“হযরত ইব্রাহীম (আঃ)” এর মনে প্রশ্ন ছিল আকাশরাজি, তারকারাজি’র সুনিপুণ নিয়ন্ত্রক কে?
প্রার্থনালয়ের প্রতিমাগুলো সত্যিই কী প্রতিপালক হতে পারে?
তিনি সে প্রশ্নের উত্তর খুজতে খুজতে “নব্যুওয়াত” পেলেন!
গেলাপেগাস দ্বীপের প্রানবৈচিত্র্য “চার্লস ডারউইন”কে প্রশ্নের মুখে ফেলেছিল। বছরের পর বছর দ্বীপের প্রানীকুলের উপর গবেষনা চালিয়ে খুজলেন তার উত্তর।
তিনি উত্তর খুজতে খুজতে জন্ম দিলেন “বিবর্তনবাদ” তত্ত্বের!
ছুটি থেকে ফিরে এসে “আলেক্সান্ডার ফ্লেমিং” পেলেন ব্যাকটেরিয়াবিহীন একটি পেট্রিডিস।
রাশিয়ার দিনলিপি
রাশিয়ার তুষারপাতে রাশিয়ানদের ঘোরাফেরা, বরফ-কেলী সাজলেও বাংলাদেশীদের সাজে না। ক্লাস শেষ করেই সোজা হোস্টেলে ফিরে আসা হয়, বইপত্তর ঘাটতে ভালো লাগে না বেশিক্ষন তাই হাত চলে যায় সুখপাঠ্যতে, মাঝে সাঝে সিনেমা। সম্প্রতি পড়া বইয়ের পাঠক প্রতিক্রিয়া।
রাশিয়ার দিনলিপি
– সৈয়দ নাজমুদ্দিন হাশেম
সর্বপ্রথম সচলায়তনে বইটির একটি পাঠক প্রতিক্রিয়া পড়ে বইটির প্রতি আগ্রহ জাগে। তখন থেকেই মনে ছিল বইটির কথা।
বিস্তারিত»মা!
সালটা ঠিক মনে নাই।
আমি তখন ক্যাডেট কলেজে। আন্ত হাউস উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা হচ্ছে। কে-কি বক্তৃতা দিলো মনে নাই। তবে একটা দৃশ্য এখনো ভুলতে পারিনা। শেরে-বাংলা হাউজ এর Saif আসলো বক্তৃতা দিতে, ওর জন্য নির্ধারিত টপিকঃ “আমার মা”।
প্রস্তুতি সময় শেষে সে মঞ্চে এসে তার বক্তৃতা শুরু করলো। ২০-কি ২৫ সেকেন্ড পরে সে থেমে গেল, আর বলার কিছু খুঁজে পাচ্ছেনা। যতদূর মনে পড়ে,
বিস্তারিত»চলুন ঘুরে আসি চীন থেকে ২
আগামী মঙ্গলবার এখানে আমার কান্ট্রি প্রেজেন্টেশন । খুব ব্যাস্ততায় কাটছে । আমার এই লেখা কোন ব্লগ নয় , বরং কাজ করতে গিয়ে বেশ কিছু ভিডিও পেলাম, যা আগে কখনো দেখিনি । সবাইকে জানাতে খুব ইচ্ছা করছে, তাই শেয়ার করলাম মুজিবনগর সরকার
আরো একটি লিক্ক শেয়ার করছি…..খুলনার হত্যাকান্ড”
আশা করছি আমার মত অনেকেই যারা আগে দেখেননি, তাদের ভাল লাগবে
আসল কাহিনীর পরের পর্ব নিয়ে খুব শিঘ্রই আসব,
অদেখা
আজ আবার তোকে দেখতে ইচ্ছে হল,
কেন জানিনা; কিন্তু হল।
শীতের রাতে কিভাবে কুঁকড়ে থাকিস তুই?
কিভাবে নিজেকে আড়াল করিস কম্বলের উষ্ণতায়?
কিভাবে চমকে উঠিস স্বপ্ন দেখে?
আর পরক্ষনেই কিভাবে সামলে নিস নিজেকে-
পরম আত্মবিশ্বাসে?
আচ্ছা তুই কি চুল খুলে রাখিস , না’কি খোঁপা?
আমার কি মনে হয় জানিস?
– তোকে পুতুলদের মত ঝুটি করলেও বেশ লাগবে।
কিছু কৈশোর… (৩য় খন্ড)
(শিরোনামটি আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ’র একটি আত্মজৈবনিক গন্থ হতে অনুপ্রাণিত)
ক্যাডেট কলেজের শিক্ষা বা পুরো ব্যাবস্থাটা বাইরে থেকে অনেক আলাদা। কোন সন্দেহ নাই। একটা স্কুল বা কলেজের যে সকল কর্মকান্ড বাইরেও হয় সেগুলোও ক্যাডেট কলেজে একটু অন্যভাবে হয়। তবে কিছু আছে যেগুলো খালি ক্যাডেট কলেজেই সম্ভব। এমন একটা জিনিস ছিলো কারেন্ট এফেয়ার্স ডিসপ্লে বা চলতি ঘটনা প্রদর্শনী। সব কলেজেই এই প্রতিযোগীতাটা হতো।
বিস্তারিত»স্বাধীনতা দিবস কবে?
১৯৭১।
৭ই মার্চ।
রেসকোর্স ময়দান।

উত্তাল মার্চ।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের পতাকা কে সালাম দিচ্ছেন।

২৫ শে মার্চ, কালো রাত্রি।
মোঃ আবদুল হান্নান ও কালুরঘাট (স্বাধীন বাঙলা বেতার কেন্দ্র)
করাচি এয়ারপোর্টে বন্দী অবস্থায় বঙ্গবন্ধু।
বিস্তারিত»ওরা সব পারে

ওরা সব পারে।
ওদের থেকে সাবধান।



না নিচের লেখা আমার নয়।
লেখাটা আসিফ সিবগাত ভুইয়া নামে একজন বিশিষ্ট ইসলাম বেত্তার।
উনি দাবী করিয়াছেন গতকাল হেফাযতিরা ইসলাম পুড়ায় নাই।
আর যদি পুড়াইয়াও থাকে তাইলেও দোষ নাই।
কামারুজ্জামান একটি ঘাতকের নাম

কামারুজ্জামান তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর উচ্চস্বরে বলে ওঠেন, ‘রং জাজমেন্ট! রং জাজমেন্ট! ইতিহাস ক্ষমা করবে না।’
আরে কামারু, রায় শুনেও তুই বুঝলি না যে ইতিহাস তোরে ক্ষমা করে নাই? (ফেরদৌস ফয়সাল )
কামারুজ্জামান যে আল বদর বাহিনী (যা কিনা গঠিত হয়েছিলো তৎকালীন জামাতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ছাত্র সংঘ ;
বিস্তারিত»অক্লান্ত বনিক
আজ আমি আমার জীবনের স্বাধীনতা কিনতে এসেছি ।
রক্তাক্ত মানুষের আর্তনাদে ব্যাবসায়ীর হাঁকানো দামের কন্ঠ
স্তব্ধ করে দিতে এসেছি ।
আজ আমি অনেক চড়া মূল্যে বিকানো ইতিহাস কিনতে এসেছি………
সাড়ে ১৬ কোটির ভীড়ে ৩০ লক্ষ প্রাণ কি নিতান্তই তুচ্ছ নয় ???
আজ আমি রক্ত-লাল মসলিনে মোড়ানো স্বাধীনতা কিনতে এসেছি ।
তরল রক্তের বানে পরাধীনতার জঙ্গলকে পবিত্র করতে এসেছি ।
আমার লাশের দাম কত?
পহেলা বৈশাখ। এক হালি ইলিশের দাম ৩২ হাজার টাকা। মোট ওজন ৪ কেজি। প্রতি কেজির দাম ৮ হাজার টাকা। ঐকিক নিয়মে ২০ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে আড়াই কেজি ইলিশ মাছ। পরজন্মে আমি আড়াই কেজির এক রুপালি ইলিশ হবো।
রোজার ঈদ। সুপার মার্কেটের চোখ ধাঁধানো একটি শাড়ির দাম ৩ লাখ টাকা। ইমপোর্টেড ফ্রম ইন্ডিয়া। শাড়ির আঁচল সোনালি, পাড় কালো। বারো হাত বহর। প্রতি হাত বহরের দাম ২৫ হাজার টাকা।
বিস্তারিত».আগামী
“ আমি চোর নই,
টোকাই? তাও না।
কিন্তু আমি চুরি করি
রাস্তার ছ্যাঁচড়া ছেলেদের মত দু-পয়সার বাতাসা নয়,
লজেন্স-টফি ও নয়।
কিন্তু তবুও আমি চুরি করি
অন্যদের মত পেটের দায়ে নয়; নিজের দায়ে।
আর কেনই করবনা বল?
প্রতিদিন লাইব্রেরীতে পদার্থবিজ্ঞানের ঐ বিশ্রী বইটা এমন ভাবে পড়তি
আর দুনিয়ার সবটুকু বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকতি অর দিকে
আবার কি যত্ন করেই না পাতা ওল্টাতি!
চলুন ঘুরে আসি চীন থেকে
কেমন আছেন সবাই? আবারো অনেক কদিন পর ব্লগে এলাম । শেষ ব্লগটি লিখেছিলাম সেই ২০১১ সালে । মাঝে পুরো এক বছর কেটে গেছে । কাজের চাপে , সময়ের অভাবে, নিজের আলসেমীতে ব্লগ লেখা না হলেও প্রায়ই ব্লগ পড়া হত । এখনও নিওমিতই পড়া হয় তবে কিছু লিখা যেন হয়েই উঠছিল না । তবে বর্তমান পরিস্থিতি হল একটা কোর্সে কারনে প্রায় ২ মাস ধরে আমি চীনে অবস্থান করছি ।
বিস্তারিত»অহেতুক চরণ সমষ্টি
জানি না কেন আমার পছন্দ হয় তোমাকে,
শুধু জানি পছন্দ করি ভীষনভাবে।
তোমার স্নিগ্ধতা আমাকে আচ্ছন্ন করে রাখে,
তোমার কানের পাথরের রিং এ আটকে যায় আমার দৃষ্টি-
যতবার আমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখতে চাই।
এক সময় তুমি হয়ে উঠো আমার আকাশ,
তোমার তুমি গ্রাস করে নেয় আমার আমিকে;
ভাবাভাবি বাদ দিয়ে তোমার সামনে দাড়াই
সোজাসুজি বলে দেই”আমি তোমাকেই ভালবাসি”
গল্প হলেও হতে পারে
আজ থেকে সাত বছর আগে আমার এই গল্পটা লিখেছিলাম,তারপর কলেজের বার্ষিকীতে ছাপান হয়,আমি যখন সামু তে প্রথম ব্লগ খুলেছিলাম তখন প্রথম এই লেখাটিই দিয়েছিলাম,আবার আমি এই লেখাটি তুলে দিচ্ছি কারন আমার খুবই খুবই ভাল লাগার গল্প এটি………..
এ গল্প “ আমার” আর “তার”। সে ছিল একান্তই আমার।“তাকে” সবসময় রেখেছি অন্তরে সযন্তে । প্রকাশ করি নি কখনো শঙ্কায়। বাইরের বিষাক্ত পরিবেশে “তার” কিছু হলে যে আমি শেষ হযে যাবো।
বিস্তারিত»


