একজন ছোট মানুষ এবং একটি বিরাট লক্ষ্য
এক্সক্যাডেট হওয়ার পর এখনো প্রায়ই কলেজে কোন হাউস চ্যাম্পিয়ন-রানার আপ হল, ক্রিকেট, ফুটবল, ভলি বা বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায় কারা জিতল, আইসিসি মিট গুলোতে কোন কলেজ চ্যাম্পিয়ন, রানার আপ বা সেকেন্ড রানার আপ হল, স্টেজ কম্পিটিশনগুলোতে কারা কি করল, কলেজে কোন কোন শিক্ষক এখনো আছে, কারা বদলি হল বা বদলি হয়ে কোথায় গেল, কোন স্যার/ম্যাডাম অবসর নিল, কার প্রমোশন হল, কোন কলেজের এসএসসি বা এইচএসসির রেজাল্ট কেমন হল এইরকম নানারকম বিষয় সবসময়ই জানতে ইচ্ছা করে।
বিস্তারিত»একটি সেনা অভ্যুত্থান এবং জেনারেল খালেদ মোশাররফ-১
মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা যুদ্ধের কথা আসলে “ক্র্যাক প্লাটুন” এর কথা সেখানে আসতেই হবে।ঢাকার ভিতরে সব দুঃসাহসিক অভিযান চালায় এই ক্র্যাক প্লাটুন। যার হাত ধরে এই প্লাটুনটি গড়ে উঠে তিনি হচ্ছেন মেজর খালেদ মোশাররফ। ছিলেন K ফোর্সের প্রধান। খালেদ মোশাররফকে নিয়ে বলতে গেলে মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান থেকে শুরু করতে হয়। কিন্তু একটু বিপরীত দিক থেকে শুরু করব। পরে সময় করে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার খালেদ মোশাররফকে নিয়ে লেখার চেষ্টা করব।
বিস্তারিত»ছবি ব্লগঃ ১ – গত এক বছরের মার্কিনি ফিরিস্তি
যেকোন মৌলিক লেখা শুরু করা খুব কঠিন একটি কাজ। আমি খেয়াল করে দেখলাম আমার লেখা বেশীর ভাগ স্মৃতিচারণ কিংবা তথ্যভিত্তিক আলোচনা। যেগুলোতে মৌলিকত্ব আছে ঠিকই কিন্তু এধরনের লেখা শুরু করা অপেক্ষাকৃত সহজ। ছবিব্লগে ছবি থাকবে ও তার বর্ণনা থাকবে কিন্তু তা বাদে আর কি লিখা যায় ভাবছি।
আগামী আগস্ট মাসের ১৬ তারিখ মার্কিন মূল্লুকে পদার্পণের এক বছর পূর্তি। তবে মিশিগানের উত্তরের এই ছোট শহরে নেমেছি ঠিক ১১ দিন পর ২৭ তারিখ।
বিস্তারিত»পছন্দের মানুষ
পথে হেঁটে চলেছি একা
যে পথে হয়েছিল শেষদেখা
সাক্ষী আছে এই পথেররেখা
পছন্দের স্মৃতি এখানেই শুধুআঁকা।
রৌদে আলোর হয়েছিল দারুনসৃষ্টি
যে রৌদ দিয়েছিল ইলশেবৃষ্টি
মেঘের কাছে রৌদের ভাবমিষ্টি
ওখানেই জন্ম পছন্দের শুভদৃষ্টি।
পাখির ডাক মনের আনন্দগান
যে পাখি প্রভুরই রহমতেরদান
বাতাসে ভাসা পাখিরাও কিচান
পছন্দের কথা শুনুক মনেরকান।
বিস্তারিত»no
সন্ধ্যা সন্ধ্যা বিষাদ বিষাদ

বিকেলের রোদ মিশেছে নীলের সাথে
কমলা আভায় ভরেছে আকাশ দূরে
পৃথিবীর পরে পড়েছে মেঘের ছায়া
বিদায় রাগিনী বাজিছে করুণ সুরে
দু হাত দিয়ে সরায়ে আচল খানি
তাকালো যুবক বধূর নম্র চোখে
কী দারুন ব্যথা বুকে জেগে উঠে দেখে
বিস্মিত আলো বালিকার চোখে মুখে
বিদায় নারী আমাদের পথচলা
শেষ হলো আজি সন্ধ্যার এই ক্ষণে
ফুলগুলো যবে উদ্যত হলো,হায়
ফুটবে এবার রজনীগন্ধা বনে
[ক্লাস নাইন টেনের ডায়েরীতে এই কোবতেটা ছিলো……একটু অসম্পূর্ণ মনে হয়…তাও এইসব সন্ধ্যাবেলায় কেম্নে কেম্নে জানি মনে পড়ে গেলো]

অদ্ভুত ফ্যান্টাসি গুলো
বাচ্চাকাল থেকেই এক একটা মানুষের একেক রকম ফ্যান্টাসি থাকে। এই ফ্যান্টাসি গুলো অনেকটা বাধাহীন বলগা হরিণের মতো। কোনো নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা করে না। খুব ছোটবেলায় টাইটানিক দেখেছিলাম। একটা সিন আছে মুভিতে যে জ্যাক জাহাজের সামনে দাড়িয়ে খোলা সাগরের দিকে তাকিয়ে চিত্কার করে বলে,” আই এম দি কিং অফ দি ওয়ার্ল্ড” .. দৃশ্যটা কোনো এক অদ্ভুত কারনে আমার কচি মস্তিস্কে গেথে যায়। কালে কালে এটাই হয়ে যায় আমার ফ্যান্টাসি।
বিস্তারিত»অকম্মা সময়ে হুদাই প্রোডাকশন…
অলস সময় কাটছে…হিজিবিজি হিজিবিজি কবিতা…
(১)
যক্ষের ধনের মত যে শরীল আগলাইয়া রাখছি সে আমার নয়,
খাচা থেইকা পাখি ফুরুত দেয়, আটকাইতে পারি না।
মন থেইকা কাম, বাসনা দূর করতে আমার জান যায়, সামলাইতে পারি না,
দুরের মাঠে যে পলি পড়ে সেই পলি নিয়া কাদা মাখামাখি করি-
আমার উঠানের কাদা থিকথিক করে।
নতজানু হইয়া বইসা থাকি আধারের ভিতর জোনাকীর খেলা দেখার আশায়
প্রবল আগুনের লহরে আমার চোখ ঝলসাইয়া যায়,
দুজন – জীবনানন্দ দাশের কবিতা আর আমার আবৃত্তি
জাহাজে একলা একা টানা লম্বা যাত্রায় একাকিত্বের বিষম কামড় খেয়ে আবৃত্তি করে সময় কাটানোর চেষ্টা করেছি কোনো নির্জন হাওয়ার রাতে….
একটা পুরানো পোস্ট;
“শুভ শুভ কামনা করে যাই সব সৃষ্টি কূলের তরে, নতুন বছরের নতুন আলোতে যদি আমরা পরিশুদ্ধ হই তবে কোনো এক utopia হয়তো সত্যি হবে, আবারও যেনো সামনের বছরে এরকম একটা পোস্ট লেখতে পারি,
বিস্তারিত»আমরা আর হারিয়ে যেতে পারি না
“জল দেখলেই আর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি না, আমাদের পকেটের দামী মুঠোফোন খানা যে ভিজে রদ্দি হয়ে যাবে। ইন্সট্যাগ্রামে না দেয়া পর্যন্ত অ্যাডভেঞ্চার গুলো আর সত্যি হচ্ছে না। সব কিছুই কেবল কতগুলো ঘটনা হয়ে আটকে থাকছে ফেসবুকে অথবা হ্যাশট্যাগ হয়ে টুইটারে। প্রযুক্তি আমাদের এই সব ছোটখাট রোমাঞ্চগুলোকে কেড়ে নিয়েছে আর প্রতিবার গুগল, চেক ইন দিয়ে সে ধ্বংসের পথটা আমরাই সুগম করে দিচ্ছি।”–কথাগুলো জেরেমি গ্লাস নামে এক ব্লগারের,কি সহজ অথচ নির্মম সত্যি।
বিস্তারিত»একটি বইয়ের আত্মকাহিনী
আমি WINGS OF FIRE, UNIVERSITIES PRESS PRIVATE LIMITED, HYDERABAD, INDIA থেকে প্রকাশিত। কালের পরিক্রমায় আমার আগমন হয় বাংলাদেশে। আমার জীবন সার্থকতা পায় ২০১১ সালে, যখন তৎকালীন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয় আমাকে উপহার স্বরূপ তুলে দেন এস.এস.সি পরীক্ষায় জি.পি.এ – ৫.০০ প্রাপ্ত কোন এক মেধাবী ক্যাডেটের হাতে। ক্যাডেট কলেজের গন্ডিতে হাত ঘুরে অনেকের ঘরেই অবস্থান করার সুযোগ মিলেছে আমার। কেউ বড় আদরে, কেউবা অনাদরে রেখেছিল আমায়।
বিস্তারিত»পাঁচ মিনিট বিরহের গল্প/ ২
আনিকা মেয়েটার ভেতর ন্যাকামি ভাব প্রবল। তার চেয়েও সাংঘাতিক রকমের প্রবল হল আদুরে আর ছিঁচকাঁদুনে স্বভাব। ভার্সিটিতে ভর্তি হতে এসে সেইরকম এক তুলকালাম বাঁধিয়ে দিয়েছিল অফিস রুমে। পেটমোটা রেজিস্ট্রি খাতা খুলে বসা রোগা কেরানি আনিকার নাম লিখেছিল আনিকা ফারহানা। ফাজলামি নাকি! সামাদ সাহেব রীতিমত ডাবল খাসি জবাই করে মেয়ের নাম রেখেছিলেন আনিকা ফারজানা, আর এই কেরানি সার্টিফিকেট দেখে দেখে লিখতে গিয়েও কীভাবে ‘বর্গীয় জ’ খেয়াল করলো না!
বিস্তারিত»ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৮, ইসিসি (একটি স্বপ্ন)
নাহ, দুনিয়া জুড়ে প্রচুর গিয়াঞ্জাম। কালকে হঠাত সিসিবি এর এফবি পেজ এ একটা কমেন্ট দেখলাম। পুরানো দিনের কথা মনে করে আফসোস করা হইতেছে। আসলেই আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম। সারাদিন কমেন্ট র পোষ্টের বন্যা। এখন আর আগের সেই স্টার লেখকদের কাউকেই দেখি না। এমন কি আমাদের প্রিন্সিপাল স্যার ও অনেক বিজি। 🙁
কালকে কমেন্ট এ ফাইসা গেলাম। আবাহনীর আকাশ ( আবাহনী রে নিয়া আমিও খুব এ হতাশ এই সিজন এ) এর রিকোয়েস্ট একটা সেলোগ্রাফী হইলেও দেন।
বিস্তারিত»মেমোরি কার্ড
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সবাই একাডেমির ওয়াশরুমকেই নিজেদের আড্ডাখানা মনে করতো। বোরিং মফিজ স্যারের ক্লাস কিংবা জহির স্যারের গাইড দেখে দেখে ম্যাথ করানোর টাইমটাতে ওয়াশরুমে আড্ডা কিংবা ফোনে গান শুনাটা সিনিয়র ক্যাডেটদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো। তাছাড়া ল্যাব পিরিয়ডে এবং প্রেপ টাইমেও ক্যাডেটদের বিনোদোন খুঁজে নেওয়ার একমাত্র স্থান ওই ওয়াশরুম। ফোনে গান শোনা কিংবা ফেসবুক গুতানোর জন্যে ওই জায়গাটা তুলনামূলকভাবে অনেক নিরাপদ। আমাদের একাডেমিতে সিনিয়র ব্লকে চার টা টয়লেটের মাঝে চার নাম্বার টয়লেটে কেউ কাজ সারতো না।
বিস্তারিত»