তেঁতুল সমাচার

চিরল চিরল তেঁতুল পাতা
তেঁতুল বড় টক …
তোমার সাথে প্রেম করিতে
আমার বড় শখ …

তেঁতুল আমাদের দেশে একটি অতি পরিচিত ফল । জিভের লালা ঝরাতে এর জুড়ি নেই । তো আসুন চট করে এই তেঁতুল সম্পর্কে কিছু জেনে নেই ।

তেঁতুল । ইংরেজীতে নাম Tamarind । বৈজ্ঞানিক নাম Tamarindus indica

তেঁতুল

তেঁতুল গাছ একটি দীর্ঘজীবি,মধ্যম উচ্চতার ঝাউ জাতীয় উদ্ভিদ ।

বিস্তারিত»

ছবি ব্লগ ৩ – গত এক বছরের মার্কিনি ফিরিস্তিঃ আন্তর্জাতিক বান্ধবীরা।

আমেরিকার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তজার্তিক ছাত্র নেই তা আমার জানা নেই। উপযুক্ত বেতনের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক ছাত্রদের শিক্ষা প্রদানের জন্য মার্কিনিরা বিখ্যাত। তবে বৃত্তিধারী ছাত্রের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। সেটা স্নাতোকোত্তর পর্যায়ে বেশী। অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী ও শীতল এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় বলে মিশিগান টেকনোলোজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক ছাত্র অপেক্ষাকৃত কম। তারপরেও সংখ্যাটা একেবারে কম নয়। তবে আমার কাছে মার্কিনিরাও আন্তর্জাতিক। তাই আন্তর্জাতিক ছাত্রদের মাঝে যারা আমার পরিচিত তাদের নিয়েই আমার আজকের ফটোব্লগ।

বিস্তারিত»

বোবা জোনাকিদের বিবমিষা

সকাল থেকেই বৃষ্টি পরছে, প্যাচপ্যাচে কাঁদা জমে গেছে রাস্তায়। জেলেপাড়ায় লণ্ঠন নিভে গেছে সব, বলহরির বাড়ির হারিকেনও বোধ করি নিভে গেছে। নদীপাড়ের দিকে তাকায় অমল, কয়েকটা নৌকা মাত্র মাছ ধরার জন্য তীর ছেড়ে গেল, এরমাঝে বলহরির নৌকা আছে কিনা অমল নিশ্চিত হতে পারলো না।

বলহরির বউ মারা গেছে গত বসন্তে, কলেরায়। শ্মশান পাড়ায় গড়াগড়ি দিয়ে কেঁদেছে বলহরি। একটা বোবা মেয়ে নিয়ে এরপর বলহরির বসবাস,

বিস্তারিত»

পরিবারের কনিষ্ঠতম সন্তান

ফ্যামিলির ছোট ছেলে কিংবা ছোট মেয়ে হওয়াটা যতখানি সৌভাগ্যের, মাঝে মধ্যে ঠিক ততখানিই বিড়ম্বনার। শৈশবে যেমন সবার আদরের মধ্যমণি হয়ে থাকার বিশ্বজয়ী অভিজ্ঞতা হয়, তেমনি সামান্য ভুল করলেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ার মতন চারিপাশ থেকে নিয়মিত বিরতিতে ছ্যাঁচানি চলতে থাকে। ……আদর পেয়ে পেয়ে মাথায় উঠসো…… ছোটমানুষ, ছোটমানুষের মতই থাকো…… অল্প বয়সে বেশি পাকা পাকা কথা শিখসো…… তোমার ভাইয়া/আপু কোনোদিন এমন করার সাহস পায়নাই আর তুমি কিনা……

বিস্তারিত»

জীবনের তিনটি নতুন আনন্দময় মুহূর্ত

০৪/০৭/২০১৩ এই দিন টিতে আমি আমার জীবনের তিনটি নতুন আনন্দময় মুহূর্তের সন্ধান পেয়েছিলাম।

১মঃ আমি লেখক হিসেবে খুব ভাল না হলেও আমি অনেকদিন ধরেই লেখার মতো কোন প্লট পাচ্ছিলাম না। ধন্যবাদShuvro Saleh আমাকে সুন্দর একটি প্লটের সন্ধান দেবার জন্য,( যা আমার জীবনের একটি ক্ষুদ্র সময়ের সঙ্গে মিলে যায় )।

২য়ঃ আমি আমার জীবনে প্রথম বারের মতো দুর্ঘটনায় মারাত্মক অসুস্থ একজন রোগীর জন্য রক্ত দান করলাম।

বিস্তারিত»

বৃষ্টি ,আমি ও অন্যান্য

বৃষ্টি শব্দ টা লিখতে খুব বেশি কষ্ট হবার কথা না। অন্তত বাংলা ভাষার যুক্তাক্ষর ইতিহাস এত ভয়াবহ রকমের ভাল যে “বৃষ্টি” লিখাটা অতি নস্যি ব্যাপার। কিন্তু অনুভুতির ব্যাপারটা পুরাই উল্টা। পথে যেতে যেতেই কোনদিন যেন ঝুম বৃষ্টি নামলো, পাশে বসা এক ষাটঊর্ধ্ব বৃদ্ধ আপন মনে বলে উঠলেন “বৃষ্টি হলে মনটা ‘কেমন’ যেন হয়ে যায়।” কথাটা শুনে চমৎকৃত হই। আর স্থান কাল পাত্র ও বয়স ভেদে এই ‘কেমন’ টা যে কি তা বোঝার জন্য খুব বেশি কিছু জানার দরকার হয় না।

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গ: মিতা নূরের আত্নহত্যা এবং দেশের গণমাধ্যম

বাংলাদেশে এখন গণমাধ্যম, বিশেষ করে অনলাইন গণমাধ্যমের যুগ চলছে। দেশে বর্তমানে কত শত যে অনলাইন পত্রিকা আছে তার কোনো হিসাব নেই। হাতে কিছু টাকা হলেই যে কেউ একটি মিডিয়া হাউসের মালিক হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সংবাদজগৎ এবং পাঠক সমাজের কতটা উপকার হচ্ছে জানি না, তবে হলুদ সাংবাদিকতার প্রকোপ বাড়ছে। একটাই কারন, প্রতিযোগিতা। শত শত অনলাইন পত্রিকার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে, বিজ্ঞাপন পেতে হলে অবশ্যই আলেক্সা র‌্যাংকিং-এ উপর দিকে থাকতে হবে।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ কড়চা-১

২০০২ থেকে ২০০৮।আমার ক্যাডেট লাইফ।ভালোয় মন্দে মিশিয়ে কেটেছে জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর এই ছয়টি বছর।যেকোন ক্যাডেটের এই ছয়টি বছর কাটে অনেক ঘটনাবহুল।আমিও ব্যাতিক্রম না,মাঝে মাঝে মনে হয় আমার ক্যাডেট লাইফ একটু বেশিই উরা-ধুরা।কলেজের গল্প করতে কার না ভালো লাগে?ছয় বছরের ছোট ছোট ঘটনা নিয়ে আমার এই সিরিজ ‘ক্যাডেট কলেজ কড়চা’।আগেই বলে নেই ঘটনাগুলো ক্রমানুসারে সাজানো নয়।যেটা আগে মনে আসবে সেটাই লিখবো আগে।

আমাদের (২০০২-০৮) ছয়টি বছর কেটেছে আফসোস করতে করতে।আমরা কলেজে গিয়েই শুনেছি বের হয়ে যাওয়া ব্যাচগুলোর দুর্ধর্ষ কাজকর্মের কথা,শুনেছি কলেজ পালিয়ে মরডান মোড়ে গিয়ে শাবনুরের সিনেমা দেখে পুষ্টির মিষ্টি নিয়ে কলেজে ফেরার কথা,শুনেছি আগের এক্স ক্যাডেটদের বীরের মতো জুনিয়র পিটানোর কথা।তারা নাকি জাম্বুরা,কাঁঠাল,পেয়ারা এমন কোন ডাল নেই যা দিয়ে জুনিয়র পিটায় নাই।আমরা না পারছিলাম আগের ক্যাডেটদের মতো দুঃসাহসী হালাকু খাঁ হতে,

বিস্তারিত»

আমার মন কেমন করে……

একটা গান শুনছি বেশ কয়েকদিন ধরে। রবীন্দ্রনাথ এর “আমার মন কেমন করে……”। ঘুরে ফিরে বারবার শুনছিলাম গানটা। শুনতে শুনতে আমারও মন কেমন করে উঠছিলো। জানিনা গানটি লেখার সময় রবিঠাকুরের মন তার প্রেমিকা কিংবা কোন আপনজনের জন্য কেমন করছিল কিনা। কিন্তু আমার ‘মন কেমন’ করে উঠছিলো কিছু তুচ্ছ, ক্ষুদ্র জিনিসের জন্য। আমাদের সবারই এই রকম অসংখ্য মন কেমন করা স্মৃতি আছে। এই জিনিসগুলো আমরা নিজেরা ছাড়া আর কেউ বোঝেনা;

বিস্তারিত»

মিসিং লিস্ট

আমার হারাবার তালিকা দীর্ঘ হতেই থাকে। কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হয়ে হারালাম সারা সকাল মায়ের আঁচল ধরে ঘরময় ঘুরঘুর করার স্বাধীনতা। হারালাম মধ্যাহ্নের কিছুক্ষণ আগে রান্না শেষ করে ফেরা ক্লান্ত মায়ের বুকের কাছে গুঁটিসুটি হয়ে শুয়ে থাকার অবিশ্বাস্য ভালো লাগা। ছেলেমানুষি খেয়ালিপনায় ক্লাসরুমে হারালাম হলুদ শরীরের গ্রেট ওয়াল পেন্সিল, গলায় ঝুলিয়ে রাখার ওয়াটার ফ্লাস্ক যার গায়ে আঁকা ছিল পছন্দের কার্টুন চরিত্র মিকি মাউস। বারোটি রঙের লুনা কালার পেন্সিলের নতুন বাক্স।

বিস্তারিত»

স্পর্শের বাইরে-২…!!!

ভার্সিটি তে আজ অনেক ভীর। ক্যান্টিন এ জায়গা নাই। এক মাস ১০ দিন পর সবার দেখা তাই ক্যান্টিন খালি থাকার কথা ও না। ছেলেটি তাই ২০ টাকার পরোটা আর ডাল নিয়ে একটু আড়ালে গিয়ে বসলো। বাংলাদেশের অনেক উন্নত আধা-সামরিক কলেজ থেকে অনেক স্মার্টনেস এর শিক্ষা নিয়ে পাশ করে ভার্সিটি তে আসলেও কেন জানি ওর সবার সামনে খেতে গিয়ে লজ্জা লাগে। খেতে খেতে দেখল ভার্সিটির রঙ।

বিস্তারিত»

অ্যানাপোলিসের ডায়েরী

#কলেজে প্রায় ই কঠিন কোনো পরীক্ষার দিন সকালে ক্লাসরুমে এসে একটা মৃদু অসন্তোষের গুঞ্জন শোনা যেত।আস্তে আস্তে সেই গুঞ্জন টা একটা তীব্র আন্দোলনে রূপ নিত। আমার মতো  সেই সমস্ত ক্যাডেট যারা “ওস্তাদের মাইর শেষ রাতে” এই মতবাদে বিশ্বাস করে তারা পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে চিল্লা চিল্লি শুরু করতো । এরপর নানা দিকে কাহিনীর জল গড়াতো। একশন কমিটি গঠন করা হতো। এই পার্টি থেকে যথাযথ দিক নির্দেশনা দেওয়া হতো। 

বিস্তারিত»

কলেজ লাইফের ভূত-রসাত্মক কাহিনী- ৩

আমাদের সুরমা হাউজে একটা রুম ছিলো,রুম নম্বর ১১, নাম “অধীতি” ,নামটা অনেক সুন্দর,তাই না? কিন্তু সেই রুমে কেউ থাকতো না। কেন থাকতো না জানতাম না। আমাদের কাছে খুবই অবাক লাগত বিষয়টা। কারণ অন্য দুই হাউজে ১১ নম্বর রুম ব্যবহার করা হয় কিন্তু আমাদেরটা হয় না। একটু কৌতূহল জাগাটা স্বাভাবিক বিষয় না? সিনিয়রদের জিজ্ঞাসা করতাম, উনারা কিছু বলতে পারতেন না। আবার অনেকেই অনেক কিছু বলতেন ।

বিস্তারিত»

সোনালী শিশির

১.

হুইস্কির বাংলা পরিভাষা হলো সোনালী শিশির। সম্ভবত সুনীলের ছবির দেশে কবিতার দেশে বইতে পড়েছিলাম। মূলতঃ একটা ফাঁকিবাজি ব্লগ লিখতে বসার কথা পরিকল্পনা করে মনে হলো নামটা অন্তত শ্রুতিমধু হওয়া চাই। তখনই সোনালী শিশিরের কথা মনে হলো। একটি পাবের ট্রিভিয়া নাইটে মাঝে মাঝে যেতাম। কয়েক বন্ধু মিলে একটি দল করে ট্রিভিয়ায় অংশ নিতো। সেখান থেকে আরো এক দঙ্গল লোকজনের সাথে পরিচয়। ট্রিভিয়ার পাশের দলের এবং পাশের টেবিলের ড্যান নামের লম্বা পনিটেলওয়ালা মধ্যপঞ্চাশের ভদ্রলোক সবসময় ডাবল-হুইস্কি অর্ডার করতেন।

বিস্তারিত»

মাস্টার প্ল্যান! (শেষ পর্ব)

আগের অংশ

৫।

-‘শামীম, তোমার ছেলের যে বয়স তাতে করে গিফট বা এই জাতীয় কিছু দিয়ে তুমি মন জয় করতে পারবে না।‘ ডিপার্টমেন্ট এর ক্যাফেটারিয়াতে বসে কফি খেতে খেতে বললেন ডঃ আনিসুজ্জামান। শামীম হাসানের চেয়ে সিনিয়র হলেও তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
-তাহলে আপনিই বলুন, আমার কি করা উচিৎ…
-প্রতিটি ছেলের কাছেই তার বাবা হচ্ছে তার প্রথম হিরো।

বিস্তারিত»