হঠাৎ থেমে গেছে বাতাস
গুমোট হয়ে গেছে চারদিক,
হিজল তমাল সুন্দরি গরান নুয়ে পড়েছে,
রাতচরা পশুপাখির ডাক
অথবা ঝি ঝি পোকার একটানা শব্দ এখন নেই,
একটু আগের উজ্জ্বল চাঁদের আলো
এখন অনুজ্জ্বল হয়ে শুধু উপস্থিতি জানান দিচ্ছে,
ঝিরি ঝিরি বাতাসে কৃষকের ধানক্ষেতে –
কম্পিত সবুজ পাতগুলো এখন আর নড়ছে না,
সমুদ্রের ফনিল ঢেউয়ের উদ্দামতা এখন আর চোখে পড়ে না,
হৃদয় মেশিনগান
ওরে ওরে
তোর হাতে কিরে?
রাম’দা ? চা’পাতি ?
তুই নিবি আমার প্রান ?
হাহ, ডাশা মূর্খরে তুই,
বোধহয় জানিস না আজ-
বুকে আমার
হৃদয় মেশিনগান।
বলছিস কি?
জং ধরেছে?
৭১ এ গর্জে ছিল,
আজ মনে হয় থমকে গেছে?
বড় মূর্খরে তুই…
দেখ চেয়ে দেখ
হৃদয়খানি অস্ত্র করে,
জেগেছে আজ লক্ষকোটি প্রান।
জাপানী মামার সনেট
আহা কি সুন্দর দেখো, পূর্ণিমার রাতি
আকাশেতে উড়িতেছে একপাল হাতি।
শরীরেতে নেই কোনো উড়িবার পাখা
পদগুলো নীচে থেকে মেলে দেয় শাখা॥
পদের শাখার দ্বারা জুড়িয়া আঘাত্
হাতি গুলো উড়ে যায় মেলে দিয়ে হাত॥
গগনে দেখিয়া হাতি তেলাপোকা ভাবে,
আমি কি পারিব কভু এভাবে উড়িতে?
হাতিদের আছে মুখে শুঁড় একখানা,
দুইখানা শুঁড় মোর, সাথে আছে ডানা॥
যেই ভাবা সেই কাজ,
মাননীয় পররাস্ট্র মন্ত্রীর প্রতিঃ বাংলাদেশকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মরণ ফাঁদ বন্ধ করতেই হবে এখনই।
কে দিল ওয়াইট হাউজের পেইজে বাংলাদেশ ১৯৭১ নিয়ে পেটিশন? সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে নোংরা রাজনীতি খেলছে কোন রাজাকারের বাচ্চা?
Express solidarity with the protesters in Bangladesh who are seeking justice for the war crimes of 1971
উপরের এই শিরোনামে দেয়া হয়েছে একটি পেটিশন ইউ এস সরকারকে জানিয়ে ওয়াইট হাউজের সাইটটিতে।
বিস্তারিত»পবিত্রতা
অনিন্দ্য ইমতিয়াজঃ
দেখে কে বলবে। এখন রাত সাড়ে ১০টা বাজে? রাজপুরীর মত ঝলমলে আলোয় ভরে আছে গোটা শহর। চারিদিকে মানুষের চিৎকার, চেঁচামেচি, আনন্দোৎসব। সবার মুখেই একটা খুশি খুশি ভাব। নাহ! সবাই এই কথাটা ঠিক না। কোথাও না কোথাও অন্তত একজন তো থাকবেই যে খুশি নয়। অখুশি বলবনা, কিন্তু হয়ত সে বিষন্ন। একা একা চারিদিকে হাটছে আর নিজের প্রতিবিম্ব খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
বিস্তারিত»বিতর্ক
যে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, কবি ও কেরানী প্রকাশ্য পথে হত্যার প্রতিশোধ চায়না; আমি তাদের ঘৃণা করি
প্রজন্ম চত্বর
আমি ব্লগ লেখা ছেড়ে দিয়েছি অনেকদিন। পড়া ছাড়িনি। কাল রাত থেকে ঘুমাতে পারছি না। কিছু একটা যেন গলার কাছে আটকে আছে। শাহবাগে কদিন গিয়ে আমরা যারা ভেবেছি এইভাবেই আমরা খুব সহজে দেশকে রাজাকার মুক্ত করে ফেলতে পারব রাজীবের মৃত্যু আমাদের মনে করিয়ে দিল আমরা কার বিরুদ্ধে কেন লড়ছি। সাপ ঘুমিয়ে থাকলেও সাপ। তাদের কে রেখে শান্তির চেষ্টা করা যায় না। ৪০ কেন যদি এই দাবি আদায় করতে করতে আরো ৮০ বছর ও লেগে যায় তাহলেও আগে এই সাপকে দূর করা ছাড়া দেশের আর কোন উন্নতির কথা ভাবা যাবে না।
বিস্তারিত»আমিও একজন ব্লগার
আমিও একজন ব্লগার- এই কথাটি অত্যন্ত গর্বের সাথে নিজেকে মনে করিয়ে দিতে আজকে ব্লগ লিখছি। শাহবাগ আন্দোলনে দেশের বেশিরভাগ মানুষের সমর্থন ও অংশগ্রহন থাকলেও এর মূল উদ্যোক্তা কিন্তু আমাদের তরুন সমাজই। তরুনদের জন্য যুক্তির চেয়ে আবেগ প্রকাশ করা সহজ, শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকার চেয়ে মুক্ত বা উত্তাল হওয়া সহজ, মহাত্মা গান্ধী হবার চেয়ে মাস্টারদা সূর্যসেন, সুভাস চন্দ্র বা প্রীতিলতা হওয়া অনেক সহজ।
রাজীবকে ইসলাম বিরোধী প্রমান করার মাধ্যমে জামাত-শিবির এই হত্যাকান্ডকে অন্য খাতে নিতে চাচ্ছে।
বিস্তারিত»বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অমিত সম্ভাবনার সূচনা
১
শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে আন্দোলন চলছে, দিনে দিনে তা চারাগাছ থেকে মহীরুহে পরিণত হচ্ছে। প্রাথমিক উত্তেজনা খানিকটা থিতু হয়ে আসায় এখন এই গাছে কি ফলের সম্ভাবনা আছে, তা কবে পরিপক্ক হবে, কার পাতে যাবে- এইসব নিয়ে খানিকটা চিন্তারর ফুরসত পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রক্ষিতে রাব্বীর ব্লগটা খুব পরিচ্ছন্ন একটা ধারণা দিল এই আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষিত নিয়ে। এটা খুবই সত্য যে, স্বাধীনতা-উত্তর দেশে ইসলামীকরণ হয়েছে, আর সেই সুযোগে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আবার বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে বসেছে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ক্রমশঃ দূর্বল করে দিয়ে দেশকে বারবার পেছনে ঠেলে দিয়েছে।
বই সমালোচনা “বিতংস”
খান আরিফা লোপা আমার বই “বিতংস”এর একটি সমালোচনা করে। সেটি এখানে পোস্ট করে দিলাম।
লোপা বুয়েটে আমার এক ক্লাস উপরে পড়তো – স্থাপত্যবিদ্যায়। যদিও আমেরিকাতে এসে সে বিষয় পরিবর্তন করে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়েছে। লোপার চিন্তা-ভাবনায় তার একটা নিজস্বতাবোধ কাজ করে। ওর বাবা কবি রফিক আজাদ যার “ভাত দে …” কবিতাটি মনে হয় সবারই কমবেশি জানা। যেহেতু এই কবিতাটি রচনাকালের সেই সময়টা আমার লেখায় উঠে এসেছে তাই আগ্রহ ছিল লোপা কি বলে তা জানার জন্য।
প্রজন্ম শাহবাগ পূর্বাপর
আমরা যারা শৈশব এবং কৈশোরের সন্ধিকালে স্বৈরাচার থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান দেখেছি তাদের অনেক আশার সঞ্চার হয়েছিল নব্বই-উত্তর নতুন দিন নিয়ে অগ্রজদের উচ্ছ্বাস দেখে। আমরা একাত্তর দেখিনি। মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। শুধু গল্প শুনেছি। বইয়ে পড়েছি। কখনো সিনেমায় দেখেছি। আর বিশেষ দিনে টেলিভিশনে যুদ্ধের ফুটেজ দেখেছি। পরিবার এবং পড়শির কাল নিরবধির স্বপ্নে আচ্ছন্ন থেকেছি। ভীষণভাবে মগ্ন হয়েছিলাম নব্বইয়ের নতুন অজানা দিনের শিহরণে। তখন আর কিছু বুঝি বা না-বুঝি সেটা যে বাংলাদেশের রাজনীতি ইতিহাসে একটা মাইলফলক সেটা বুঝতাম।
বিস্তারিত»“তেলাপোকা কেন উল্টে মরে ”
অনিন্দ্য ইমতিয়াজঃ
চিঠিটা খুলে বার বার দেখি
আরও একবার-
লেখাগুলোর উপর হাত বুলোই,
নিস্প্রান এই লেখাগুলো এত সজীব কেন?
কি মায়ায় এরা আমাকে ডাকে-
বারেবার; জানিনা।
মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে
কখনও বা উপদেশ, আবার হঠাৎ হঠাৎ –
খুচরো কিছু ভালোবাসার আবেশ।
খাটের পাশে রাখা গিটারটা তুলে নেই
“টুং টাং” কিছু অচেনা সুর –
বইমেলায় মোস্তফা মামুনের নতুন বই………
আমাদের ব্যাচের ব্লগার বন্ধু ফরিদ অবশ্য ইতোমধ্যে ফেসবুকের প্রতিটি পাতায় পাতায় এঁটে দিয়েছে। আমি ওর টাই কপি করলাম। কি আর করা?
ক্যাডেট কলেজ নিয়ে ক্যাডেট নম্বর ৫৯৫, কলেজ ক্যাপ্টেন, ভাইস প্রিন্সিপাল স্যার ইত্যাদি সাড়া জাগানো বই এর লেখক মোস্তফা মামুন (সি ক ক) ভাই এর এবারের বই মেলায় এসেছে নিচের বইগুলো-
১। লাল শার্ট – অন্বেষা প্রকাশন
২।
কম্পিউটার আর আমরা কিছু সেকেলে
“কি বললি? তুই কম্পিউটার দেখছস?”
অবাক নয়নে আমার গুটি কয়েক বন্ধু আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি অত্যন্ত গর্বের সাথে বুক ফুলিয়ে বললাম, “হ্যাঁ! বাবা নিয়ে গেছিল স্টেশনে।ওইখানে অফিসে নিয়ে আমাকে কম্পিউটার দেখাইছে। আমি ধরছিও!”
বন্ধুরা অবাক হয়ে মস্ত হা করে আমার হাতখানা টিপে দেখে! আলভী কম্পিউটার ধইরা আসছে! সোজা কথা?
এরপর একেকজনের কৌতূহলী প্রশ্ন,
-কম্পিউটার কি করতেছিল রে?
-মানুষকে টিকিট দিতেছিল।
