হাতে ব্লেড নিয়েও চামড়ায় বসায় আর কয়জন! আমরা আসলে ভাবিই এভাবে… কিন্তু বসায়,অনেকেই বসায়। প্রতি স্কুলে, প্রতি কলেজে, প্রতি ভার্সিটির কোন না কোন ক্লাসে দুই একটা ছেলে বা মেয়ে থাকবেই যারা এই জিনিস নিজেদের কোমল হাতে এপ্লাই করে ফেলেছে, যারা বন্ধুরা “মুড়ি খা” বললে মুড়ি খাবার বদলে ঘুমের ওষুধ গিলেছে। বোকা বাচ্চাগুলো বোঝেনা বন্ধুরা বা মা বাবা মুড়ি খা” বললে মুড়িই খেতে হয়, “দূরে গিয়ে মর”
বিস্তারিত»নাগাল
– অ্যাই অন্তু! নামবি না?
বারান্দার রেলিঙ এ গাল ঠেকিয়ে বৃষ্টি দেখছিল অন্তু। নিজের নাম কানে আসতেই নিচের দিকে তাকাল। পাশের বিল্ডিঙের রাকিব ডাকছে ওকে।
– বৃষ্টির ভেতর নিচে নেমে কী করবো? খেলা হবে নাকি? আর কেউ নেমেছে খেলতে?
– পলাশ ভাই ব্যাট বল নিয়ে উনাদের সিঁড়িতে বসে আছে। চার পাঁচজন হলে শর্ট পিচ খেলা হবে।
– দাঁড়া দেখি আম্মা নামতে দেয় নাকি
অন্তুর আম্মা পাশের বাসায় গেছেন।
বিস্তারিত»বাংলাদেশ, তোমার গায়ে ছেড়া কাপড়
কিছুক্ষণ আগে ফেসবুকে এক বন্ধুর ছবি দেখলাম। হাতে সনদ আর যুক্তরাষ্ট্রের ছোট্ট পতাকা হাতে ছবি, ছবির ক্যাপশন প্রাউড সিটিজেন অফ ইউএস।
হঠাৎ করেই মোকাব্বিরের পোষ্টটার কথা মনে এলো।
না ওর লেখার প্রতি কোন অনুযোগ নেই। খুব সুন্দর বর্ণনা ছোট্ট শহরটির।
ওর লেখাটা পড়তে পড়তে ভাবছিলাম বাইরের দেশের ছাত্ররা মোকাব্বিরের মতো এমনি করে বাংলাদেশে আসবে, তার দেশের বা গোত্রের কোন এক ব্লগে এমনি সুন্দর করে বাংলাদেশের কথা লিখবে।
স্বপ্নবাজ
সিসিবি জমজমাট। এইতো চাই। গতকাল দুই ছোটভাই বলল লেখা দিতে। সিসিবিতে লেখার জন্য সবসময় দুপায়ে খাড়া। অনেক লেখা পড়েও আছে এক আনা, দুই আনা, চার আনা, বারো আনা হয়ে। সেগুলোর একটাই এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই কাজের কাজ ছিলো। অথচ লিখতে বসলাম নতুন একটা ব্লগ। দেখা যাক কতদূর কনটিনিউ করতে পারি নাকি একেও গলা টিপে মেরে ফেলতে হয় আঁতুড়ঘরেই; শুনেছি অনাকাঙ্খিত বাচ্চা জন্মালে নাকি মুখে লবণ দিয়ে দেয় যাতে অটো মারা যায়।
বিস্তারিত»যুদ্ধ…!!!
বিধাতা কিংবা প্রকৃতি যাই বলি মানুষ কে বাঁচতে শেখায় যুদ্ধ করে। মাঝে মাঝে অবাক লাগে যে অসম কোন কিছুই প্রকৃতি মেনে নেয়না । নর-নারীর প্রেম প্রকৃতির বিধানের অদ্ভুত এক রহস্যময় দিক।
আবেগ খুব তাড়া করে মাঝে মাঝে। অদ্ভুত সেই অসম প্রেমের গল্প। নায়ক নায়িকা নেই,আছে শুধু পাগলামি,উষ্ণতার অনুভূতি। চোখ বন্ধ করে নেয়া চুলের মিষ্টি গন্ধ কিংবা কাছের বান্ধবীর কাছে শোনা নির্ঘুম রাতের কথা ;
বিস্তারিত»ডাল সমাচার
ঘটনা ১ : ডিনার এ গেলাম ডাইনিং এ। দুপুরে ইউএস গভর্নমেন্ট এক্সাম ছিল। পরীক্ষা থাকলে যা হয় আরকি ! পেটের ভেতর অদ্ভুত কিছু আওয়াজ হচ্ছিল। খাওয়া দাওয়ার রুচি কমে গিয়েছিল ভয় এর চোটে! তাই পরীক্ষার এই সীমাহীন টেনশনে লাঞ্চ ই করা হয় নাই ! সো ডিনারের সময় বিশাল ক্ষুধার্ত অবস্থায় টেবিল আসলাম। টেবিলে বসে দেখি একটা স্পেশাল টাইপের সুপ সার্ভ করা। আমার স্কোয়াড লিডার আমাকে বললো ওটা টেস্ট করতে।
বিস্তারিত»কলেজ লাইফের ভূত-রসাত্মক কাহিনী ২
আমাদের কলেজে সিনিয়রদের মজা করার একটা কমন ট্র্যাডিশন ছিলো প্রথমে ভুত-প্রেত অশরীরী আত্মার কাহিনি পিচ্চি পোলাপানের মাথায় শক্তভাবে গেঁথে দেওয়া এবং এরপর প্রাক্টিক্যালি ভয় দেখানো। তাই আমরা প্রায়ই রাতের বেলায় সাদা কাপড় পরা অশরীরীদের ব্লকে হাঁটতে দেখতাম,আমাদের জানালায় টোকা মারতে দেখতাম এবং ছাদে প্যারেডের ধুপধাপ আওয়াজ শুনতাম।এগুলো আসলে কারা করতো তখন বুঝতে পারি নাই।
যাইহোক, এরকম ঘটনা ঘটলে কি ক্লাস সেভেনের পোলাপান রাতে ঠিকমতো ঘুমাইতে পারে?
অসমাপ্ত চিঠি…!!!
মাঝে মাঝে মনে হয় ভালবাসার মত জিনিসগুলো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে যার শাস্তি অপরাধীকে ব্রাশ ফায়ার করে মেরে ফেলা । ব্রাশ ফায়ার করার কেউ ছিলনা তো ভেতরেই কাজ যা হওয়ার শেষ !
কি অদ্ভুতই না ছিল আবেগ গুলো। জানো তো আবেগপ্রবণ মানুষ গুলোকে নিয়েই বিপদ। পাওয়ার তালিকাটা হিসাবেই আনেনা কখনো । ভাল থাকে দেয়ালের উপর একসাথে বসে থাকায়,শেয়ার করা ফুচকায় ,আড্ডায় ,কবিতায় , ডিফারেন্সিয়েশন এর ম্যাথ বুঝানোর আড়ালে বাসায় গিয়ে বসে থাকায়,কাঁটাবন এ মাছ না খরগোশ কে কোনটা নিবে সেই ঝগড়ায়,কিংবা ওই যে মনে পড়ে কি শাহবাগ মোড়ের ফুলের দোকান গুলোর কথা…সেদিন গিয়েছিলাম জানো?
বিস্তারিত»একটি সেনা অভ্যুত্থান এবং জেনারেল খালেদ মোশাররফ-২
আগস্টের কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী মেজরের দেশ ছেড়ে চলে যাবার আগে কিছু সিদ্ধান্ত নেয় বঙ্গভবণে মিটিং করে। মেজর ডালিমের ওয়েবসাইটেই সেই মিটিংএর উপর কিছু তথ্য পাওয়া যায়। সেই মিটিংএ উপস্থিত ছিলেন কর্ণেল তাহেরও। সেই মিটিংএই সিদ্ধান্ত আসে মেজরেরা বর্তমান অবস্থায় দেশ ত্যাগ করে কাছাকাছি কোন দেশে অবস্থান করবেন এবং ব্যাংকককেই বাছাই করেন তারা। এরপরেই সিদ্ধান্ত আসে তারা কিভাবে খালেদ-শাফায়েত গ্রুপকে নিষ্ক্রীয় করবেন। তখনকার বঙ্গভবণে অবস্থিত সবাই এটাকে ভারতের ষড়যন্ত্র হিসেবেই দেখছিল অথবা খালেদ-শাফায়েতকে ভারতের চর হিসেবে সবার কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে চাইছিল ইচ্ছাকৃতভাবেই।
বিস্তারিত»২৭ জুন, ২০১৩, রোজ বৃহস্পতিবার, বেলা বারোটা বিশ মিনিট
একটু দেরিতে ঘুমালেও সকাল সাতটায় ঘুম ভেঙে গেল আজকে। বেশ খানিকটা বিয়ার পান করলে এরকম হয় দেখেছি। গতকাল রাতটা ঘুমানোর আগে স্থানীয় বিয়ার প্রস্তুতকারক/পানশালা কিউইনা ব্রিউইং কোম্পানির বিয়ার পান করে কাটিয়েছি। সবাইকে এটাকে কেবিসি বলেই জানে। কমদামে উন্নত মানের বিয়ার প্রস্তুতকারক হিসেবে খুব দ্রুত নাম কামিয়েছে এই কম্পানিটি। যাক মাথা ব্যথা চলে গিয়েছে। গতকাল বৃষ্টিতে ভেজার কারণে বেশ মাথা ধরেছিল। প্রায় দেড় বছর পরে বৃষ্টিতে ভিজলাম।
বিস্তারিত»শুরু হলো অগ্রযাত্রা ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালস’-এর
The Launching Ceremony of The ‘Forum of Young Professionals’
দেশের তরুণ পেশাজীবিদেরকে নিয়ে শুরু হলো অগ্রযাত্রা নতুন সংগঠন ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালস’-এর। গত ২৬ জুন, ২০১৩ বিকালে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে এই নতুন সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। ইটিভি সহ দেশের অনেক ইলেকট্রনিক মিডিয়া এই সংবাদ প্রচার করেছে। এছাড়া বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাও নিজস্ব প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তার একটি এখানে শেয়ার করা হলো।
প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক বলেছেন,
বিস্তারিত»লুঙ্গি ফ্যান্টাস্টিক!
প্রথমেই সবাইকে ধন্যবাদ দিচ্ছি আমার আগের পোষ্ট টায় উৎসাহ দেয়ার জন্য। আপনাদের অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে আবার লিখার সাহস করলাম।
আজকের পোষ্টটা আমাদের এক সিনিয়র এর কাছে শোনা । নাম জিজ্ঞেস করলেও বলবোনা , কারণ মাইর খাওয়ার চান্স আছে 😛 । আগে শানে নুজুল বলে নেই । তখন আমরা ক্লাস ৯ এ। লাইটস অফ এর পর ডিউটি মাষ্টার রাউন্ড দিয়ে গেলেন । আর তারপর আমাদের ক্যাডেট দের দিন শুরু হলো ( আই মিন রুম এর লাস্ট বেড এ গিয়ে আড্ডা ) 😛 ।
বিস্তারিত»জলের ডাক।
ইউটরেক্ট সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে আরও প্রায় মাইল চারেক দূরের পথ, অবিবেচক শীত কিংবা নিদারুণ বৃষ্টি-বাদলে কখনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে না। প্রকৃতির যাবতীয় খেয়ালীপনা আর রং বদলের অভ্যেসটাকে সে হয়তো তুচ্ছ করার চেষ্টায় নেমেছে। একটা মাউথ অরগ্যান আর ফ্যাকাসে ধূসর রং এর গীটার কাঁধে এ এলাকার লোকেদের বিরক্ত করা ছাড়া, তাঁকে কখনও অন্য কোন কাজ করতে দেখিনি। একই গান সে ঘুরেফিরে বার বার গায়, সামনে ফেলে রাখা হ্যাটটায় তাই সিকি কিংবা আধুলি সেন্ট জমে কালে ভদ্রে।
বিস্তারিত»বড়দের গল্প
কয়ডা ঘটনা লখতে মন চাইল হঠাৎ। এগুলা বড় ভাইয়াদের মুখে শোনা গল্প।
১) ডাক্তার আতিক ভাই, একবার ওনাদের ক্লাস হচ্ছে মেডিকেলের। সেদিন পড়ানো হচ্ছিল পুরুষের স্থায়ী জন্ম বিরতিকরন পদ্ধতির ওপর। এই পদ্ধতিতে নাকি ছোট একটা অপারেশন করে একবার প্রডাকশন অফ করে আবার ইচ্ছাকরলে পরে আরেকটা অপারেশন করে চালু করা যায়। তো পড়ানোর সময় এ বিষয়ে বলতে বলতে, টিচার এটাও বলছিল যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য বাংলাদেশ সরকার এই পদ্ধতিকে উৎসাহিত করতে,সরকারী সাস্থ্যকেন্দ্র কেও এই পদ্ধতি গ্রহন করলেতাকে একটা ছাতা আর ২০০টাকা দেয়।
বিস্তারিত»কলেজ লাইফের ভূত-রসাত্মক কাহিনী ১
ভূত-প্রেত ও অশরীরী আত্মাদের বসবাসের জন্য সিলেট ক্যাডেট কলেজ অত্যন্ত চমৎকার একটা জায়গা। ক্লাস সেভেনের ক্যাডেটদের অন্তত তাই বিশ্বাস করানো হয়। চারদিকে পাহাড়-জঙ্গলঘেরা পরিবেশ তাতে ব্যাপক সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তার মধ্যে পোলাপান যখন শুনে যে জায়গাটা মুক্তিযুদ্ধের সময় কন্সেনট্রেশন ক্যাম্প ছিলো আর পাশের পাহাড়টা একটা বধ্যভূমি যেখানে এখনো মাঝে মধ্যে মানুষের হাড়গোড় পাওয়া যায় তখন পোলাপান আগেই অর্ধেক কাত হয়ে যায়। তখন শোনানো হয়,
বিস্তারিত»