দূরত্ব

১.

নির্মাণাধীন মিরপুর ডিওএইচএস ইদানিং চিড়িয়াখানা আর বোটানিক্যাল গার্ডেনের উপর চাপ বহুলাংশে কমিয়ে দিয়েছে। খোলা জায়গা আর কয়েকটা জলাশয়ের গুনে মিরপুর ডিওএইচএস প্রতিনিয়ত ‘ওয়াও’, ‘অসাম’, ‘মাই গস’, ‘অসাধারন’ এবং আরও ছোট কিছু ইংরেজি এজেক্টিভ অথবা লম্বা বাংলা বিশেষণে মহিমান্বিত হয়েই যাচ্ছে!

ওসমানী হলটা পার হয়ে তরফদার সাহেব যেই গাড়িটা ডানদিকে ঘুরালেন ওমনি রুমানার গলা দিয়েও বিস্ময়ের আওয়াজ ‘ওয়াও’ শোনা গেলো। বাসা মিরপুর দুইয়ে হলেও বারো নম্বরের এই দিকটাতে আসা হয়নি কখনও রুমানার । তরফদার সাহেব বহু জোরাজুরি করে শেষ পর্যন্ত রুমানাকে আজ এখানে নিয়ে আসলেন। রুমানার কোলে তার ছয় বছরের মেয়ে রিমি।

‘মা, জানালাটা নামিয়ে দাও না।’

মেয়ের কথায় জানালার কাঁচ নামিয়ে দিল রুমানা। কি বাতাস! কি নির্মল বাতাস! রিমি এদিকে জানালা দিয়ে মাথা বাইরে দেবার চেষ্টা করছে।

‘এই মেয়ে! মাথা বাইরে দেয় না।’

‘কেন দেয় না মা?’

‘এ্যাক্সিডেন্ট হবে।’

তরফদার সাহেব তার রঙিন দাঁত গুলো বের করে ওদের দিকে তাকিয়ে হাসল।

‘কি, বলেছিলাম না ভালো লাগবে?’

হাসল রুমানা। ‘অনেক সুন্দর জায়গা! বিউটিফুল!’

এক হাত গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে রেখে অন্য হাতে রিমির গাল টিপে দিল তরফদার।

‘কি মামুনি বিউটিফুল অর্থ জানতো?’

রিমি মাথা ঝাঁকাল। জানে সে।

‘ আমাদের বুশরা মিস ক্লাসে বলেছেন বিউটিফুল মানে হোল সুন্দর।’

আদর করে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিল রুমানা। ‘দেখেছেন আমার মেয়েটা কত কিছু জানে!’

তরফদার আরও একবার তার রঙিন দাঁতগুলো বের করে হাসল। ‘ তাইতো দেখছি!’

সন্ধ্যার এই আলো-আঁধারির খেলায় তরফদারের গাড়ি যতই ইসিবি ক্যান্টিনের দিকে এগিয়ে চলছে ততই রাস্তার দু’পাশে পার্ক করা গাড়ি আর বাইকের সংখ্যা বাড়ছে। ওদের পাশ দিয়ে হঠাৎ তিন-চারটা বাইক হুঁশ হুঁশ করে বেরিয়ে গেল। তরফদার নিজের গাড়ি সামলাতে সামলাতে বলল, ‘ অবস্থা দেখেছ রুমানা? ইয়াং ছেলেদের কোন কাণ্ড-জ্ঞান আছে?’

রুমানা কিছু না বলে বাইরে তাকিয়ে রইল। রাস্তার দু’পাশে এত গাড়ি আর বাইক দেখে তার মনে হয় কোন এক অটোমোবাইল মেলায় এসে পড়েছে সে! একটা দীর্ঘনিঃশ্বাসও বেরিয়ে পড়ল তার বুক চিরে। বাংলাদেশের মানুষ নাকি গরীব!

 

২.

রাত নেমেছে। আলো-আঁধারির খেলা শেষে এখন প্রকৃতির অন্ধকার আর বিদ্যুৎ বাতির লড়াই শুরু হয়েছে। ইসিবি ক্যান্টিনের বাইরে পাতা এক টেবিল দখল করে বসেছে রুমানারা। খাওয়া দাওয়া শেষে রুমানা আর তরফদার কফি খাচ্ছে, আর রিমি খাচ্ছে কোকাকোলা। রাতের এই সুনসান নীরবতাকে হঠাৎ এক মুহূর্তে খান খান করে  দিয়ে হাউলার লাগানো পাঁচটা বাইক প্রচণ্ড গতিতে কোন এক অদৃশ্য সাপের পদাঙ্ক অনুসরণ করে কালশীর দিকে ছুটে গেলো। বাইকগুলোর পিছু পিছু বোতল কুড়ানো একদল পিচ্চিও ছুটে গেলো বিকট স্বরে চীৎকার করতে করতে। দেখার মত ব্যাপার।

‘শালার পাগল পোলাপাইন! রেকলেস ফুলস! যেই দিন মরবো সেই দিন বুঝবো!’

কথাটা শুনে পাশের টেবিলের দিকে তাকাল রুমানা। ২২-২৩ বছরের ৪ জন তরুণ বসে আড্ডা মারছে।

‘ এই হারামিগুলোর জন্যই কিন্তু এক্সিডেন্ট হয় বার বার। এত মানুষ মরে তাও শিক্ষা হয় না কেন?’

‘ আরে এইসব পোলাপাইনতো মরে না। মরে কারা? মরে আমাদের মত ভেজিটেবলগুলা!’ কথাটা শেষ করে ছেলেটা হাতে ধরে রাখা হাফ লিটার কোকের বোতলটা যেই দূরে ছুঁড়ে ফেলতে উদ্যত হলে ওমনি কোথা থেকে যেন পিচ্চি এক মেয়ে এগিয়ে এল।

‘ বোতলটা আমারে দেন।’

ছেলেগুলো মেয়েটার দিকে ঘুরে তাকাল।

‘ এইদিকে আয়।’ মেয়েটাকে কাছে ডাকল ওদের একজন।

মেয়েটা হাতের বড় পলিথিনটা একটু শক্ত করে ধরে ছেলেটার দিকে এগিয়ে যায়।

‘ বোতল দিয়ে কি করবি?’

‘ ভাঙ্গারি মামারে দিমু।’

‘ কি মামা? ভাঙা……না কি বললি?’

‘ ভাঙ্গারি মামা।’

‘ ভ্যান গাড়ি মামা?’

মেয়েটা হাসে।

‘ আচ্ছা, মামার নাম বাদ। ঐ মামারে কি বোতল দিলে টাকা দিব?’

মাথা ঝাকায় পিচ্চি মেয়ে।

‘ দেখি……কয়টা বোতল পাইলি আজ……’

মেয়েটা এগিয়ে গিয়ে তার পলিথিন খুলে দেখায়।

‘ বাহ! অনেকগুলাতো! কয় টাকা পাবি?’

‘ জানি না………২০ টাকা পাইতে পারি।’

এতক্ষণ চুপ করে থাকা এক ছেলে এবার প্রশ্ন করে, ‘ এই মেয়ে, তোর নাম কি?’

‘ রিমি!’

উত্তরটা শুনে ঝট করে পাশে দাঁড়ানো মেয়েটার দিকে তাকায় রুমানা। আরে! মেয়েটা দেখি তার রিমিরই সমান! অবশ্য জট পাকানো চুল আর ময়লা ফ্রকটা মুহূর্তেই রুমানার রিমির সাথে এই রিমির দূরত্বের আত্মীয়তাটা স্পষ্ট বুঝিয়ে দেয়। ছেলেগুলো ঐদিকে প্রশ্ন করেই যাচ্ছে।

‘ পড়ালেখা করিস? স্কুলে যাস?’

‘ নাহ।’

‘ যাস না কেন? পড়তে ইচ্ছে হয় না?’

‘ নাহ!’

মেয়েটার নির্বিকার উত্তর শুনে ছেলেগুলো বিস্ময়বোধক আওয়াজ করে।

‘ তোর বাপ কি করে?’

মেয়েটা আঙুল কামড়ায়। ‘ বাপ নাই। ছাইড়া চইলা গেছে।’

‘ মা?’

‘ মায় কিছু করে না।’

‘কিছু করে না মানে? তোরে বোতল টোকাইতে পাঠায় আর সে কিছু করে না?’

দাঁত দিয়ে নখ কামড়ায় মেয়েটা। ‘না।’

নিজেদের ভেতর মুখ চাওয়াচাওয়ি করল ছেলেগুলো। যার হাতে বোতল ছিল সে বোতলটা মেয়েটার দিকে এগিয়ে দিলো। আর দুইজন ১০ টাকার দুইটা নোট মেয়েটার হাতে ধরিয়ে দিল।

‘ নে রাখ। তোর বোতল বেচার টাকা আজ উসুল হয়ে গেল!’

টাকা আর বোতলটা নিয়ে হাসিমুখে মেয়েটা এক ছুট দিলো রাস্তার দিকে। রুমানা পেছন থেকে ডাকল আবার মেয়েটাকে। ‘ এ্যাই মেয়ে!এ্যাই মেয়ে!’

রিমি থমকে দাঁড়িয়ে ঘুরে তাকাল। তারপর রুমানার দিকে এগিয়ে আসতেই কোন কথা না বলে পার্স থেকে ১০০ টাকার একটা নোট বের করে মেয়েটার দিকে বাড়িয়ে ধরল রুমানা।

‘ এটা ধরো।’

রিমির সবগুলো দাঁত বেরিয়ে পড়লো। টাকাটা নিয়ে আগের চেয়েও দ্বিগুণ গতিতে রাস্তার ওপাশের দোকানগুলোর দিকে দৌড়ে চলে গেল। রুমানা মেয়েটার চলে যাওয়া পথের দিকে কেমন করে যেন তাকিয়ে রইল। কানে বাজছে দুইটা লাইন।

‘ চইলা গেছে।’

‘ কিছু করে না।’

 

৩.

ভাঙ্গারি মামার কাছে বোতলগুলো দিয়ে টাকা নিয়ে কালশীতে নিজের মায়ের কাছে ফিরতে ফিরতে রিমির রাত প্রায় নয়টা বেজে গেল। রিমিদের ঘরটা বস্তির একেবারে দক্ষিণ পাশে। টিন দিয়ে কোনরকম জোড়া-তালি দেয়া এক রুমের ঘর। ঘরটার মালিক আবার বিজু মিয়া। কেন যেন রিমিদের প্রতি বরাবরই খানিকটা নরম সে। বস্তির মহিলারা অবশ্য দুলে দুলে হাসে, ‘ বিজু মিয়া করব না কেন? রহিমা (রিমির মা) কি কম করে তার জন্য!’

একটা কুপি বাতির আলোয় চুলা থেকে ভাতের পাতিলটা রহিমা নামাতেই রিমি এসে ঢুকল ঘরে।

‘ মা!মা! দেহ আইজ কত্ত টেকা পাইছি!’

রহিমা মেয়েকে বুকে টেনে নেয় হাসিমুখে। ‘ ওরে আল্লাহ্‌! মাইয়া দেহি আমারে বড়লোক বানাইয়া দিলো!’

রিমি খিলখিল করে হাসে। মেয়ের হাত থেকে টাকাগুলো নিয়ে গোনে রহিমা।

‘১১০ টাকা!’

রিমি আবারও হাসে। ত্রিশ টাকা যে সে খরচ করে ফেলেছে সেটা বলার আর সাহস হয়ে ওঠে না তার।

 

৪.

রুমানা আর রিমিকে ওদের বাসার গেটে নামিয়ে দিয়ে তরফদার সাহেব অন্য একটা কাজে চলে গেলেন। রাস্তার ওপাশের টং দোকানের ছেলেগুলো অভ্যাসমত এই দিকেই আড়চোখে তাকিয়ে আছে। রুমানা যেই রিমিকে কোলে নিয়ে বাড়ির গেট দিয়ে ঢুকতে যাবে ওমনি পেছন থেকে কে যেন বলে উঠল,  ‘আহারে……খালি একটা গাড়ি থাকলেই মাম্মা…………!’

বাকি সবাই হোঃ হোঃ করে হাসিতে ফেটে পড়ল। ঘুমন্ত রিমিকে কোলে নিয়ে নির্বিকার মুখে গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ল রুমানা।

 

 

৫.

রহিমা তার ঘুমন্ত মেয়ের পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। মাথার ওপাশে কুপি বাতিটা প্রায় নিভু নিভু। এমন সময় খুব মৃদু শব্দে টোকা পড়ল দরজায়। একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে খুব সাবধানে মেয়ের পাশ থেকে উঠে পড়ে রহিমা। টিনের দরজাটা সামান্য খুলতেই অন্ধকারের মাঝে অভ্যস্ত চোরের মত সন্তর্পণে বিজু মিয়া ঢুকে পড়ে। এরপর মুখস্ত রুটিন। রিমির বিছানাকে আড়াল করার জন্য ঘরের মাঝ বরাবর একটা দড়ি টাঙিয়েছে রহিমা। সেই দড়ির উপর একখানা কাঁথা ঝুলিয়ে দিল সে। তারপর টিনের দেয়ালে ঝোলানো পাটিটা নামিয়ে কাঁথার বেড়ার আড়ালে বিছিয়ে দিল।

 

রুমানা শুয়ে শুয়ে ভাবছে। রিমি তার পাশে গভীর ঘুমে হারিয়ে গেছে স্বপ্নের দেশে। হঠাৎ সাইলেন্ট করে রাখা ফোনটা ভাইব্রেশনে কেঁপে উঠল। তরফদার সাহেবের ফোন।

‘ হ্যালো রুমানা, দরজাটা খোল।’

‘ আসছি।’

মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে, কপালে আলতো একটা চুমু দিয়ে বিছানা ছেড়ে নেমে গেল রুমানা। দরজা খুলতেই তরফদার সাহেব তার রঙিন হাসিটা উপহার দিল।

‘ বুঝলে আজকে আর ক্লায়েন্ট- ফ্লায়েন্ট আনলাম না।’

রুমানা হাসার চেষ্টা করে তাকে নিয়ে অন্য এক ঘরে গিয়ে ঢুকল। তরফদার নিচু স্বরে কথা বলেই যাচ্ছে।

‘ মাঝে মাঝে আমরা দুই জন মিলে একটু চিল করলে ভালোই লাগে। কি বল?’

আবারও হাসি দেবার চেষ্টা করে রুমের দরজাটা বন্ধ করতে ব্যস্ত হোল রুমানা। তরফদার এদিকে এগিয়ে যায় রুমানার দিকে।

তরফদার যখন জান্তব ক্ষুধায় হিংস্র হায়েনা হয়ে উঠেছে, রুমানার চোখে তখন বোতল কুড়ানো মেয়েটার ছবি। স্বামী পরিত্যক্ত, স্বল্প শিক্ষিতা মা হয়ে সে ভালোই ঐ মেয়েটার মায়ের গল্প চিন্তা করতে পারে। তরফদারের ক্ষুধা আজ যেন কিছুতেই মিটবে না। মুখে হাতচাপা দিয়ে কান্নার দমক থামায় রুমানা। চোখ উল্টে ওপাশের দেয়াল দেখে সে। ওইত ঐ দেয়ালের ওপাশেই তো তার মেয়ে! আচ্ছা তার মেয়ের সাথে তার এক দেয়াল দূরত্ব………ঐ বোতল কুড়ানো মেয়েটার মা কি এতটুকুও পায়?

বিজুর ক্ষুধাও আজ জান্তব রূপ ধারন করেছে। রহিমা খুব সাবধানী। কোনোভাবেই শব্দ করে না সে। খালি নিঃশ্বাসের ফোঁস ফোঁস শব্দ। মাঝে মাঝে মুখে হাত চাপা দেয় সে। একটু শব্দ হলেই জেগে উঠবে তার মেয়ে। মাত্র একটি কাঁথার দূরত্ব!

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

২,২৭৮ বার দেখা হয়েছে

৩৭ টি মন্তব্য : “দূরত্ব”

  1. রাব্বী (৯২-৯৮)

    বলতেই হবে গল্প বলার সহজ ধরণ, চরিত্র এবং পারিপার্শ্বিকতা বেশ ভাল লেগেছে মেহেদী।

    'পাঁচ'টা একটু অন্যরকম হতে পারতো কি? তাহলে আমার বেশি ভাল লাগতো। মনে হয়েছে গল্পের দুটি স্রোত একটু যেন তড়িঘড়ি সাদৃশ্য করা হয়েছে। 'পাঁচে' এটাও মনে হয়েছে যেন মূল চরিত্রের প্রতি বেখেয়ালি সমবেদনা না আসতো , তাহলে যথোপযুক্ত হতো।

    নিয়মিত লিখো 🙂


    আমার বন্ধুয়া বিহনে

    জবাব দিন
  2. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)

    বাহঃ চমৎকার লিখেছ।
    বেশ সাবলীল তোমার লেখার হাত। 😀 😀 😀
    তা নিয়মিত লিখ কিন্তু 😛 😛


    "আমি খুব ভাল করে জানি, ব্যক্তিগত জীবনে আমার অহংকার করার মত কিছু নেই। কিন্তু আমার ভাষাটা নিয়ে তো আমি অহংকার করতেই পারি।"

    জবাব দিন
  3. Zaheen (02  - 08)

    চমৎকার লিখেছ!!!!!!!! তবে কেন যেন মনে হল যে, হটাৎ করেই শেষ হয়ে গেল । গল্পের শেষ থেকে "রেটিং করুন" পর্যন্ত "দূরত্ব"টা আমাকে আরও বিভ্রান্ত করেছে । তিনবার পেজ রিলোড করার পর বুঝতে পারলাম যে, গল্পটা আসলে এখানেই শেষ 🙁 । লেখালেখি থামিয়ো না কিন্তু...... 🙂

    জবাব দিন
  4. নাজমুল (০২-০৮)

    বেশ অনেকদিন পর কিছু পড়লাম সিসিবিতে, অনেকদিন সিসিবিতে পড়া হয়না।
    মেহেদির কারণে আসলাম এবং হতাশা হইনি। বেশ লিখছ তুমি, লেখার মাঝে স্বস্তা আবেগ আনার চেষ্টা করোনি তা আরো ভালো লেগেছে।
    আশাকরি নিয়মিত লিখবে এবং আমাদের আরো বই উপহার দিবে।

    একটা প্রশ্ন করতে পারি মেহেদি?? তোমার একটি চরিত্রের নাম বিজু!!
    এই নামটি তোমার মাথায় এসেছে কিভাবে??

    ধন্যবাদ,
    নাজমুল

    জবাব দিন
  5. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    ব্লগে স্বাগতম মেহেদী, দারুন লিখেছো। তোমার কাছ থেকে আরো লেখার আশায় থাকলাম। :clap: :clap:

    কিন্তু ব্লগের ডিসিপ্লিনের এই অবস্থা কেন হইলো? সেই দিনের এক পোলা ১ম পোস্ট দিল, কিন্তু এখন পর্যন্ত ফ্রন্টরোলের কোন আওয়াজ নাই? কুইক বিশটা লাগাও মেহেদী :grr:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  6. রুম্মান (১৯৯৩-৯৯)

    লেকের পেড়ে পলাশ বিল্ডিং এর ৬ তলার বারান্দায় যে আমি দাঁড়ায়ে ছিলাম রুমানা কি সেটা দেখছে??? জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম


    আমার কি সমস্ত কিছুই হলো ভুল
    ভুল কথা, ভুল সম্মোধন
    ভুল পথ, ভুল বাড়ি, ভুল ঘোরাফেরা
    সারাটা জীবন ভুল চিঠি লেখা হলো শুধু,
    ভুল দরজায় হলো ব্যর্থ করাঘাত
    আমার কেবল হলো সমস্ত জীবন শুধু ভুল বই পড়া ।

    জবাব দিন
  7. রাফি (২০০২-২০০৮)

    x-( x-( x-( ফ্রন্ডুলে ফাকিবাজি কর????
    ২০*২=৪০ টা আলাদাভাবে লাগাও
    লেখা ভাল হইছে,কি মনে করে আজকে ঢুকছি কে জানে।তবে ঢুকে ভাল লাগছে,আরও রেগুলার দেখতে হবে।


    R@fee

    জবাব দিন
  8. আহ্সান (৮৮-৯৪)

    একটা সময় ছিল যখন সারা দিন সিসিবি'তে পড়ে থাকতাম। কিন্তু জীবনের প্রয়োজনে (হয়তো গ্রহণযোগ্য অযুহাত নয়) তা এখন এতটা-ই আনিয়মিত হয়ে গেছে যে নিজের কাছেই লজ্জা লাগে। পরিচিত অঙ্গনে সুদীর্ঘ বিরতির পরে যেরকম কিছুটা দ্বিধা কিছুটা লজ্জা নিয়ে মানুষ পা রাখে, ঠিক তেমনি আমিও আজ সিসিবি'তে উকি মারলাম একটু। অনেকটা ইমোশনাল ও হয়ে গেলাম পুরোনো অঙ্গনটিকে দেখে।
    কি মনে করে যেন এই লেখাটিকেই প্রথম পড়ে ফেললাম। লেখাটি পড়ে অনেকক্ষণ নিস্তব্ধ ছিলাম। ভীষন আলোড়িত হয়েছি সন্দেহ নেই। সাথে সাথে যখন মনে হলে অনেকদিন ধরেই হয়তো এত সুন্দর কিছু লেখা মিস করেছি, তখন নিজেকে প্রচন্ড লুজার ও মনে হলো।

    মেহেদী,
    ভীষন ভালো লেগেছে তোমার লেখা। এতদিন পড়ে আমাকে এভাবে আবেগতাড়িত করার জন্য তোমার ব্যান চাই 😛 ...
    অসাধারণ লেখা। ভবিষ্যতে আবারো তোমার লেখা পড়বো সেই প্রতীক্ষায় থাকলাম। (সম্পাদিত)

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।