শিশুদের জিয়া

শিশুদের জিয়া
————– ডঃ রমিত আজাদ

দিনটি ছিল মহান একুশে ফেব্রুয়ারী। শহীদ মিনারের ঠিক উল্টা দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা বাগানে, একটি আড়াই বছরের শিশুকে মালি বা পিওন ধমকা ধমকি করছে, ফুল ধরেছে বলে। বাবা-মা মালিকে বোঝাতে পারছে না। তারপর আমি এগিয়ে গেলাম, “কি হয়েছে, আপনি বাচ্চাটাকে ধমকাচ্ছেন কেন?” বলল, “বাচ্চাটা ফুল ছিড়ছে তাই”। আমি বললাম, “ফুল তো ছিড়ে নাই, ধরেছে মাত্র”। ছোট শিশুটির বাবা বলল, “ওর তো মাত্র আড়াই বছর বয়স, একটু ফুল ধরে দেখতে চেয়েছে”। সেই মালি/পিওন বলল, “না, এখানে ফুলে হাত দেয়া নিষেধ, ফুল থাকবে সবাই দেখবে”। আমি বললাম, “ছোট বাচ্চা, এগুলো তো আর বুড়োদের জন্য না। বাচ্চারা দেখবে, হাসবে, খেলবে। ওদের জন্যই তো সবকিছু। পিওনটা গজগজ করতে করতে চলে গেল। এই হলো আমাদের দেশের সামগ্রিক অবস্থা, শিশুদের প্রতি আবেগ, নজর, ভালোবাসার অনেক অভাব।

কিন্তু এই আমাদের দেশেই এমন একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যিনি বুঝতে পেরেছিলেন, শিশুদের ভালো না বসলে দেশ বা জাতিকে ভালোবাসা হয়না। যেকোন জাতি গঠনের শুরু করতে হবে শিশুদেরকে দিয়ে। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতি হলেন জিয়াউর রহমান। তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, জাতির ভবিষ্যৎ হলো শিশুরা। যে কোন জাতি গঠন শিশুদেরকে দিয়েই শুরু করতে হবে। সেই উদ্দেশ্যেই তিনি বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেন।
১। শিশুদের সাংস্কৃতিক ও নানা জাতীয় মেধা চর্চার জন্য শিশু এ্যকাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন,
২। দেশের প্রতিটি বৃহত্তর জেলায় এ্যকাডেমির শাখা স্থাপন করেন,
৩। শিশুদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে নতুন কুঁড়ি নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন, যা বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার হতো। পরবর্তিকালে অনেক সুখ্যাত শিল্পি ঐ নতুন কুঁড়িরই প্রডাক্ট,
৪। সারাদেশে মেধাবী শিশু ছাত্রদের অনুপ্রেরণা দেয়ার লক্ষ্যে তাদের জন্য একটি সম্মেলনের আয়োজন করেন এবং সশরীরে সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করেন। সেই সম্মেলনে অংশগ্রহনকারী মেধাবী শিশুদের জন্য দিনটি ছিল স্মরণীয়,
৫। মেধাবী শিশুদের (ধনী হোক দরিদ্র হোক) লালণের নিমিত্তে নির্মিত সামরিক মেরিট স্কুল ক্যাডেট কলেজের সংখ্যা চারটি থেকে আটটিতে উন্নিত করেন,
৬। সুস্থ অর্থবহ ও উন্নত চলচিত্রের নির্মানের লক্ষ্যে তিনি রাষ্ট্রীয় অনুদানের ব্যবস্থা করেন। এই সময়ে বেশ কিছু ভালো ভালো শিশু চলচিত্র নির্মিত হয়, যেমন- ছুটির ঘন্টা, ডুমুরের ফুল, ডানপিটে ছেলেটি, অশিক্ষিত, এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী, ইত্যাদি,
সেই সময় বিটিভিতেও খুব সুন্দর সুন্দর শিশুতোষ অনুষ্ঠান হতো। এরমধ্যে একটি ধারাবাহিক নাটক ছিল, ‘রোজ রোজ’।
৭। জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালকে বাংলাদেশ শিশু বর্ষ ঘোষণা করেন। পুরো বছর জুড়ে সারাদেশে নানা রকম কর্মকান্ড হয়।
৮। শিশু পার্ক – সেনাবাহিনীর চাকুরী জীবনে তিনি জার্মানীতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি নিশ্চয়ই সেখানকার অত্যাধুনিক শিশু পার্কগুলো দেখেছিলেন। তাছাড়া রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়েও তিনি একাধিক দেশ সফর করেছিলেন এবং সেসব দেশের শিশুপ্রেম ভালোভাবে প্রত্যক্ষ করেছিলেন। তিনি তাই ঢাকাতে একটি অত্যাধুনিক শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিলেন। যেই চাওয়া সেই কাজ, খুব দ্রুতই কাজ শেষ করে ১৯৭৯ সালে উদ্ধোধন করলেন ‘ঢাকা শিশু পার্ক’। হুমড়ি খেয়ে পড়ল শুধু শিশুরা নয় পুরো ঢাকা শহর। শিশু, কিশোর, যুবা এমনকি প্রৌঢ়-বৃদ্ধরাও বাদ যায়নি। আমাদের কল্পনাতেই ছিলনা এমন কিছু একেবারে বাস্তব রূপে ধরা দিল। এই পার্ক দেখে প্রতিটি শিশুরই মনে হয়েছিল, এ যেন এক রূপকথার জগৎ।
এই পার্ক নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনাও আছে।
এক পাগলাটে যুবক, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি আভ্যন্তরীণ বিমান হাইজ্যাক করে খেলনা পিস্তল দিয়ে। তারপর পাইলটকে বাধ্য করে বিমানটি কলকাতায় নিয়ে যেতে। কি আর করা? পাইলট তো আর বুঝতে পারেনি যে, সেটা খেলনা পিস্তল। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ছিনতাইকারীর কথাই শোনে। ছিনতাইকারীর কাছে তার দাবী শুনতে চাইলে সে বলে, “ঢাকার শিশু পার্কটি চরম বিলাসিতা, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে এমন পার্কের প্রয়োজন নেই। আমি পার্কটি বন্ধ করার দাবী জানাচ্ছি”। এত সুন্দর একটা পার্ক, যা দেখে শিশুরা আনন্দে ভাসছে সেটা সে বন্ধ করার দাবী জানালো! এই একটা সমস্যা। আমরা কোন ভালো কিছুকে খুব সহজে গ্রহন করতে পারিনা।
৯। শিশুদের অধ্যায়নের সুবিধার্থে শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরীর পাশেই তিনি একটি শিশু গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন।

জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেন তখন আমি পাঁচ পেরিয়ে ছয় বছরে পা রেখেছি। পত্রিকায় উনার বড় মাপের একটা ছবি দেখলাম, এটা মনে আছে। তার কিছুকাল পরে শুনলাম, তিনি ঢাকার মগবাজার, মধুবাগে আসবেন। ব্যাস প্রবল উৎসাহ পড়ে গেল। নির্দিষ্ট দিনে পথের পাশে দাঁড়িয়ে গেলাম। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর দেখলাম, খোলা জীপে সামরিক পোষাকে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি, ধীরে ধীরে আমাকে অতিক্রম গেল জিপটি । এই প্রথম চোখের সামনে দেখলাম, সুদর্শন, সুপুরুষ, জনপ্রিয় এই রাষ্ট্রপতিকে। সেই ভালোলাগার অনুভূতি আমি কোনদিন ভুলব না। সম্ভবতঃ আরো একবছর পর তিনি আরেকবার এলেন
ঢাকার মগবাজার, মধুবাগে। আমি তখন মগবাজার টি এন্ড টি স্কুলের ছাত্র। স্কুলটির অবস্থা শোচনীয় ছিল। হেডমাস্টার দেখলেন এই তো সুযোগ, তিনি এক ফন্দি আটলেন। রাষ্ট্রপতি যাওয়ার পথে স্কুলের ছাত্র শিক্ষক মিলে তাঁর পথ আটকাবে যাতে কিছু অনুদান পাওয়া যায়। করলেনও তাই। রাষ্ট্রপতির গাড়ি বহরের সামনে ছিল মটর সাইকেল আরোহী গার্ডরা। তারা মৃদু হেসে থেমে গেলেন। একটু পর একটা জীপ এসে থামলো। তার পিছনে বাকী গাড়ীগুলোও থামলো। এর মধ্যে একটি ছিল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গাড়ী। এসময় জিয়াউর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন যে, শিশুদের অনেকেই উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছে উনার সাথে হ্যান্ডশেক করার জন্য। তিনি তার ডান হাতটি জানালার বাইরে বের করে দিলেন। বেশ কয়েকজন ছুটে গেল উনার সাথে হাত মিলানোর জন্য। আমিও ছুটে গিয়ে উনার সাথে হাত মিলিয়েছিলাম। সেই অনুভূতি আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মনে রাখবো।

খোলা জীপ থেকে একজন সুঠামদেহী সেনা কর্মকর্তা নেমে এসে কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললেন, “এভাবে রাষ্ট্রপতির গতি রোধ করা যায়না, আপনারা সরে দাঁড়ান”। পায়ে পায়ে সরে গেল সবাই। কিন্তু জিয়াউর রহমান ঘটনাটি মনে রেখেছিলেন, এবং পরে তিনি আমদের স্কুলের জন্য অনুদান পাঠিয়েছিলেন।

তৃতীয়বার উনাকে দেখেছিলাম, বাংলাদেশ শিশু বর্ষ ১৯৭৯ সালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, ঢাকা স্টেডিয়ামে। অনুষ্ঠানটি বর্নাঢ্য হয়েছিল, এবং স্বয়ং রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি তাকে আরো প্রানবন্ত করেছিল।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শিশুপ্রেমের আরেকটি ঘটনা আমি শুনেছিলাম আরেকজনার কাছ থেকে। তিনি বর্তমানে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য্য। সে সময় জিয়াউর রহমান রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। ছিলেন সেনা উপ-প্রধান ও বাংলাদেশ ক্যাডেট কলেজ সমূহের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে কি একটা মনমালিন্য হলো সিনিয়র জুনিয়রদের মধ্যে। মোটামুটি সিরিয়াস পর্যায়েই দাঁড়ালো। প্রিন্সিপাল বললেন আগামীকাল এর বিহিত করবেন। সবাই বুঝতে পারছিল, সিভিয়ার এ্যকশন নেবেন প্রিন্সিপাল, দু’য়েকজনকে কলেজ থেকে উইথড্রও করতে পারেন। প্রমাদ গুনছিল অনেকেই।

পরদিন সকালে হাউজের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল ক্যাডেটরা, এরকম সময় তারা বিস্মিত হয়ে দেখলো, ‘চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, সারা বাংলাদেশের উপ-সেনাপ্রধান ও ক্যাডেট কলেজ সমূহের দন্ডমুন্ডের কর্তা জিয়াউর রহমান। সংবাদ পেয়ে তিনি নিজেই চলে এসেছেন। তিনি কিছুক্ষণ প্রিন্সিপালের সাথে কথা বললেন, তারপর জুনির ক্লাসের (ক্লাস এইট অথবা নাইন) এই গোলযোগের রিং লিডারদের ডেকে সামনে দাঁড় করালেন। উনার হাতে ছিল একটা কেইন, আপন পিতার মত শাসনের সুরে তাদের তিরষ্কার করলেন এবং তাদের প্রত্যেকের পিঠে মৃদু চালালেন তার কেইন। আর সিনিয়রদেরও বাদ দিলেন না। তাদের আলাদা করে ডেকে নিয়ে গেলেন প্রিন্সিপালের রূমে, এবং সেখানে তাদেরকেও তিরষ্কার ও সাবধান করে দিলেন।

নিজের সন্তানদেরও কোন প্রশ্রয় দেননি তিনি। পত্রিকায় পড়েছিলাম, একবার তারেক রহমান বায়না ধরেছিল, বাবার সাথে বিদেশ সফরে যাবে। পিতা জিয়া সরাসরি নিষেধ করে দিয়েছিলেন। এরকম নিয়ম নেই, সুতরাং এটা কখনোই সম্ভব নয়। তারেক তখন বলল যে, নেপালের রাজা যখন বাংলাদেশ সফরে এলেন, তখন তাঁর সাথে তো তার ছেলে ছিল। ভীষণ রাগান্বিত হয়ে জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, “তোমরা কোন রাজা-বাদশার ছেলে নও”।

‘এমন একটি পৃথিবী কল্পনা করুন যেখানে কোন শিশু নেই, সেই পৃথিবীতে কি অফিস-আদালত কাজ করবে? ট্রেন চলবে? বিমান উড়বে? পেটের দায়ে সবই হবে হয়তো। কিন্তু এই সব কিছুর কোন অর্থ থাকবে না। কারণ আমরা যা কিছু করি, সবই ভবিষ্যতের জন্য করি, আর ভবিষ্যত মানেই শিশুরা।’

আমি শিশু হিসাবে তাঁকে যেমন দেখেছি। তাতে মনে হয়েছে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, উপরের কথাগুলোর মর্মার্থ বুঝতে পেরেছিলেন। আর তাই শিশুদের জন্য তিনি যতদূর সম্ভব অবদান রাখার চেস্টা করেছেন।

শিশু জিয়ার নাম ছিল কমল। আজ ১৯ শে জানুয়ারী সেই কমলের জন্মদিন। আসুন আমরা সবাই মিলে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

যেদিন তুমি এসেছিলে ভবে
কেঁদেছিলে তুমি আর হেসেছিল সবে
এমন জীবন ভবে করিবে গঠন
মরনে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভুবন ।

৪,০১৮ বার দেখা হয়েছে

৪৯ টি মন্তব্য : “শিশুদের জিয়া”

  1. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

    @ রমিত ভাই,

    ভুল যায়গায় পোষ্টাইছেন। বিএনপি জামায়াতের সাথে এক জোটে আছে। কাজেই, পজিটিভ কিছুই আর বলা যাবে না বিএনপি+জিয়াকে নিয়ে। বিএনপি সব এখন দেশোদ্রোহী, ছাগু। পারলে জিয়ার নিষ্ঠুরতার কিছু বয়ান গেয়ে যান, দেশপ্রেমের পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে যান 🙂


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন
    • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

      জাতির চরম সময়েই বিএনপির পরীক্ষা হয়ে গেছে।
      শিশুতোষ কথা দিয়ে শিশুদেরও আর ভোলানো যাবেনা।

      অছাগু-দাবীদার বিএনপিরা ছাগু বিএনপি থেকে নিজেদের বিযুক্ত/দূরত্বে রেখেছে এমন আলামতও দেখা যায়নাই।বিএনপি= ছাগু; ডানপক্ষ=ডানপক্ষ (প্রমাণের অপেক্ষাও রাখেনা)

      জবাব দিন
        • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

          এইসব ভাদা, পাদা টাইপ শব্দগুচ্ছের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
          বাদা কেউ যদি থাকে তাইলে ঠিক আছে।


          এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

          জবাব দিন
        • হুমায়ুন (২০০২-০৮)

          ভাদা মানে কি ভাই? ভারতের দালাল?একাত্তুরে কিন্তু একটা শ্রেণী ছিল যাদের সবাই ভাদা কইতো।আর এই ভাদাগুলোর কারণেই আপনি স্বাধীনতা পাইছেন।
          তবে আপনি যদি পাকিস্তানের ভাঙ্গনকে ভারতের চক্রান্ত মনে করেন তাইলে আপনার স্ট্যান্ড ঠিক আছে।জামাতিরা তাই মনে করে কিনা।


          তুমি গেছো
          স্পর্ধা গেছে
          বিনয় এসেছে।

          জবাব দিন
          • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
            একাত্তুরে কিন্তু একটা শ্রেণী ছিল যাদের সবাই ভাদা কইতো।আর এই ভাদাগুলোর কারণেই আপনি স্বাধীনতা পাইছেন।

            - গুড জব! এইবার মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ভারতের দালাল বলার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষেই যারা ভারতের দালাল, তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা+দেশপ্রেমিক বানানোর পথ খুলে যাচ্ছে।


            There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

            জবাব দিন
        • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

          @মনির,

          ট্যাগিং এর মতো কুৎসিত বিষয়টা এড়াতে পারলে না! অন্ততঃ সিসিবি'তে? অথচ কামরুল আমাকে ছাগু-ট্যাগিং করায় তুমিই প্রতিবাদ করেছিলে।

          @নূপুর ভাই,
          আমি অন্তরিক ভাবে দুঃখিত আমার একটা আলটপকা মন্তব্যের রেশ ধরে অনাকাঙ্খিত একটা ব্যাপার ঘটে গেল।

          অছাগু-দাবীদার বিএনপিরা ছাগু বিএনপি থেকে নিজেদের বিযুক্ত/দূরত্বে রেখেছে এমন আলামতও দেখা যায়নাই।

          ভিন্নমতের প্রতি আপনার অবস্থানের জন্য আপনাকে সকলের থেকে আলাদা করে দেখি। কিন্তু আপনিই কি পেরেছেন চটিবাজ অরপি+অন্ধ-আওয়ামী দলবাজ+ইসলামবিরোধীদের সাথে নিজের অবস্থান আলাদা রাখতে? শুধু যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাইলেই কি এদের সব অপরাধ মাফ করে এদেরকে বুকে নেওয়া যায়?- বিএনপির মধ্যকার ছাগু/অছাগুর যে পার্থক্য দেখতে চাইছেন, ঠিক একইভাবে এখনকার যুদ্ধাপরাধের দাবীদারদের মধ্যেও মানুষ আর অমানুষের পার্থক্য দেখার প্রয়োজনীয়তাটাও মনে রাখতে হবে। আপনি যে যুক্তিতে আপনার দাবী উত্থাপন করেছেন, ঠিক সেইটার জন্যই।


          There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

          জবাব দিন
          • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

            মাহমুদ,
            ধুর! দুঃখিত হবার কি হলো?
            একটু তর্কাতর্কি না হলে জমে!
            মনিরের মনে হয়েছে, তাই আমাকে ট্যাগিং করেছে।আমার পছন্দ হয়নি, আমি নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি। মিটে গেলো।নিজের কথাটা বলেও মাথা ঠাণ্ডা রাখাটা আমাদের চর্চার মধ্যে রাখতে হবে বৈ কি। যা মনে আসছে তাকে চেপে রেখে ফোঁসাফুঁসির চাইতে বলে ফেলাই তো ভালো।তাছাড়া সিনিয়র বলেই সাতহাত লম্বা সেলাম দিতে হবে এটা আমি একেবারেই মানিনা। সিসিবিতে এই হায়ারার্কিটা আমার খুব inhibitory মনে হয়।

            মনির,
            একটু খারাপ লাগলেও মনে কিছু করিনি।চিয়ার্স ভ্রাতা!
            তবে সামু বা অন্য ব্লগে বহুল প্রচলিত শব্দগুলোই আমার ভালো লাগেনা। সেটাও একটা কারণ হতে পারে খারাপ লাগার। 🙂

            জবাব দিন
          • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

            আর বাকি প্রসংগগুলো নিয়ে এই পোস্টে অন্তত না বলি।
            রমিত ভাইয়ের প্রতি এটুক সৌজন্য দেখাই এবার, উনার লেখার বিষয়বস্তুর বাইরে চলে যাচ্ছে কথাবার্তা।

            জবাব দিন
          • মনির(৯৬-০২)

            যারা আওয়ামীলীগ ছাড়া দেশের বাকি সবাইকে ছাগু মনে করে তাদের আমার ভাদা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না।
            আর ভাই ট্যাগিন এর কথা বললেন, বি এন পি = ছাগু বইলা ব্যাপারটা কিন্তু উনি শুরু করেছেন ।আমারে চাগু বললে আমি আপনারে ভাদা বলতে পারবনা আ কেমন বিচার।
            আর একজন মুক্তি যোদ্ধা ছোটো ভাই আসছেন, দেশপ্রেমের তোরে উনি জিয়ার পোস্টেও নিজামি সাইদিরে খুইজা পান। জিয়া একজন মুক্তি যোদ্ধা ছিলেন। অন্তত সে সম্মান টুকু তারে দিতে শিখুন। তারপর দেশ প্রেমের বুলি আওড়াইতে আইসেন ।

            জবাব দিন
  2. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    কোন সন্দেহ আছে জিয়ার দেশপ্রেম নিয়া?

    http://www.amarblog.com/udvraanto/posts/127555 (সম্পাদিত)


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  3. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    শিশু পার্ক করা হয়েছে নিঃসন্দেহে শিশুদের ভালোবেসে

    স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো
    নির্মলেন্দু গুণ

    একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে
    লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে
    ভোর থেকে জন সমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: ‘কখন আসবে কবি’?

    এই শিশু পার্ক সেদিন ছিল না,
    এই বৃক্ষে ফুলে শোভিত উদ্যান সেদিন ছিল না।
    তা হলে কেমন ছিল সেদিনের সেই বিকেল বেলাটি?
    তা হলে কেমন ছিল শিশু পার্কে, বেঞ্চে, বৃক্ষে, ফুলের বাগানে
    ঢেকে দেয়া এই ঢাকার হৃদয় মাঠখানি?

    জানি, সেদিনের সব স্মৃতি মুছে দিতে হয়েছে উদ্যত
    কালো হাত। তাই দেখি কবিহীন এই বিমুখ প্রান্তরে আজ
    কবির বিরুদ্ধে কবি,
    মাঠের বিরুদ্ধে মাঠ,
    বিকেলের বিরুদ্ধে বিকেল,
    উদ্যানের বিরুদ্ধে উদ্যান,
    মার্চের বিরুদ্ধে মার্চ...।

    হে অনাগত শিশু, হে আগামী দিনের কবি,
    শিশু পার্কের রঙিন দোলনায় দোল খেতে তুমি
    একদিন সব জানতে পারবে; আমি তোমাদের কথা ভেবে
    লিখে রেখে যাচ্ছি সেই শ্রেষ্ঠ বিকেলের গল্প।
    সেদিন এই উদ্যানের রুপ ছিল ভিন্নতর।
    না পার্ক না ফুলের বাগান, - এসবের কিছুই ছিল না,
    শুধু একখন্ড অখন্ড আকাশ যেরকম, সেরকম দিগন্ত প্লাবিত
    ধু ধু মাঠ ছিল দূর্বাদলে ঢাকা, সবুজে সবুজময়।
    আমাদের স্বাধীনতা প্রিয় প্রাণের সবুজ এসে মিশেছিল
    এই ধু ধু মাঠের সবুজে।

    কপালে কব্জিতে লালসালু বেঁধে
    এই মাঠে ছুটে এসেছিল কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক,
    লাঙল জোয়াল কাঁধে এসেছিল ঝাঁক বেঁধে উলঙ্গ কৃষক,
    পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে এসেছিল প্রদীপ্ত যুবক।
    হাতের মুঠোয় মৃত্যু, চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত,
    নিম্ন মধ্যবিত্ত, করুণ কেরানী, নারী, বৃদ্ধ, বেশ্যা, ভবঘুরে
    আর তোমাদের মতো শিশু পাতা- কুড়ানীরা দল বেঁধে।
    একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্য কী ব্যাকুল
    প্রতীক্ষা মানুষের: ‘কখন আসবে কবি?’ ‘কখন আসবে কবি?’

    শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে,
    রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে
    অত:পর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন।

    তখন পলকে দারুণ ঝলকে তরীতে উঠিল জল
    হৃদয়ে লাগিল দোলা, জন সমুদ্রে জাগিল জোয়ার
    সকল দুয়ার খোলা। কে রোধে তাঁহার বজ্রকন্ঠ বাণী?
    গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতা খানি:

    ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম
    এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

    সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      হুমায়ুন
      তুমি কি জানো না একমাত্র শরীয়াসম্মত আইনই পারে দেশের মানুষের মনে হাসি ফোটাতে!
      না জানলে এই বেলা জেনে নাও।
      যাকাতের টাকা দিয়াই জামাত দেশের চেহারা সুন্দর করে দিবে।
      প্রশ্ন হইলো তাইলে কি পাবলিক এখন যাকাত দেয় না!
      এনিওয়ে লইট্টা ফিসে অধিক মাত্রায় ভিটামিন আছে এইটা সাঈদী চাহেবের ওয়াজ না শুনলে জাইন্তে পার্তাম না।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  4. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    জিয়া মনে হয় এই জীবনে আমার পিছ ছাড়বো না।
    আমার যখন দাত গজায় নাই বা দু একটা গজাইছে সেই ১৯৭৮-৭৯ সালে জিয়া আমার মাথায় আর গালে হাত বুলিয়েছিলেন।

    শালার ক্যান যে জিয়া লাভার হইলাম না, এই কাহিনী আরেকটু আবেগ, আরেকটু চোখ ছলছল করে বর্ণনা করতে পারতাম।

    ছোটবেলায় আমার বিশাল বিশাল দাত ছিলো, আমি মুখ খুললে বলা হইতো, "ঐ দেখা যায় জিয়াউর রহমানের কোদাল"

    আমার নাম রাজীব; এর অর্থ হইলো পদ্ম।
    আবে, জিয়ার ডাকনাম দেখি কমল; মানে কি? পদ্ম।

    সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে রাজীব=জিয়া। জিয়া=রাজীব।

    সুতরাং আজ থেকে জিয়া রে নিয়া কেউ খারাপ কথা বললে তা আমার গায়ে এসে লাগবে। আমি তখন এর প্রতিবাদ জানাবো, এর নিন্দা করবো,

    ক্যানো লোকজন ভুলে যায় জিয়া ফ্রিডম ফাইটার ছিলো।
    ক্যানো ভুলে যায় জিয়া শিশুদের ভালোবাসতো।
    যে শিশুদের ভালোবাসে সে মানুষ হত্যা করতে পারে না। কারণ ১৯৭১ এ পাকি আর্মিদের কারোরই শিশুদের প্রতি ভালোবাসা ছিলো না, তাই তারা এভাবে হত্যা ও রেপ করতে পেরেছে।
    জিয়া শিশুপ্রেমিক হওয়ায় তার হাতে কোন রক্ত লেগে নাই।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  5. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    আচ্ছা কেউ কি তাহেরকে চিনে? অবশ্য উনি শিশু ছিলেন না। উনার এক পা খোড়া ছিলো। আচ্ছা তাহের কি মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো???
    এর উত্তর দিবে কে?
    ভাদা?
    পাদা?
    বাদা?
    ছাগু?


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  6. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    বাংলাদেশের এ যাবতকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল বি এন পি র বানানো তথ্যচিত্র টি দেখুন। জিয়া এক মহান দেশের গুণগান গাইছেন, যারা ১৯৭১ সালে ৭ম নৌবহর পাঠিয়ে আমাদের সাহায্য করেছিলো।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  7. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    উপরের ভিডিওটি পুরা যারা দেখবেন তাদের উদ্দেশ্যে;
    নিউ ইয়র্কে জিয়ার বক্তব্য দেখুন, ২৭ শে মার্চের ভাষণ নিয়ে জিয়ার করা বক্তব্য দেখুন।
    এখন বলুন কোন ডিফারেন্স পাচ্ছেন কি কালুরঘাটের ভাষণের সাথে?

    আবে হালায়, রেডিওটার টা এতো ক্লিয়ার ক্যামনে???
    উত্তর জানার জন্য যোগাযোগ করুন ক্যাডেট কলেজের এক সময়ের এডজুট্যান্ট জেনারেল আমিন আহমেদ চৌধুরীর সাথে।

    আরেকটা ব্যাপার মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলামের লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে কেউ কি পড়েছেন? হ্যা উনিও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এস কে জেড ফোর্স করার পরে উনি ১ নম্বর সেক্টরের প্রধান হন।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  8. Kabirmahmud

    রমিত ভাই যে প্রসংগে লিখেছেন পারলে সেটা নিয়ে সমালোচনা করা হোক।
    শিশুদের জন্য জিয়া যা করেছেন, রমিত ভাই তো শুধু তাই উল্লেখ করেছেন।
    আর তার জন্য রাজীব সহ কিছু ক্যাডেট যে সব কমেন্ট করেছেন, তা অত্যন্ত নিম্নমানের এবং অরুচিকর।
    আবার বলছি, রমিত ভাই উনার এই পোস্টে জিয়া নিয়ে যেটা বলেছেন পারলে সেটা নিয়ে সমালোচনা করা হোক।
    উনি যা বলেননি তা নিয়ে মন্তব্য করাটা, আমি মনে করি মুক্তবুদ্ধির/সুস্থবুদ্ধির জন্য একধরণের নগ্ন আক্রমন।
    বিশেষত, রাজীব ভাই, তুমি জিয়া নিয়ে এত জান, তা খুবই ভাল,
    কিন্তু সে জন্য আবার হিন্দি গান(?) ব্যবহার করেছো। তোমার নিজেরই লজ্জা
    পাওয়া উচিত। অন্তত আমি নিজে লজ্জা পেয়েছি।এবং অনুরোধ করছি, আমার
    বাংলাদেশের একজন মরহু্ম রাষ্ট্রপতিকে তুমি যদি অপমান করতে চাও, অন্তত
    বাংলা ভাষার কোন গান ব্যবহার কর। বিজাতীয়, বিশেষত যারা ফেলানীকে
    মেরে কাঁটাতারে ফেলে রাখে, সেই দেশের রাষ্ট্রভাষার গান উল্লেখ করে তুমি
    কি বোঝাতে চাও
    , তা আমার মত মাথামোটার পক্ষে বোঝা সম্ভব হল না।
    -কবীর(কাসিম হাউস, রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (৮৬-৯২)) (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      কবীর ভাই, সালাম।
      লেখকদের লেখায় ভিন্নতায় থাকবেই।
      কিন্তু যিনি নাস্তিকদের নিয়ে হাস্যরস করেন (মুসলমানের ঘরে নাস্তিক হবার ব্যাপার উনি কোনভাবেই মানতে পারেন না)
      হিন্দুদের ভারত চলে যেতে বলেন।
      পাহাড়ীদের নিয়ে অমর্যাদাকর কথা বলেন।
      যখন তখন (নিজের বিরুদ্ধমতবাদীদের) এর তার দালাল বলেন।
      হিটলারের মধ্যে মহামানব খুজে বেড়ান।
      তিনি জিয়ার মধ্যে শিশুদের জন্য ভালোবাসা খুজে পাবেন না তো রহিমুদ্দি, করিমুদ্দি, সলিমুদ্দি খুজে পাবে???
      জিয়া আমাদের দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন বলে কোন আইন নাই যে তার বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না।
      তবে তো মানিব্যাগে খন্দকার মুশতাক, রহমান বিশ্বাস, আর এরশাদের ছবি নিয়া ঘুরতে হয়।

      এখন খুনীকে নিয়া লেখার কিছু নাই বইলা তিনি শিশুদের ভালবাসেন সেইটা ছাড়া আর কি লেখার থাকতে পারে! আমাদের ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না যে নিয়াজী শিশুদের ভালোবাসতেন, ইয়াহিয়া শিশুদের ভালোবাসতেন।

      আর এই মধ্যে হিন্দি গান না আনার যে ব্যাখ্যাটা আপনি দিলেন তা শুধু দুর্বল ই নয়, হাস্যকর বটে।
      কিছু ক্ষীণ মনের বা দৃষ্টির লোকজন ফেলানি নিয়া রাজনীতি করেই যাবে।
      কখনো খেয়াল করে দেখেছেন কি ফেলানি ঝুলে ছিলো আর তার পাশেই ছিলো বাশের ল্যাডার।
      ফেলানিরে কেউ মাইরা ঐখানে ঝুলাইয়া রাখে নাই, ফেলানি উপর দিয়া বর্ডার ক্রস করতেছিলো।
      আর এই সহজ সত্যিটা শুধু আপনি না আরো অনেকেই বুঝবে না।
      যাই হোক হিন্দি গান দেয়া হইছে গানটায় জিয়া জিয়া ধ্বনি আছে তাই, জিয়ার জন্মদিনে এক বড়ভাই তার ফেবুতে পোষ্ট করে ভালবাসা জানান জিয়ার প্রতি।
      felani


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  9. Kabirmahmud

    >>>
    কিছু ক্ষীণ মনের বা দৃষ্টির লোকজন ফেলানি নিয়া রাজনীতি করেই যাবে।
    কখনো খেয়াল করে দেখেছেন কি ফেলানি ঝুলে ছিলো আর তার পাশেই ছিলো বাশের ল্যাডার।
    ফেলানিরে কেউ মাইরা ঐখানে ঝুলাইয়া রাখে নাই, ফেলানি উপর দিয়া বর্ডার ক্রস করতেছিলো।
    আর এই সহজ সত্যিটা শুধু আপনি না আরো অনেকেই বুঝবে না।
    >>>
    রাজীব ভাই,
    তোমার উপরের বক্তব্যে তুমি কি বোঝাতে চাও তা আমি আসলেই বুঝতে পারি নি।
    মৃত অসহায় ফেলানীর ঝুলন্ত লাশের পাশে মই আছে, তাতে কি হয়েছে?
    ফেলানীর মৃত্যু কি মই এর জন্য? মই এ উঠার জন্য, ভারতীয় BSF অসহায় একটি মেয়েকে খুন করবে, আর আমি তার প্রতিবাদ করলে তুমি আমাকে রাজনীতিবিদ বলে গালি দিবে, এটা কেমন কথা?
    আমার দেশ বাংলাদেশের সীমান্তে BSFকে গুলি করার অধিকার কে দিয়েছে?
    তাও আমার বাংলাদেশের মানুষকে হত্যা করার? BSFতো ফেলানীকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে পারত, তাই নয় কি?
    মানুষের জীবন কি এতই সস্তা?
    ভারতের সাথে কি আমরা যুদ্ধাবস্থায় আছি?
    অথচ ফেন্সিডিল আমাদের বন্ধুপ্রতিম ভারতেই তৈরী হয় এবং সীমান্ত দিয়েই নিশ্চয় বাংলাদেশে ঢোকে।
    ফেলানী বিষয়ক একটি লেখা, আমি জানি তুমি পড়তে ভালবাস, হয়তো আগেই পড়েছ তবু ও লিংকটি দিচ্ছি।
    http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-06-01/news/158742

    আরেকটি
    http://www.thehindu.com/opinion/editorial/article2826161.ece

    ///

    জিয়া বিষয়ে এবং রমিত ভাইএর আলোচনা বিষয়ে আমার আগের মন্তব্যে আমি বলেছি, কাজেই আর বলতে চাইনা।
    তবে স্বাধীন রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপতি এসবের জন্য আমি তোমাকে জাতির পিতা বংগবন্ধুর "অসমাপ্ত আত্মজীবনী" বইটি আরেকবার পড়ে দেখার অনুরোধ করছি।

    সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর এক রচনায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা বিষয়ে লিখেছেন,
    "তরুণদের আমি প্রায়ই বলি 'রবীন্দ্রনাথের রচনাই তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ টীকা- ঐ কাব্যই বার বার অধ্যয়ন করো, অন্য টীকার প্রয়োজন নেই।'"
    সৈয়দ সাহেবের নখের ও আমি যোগ্য নই তবু তাল মিলিয়ে নীচের কথাগুলো বলতে চাই,
    বংগবন্ধুর জীবনী (অসমাপ্তটার কথা বলছিনা, উনার পুরো লাইফ ওয়ার্ক বোঝাতে চাইছি)টা অনুসরণ কর, অনুধাবন কর, তাহলেই সুন্দর সফল সুখী বাংলাদেশই শুধু নয়, আমাদের জীবনটাও অনেক সুন্দর হবে।
    মজার ব্যাপার কি জান? জিয়া অনেক বিষয়েই বংগবন্ধুকে অন্ধ অনুকরণ করেছেন। বিএনপি বা আওয়ামী লীগ কেউ ই এটা স্বীকার করেনা অথচ একটু চিন্তা করলেই বোঝা যায়।
    ভাল থেকো এই কামনা করছি।

    জবাব দিন
    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)
      মজার ব্যাপার কি জান? জিয়া অনেক বিষয়েই বংগবন্ধুকে অন্ধ অনুকরণ করেছেন। বিএনপি বা আওয়ামী লীগ কেউ ই এটা স্বীকার করেনা অথচ একটু চিন্তা করলেই বোঝা যায়।

      😀


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।