সাভারনামা…

সাভারের ভবনধসের ঘটনা এখন পুরোনো হয়ে গেছে। আজ সেই সময় তোলা কিছু ছবি ফেবু’তে আপলোড করলাম। ছবি দেখে রাজীব ভাই/১৩তম বিসিসি; বললেন “সাভারের উদ্ধারকাজের উপরে একটা লেখা দে”! সাথে সাথে ফেবু বন্ধ করে সেই সময়কার কিছু স্মৃতি নিয়ে আজ লিখলাম। এক বসায় লিখেছি। ভুলভাল হতে পারে।

ভবন ধসে পড়ার পরপরই শাহবাগ গিয়ে রক্ত দিয়ে এসেছি। তবু কেমন যেন ছটফট করছিলাম। আরো কিছু করতে ইচ্ছা হচ্ছিলো।

বিস্তারিত»

পাঙ্গালিস্ট

একাদশ শ্রেণীর মাঝামাঝি। উনত্রিশ তম ব্যাচের জুনিয়র প্রিফেক্টদের তখন জুনিয়র পাঙ্গানোর মসরুম চলিতেছে।
প্রেপ টাইমে জনৈক জুনিয়র প্রিফেক্টকে দেখিলাম কাগজ কলম নিয়ে একাগ্রচিত্তে কি-জানি লিখিতেছে। কৌতূহলবশতঃ কাছে গিয়া দেখিলাম সে লিখিতেছে—

পুশআপ————– ৫০ টি
লং আপ————– ১০ মিনিট
ফ্রন্টরোল—————২৫ টি
লকার স্টিকের বাড়ি—- ১২ টি
ইত্যাদি ইত্যাদি………

কারন জিজ্ঞাসা করিলাম।
উত্তরে সে বলিলো, ” জুনিয়র পাঙ্গাইতে গিয়ে ভুলিয়া যাই কি কি পানিশমেন্ট দিবো,

বিস্তারিত»

দৌড়…

১৭ জুন ছিল ৩৬ মির্জাপুরের তথা ইনটেক ১৯৯৮ এর জন্মদিন। ফেইসবুকে আড্ডার মাঝে অনেক স্মৃতিচারণ করা হয়েছে গতকাল। মাহমুদের (১৯২১) অনেক স্মৃতি খুব বিশদ ভাবে মনে থাকে। হয়তো বাকিদেরও মনে থাকে কিন্তু সবাই সব সময় মুখ খুলে না। মাহমুদ সুযোগ পেলেই পুরনো স্মৃতি নিয়ে ঘেঁটে বেড়ায়। কিছু স্মৃতি রোমন্থনের আশায় সবার পোস্ট ও স্ট্যাটাস ঘেঁটে দেখছিলাম। শাহরিয়ারের স্ট্যাটাসটা পড়ে ভালো লাগলো। অনেক কথা অনেক সময় গুছিয়ে বলা হয় না।

বিস্তারিত»

সুপারম্যান: ম্যান অফ স্টিল

ম্যান অফ স্টিল !

দেখে আসলাম  … প্রচন্ড আগ্রহ নিয়ে ওয়েট করছিলাম মুভিটার জন্য। তাই, একদম ফার্স্ট শো তেই দৌড় দিয়েছিলাম। এখন প্রশ্ন হলো , মুভিটা কেমন লাগলো? আমি সত্যি ই কনফিউজড … প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী ! সব টুকু কি পূরণ হলো?
ট্রেইলার দেখে আন্দাজ করেছিলাম যে মুভিটা “ব্যাটম্যান বিগেইনস” টাইপ হতে পারে। হ্যা, অনেকটা সেই আদলেই তৈরী করা হয়েছে । অবশ্যই দুটোর মাঝে  অবভিয়াস কোনো মিল পাবেন না দেখতে বসলে।  

বিস্তারিত»

প্লিজ ফিরে এস

আজ অনেক গুলো দিন পার হয়ে গেল তোমাকে দেখিনা। সময় এর হিসেবটা ঠিক বলতে পারছিনা। কখনও মনে হয় কয়েক বছর , কখনও কয়েক যুগ। আগে তোমার ছবি দেখে দেখে দিন কাটাতাম এখন তাও করা হয়না। তোমার সাথে আমার এত এত ছবি , সেগুলা দেখি আর খারাপ লাগে। ছবিগুলা দেখে যেভাবে আমি কষ্ট পাই তুমি কি পাও? মনে হয়না।

আমি জানি তুমি এখন অন্য কারও সাথে আছ,

বিস্তারিত»

অসমাপ্ত…

ফজরের আজান শুনে ঘুম ভেঙ্গে যায় কাশেম আলীর। অযু করে নামায পড়ে সে। পাশে শুয়ে অঘোরে ঘুমাচ্ছে তার স্ত্রী আর চারটি ছেলেমেয়ে। কাশেম আলীর তিনটি মেয়ে আর একটি ছেলে। বড় মেয়েটির বয়স সতেরো, ছেলে মানিকের এগার আর বাকি দুই জমজ মেয়ের বয়স সাত বছর। নামায শেষে ডেকে তোলে তার স্ত্রীকে। বলে, “খাইতে দেও, আর মানিকরে ডাইকা তোল”।

ছেলেটির গায়ে ধাক্কা দিয়ে ডেকে তোলে তার মা।

বিস্তারিত»

আমার ব্যাচমেট দের জানাই ঈদ মোবারক

নতুন জুতা (সাদা ও কালো), নতুন স্যান্ডেল(চামড়ার ও স্পঞ্জ), জুতার কালি(সাদা ও কালো), জুতার ব্রাশ…। লিস্টে এগুলা দেখে আমি ভাবতেছিলাম পড়তে যাচ্ছি নাকি জুতা পালিশ করা শিখতে আল্লাহই জানে। সুঁই থেকে শুরু করে আন্ডারওয়ার সব কিছু নতুন নিয়ে ২০ইঞ্চি ট্রাভেলীং ব্যাগের ওজন প্রায় এক মণের কিছু বেশী বানিয়ে ১৯৯৮ সালের এই দিনে বিকেল বেলা স্বেচ্ছায় গিয়ে জেল খানায় ঢুকলাম। ঐ দিন এই সময়ে (দুপুর বেলা) পাবনা শহরে বসে বিরীয়ানী খাচ্ছিলাম আর বাপের দিকে তাকাইয়া তাকাইয়া ভাবতেছিলাম একটা লোক কতখানি হারামী হলে নিজের এতটুকুন নিস্পাপ ছেলেকে এরকম করে বাসা থেকে দূরে পাঠিয়ে দিতে পারে।

বিস্তারিত»

দূরত্ব মোচন

“shit man …its a shit to be born as poor. Do you see any european here???? all the poor people we are here to learn some shit…….”বোতসোয়ানার জন বান্টুর কথাটা প্রায়ই ভাবি। আমরা এখানে চীনের ঝ্যাংঝউতে যারা আছি, সবাই হয় আফ্রিকান, না হয় দক্ষিন অথবা দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার লোকজন, যারা চীনের তৈরীকৃত সস্তা অস্ত্র ব্যাবহার করি,আর নিজেদের সান্ত্বনা দিয়ে বলি “it’s not the gun, rather it’s the man behind the gun.” সেই সাথে অপেক্ষা করে থাকি- কখন একটা অস্ত্রের উপর কিছু শিখানোর জন্য আমাদের মত গরীব দেশের লোকদের ডাকবে।

বিস্তারিত»

সমান্তরাল

কথা বলা ছাড়া অন্য কোনো কাজে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ব্যাপারটা আশরাফ সাহেব একদমই বোঝেন না। সবুজ বাটন চেপে কথা শুরু। আর লাল বাটন চেপে কথা শেষ। এর বাইরে মোবাইল ফোন বিষয়ে তার জ্ঞান ডাবল জিরো। তিন দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি চাকরি করে অবসর নিয়ে এখন নামকরা প্রাইভেট কোম্পানিতে গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে বসে থাকা লোকটার ইংরেজি জ্ঞান খারাপ না। ছেলেরা ছোট থাকতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় গ্রামার বই নিয়ে বসতেন তিনি।

বিস্তারিত»

সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন ২০১৩ নিয়ে সম্পূর্ণ নিরাপদ(!!!) দূরত্বে থেকে কিছু কথা…

ফেইসবুক নোট থেকে কিছু সংযুক্ত-বিচ্চুতির পর তুলে দিচ্ছিঃ

সরকার ও সংবাদ মাধ্যমকে প্রস্তাবিত রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে শিরিষ কাগজ মোড়ানো বাঁশ দেয়ার জন্য একটি নোট লিখছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়লো সম্প্রতি পাশ হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০১৩ এর সংবাদটি। রৌদ্রজ্জ্বল আকাশে বজ্রপাতের মত মজাদার দুটো নতুন সংযুক্তি হিসেবে রয়েছেঃ ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসকের ক্ষমতা আরো খর্ব করা, এবং খ) ফেইসবুক, টুইটার, স্কাইপ, ইত্যাদি যেকোন যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য-উপাত্ত আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা।

বিস্তারিত»

প্লট

রেডিওতে বিবিসি সংলাপ শুনছিল আসিফা।হঠাৎ কে যেন তার পাশে এসে বসল।অপরিচিত একটা কণ্ঠস্বর বলে উঠল, ‘আসিফা আপু।’

‘কে?’

‘আমাকে চিনবেন না আপু।আমি মার্জিয়া।পাঁচতলায় থাকি।ডাইনিংয়ে, ক্যান্টিনে, জামালের দোকানে আপনাকে প্রায়ই দেখি। আমার এক বান্ধবী- সুমনা, চেনেন বোধহয়।ও আমাকে বলল আপনার একজন ভলান্টিয়ার দরকার।’

‘হ্যাঁ আপু, তা তো দরকার।দু’জন আমাকে রেকর্ডিংয়ে সাহায্য করত। একজন বাড়ি গেছে। আরেকজনের পরীক্ষা। তা কখন কখন সময় দিতে পারবে ?

বিস্তারিত»

পুরুষ তুমি মানুষ হবে কবে

On Dress of Women 09.06.2013

কিছু তথাকথিত ‘পুরুষ’ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে নারীর ছবি দেখলে ওড়না কিভাবে পড়া উচিত, মাথায় স্কার্ফ কিভাবে পড়তে হবে কিম্বা হিজাব পড়ার জন্য নারীদের ‘জ্ঞানদান’ শুরু করেন। ফেসবুকে আমার কন্যাসম এক তরুনীর একটি ছবিতে ওড়না নিয়ে এক ‘পুরুষ’-এর মন্তব্য পড়ে এতোটাই বিরক্ত ছিলাম যে মেয়েকে প্রশ্ন করলাম “তুমি প্রতিবাদ করলে না কেন?” জবাবে ও জানালো, লোকটি ওই রকমই। প্রতিবাদ করতে গেলে কথা বাড়ে।

বিস্তারিত»

একটি কান্না, অতঃপর আমার জয়……

ছোটবেলা থেকেই কেঁদে জিতে যাওয়া ব্যাপারটার সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। যখন তখন চোখের জল ফেলাটাকে আমরা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আমরা হার না মানা জাতি। কখনো কারো সাথে কোন কিছুতেই হেরে যেতে আমরা নারাজ। আমাদের মূলমন্ত্র যেন- “কর্মে যদিও হয় পরাজয়, কান্নায় জয় হবে নিশ্চয়”।

শৈশবে হয়তো মারামারিতে কারো কাছে হেরে গিয়েছি, কান্নায় কিন্তু ঠিকই জিত হয়ে গেছে। কিংবা বাবা-মায়ের কাছে আবদার করে কিছু পাইনি,

বিস্তারিত»

লেঃ মাহমুদ এবং আমাদের গল্প…

আমাদের গল্পটার শুরু গ্রীষ্মের কোন এক মধ্য দুপুর থেকে। অন্য দুপুরগুলোর মত সেই দুপুরটাও অলস হতে পারত, কিন্তু সেদিন দুপুরের অলসতার সুযোগ ছিল না। কারন সেই দুপুরে দেশের বিভিন্ন জায়গার,বিভিন্ন চেহারার কিছু ছেলের ‘আমি থেকে আমরা’ হবার দিনের সূচণা হতে চলেছিল।০৭ মে,২০০২ সালের সেই রৌদ্রজ্জল দুপুরকে সাক্ষী রেখে আমরা একে একে খাকী পোশাকে নিজেকে জড়াই, আর নিজের অজান্তে ৫৪টি মন কখন যেন নিজেদের মত করেই জড়িয়ে গেছে,

বিস্তারিত»