লুঙ্গি ফ্যান্টাস্টিক!

প্রথমেই সবাইকে ধন্যবাদ দিচ্ছি আমার আগের পোষ্ট টায় উৎসাহ দেয়ার জন্য। আপনাদের অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে আবার লিখার সাহস করলাম।

আজকের পোষ্টটা আমাদের এক সিনিয়র এর কাছে শোনা । নাম জিজ্ঞেস করলেও বলবোনা , কারণ মাইর খাওয়ার চান্স আছে 😛 । আগে শানে নুজুল বলে নেই । তখন আমরা ক্লাস ৯ এ। লাইটস অফ এর পর ডিউটি মাষ্টার রাউন্ড দিয়ে গেলেন । আর তারপর আমাদের ক্যাডেট দের দিন শুরু হলো ( আই মিন রুম এর লাস্ট বেড এ গিয়ে আড্ডা ) 😛 ।

বিস্তারিত»

জলের ডাক।

ইউটরেক্ট সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে আরও প্রায় মাইল চারেক দূরের পথ, অবিবেচক শীত কিংবা নিদারুণ বৃষ্টি-বাদলে কখনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে না। প্রকৃতির যাবতীয় খেয়ালীপনা আর রং বদলের অভ্যেসটাকে সে হয়তো তুচ্ছ করার চেষ্টায় নেমেছে। একটা মাউথ অরগ্যান আর ফ্যাকাসে ধূসর রং এর গীটার কাঁধে এ এলাকার লোকেদের বিরক্ত করা ছাড়া, তাঁকে কখনও অন্য কোন কাজ করতে দেখিনি। একই গান সে ঘুরেফিরে বার বার গায়, সামনে ফেলে রাখা হ্যাটটায় তাই সিকি কিংবা আধুলি সেন্ট জমে কালে ভদ্রে।

বিস্তারিত»

বড়দের গল্প

কয়ডা ঘটনা লখতে মন চাইল হঠাৎ। এগুলা বড় ভাইয়াদের মুখে শোনা গল্প।

 

১) ডাক্তার আতিক ভাই, একবার ওনাদের ক্লাস হচ্ছে মেডিকেলের। সেদিন পড়ানো হচ্ছিল পুরুষের স্থায়ী জন্ম বিরতিকরন পদ্ধতির ওপর। এই পদ্ধতিতে নাকি ছোট একটা অপারেশন করে একবার প্রডাকশন অফ করে আবার ইচ্ছাকরলে পরে আরেকটা অপারেশন করে চালু করা যায়। তো পড়ানোর সময় এ বিষয়ে বলতে বলতে, টিচার এটাও বলছিল যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য বাংলাদেশ সরকার এই পদ্ধতিকে উৎসাহিত করতে,সরকারী সাস্থ্যকেন্দ্র কেও এই পদ্ধতি গ্রহন করলেতাকে একটা ছাতা আর ২০০টাকা দেয়।

বিস্তারিত»

কলেজ লাইফের ভূত-রসাত্মক কাহিনী ১

ভূত-প্রেত ও অশরীরী আত্মাদের বসবাসের জন্য সিলেট ক্যাডেট কলেজ অত্যন্ত চমৎকার একটা জায়গা। ক্লাস সেভেনের ক্যাডেটদের অন্তত তাই বিশ্বাস করানো হয়। চারদিকে পাহাড়-জঙ্গলঘেরা পরিবেশ তাতে ব্যাপক সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তার মধ্যে পোলাপান যখন শুনে যে জায়গাটা মুক্তিযুদ্ধের সময় কন্সেনট্রেশন ক্যাম্প ছিলো আর পাশের পাহাড়টা একটা বধ্যভূমি যেখানে এখনো মাঝে মধ্যে মানুষের হাড়গোড় পাওয়া যায় তখন পোলাপান আগেই অর্ধেক কাত হয়ে যায়। তখন শোনানো হয়,

বিস্তারিত»

আমাদের নায়ক

Mandela 09

যে কোনো সময় খারাপ খবরটা আসতে পারে। তাই তৈরি হয়ে আছি। মনকে বুঝিয়েছি, এটাই বাস্তব। নির্মম সত্য। তবু কি মন মানতে চায়!

প্রিটোরিয়ার যে হাসপাতালটায় নেলসন মান্দেলা শেষ সময়টা কাটাচ্ছেন সেখানে বিশ্বের সব মিডিয়া ওৎ পেতে বসে আছে, কার আগে কে এই দুঃসংবাদটা প্রচার করবে! প্রিয় মাদিবার জন্য তার দেশের মানুষ প্রার্থনা করছে। হয়তো কোনো ‘অলৌকিক’ কিছুর অপেক্ষা করছে তারা।

বিস্তারিত»

২৬.৬.২০১৩

ভার্সিটি বাস থেকে নেমে দাড়ায় আছি সাফওয়ানের জন্য। সাফওয়ান আমার রুমমেট। সে বড়লোক। তার একটা হোন্ডা আছে। অফিস থেকে সে হোন্ডাতে ফিরতেসে। আর আমি দাঁড়ায় আছি তার জন্য। তারপর আমরা বৈকালিক নাশতা খেয়ে বাসার পথে হোন্ডাযোগে রওনা দিবো। কয়েকবার ফোন দিলাম। কিন্তু হারামি ফোন ধরেনা। মেজাজ পুরা বিলা। আজকের আবহাওয়া বেশ ভালো ছিলো, তাই চান্দি একটু কম গরম। কিন্তু গরম। এই যখন সর্বশেষ অবস্থা হঠাৎ কাঁধে কে যেন হাত রাখলো।

বিস্তারিত»

বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমঃ মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা

বীর মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। দেশ মাতৃকার জন্য চরম আত্মত্যাগকারী মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই আর্থিক সমস্যায় রয়েছেন। তাঁদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য  ২০০০ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০১ সাল হতে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা প্রদান সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের আওতাভুক্ত করা হয়। মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রমটি সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

নীতিমালা অনুসারে মুক্তিযোদ্ধা অর্থ-

(১) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক স্বাক্ষরিত সাময়িক সনদপত্র ধারী;

বিস্তারিত»

পূর্ণতা…!!!

আচ্ছা খুব সুখের সময় গুলো সত্যিই অসাধারণ হয়,তাই না?ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ গুলো কখনো কখনো খুব পাশবিক হয়? পাশবিক কি পশুর সাথে যুক্ত কিছু? খুব খারাপ না?

সুখ নামের ছোট্ট শব্দ টির খুব করুন সময় যাচ্ছে না?কেউ কি আমাকে বলে যেতে পারবে যে ভালোবাসা বা প্রেম কি?আচ্ছা শারীরিক আকর্ষণ কে কি ভালোবাসার রোমান্টিক রূপ বলি আমরা?কে জানে।কেউ কি জানে যে ছোট বেলা থেকে যে মানসিক সমস্যা নিয়ে বেড়ে উঠেছি সেটা একটা সময় খুব জটিল ছিল।দেখতাম চারপাশ টা রঙ,আমি ছুঁতে গেলেই মিলিয়ে যায়।

বিস্তারিত»

চাপাবাজী!!

কয়েকদিন ধরেই নাফিস(০৪-১০) ব্যাচ এর গ্রুপ এ বলছিলো সিসিবি তে আয়,সিসিবি তে আয়। কিন্তু কি লিখবো আইডিয়ার অভাবে আর লিখা হয় না। তো গতকাল আড্ডা মারার সময় কথায় কথায় মুয়াম্মার বললো যে আমি নাকি কলেজে চাপা মারতাম না। মির্জাপুরিয়ান দের ভাষায় যাকে “গ্যাজ” বলা হয় ।কথাটা গায়ে লাগলো। ক্যাডেট আবার চাপা মারে না কিভাবে?? তাই আজকে একটি ঘটনা শেয়ার করছি ।

ঘটনা কোনো এক প্যারেন্টস ডে’র ।

বিস্তারিত»

পাঁচ মিনিট বিরহের গল্প/ ৩

আনিকার কাছে নাফিসের প্রেমপত্র……

আমি আছি
তোমার গালে
হাসির টোলে
প্রতিবেলায়।

আছি ঝুলে
কানের দুলে
খোলা চুলে
মুক্ত হাওয়ায়।

একলা বসে
ঠোঁটের ভাঁজে
আঙুল মাঝে
একটু ছোঁয়ায়।

কখনো বা
কপাল জুড়ে
চোখের নীড়ে
বিষণ্ণতায়।

আটকে আছি
চুলের ক্লিপে
কালো টিপে
একটু আঠায়।

বিস্তারিত»

স্বজন…

স্বজন,
আমার এ চিঠি যখন পড়বে
আমি পাশে থাকবো না,
থাকবো না তোমার স্পর্শে,তোমার পরশে।
পাবে না আমায় কোনো গোধূলী বেলায়।
নিগূঢ় বেদনায় মলিন ওই মুখ,
হয়তোবা বারান্দায় একাকী দাড়িয়ে,

কাঁদছো ওই নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে।

আমি আসবোনা,
আসবোনা তোমার কান্না মুছে দিতে,
আমি আসবোনা তোমার সঙ্গী হতে।
তোমার ওই নিষ্পাপ মুখে
সারল্যের চঞ্চল হাসি ফোটাতে,

বিস্তারিত»

মা তোমাকে খুব মিস করি

মা এর সাথে খুব বেশী সময় কাটাতে পারি নি। এক কি দেড় বছর। এ সময়ের মাঝেই মা আমার মা হয়ে উঠেন। আমার মা আমাদের তাহমিদের আম্মু আমাদের রকিমুন্নেসা ম্যাডাম।

ক্লাস ইলেভেনে হঠাৎই একদিন শুনলাম মা আসছেন আমাদের কলেজে। মা ভূগোলের শিক্ষিকা। আমিও ছিলাম হিউম্যানিটিজ গ্রুপে সেই সুবাদে কলেজে মার প্রথম দিনেই তার সাথে আমার সাক্ষাৎ। ডিপার্টমেন্টে গিয়ে মা কে সালাম দিলাম। বললাম “এতোদিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম।

বিস্তারিত»

শবে বরাত আর নস্টালজিক আমি

১) তখন আমার বয়স হবে ৩ কি ৪ – স্পষ্ট মনে আছে হালুয়াতে ছাঁচ ফেলা হত। মাছের ছাঁচ, ফুলের ছাঁচ, কি জানি লেখা ছাঁচ – আরো হরেক রকম। আমাকেও দেয়া হত করতে। আমি করেছিলাম – ছাঁচের গায়ে হালকা তেল মেখে তারপর বুটের ডালের হালুয়া লেপে দিতে হয়। তারপর আস্তে আস্তে আলতো করে টিপে দিতে হয়। আর তারপর ছাঁচ থেকে সাবধানে আলাদা করলে কি সুন্দর ডিজাইন।

বিস্তারিত»

ছবিব্লগ ২ – গত এক বছরের মার্কিনি ফিরিস্তিঃ নতুন জীবন

মিশিগান স্টেটটির আকার একটু অদ্ভুত। চারদিকে লেক দিয়ে ঘেরা এই স্টেট দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে আছে। উপরের ভাগ আপার পেনিনসুলা ও নিচের ভাগ লোয়ার পেনিনসুলা। আমি যাচ্ছি আপার পেনিনসুলারও উত্তরে হো’টন (Houghton) নামক ছোট একটি শহরে। এককালের তামা খনির জন্য বিখ্যাত এই এলাকায় প্রচুর ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের বসবাস। রাত এগারোটায় বিমান থেকে নামার পর বুঝতে পারছিলাম না এটা এয়ারপোর্ট নাকি গ্যাস স্টেশান। জানতে পারলাম শুধুমাত্র এই এলাকার হাজার সাতেক অধিবাসীর জন্য (যার মাঝে হাজার পাঁচেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র) দিনে দুটো করে মোট চারটি ফ্লাইট এখানে এসে নামে ও ছেড়ে যায়।

বিস্তারিত»

বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমঃ বিধবা ভাতা

বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চলের দরিদ্র, অসহায় ও অবহেলিত  মহিলা  জনগোষ্ঠীর মধ্যে  বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলাদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় ও করুণ। তাদের বিপন্ন  দশা এবং নিরাপত্তাহীনতা  লাঘব করার জন্য সরকার ১৯৯৮ সালে ভাতা দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। প্রাথমিকভাবে ১৯৯৮ সালে সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে ৪,০৩,১১০ জন বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলাদের প্রত্যেককে এককালীন ১০০ টাকা হারে ভাতা বিতরণ করা হয়। ১৯৯৯ সালে সমসংখ্যক বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলাদের মধ্যে চার কোটি তিন লক্ষ এগার হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।

বিস্তারিত»