অতি প্রিয় জানালার গ্রীল আজ জেলখানার অসহ্য গরাদ,
দেয়ালে সাঁটা লাস্যময়ীর ডাইনি দৃষ্টিতে
বারে বারে ভষ্ম আমি
সাধের বালিশ যেন কঠিন পাথর
উষ্ণতম কোমল শষ্যাকে ভুল করি উত্তপ্ত উনুন ভেবে
ছন্দের ঐকতান কে মনে হয় কামানের শেল্
সহজ যাপিত জীবন নির্বাসিত আজ।
বাংলা বাতাস
১ নিম্নলিখিত একটি বিষয়ে রচনা লিখঃ পূর্ণমান ২০
ক) বাংলা লিঙ্ক
খ) বাংলা ভাই
গ) বাংলা বাতাস
ঘ) বাংলা বাজার
১নং প্রশ্নের উত্তর
“বাংলা বাতাস”
সূচনাঃ
নিজেকে মাঝে মাঝে খুব ভাগ্যবান মনে হয়। বাংলাদেশে জন্ম হয়েছে বলে। এই বাংলা নামে পৃথিবীতে কত কিছু আছে। আর কিছু অন্যদেশের মানুষ জানুক কিংবা নাই জানুক, “রয়েল বেঙ্গল টাইগার” আর “বে অফ বেঙ্গল” এর কথা ত অনেকেই জানে।
বিপন্ন মানবতা এবং একটি সাহায্যের আবেদন
আরো একবার মানবিক বিপর্যয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছি আমরা,আমাদের বাংলাদেশটা। যেসব সেলাই দিদিমনিরা দিনরাত কষ্ট করে আমাদের জন্য কাপড় বুনেন,যেইসব পোষাক শ্রমিকের ঘামে ভেজা নিঃশ্বাসে ভর করে দেশ অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের লাশ আজকে আরেকবার তাজরীনের গন্ডি পেড়িয়ে অধরচন্দ্র স্কুলমাঠে সারি বেঁধে শুয়ে আছে। আর ধ্বসে পড়া রানা প্লাজার ভিতরে আটকা পড়ে আছে আরো শতাধিক।
উদ্ধার কাজ চলছে এখনো। উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি আছে সেচ্ছাসেবক উদ্ধারকর্মীরা।
বিস্তারিত»“সত্যি বিচিত্র এই দেশ”
হরতালের বিরোধিতা করলেই সে সরকারী দলের চামচা না,
রাজাকারের ফাঁসি চাইলেই সে আওয়ামীলীগ না,
একটা গণতান্ত্রিক দেশে প্রধান বিরোধী দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের-
-জেলে ভরার প্রতিবাদ করলেই সে বিএনপি না,
শাহাবাগের গণজাগরন সাপোর্ট করলেই সে নাস্তিক না,
জামাত নিষিদ্ধ হোক চাইলেই সে ধর্ম বিরোধী না।
আমাদের দেশের শিক্ষিত, বুদ্ধিমান কিছু মানুষ একই জিনিস চান, তারা সবাই ঘুরে ফিরে দেশের জন্যই ভাবে হয়ত।
বিস্তারিত»“মন বাড়িয়ে ছুঁই”
জুঁই কখনোই ভাবেনি ওর স্বামী এতটা কাব্যিক হবে। কবি ও কবিতার প্রতি জুঁইয়ের ক্ষোভ অনেক আগে থেকেই। কলেজে মোয়াজ্জেম স্যার বাংলা পড়াতেন। কবিতার ক্লাস গুলো অত্যন্ত সুন্দর ভাবে নিলেও জুঁই এর কিছুই মাথায় ঢুকতোনা। এইচ এস সিতে যখন বাংলার জন্য গোল্ডেন মিস হলো সেদিনই জুঁই প্রতীজ্ঞা করেছিল জীবনে কখনো সাহিত্যিক অথবা কবি বিয়ে করবেনা। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একটা ছেলে জুঁইকে পাগলের মত ভালোবাসতো। যতটা ভালো একটা মানুষকে বাসা যায় এর চেয়েও অনেক বেশি কিছু।
বিস্তারিত»অধর্মের ধর্মানুভূতি
অধর্মের ধর্মানুভূতি
আমাদের সমাজের প্রায় সবাই বেড়ে ওঠে নিবিড় ধর্মাবিষ্ট এবং ধর্মভীরু এক ধরনের পারিবারিক পরিবেশে। পরিবারে বাবা-মার হাতেই সবার ধর্মে হাতেখড়ি। ঈশ্বরের অস্তিত্ব, ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানসহ ধর্মের প্রাথমিক বিষয়গুলো পরিবারেরই শিখে সবাই। বাবা-মা ধর্ম নিয়ে যা কিছু জানে তার সবই প্রবাহিত করে দেয় পরবর্তী প্রজন্মে। যে আচার-অনুষ্ঠান পালন করে সেগুলোও শিখিয়ে দেয়, পালন করতে বাধ্য করে। যে বাবা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সে তার ছেলেমেয়েকেও তাড়া দেয় নিয়মিত নামাজ পড়তে।
বিস্তারিত»আজকাল এই শহরের রাত্রি
শিশিরের সন্ধ্যা আচমকা আসে এই শহরে
অবিরাম চিৎকারে আত্মমগ্ন কুকুরগুলো
অশরীরী প্রেতাত্মাদের অস্তিত্ব অস্বামিক
হ্যালোজেন বৃষ্টিতেও শুষ্ক জনপদ
ক্রোধের আগুন জ্বলজ্বল করে আকাশে
নিয়ন বাতি ছাড়াই শহরময় আলো
হিংস্রতার খেলায় কান্নার শব্দ
সন্ধ্যে না হতেই রাত্রি জেগে উঠে ;
ভাবি,
আজকাল এ শহরের রাত্রি কেন এমন হল ?
শ্বাপদের সাথে মানুষও অহর্নিশ জেগে থাকে ।
বাংলা কমিউনিটি ব্লগ এলায়েন্সের যাত্রা শুরু হলো
সুদীর্ঘ সময় ধরে অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে বাংলা ব্লগমণ্ডল শত ফুল ফুটিয়েছে। বহু মত, বহু ভাবনা আমাদের অনলাইন জগতকে মুখর করে রেখেছে। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাব্লগ যে আন্দোলনের সূতিকাগার সেই, শাহবাগ আন্দোলনের সূত্র ধরেই বাংলা ব্লগ আক্রান্ত হয়েছে তার নেমেসিস, রুদ্ধচিন্তা ও মৌলবাদের নখরের নিচে। রাজনৈতিক প্রজ্ঞাহীন শক্তি, নির্লিপ্ত সামাজিক গোষ্ঠী, চিন্তারহিত বুদ্ধিজীবী, স্বার্থসন্ধানী মিডিয়া, সকলেরই চক্ষুশূল হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের ভাবনার খেরোখাতা।
এই আক্রমণকে একা রুখবার দিন ফুরিয়েছে।
বিস্তারিত»গর্ভ
(গল্পটি ২০০৯ লেখা। ব্লগে পোষ্ট করলে লেখাটির একটি অস্তিত্ব থাকে। তাই পোষ্ট করা।)
নদীটি খুব একটা প্রশস্ত নয়। আবার নালার মতো সরুও নয়। তবে নামটি এর কাছাকাছি। একটু অদ্ভুত। নলছিটি। আর বাদবাকী সবকিছু একই রকম। সেই চিরাচরিত গ্রামের দৃশ্য – নগরে বাস করা ট্রেনিংপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুরা যেরকমটা এঁকে থাকে। একটি নদী। তারপাশে দিগন্তজোড়া ধানক্ষেত। দূরে একটি প্রকাণ্ড বটগাছ। সেই বটগাছ থেকে পাকানো রশির মতো লম্বা লম্বা ঝুল নেমে এসেছে।
বিস্তারিত»মেসার্স চেতনা ব্রাদার্স
খুব বেশি কথা নেই। কথাগুলো সবারই জানা।
শাহবাগ আন্দোলন একটা মাইলফলক। স্বাধীন চিন্তার এবং স্বাধীন অবস্থানের। সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল/আছে। দলমত নির্বিশেষে। শুধুমাত্র জামায়াত কর্মী-সমর্থক এবং যুদ্ধাপরাধী বাদে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো শাহবাগকে সমর্থন দিয়ে এবং বিরোধিতা করে তাদের জাতীয় দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সুবিধা খুঁজে নিয়েছে। জামায়াত এই আন্দোলনকে নাস্তিকদের আন্দোলন বলে প্রোপাগান্ডা চালিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সংশয়ী করতে অনেকাংশে সফল হয়েছে। তারপর অনেক সহিংসতা,
বিস্তারিত»বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হোক
গত ২৫/০৩/২০১৩ তারিখে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ৫জন বীরাঙ্গনাকে সংবর্ধনা ও অনুদান দেওয়া হয়।বীরাঙ্গনা/বীরকন্যারা হলেন- মমতাজ বেগম, আয়জান বেওয়া, রহিমা বিবি, আঙ্গুরা বিবি এবং ফিরোজা বিবি। চেষ্টা নামে ঢাকা কেন্দ্রিক একটি নারী সংগঠন উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কাজটি করেন। অনুষ্ঠানে ‘চেষ্টা’-র প্রতিনিধিত্ব করেন সেলিনা বেগম শেলী, লাইলা নাজনীন হারুন, রাফেয়া আবেদীন, আনিছা কবির এবং শ্যামা কবির। বীরকন্যাদের নিয়ে সম্ভবত তারাই প্রথম কিছু করার চেষ্টা করছেন।এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।
বিস্তারিত»খাপছাড়া সময়ের গদ্য
এক তারা ভরা রাতে মাঝ দরিয়ার ঝিরিঝিরি বাতাসের মাঝে বসে আমরা হঠাৎ শুনতে পেলাম, থাবা বাবাকে জবাই করা হয়েছে। মেরুদন্ডের ঠিক মাঝ দিয়ে ঠান্ডা কিছু একটা সরসর করে নেমে গেলো। আমার ছাব্বিশ বছর বয়স্ক মস্তিষ্ক খবরটার জন্য প্রস্তুত ছিল না। রুমে ফিরে এসে আবীরকে ধরে আমি ফুপায় ফুপায় কিছুক্ষণ কাঁদলাম, আমি জানতাম সুযোগ পেলে ওরা এই ছেলেকেও ছাড়বে না।
সেই রাতটা ছিল অসহনীয়,
বিস্তারিত»বিষণ্ন বিরিওজা – ৬ , ৭
বিষণ্ন বিরিওজা – ৬
—————- ডঃ রমিত আজাদ
(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)
তাতিয়ানাঃ কই? আজও পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছো? ভিতরে ঢুকতে দাও।
আমিঃ ও হ্যাঁ হ্যাঁ, আসো ভিতরে আসো। (বিব্রত হয়ে বললাম আমি)
বিন্দুমাত্র জড়তাহীন, সাবলীল ভঙ্গিতে ডিভানে গিয়ে বসলো ও।
তাতিয়ানাঃ কি করো?
আমিঃ কিছুনা।
তাতিয়ানাঃ টিভি দেখছো?
বিনিময়
আমার কিছু “কস্টলি” কষ্ট আছে
তুমি কি নেবে?
বিনিময়ে আমায় কিছু প্রেম উপহার দেবে।
বেশি কিছু চাইনি আমি
“বার্টার সিস্টেম” এর মত কিছু প্রেম চেয়েছি,
শোন মেয়ে তোমাকে বলি-
বিলাসী প্রেম,রাজভোগ,দেহ তল্লাশী-আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মত দুর্বোধ্য প্রেম আমার ভালোলাগেনা।
তবুও আমি প্রেমিক – কিছু কবিতার জন্মদাতা পিতা,
আমার এই “কস্টলি” কষ্ট গুলো আজ মানবীয় স্পর্শ পেতে চায়,
এই সময়
উম্মাতাল এই সময়ে, জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, জামাত-শিবির, প্রজন্ম চত্বর, আওয়ামী লীগ, সাধারন জনতা, বিদেশী সরকার বা সংস্থা, পুলিশ, আস্তিক-নাস্তিক, ডান-বাম ইত্যাদি যে যার অবস্থান থেকে যার যার বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করে সঠিক কাজটি করতে সচেষ্ট (অন্য পক্ষের কাছে তার গুরুত্ব বা গ্রহনযোগ্যতা যা-ই হোক)। (বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা অদূর ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চায় এবং শেষ পর্যন্ত একমাত্র তারাই ঠিক করবে এই পরিস্থিতিতে তাদের অর্জন বা ভুল কতটুকু।) কেননা পৃথিবীর কোন আন্দোলনই কোন কালেই আসন্ন সমগ্র ভবিষ্যতের ভাগ্য নির্ধারন করেনি;
বিস্তারিত»