ছড়ে যাওয়া ছড়া

ক্ষিপ্ত নদীর ক্লান্ত দুটি পাড়,
নগর কার্নিশে থিতিয়ে পরা আঁধার।
একলা ডেকে ঘুমিয়ে পরা ডাহুক,
অদৃশ্য রাখাল জোরসে হানে চাবুক।
কাল দেহ;তারচে কাল পেছন,
থকথকে ঘায় নীল মাছি ভনভন।
থেমে যাওয়া টোনাটুনির গল্প,
কষে টানি এগোয় যদি অল্প।
বেঁচে থাকাই নাপাক কহেন কেহ,
নিকোটিনে শুদ্ধ করি দেহ।
আঙুল ফাঁকে ঘুমায় ক্লান্ত আগুন,
হোঁচট খাওয়া অন্ধ সবাই দেখুন।
টানছি যত আসছে হয়ে ছোট,
এটা দেখছি বেঁচে থাকার মত।
যাচ্ছে ধেয়ে পাগলাঘোড়া আমার,
ধুলোয় ঢাকে ইচ্ছেদের বাজার।
অনেক দূরে যখন বাজে বাঁশি,
কষ্ট করে তখন কি খুব কাশি?
কাছে কোথাও হাত নেড়ে কেউ ডাকে,
রাখাল মশায় কষে চাবুক হাঁকে।
মুচকি হেসে চলে যাওয়া শামুক,
নামুক আজকে রোদের বৃষ্টি নামুক।
ইচ্ছেগুলো রৌদ্রজলে ভিজুক,
থাকুক ওরা বেঁচেবর্তে থাকুক।

৩৮৬ বার দেখা হয়েছে

৫ টি মন্তব্য : “ছড়ে যাওয়া ছড়া”

    • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

      ঐটা চিহ্ন যে আমি পড়ছি বা ইটা ফালাইয়া গাথুনি দিলাম।
      আর তুমি মিয়া তো এটিকেট মেইন্টেইন করো নাই, তোমাগো ক্লাসের কেউ ব্লগে থাকলে তারে জিগাও।
      আর তোমার কবিতা নিয়া ভালো খারাপ কিছু বলতে চাই নাই এইটাও আরেকটা কারণ।
      তুমি নূপুর দার মতামত নিতে পারো।

      আর পারলে তোমার মেডিকেলের কিছু কাহিনী লিখ।


      এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

      জবাব দিন
  1. মামুনুর রশীদ খান(২০০১—২০০৭)

    সরি ভাইজান,ভুল হইয়া গেছে। ::salute:: আর হইবো না।এইবারের মত দুইটা ফ্রন্টরল খাইয়া লইলাম। :frontroll: :frontroll: মতামত নিষ্প্রয়োজন,আমি জানি আমি কি লিখতেছি।মেডিকেল এর কাহিনী লিখব,কদিন যাক,পরে।ধন্যবাদ ভাইয়া। 🙂


    ক্যাডেট রশীদ ২৪তম,প ক ক

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।