সর্বাধুনিক কবিতা

ক্র্যাশ খাইলো কানা বাবুল,
ক্র্যাশ খাইলো আটা আবুল
ক্র্যাশ খাওন কি মজার ?
জবাব খুইজাই, পাইকছে দাড়ি
বাইরছে ভুড়ি, আমার চাচা-
কিচমত গনি খাজার।

আমগো পাড়ার রহিম মিয়া
পাঙ্খা মামার ব্যানার নিয়া,
খুলছে চায়ের দোকান একখান-
বছর খানেক আগে,
সেই দোকানে, রোইজ বিকালে
চক্কর একখান মারতে গ্যালে
চা না খাইলে চাচার আমার
কিমুন জানি লাগে !!

এক সক্কালে মেসওয়াক মুখে ,
গামছা নিয়া পিডে বুকে
চাচায় আমার পড়তে লইলেন
গরম গরম পেপার,
মাঝের পাতার ছবির মাইয়া ,
চাচার দিলে হান্দাইয়া যাইয়া,
আচানক করলো
একখান বিরাট বেপার স্যাপার।

চাচার আমার তখন মনে,
ভালোবাসা্র মাঠে বনে,
উথাল পাথাল করে সুধু –
স্পিরিচুয়াল লাব।
খোস মেজাজে সুরমা দিয়া,
নাগরা পায়ে গুইজা নিয়া ,
ঘুরতে থাকেন মহল্লাতে-
বুজিনা ভাব সাব।

দিনদুই বাদ জানলো চাচা
হুদাই কি আর যায়না বাঁচা ?
মাইয়া হইলো বোম্বাই মরিচ-
নাম তার ক্যাটরিনা !!!
আমরেরে ডাইক্যা নিজে
কয় “ভাইস্তা করি কিযে”
আমি কইলাম ‘হইয়া যাইব,
আপনে ঘুমান, ফুলাইয়া-
বুকের সিনা ‘ ।

চাইরদিন পর হইলো যে কি-
চাচার মাথায় পড়লো ঢেকি
গলির মাথায় জাইন্যা গেলেন-
কি আজব কারবার!!
কেমতে কইরা ইমুন হইলো?!
ক্র্যাশের নেশা ছুইটা গেলো-
ওই মাইয়ার ই ক্রাশ খাইছে
আমগো পাড়ার
রহিম দোকানদার !

আমি কইলাম ফাঁপর দিয়া
‘কিয়ের চিন্তা চাচা মিয়া ?
লাগলে মাইয়া আরো আইব,
এই মাইয়াই যা তা –
হ্যারে রহিম মিয়াও স্বপ্ন দ্যাহে,
বাদ দেন চাচা,
আমগো ইস্টেটাস বইল্যা কতা।’

অহনোতো বিকাল হইলেই ,
রহিম মিয়ার ওই দোকানেই –
চা খাইতে যান রোজ ।
ছয় দিনেই চাচার আমার,
ক্র্যাশ আর ছ্যাঁকের
পুরা চ্যাপ্টার-
সানডে মানডে কোলোজ ।।

১,০৩৯ বার দেখা হয়েছে

৭ টি মন্তব্য : “সর্বাধুনিক কবিতা”

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।