প্রত্যেকে আমরা নিজের তরে

বেশ কয়েকদিন আগে থেকে গল্পটা শুরু করেছিলাম। নাম বিভ্রাটে এগুতে পারিনি। প্রথম ভাবছিলাম ‘ প্রত্যেকে আমরা “পরের” তরে ‘ দিবো , কিন্তু পরবর্তীতে ভাবলাম তার চেয়ে নাম হোক ‘প্রতি জন আমরা “একজনের” তরে”। কিন্তু শেষ সিদ্ধান্ত ” প্রত্যেকে আমরা “নিজের” তরে ” এবং এটাই আসলে সবচেয়ে যুক্তিগ্রাহ্য ! কেন এই স্বার্থ পর সিদ্ধান্ত ?

গল্প লিখা আমার দারা হয় না এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

বিস্তারিত»

পৃথিবীতে একদিন…! [পর্বঃ ১]

ভ্রু কুচকিয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছে ইভানা। কোথাও কোনও প্রাণের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। সাধারণ স্পেস-শীপ গুলোর থেকে এই শীপটা একটু আলাদা। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হাজার হাজার বাটন-এর ঝামেলা নেই, টাইটেনিয়াম কেব্‌ল, উপরে নিচে চতুর্দিকে এটা সেটার রেগুলেটর সুইচ, কিংবা জায়গায় জায়গায় মনিটরেরও বালাই নেই।

বিস্তারিত»

চায়ের সাথে (ছবি)টা

[ইহা একটি জগাখিচুড়ি পোষ্ট। ভালো লাগার পংতিগুলোর সাথে নিজের জমানো কিছু কথা মিশিয়ে একটা যেমন তেমন ঘণ্ট বানাই, জোর করে গেলাবার জন্য সাথে ছেড়ে দেই গোটা কয়েক ফটুক। বদহজম অবশ্যই কাম্য নয়; তবে হয়ে যাওয়াটাকেও কাকতাল ধরে নেব না। লিখবার অপারগতা থেকেই এমন বিদঘুটে কুইনাইনের সৃষ্টি। :brick: ]

একটু ভেবে বলুন তো, শেষ কবে বাবার কাঁধে চেপে বসেছিলেন। আচ্ছা ওটা না হয় বাদই দিলাম।

বিস্তারিত»

গ্লোবালাইজড গোলামী

বিবেকঃ

স্বাগতম হে বন্ধু তোমায়,
গোলামীর এই ধরায়,
গোলাম তোমায় হতেই হবে,
নো ওয়ে,
টু এভয়েড। নো ওয়ে।
ভাবছো বকছি প্রলাপ,
কিংবা কাব্যচ্ছলে দাওয়াত।
ভাবতে পারো যা ইচ্ছা হয়,
কেননা-
তোমার ভাবনার নিয়ন্ত্রন
একান্তই তোমার।
আমি এতটুকুই শুধু পারি,
জানাতে সত্য, তাও দাবী।
আমার কাছে যা সত্য,
তোমার বেলায় তা,

বিস্তারিত»

ধারাবাহিক উপন্যাস – ৪

পর্বঃ চার এবং পাঁচ

চার

এরপর কি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম? হবে হয়তো। জেগে উঠি ধরফরিয়ে। মনে হচ্ছে বাসার সামনে দিয়ে মিলিটারির জীপ যাচ্ছে। হয়তো দুঃস্বপ্নে দেখেছিলাম। টিকটিকি টিক টিক করে উঠলো। অন্ধকার ঘরে কেয়াকে ডিঙ্গিয়ে বিছানা ছেড়ে নেমে আসি। জানালায় কে যেন টর্চের আলো ফেললো। আবারো টিক টিক শব্দ। খুব মৃদু। শব্দটা ঘরের পেছন দিক থেকে আসছে। পাকঘরে চলে আসি। বুঝলাম টিকটিকির আওয়াজ নয়।

বিস্তারিত»

ফিরে আসুন হুমায়ূন আহমেদ

ছোট বেলায় তখনকার সময়ের একমাত্র সম্বল বিটিভিতে দেখা ধারাবাহিক নাটকগুলোর মধ্যে প্রথম সবচেয়ে পুরনো যে নাটকটি কথা মনে আছে সেটা হলো বহুব্রীহি, এর আগে প্রচারিত আরো দু একটা নাটকের নাম আর দু একটা দৃশ্যের কথা মনে পড়লেও সেটা ঠিক স্মৃতির পর্যায়ে পড়ে না। যেমন সকাল সন্ধ্যা আর এইসব দিন রাত্রি, এর মধ্যে কোন একটার মূল চরিত্রে ছিল পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় আর আফরোজা বানু, সেটার কিছু দৃশ্যের কথা মনে আছে।

বিস্তারিত»

বাঙ্গালী লাদেন!

(প্রারাম্ভ-কথাঃ লেখাটা আরম্ভ করেছিলাম ১৫ আগষ্ট। শেষ করা হয়ে ওঠেনি নানান ঝামেলায়। কিন্তু আজ যখন বাবা তার এক বন্ধুর ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেখাল, তখন হুহু করে লেখাটা চলে আসলো। মনে আরো অনেক কথা ঘুরপাক খাচ্ছে- গুছাতে পারলাম না সেভাবে- দুঃখিত।)

আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবানদের মধ্যে গন্য করি কারণ পরিবার থেকে শ্রদ্ধাভাজনকে শ্রদ্ধা করার মত শিক্ষা পেয়ে এসেছি, নিজের অস্তিত্বের প্রতি সম্মান করতে শিখিছি। আমি আমার জাতি ও নাগরিক সত্বা নিয়ে গর্ববোধ করি আর আমার এই গর্বের কারণ এই দেশের জন্মের ইতিহাস,

বিস্তারিত»

একজন বাঁশীওয়ালা খুঁজে ফিরি

সভ্যতার আদিতে প্রকৃতির কোলেতে স্নিগ্ধ শুভ্রতারই বসবাস ছিল ! তখন এতটা দূষণ ছিলনা বাতাসে। তাইতো হৃৎপিন্ড এখন একটুতেই হাঁপিয়ে উঠে।
শুদ্ধতার মোহে তাড়িত হই আমি পথ থেকে পথে। সবার জীবনেই ছোট বড় দীর্ঘশ্বাস জমে যায়।
এ জন্যই হয়তো শব্দের ছলনায় সেইসব দীর্ঘশ্বাসগুলো আমরা একদম ভুলে থাকতে চাই।
জোর করে আঁকতে চাই শুধুই সুখছবি; তবুও এসে যায় ভায়োলিনের কান্না।
অভিমানে এক বুক আঁধার নিয়ে ছাইমাখা জীবনে উড়ে চলি –

বিস্তারিত»

আমাদের শিল্পসাহিত্যের গতিপ্রকৃতি – (দ্বিতীয় পর্ব)

প্রথম পর্ব


আচ্ছা আপনি কেন সাহিত্য পছন্দ করেন?
নাটক-সিনেমার প্রতিই বা আপনার এতো আগ্রহ কেন?
গান শুনেন কেন? কেন ফটোগ্রাফী, পেইন্টিংএর উপর আকর্ষন বোধ করেন?

উপরের প্রশ্নগুলো নারী, পুরুষ নির্দ্বিধায় কাউকে করলে প্রথমত তারা ঘাবড়ে যাবে। উত্তর পেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা হবে – ভালো লাগে, তাই। এই উত্তরটাই অনেকে নানান মোড়কে উপস্থাপন করবে। কেউ কেউ হয়তো নিজের ভেতর আরেকটু গভীরে অবগাহন করে বেশ উচ্চমাত্রার একটা উত্তর দিবে।

বিস্তারিত»

এলোমেলো মুভি ব্লগ-২

এবার চার দেশের চারটি মুভি। মুভিগুলো একটু কম পরিচিত, প্রথমটি বাদে বাকিগুলো সম্পর্কে কিছু না জেনেই দেখা শুরু করেছিলাম। আগের বারের মত এবারো বলে নিচ্ছি, মুভিগুলো নিয়ে হালকা আলাপ নিয়েই এই পোস্ট, কোন রিভিউ নয় স্রেফ দর্শক প্রতিক্রিয়া তবে হালকা স্পয়লার যুক্ত।

রণ (Rann)

অনেকদিন আগে সিসিবিতে এহসান ভাইয়ের এই ব্লগে রণ মুভিটার প্রিভিউ পড়েছিলাম। সেটা পড়ে দেখার জন্য আগ্রহ তৈরী হয়েছিল কিন্তু দেখা হয়ে ওঠেনি।

বিস্তারিত»

ধারাবাহিক উপন্যাস – ৩

পর্ব – শুরু থেকে তিন

তিন

সময়টা ১৯৭১ সাল। বাংলাদেশে বসন্তকালে সাধারণত কোন বৃষ্টি পরে না। আকাশ থাকে খুব পরিষ্কার। কিন্তু সে বছর মার্চ মাস থেকেই থমথম কালো মেঘেরা গমগম শুরু করে দিল। জলবায়ুতে আকস্মিক কোন পরিবর্তন হয়নি। সেদিনের আকাশও ছিল পরিষ্কার। তবে রাজনৈতিক আকাশ কালো মেঘে গম্ভীর। যে কোন মুহূর্তে দুর্যোগ নামতে পারে। চারদিকে ঘনঘটার পূর্বাভাস। প্রথমে বড়রা এ মফস্বল শহরে বসে ততটা বিপদ আঁচ করতে পারেনি।

বিস্তারিত»

উটের বিরিয়ানী এবং উট পালকের জন্মদিন…

বন্ধু সাকিব মাহফুজ। উট পালক সাকিব মাহফুজ। আমার এই বন্ধু উট পালন করে স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। তার উট সংক্রান্ত গল্পটা একটু বলা দরকার।

কলেজে আমরা তখন ক্লাস টেনে। আমাদের ব্যাচের পক্ষ থেকে আমাদের ব্যাচ টি শার্ট বানানো হবে। আমরা তখন পাতি পোলা পান। ব্যবসা ভাল বুঝিনা। সাকিব মাহফুজ আমাদের দিকপাল হয়ে দেখা দিল। আমরা টি শার্টের যাবতীয় দায়িত্ব মাহফুজকে দিয়ে নির্ভার হলাম।

বিস্তারিত»

হটমেইল: এক আইডিয়া হতে ৪০০ মিলিয়ন ডলার

(১)
সাধারণ এক ছেলে

গল্পের শুরু লসঞ্জেলস এয়ারপোর্টে। সবির ভাটিয়ার বয়স তখন ১৯। ক্যালিফোর্নিয়া ইন্সিটিটিউট অব টেকনলোজিতে পড়তে এসেছে সে। পকেটে ৪০০ ডলার। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিরেকশান দিয়েছে শাটল নিয়ে ক্যাম্পাসে আসতে। শাটল কি তাও সে জানে না। যুক্তরাষ্ট্রের  একজন মানুষকেও সে চেনে না। কেউ জানত না এই ছেলে একদিন ইমেইলের ধারণাকে পালটে দেবে।

হ্যাঁ। এই সাবির ভাটিয়া হট মেইলের প্রতিষ্ঠাতা।

বিস্তারিত»