রেই রুবলেভ, মিরর এবং স্টকার-এর কিছু প্রচ্ছন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সোভিয়েত কর্তৃপক্ষের সাথে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছিল।
বিস্তারিত»ইহা কোনও ব্লগ নয়
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-08-09/news/176651
উপরের এই লেখাটিতে সমস্যা কোথায় কিছুই বুঝে উঠতে পারলাম না।
যদিও জাফর ইকবালের কলামটির ভিন্নমত পোষণ করে এই ব্লগেই সুলিখিত একটা কলাম লেখা হয়ে গেছে। এবং এই ব্লগের অনেকেই অধিকতর সুচিন্তিত মতামত দিয়েছেন।
লেখক কেন যে জাফর ইকবাল স্যারের কলামের লিঙ্কটা তার লেখার সাথে জুড়ে দিলেন না তা নিয়ে ভাবছি।
বিস্তারিত»একটি COMMON SENSE
আমি এটা বলছিনা যে আমি খুবই ধার্মিক। আবার এটাও বলছিনা যে আমি বর্তমান যুগের খুব কমন ফ্যাশনটাকে আঁকড়ে ধরেছি (নাস্তিকতা)। কিন্তু কিছু ব্যাপার আছে যেসব আমাদের মুসলমান হিসেবে হোক বা মানবিক চক্ষুলজ্জা, বিবেকবোধ থেকে হোক মেনে চলা উচিত। আজ ঈদ্ গাহে গিয়ে যা হয়েছে যদি সেটাকে উদাহরন হিসেবে ধরি………
ইমাম সাহেব খুব সুন্দর খুতবা দিলেন, এই দিনের তাৎপর্যও বললেন ভালই। কিন্তু এত বড় আলেম হয়ার পরেও তোষামোদ করা শুরু করলেন কোন জেলা প্রশাসক না কি যেন শহরের মেয়রের।
বিস্তারিত»হাসান মোহাম্মেদ ফারুক কে ঈদের শুভেচ্ছা !
হাসান মোহাম্মেদ ফারুক কে ঈদের শুভেচ্ছা ! আমি জানিনা তুমি কোথায় থাক, কি করো ! তোমার সাথে আমার জীবনে কখনো দেখা হয়নি, কিন্তু তোমার জন্যে আমার অঢেল ভালবাসা রইল । কি বলবো তোমায় , আসলে আমাদের সাধ্যের মধ্যে যত টুকু সম্ভব সকলেই যদি কিছু কিছু করে করতে পারতাম, তাহলে আর কোন সমস্যাই থাকত না।
আমার বাবা এই জানুয়ারিতে মারা যাবার পর, ওঁর আলমারি ঘেঁটে এদিক সেদিক বেশ কিছু দশ,
বিস্তারিত»প্রথম ডেটের গল্পটা,সিঁড়িঘরে চুমু অথবা এ জার্নি বাই লোকাল বাস!
আচ্ছা,কাল কী হয়েছিল বজ্জাত ঘড়িটার?কাল দুপুরে
অমন ছুটছিল,যেন রেসের ঘোড়া,আমার সাথে শত্রুতা
ফাঁস পরাবোই,কিন্তু এখানে অনেক রোদ ভেঙে আসি
জানালার কাঁচে ধূলোতে তর্জনী ছুঁইয়ে নাম লিখি
একবারও ভাবে নি,মুখ তুলে চায় নি আমাদের দিকে!
ওভারব্রীজটা পার হতে যেন উড়ে যাই,ধীর সয় না
তিনতলাতে ছয়তলাতে লিফটটা থামে,অলস একটা
বিশ্রী গরম-এই শেষ শ্রাবনে-এত ঘামি,রেণু নাকে মুখে
তাসমিয়া-রাকিব ওরা নেমে গেল কেন?
আমার আমেরিকা ফেরত বন্ধুর বউ
আমেরিকা থেকে এসেছি কয়েক দিন আগে। এখনো এক সপ্তাহ হয়নি। বন্ধুদের সাথে দেখা সাক্ষাত করে বেড়াচ্ছি। এরকম একদিন দুপুরের শেষে এক বন্ধুর বাসা থেকে নিজের বাসায় ফিরছি। আমাদের বাসার সামনে আসতেই দেখি নীচে আব্বা দাঁড়িয়ে আছে। আব্বা আমাকে দেখে হেসে বলল যে, তাড়াতাড়ি উপরে যা, তোর এক আমেরিকা ফেরৎ বন্ধুর বউ এসেছে। একটু অবাক হলাম। কে আসল আবার? আব্বা সহ উপরে আসলাম। ঘরে ঢুকে দেখি বেশ লম্বা সুশ্রী একটি মেয়ে সাবলীল ভাবে কথা বলে যাচ্ছে আম্মার সাথে।
বিস্তারিত»অসমাপ্ত আর্তনাদ
অদ্ভুত নিস্তব্ধতা
কিছুই যেন বলার নেই কারো
নিরবাক তাকিয়ে থাকা কিছুক্ষণ
কিসের যেন ব্যাকুলতা
যা বাড়তে থাকে আরও
কারো নিষ্প্রাণ দীর্ঘশ্বাস
বিস্তারিত»দ্বিতীয় পর্ব
তুমি আমার বুকের কাছে
দুখের কাছে
ওম রেখেছো
ক্লান্তি পেতেই ঘুম রেখেছো
মেঘলা দিনে হাত বাড়াতেই বৃষ্টি দিলে
চৈত্র দিনে ফুল দিয়েছো দু’হাত ভরে
শেষ বিকেলে গান শোনালো বুলবুলিতে
স্বপ্নে বিভোর দিনগুলিতে
আকাশ এসে রঙ ঢেলেছে সারাবেলা
বারান্দাতে এক চিলতে রোদের খেলা
তুমি আমার দুঃসময়ে সঙ্গী ছিলে
আমায় তুমি নিয়ে যেতে কাজলবিলে
সারা আকাশ উপুর হয়ে দেখতো মোদের পদ্মচুরি
মেঘের ঘুড়ি
ঘুরে ঘুরে ছায়া দিতো চিলের সাথে
জোৎস্না রাতে
চুপটি পায়ে আসতে তুমি আমার চোখে স্বপ্ন নিয়ে
স্বপ্নে মোরা দেখতে পেলাম বিজন বনের সবুজ টিয়ে
চিত্রা হরিন,রঙিন চিতা
ভালোবাসার লাল কবিতা
তাদের সাথে রঙধনুরা ঘুরতে এলো এই পাড়াতে
এসব কিছু ঘটলো কেবল তোমার হাতের ইশারাতে।
পাগল মন!
মন কি এবং মনের কাজই বা কি ? কিভাবে চলে মনের কাজ কারবার ? কখনোই সংজ্ঞায়িত করা হয়তো সম্ভব হবে না।
মনে কি থাকবে আর কি থাকবে না ? ব্যাপারটা ‘মনই’ নির্ধারণ করে ।আজব ! অনেক গুরুত্ব পূর্ণ , অতীব গুরুত্ব পূর্ণ ঘটনা হয়তো বেমালুম ভুলে আছি, আবার অনেক বছর আগের নেহায়ত সাধারণ কিছু হয়তো মনে জ্বল জ্বল করে জ্বলছে। যেন এইতো গতকাল ঘটে যাওয়া ঘটনা ।
বিস্তারিত»ঈদ মোবারক
নদীর পাড় থেকে আমাদের বাসার দূরত্ব খুব বেশী হলে ৭৫ মিটার । ছোট বেলায় অবশ্য ঐ দূরত্ব টাকেই প্রায় ৫০০ মিটার মনে হতো । ৩০ কিংবা ২৯ রোজার ইফতারটা কোন মতে শেষ হওয়ার জন্য শুধু অপেক্ষা করতাম । কোন মতে ১ গ্লাস সরবত খেয়েই ১ দৌড়ে নদীর পাড়ে । ঈদের চাঁদটা যে সবার আগে আমাকেই দেখতে হবে ! ধীরে ধীরে আমার সংগে যোগ হতো আমার বয়সের বাকী সৈন্য সামন্ত ।
বিস্তারিত»যে কথা বলা হয়নি।
আমার বাবা একজন ভীষণ বোকা মানুষ। সারাজীবনই চাকরীসুত্রে বাইরে বাইরে কাটিয়েছেন। দূরত্ব বিবেচনা করলে,মার সাথে আমার দূরত্ব এক ইঞ্চি হলে, বাবার সাথে কয়েক আলোকবর্ষ। বাবা ছিলেন আমাদের দুই ভাইের প্রধানতমশত্রু। ছোটকাল থেকেই আমরা দুই ভাই চূড়ান্তভাবে স্বাধীন। মা টাইট দেওয়ার চেষ্টা করতেন অবশ্য। কিন্তু সে চেষ্টায় বিশেষ কোন লাভ হয়নি।
আমাদের টাইট দিতে পারতেন আমাদের বাবা। ছয়ফুট শরীরের বিশালদেহী একজন মানুষ। সাধারণ শিশুরা ছুটি ছাটায় বাবারা বাড়ি এলে,
বিস্তারিত»অক্সিডেন্ট আর ছায়াশ্রমিক- মধ্যিখানে ব্রেনার পাস
রোমে আসার আগে শুনতাম এই শহরে নাকি ৩০,০০০ বাঙালি আছে, আসার আগে বিশ্বাস হয়নি। কিন্তু আসার পর মনে হচ্ছে সংখ্যাটা এরও বেশি হতে পারে। আমি থাকি মূল শহরের বাইরে গ্রামমত একটা জায়গায়, আশেপাশে অনেক খোলা জায়গা, পাশেই ইউনিভার্সিটি। শহরকেন্দ্রে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ১ ঘণ্টা, বাসে ২০ মিনিট আর মেট্রোতে ৪০ মিনিট। প্রধান বাস এবং ট্রেন স্টেশনের কারণে কেন্দ্রটির নাম তেরমিনি (Termini)। এখান থেকেই শুরু অভিবাসীস্থানের।
বিস্তারিত»মুঠোফোনের কবিতা – ১৯ ও ২০
১৯
কোমল রোদে রাঙ্গা প্রভাত-
ঘুম ভাঙ্গায়ে গেল।
ভোরের পাখি আপন সুরে-
গান শুনায়ে গেল।
ঘুমের শেষে তন্দ্রা হয়ে-
অবশ করে গেল।
গহন সুখে সাতসকালে-
হৃদয় নাচায়ে গেল।
২০
আলতো এসে এলোচুলে
বাতাস হয়ে ছুঁয়ে গেলে।
একটু হেসে সর্বনাশের
নীরব আগুন জ্বালিয়ে গেলে।
রাঙ্গা লাজের পেখম মেলে
তুমুল আমায় নাড়িয়ে গেলে।
আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ।(সাত)
যুদ্ধের ভয়াবহতা ধীরে ধীরে টের পেতে লাগলাম । এলাকায় পাক আর্মি যেমন তাদের লোকবল বৃদ্ধি করতে লাগলো, সাথে সাথে মুক্তি বাহিনী ও দিন দিন শক্তিশালী হতে লাগল। বাঙ্গালী বীর যোদ্ধা ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিমের নেত্রীত্বে মানিকগঞ্জ ,তাল তলা এলাকায় ভয়াবহ সম্মুখ সমরে নাকানি-চুবানি শুধু নয় প্রকৃত অর্থেই ওরা ‘পানিতে চুবানি’ খেতে লাগলো ।
বাজার ঘাটে গানবোটের সমারোহ বাড়লো । মুক্তি বাহিনীর ভয়ে থানার ঘাটির আশে পার্শের বাজার,
বিস্তারিত»