আত্মকথন,আত্মদহন :১

শুভাকাঙ্ক্ষী সংখ্যা দিনদিন কমে যাচ্ছে।এককালে মনে হইত আমার শরীরে যতগুলা চুল আছে গুনে শেষ করা যাবে কিন্তু আমার শুভাকাঙ্ক্ষী গুনে শেষ করা যাবে না।তাল মেলাতে না পেরে পিছিয়ে পড়ছি,একলা হয়ে পড়ছি।
ক্যাডেট কলেজের আত্মার আত্মীয় বান্ধবকূলের সবাই কর্পোরেট, মিলিটারি ইত্যাদি হয়ে এখন প্রফেশনাল। কেউ কেউ বাড়ী গাড়ি ইত্যাদি নিয়ে প্ল্যান করা শুরু করেছে।আমি পেছনেই আছি,একাকীই আছি,এখনো ছাত্র।ব্যস্ত সবাই।ব্যস্ততাই নিয়ম।তবু ফাক ফোকর পেলেই ব্যস্ত ছেলেরা গেট টুগেদার পার্টি থ্রো করে।যেতে পারি না।খুব ইচ্ছে থাকে,কপাল থাকে না।টাইমিং হয় না এক্সামের সাথে(ভাবখানা এমন যেন আমিই সবচেয়ে ব্যস্ত)।রাজধানী বহির্ভূত হয়ে আরো অসুবিধা,

বিস্তারিত»

নীলমনিলতা- মাধুরিলতা কিম্বা ত্বরণ-তরী

খেয়ালের বশেই একদিন ত্বরণ আর তরীর অনেকদিন পরের দেখা নিয়ে একটা ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখে ফেলি, সময় গড়ায়, গড়াতে গড়াতে আমার চার টুকরো লেখা হয়ে গেছে। এরমধ্যে প্রথম দুই টুকরো হারিয়ে ফেলেছি, খোঁজা হচ্ছে, ভয়ে বাকি দুই টুকরোকে ব্লগে নিয়ে আসলাম। ফেসবুকের চটুল লেখা ব্লগের সাথে কতটা যাবে আন্দায করতে পারছি না। আসলে লেখা হচ্ছে প্রেমিকার মতো, হারাতে ইচ্ছা করে না, তাই ভাবলাম সাহস করে ব্লগে নিয়ে আসি।

বিস্তারিত»

আব্বস কিয়রোস্তামি: নতুন পৃথিবীর চলচ্চিত্রকার

এই লেখাটি সেন্সেস অফ সিনেমায় Mehrnaz Saeed-Vafa এর লেখার ভাবানুবাদ, তবে কিছু কথা নিজে অতিরিক্ত যোগ করেছি। কোনটা আমার আর কোনটা মেহ্‌রনাজ সাইদের সেটা উল্লেখ করার হ্যাপায় আর গেলাম না (শোনা যায় স্বয়ং এরিস্টটলও সেই হ্যাপায় যেতেন না :D)। লেখাটি প্রথমত “চলচ্চিত্র উইকি”-র জন্য। উইকির পাতায় কিয়রোস্তামির ফিল্মোগ্রাফি ও সংশ্লিষ্ট অনেক লিংক পাওয়া যাবে।

*****

আব্বস কিয়রোস্তামি (ইংরেজি: Abbas Kiarostami,

বিস্তারিত»

মেয়েটিকে ভাল লাগে – ১ম পর্ব।

মেয়েটিকে দেখলেই ভাল লাগে। সারাক্ষণ হাসে। “মুখের মাংসপেশী অবশ হয়না?” জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছা হয়। ইদানিং বেশ কিছু পুরোন প্রিয় রোমান্টিক গান ভাল লাগছে। মেয়েটিকে ভাল লাগার সাথে সম্পর্ক আছে কিনা ধরতে পারছি না। লাস্যময়ী সুন্দরী যেকোন মেয়ে দেখেই তো ভাল লাগে। সেদিনের কমলাপুর রেলস্টেশানগামী ট্রেনে উঠার জন্য দৌড় দেয়া মেয়েটি। সেও তো ভাল লাগা তৈরী করেছিল। শাড়ি পরে এভাবে এর আগে কাউকে দৌড়াতে দেখিনি। বাতাসে ছড়িয়ে যাওয়া সুগন্ধী মিলিয়ে আসার আগ পর্যন্ত ভাল লাগা বজায় ছিল।

বিস্তারিত»

মুক্তিযোদ্ধা কোটা

অনেকে দেখলাম মুক্তিযোদ্ধা কোটার পিছে লাগছে।
ভাই-বোনেরা, আপনাদের প্রবলেম টা কি জানতে মন চায়।

বাংলাদেশে কোটা সিস্টেম আজ থেকে নাই সেই বৃটিশ আমলেও ছিলো।
যতক্ষণ আমরা কোটা দিয়া আমটা, মুলাটা পাবো ততোক্ষণ আমার বা আমাদের আপত্তি নাই। কিন্তু আমার বদলে হাবলু টা, গাবলুটা সুবিধাটা পাইলে আমার শরীর, মন সব জ্বলে।

আমার নিজের জীবনের দিকে তাকাই।
পড়ছি ক্যাডেট কলেজে।

বিস্তারিত»

ইন্টার হাউস এথলেটিক্সে আমার বিশ্বরেকর্ড

আমরা নজরুল হাউসের ছেলেরা এথলেটিক্সে বরাবরই দুর্বল ছিলাম… দুই একটা ইভেন্ট বাদে থার্ড পজিশনেও কেউ থাকতো না আর কিছু কিছু ইভেন্টে তো কাভার করারই মানুষ ছিলো না! দুই একটা ইভেন্ট বলতে মাহবুবের শটপুট এর মেডেলটাই শিউর ছিলো আর বাকি আমার হাইজাম্প, আখলাকের ১৫০০ কিংবা ওয়াসিফ আর মোরসালিনের দৌড় নিয়ে ছিল ব্যাপক টানাটানি! এই কয়টা বাদে সব ইভেন্টেই আমরা ভাইবন্দী করে ছয়জনের মাঝে পঞ্চম-ষষ্ঠ কিংবা ভাগ্যদেবী সহায় হলে চতুর্থ আর ষষ্ঠ পজিশন নিয়েই হাউসের নামে গগনবিদারী চিয়ার্স দিতাম আর ভবিষ্যতের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা ভেবে মুড়ি খাইতাম!

বিস্তারিত»

কলেজ লাইফের ভূত-রসাত্মক কাহিনী ৪

এই কাহিনীটি সেই এস এস সি পরীক্ষার সময়ের। সেই সময় আমাদের রাত ১০ টার সময় ডাইনিং হলে চা-বিস্কিট দেয়া হতো। উদ্দেশ্য রাত জেগে পড়াশোনা করতে যেন সুবিধা হয়। কিন্তু সেই চায়ের এনার্জি পড়ালেখার চেয়ে বাঁদরামিতেই বেশি ব্যয় হতো। আর সেই কাঠের বিস্কিট?? আহা, এখনো মিস করি। ডাইনিং হল থেকে দু হাত ভর্তি করে প্রতিদিন বিস্কিট আনতে আনতে….. থাক সে কাহিনী আরেকদিন বলা যাবে। এখন মূল ঘটনায় চলে আসি।

বিস্তারিত»

আর্টেমিসিয়া ভালগারিস

সোহরাওয়ার্দী হাউসের পোর্চ এ বসে আছি। একটু আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। ভ্যাপসা একটা গরম পরেছিলো। এই গরমের সময়  প্রেপ টাইমে অবস্থা ভয়ানক রকমের খারাপ হয়ে যায়। টাইয়ের নট লুজ করে বসলেও ঝামেলা ! স্যার এসে বারবার ডিস্টার্ব করে। ফ্যানের গরম বাতাস শরীর ও মনের উষ্ণতা আরো বাড়িয়ে দেয়। প্রেপ থেকে এসে লম্বা একটা শাওয়ার নিয়েছি। কালিয়াকৈরের ডিশ অপারেটর এর ওখানে কি একটা ঝামেলা হয়েছে নাকি শুনলাম।

বিস্তারিত»

তারিখ সংকট

তারিখ মনে রাখার ব্যাপারে আমার জুড়ি মেলা ভার! ভার বলতে সত্যিই ভার, কারণ তারিখ আর বার নিয়ে এই ছোট্ট জীবনে কম অপদস্হ হইনি। যারা জিজ্ঞাসা করছেন ” ক্যামনে? ” তাদের বলি…

যখন ক্লাস এইটে পড়তাম, কিভাবে যেন আমার খাবার টেবিলে বসা এক বড়ভাই বুঝে গেছিলেন আমার তারিখ মনে রাখতে পারিনা…তো সে বড় ভাই প্রতিদিন এসে জিজ্ঞাসা করতেন, “রাফায়েত আজকে কয় তারিখ?” আমি মাথাটা চুলকায় বলতাম,”

বিস্তারিত»

তেঁতুল সমাচার

চিরল চিরল তেঁতুল পাতা
তেঁতুল বড় টক …
তোমার সাথে প্রেম করিতে
আমার বড় শখ …

তেঁতুল আমাদের দেশে একটি অতি পরিচিত ফল । জিভের লালা ঝরাতে এর জুড়ি নেই । তো আসুন চট করে এই তেঁতুল সম্পর্কে কিছু জেনে নেই ।

তেঁতুল । ইংরেজীতে নাম Tamarind । বৈজ্ঞানিক নাম Tamarindus indica

তেঁতুল

তেঁতুল গাছ একটি দীর্ঘজীবি,মধ্যম উচ্চতার ঝাউ জাতীয় উদ্ভিদ ।

বিস্তারিত»

ছবি ব্লগ ৩ – গত এক বছরের মার্কিনি ফিরিস্তিঃ আন্তর্জাতিক বান্ধবীরা।

আমেরিকার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তজার্তিক ছাত্র নেই তা আমার জানা নেই। উপযুক্ত বেতনের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক ছাত্রদের শিক্ষা প্রদানের জন্য মার্কিনিরা বিখ্যাত। তবে বৃত্তিধারী ছাত্রের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। সেটা স্নাতোকোত্তর পর্যায়ে বেশী। অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী ও শীতল এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় বলে মিশিগান টেকনোলোজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক ছাত্র অপেক্ষাকৃত কম। তারপরেও সংখ্যাটা একেবারে কম নয়। তবে আমার কাছে মার্কিনিরাও আন্তর্জাতিক। তাই আন্তর্জাতিক ছাত্রদের মাঝে যারা আমার পরিচিত তাদের নিয়েই আমার আজকের ফটোব্লগ।

বিস্তারিত»

বোবা জোনাকিদের বিবমিষা

সকাল থেকেই বৃষ্টি পরছে, প্যাচপ্যাচে কাঁদা জমে গেছে রাস্তায়। জেলেপাড়ায় লণ্ঠন নিভে গেছে সব, বলহরির বাড়ির হারিকেনও বোধ করি নিভে গেছে। নদীপাড়ের দিকে তাকায় অমল, কয়েকটা নৌকা মাত্র মাছ ধরার জন্য তীর ছেড়ে গেল, এরমাঝে বলহরির নৌকা আছে কিনা অমল নিশ্চিত হতে পারলো না।

বলহরির বউ মারা গেছে গত বসন্তে, কলেরায়। শ্মশান পাড়ায় গড়াগড়ি দিয়ে কেঁদেছে বলহরি। একটা বোবা মেয়ে নিয়ে এরপর বলহরির বসবাস,

বিস্তারিত»

পরিবারের কনিষ্ঠতম সন্তান

ফ্যামিলির ছোট ছেলে কিংবা ছোট মেয়ে হওয়াটা যতখানি সৌভাগ্যের, মাঝে মধ্যে ঠিক ততখানিই বিড়ম্বনার। শৈশবে যেমন সবার আদরের মধ্যমণি হয়ে থাকার বিশ্বজয়ী অভিজ্ঞতা হয়, তেমনি সামান্য ভুল করলেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ার মতন চারিপাশ থেকে নিয়মিত বিরতিতে ছ্যাঁচানি চলতে থাকে। ……আদর পেয়ে পেয়ে মাথায় উঠসো…… ছোটমানুষ, ছোটমানুষের মতই থাকো…… অল্প বয়সে বেশি পাকা পাকা কথা শিখসো…… তোমার ভাইয়া/আপু কোনোদিন এমন করার সাহস পায়নাই আর তুমি কিনা……

বিস্তারিত»

জীবনের তিনটি নতুন আনন্দময় মুহূর্ত

০৪/০৭/২০১৩ এই দিন টিতে আমি আমার জীবনের তিনটি নতুন আনন্দময় মুহূর্তের সন্ধান পেয়েছিলাম।

১মঃ আমি লেখক হিসেবে খুব ভাল না হলেও আমি অনেকদিন ধরেই লেখার মতো কোন প্লট পাচ্ছিলাম না। ধন্যবাদShuvro Saleh আমাকে সুন্দর একটি প্লটের সন্ধান দেবার জন্য,( যা আমার জীবনের একটি ক্ষুদ্র সময়ের সঙ্গে মিলে যায় )।

২য়ঃ আমি আমার জীবনে প্রথম বারের মতো দুর্ঘটনায় মারাত্মক অসুস্থ একজন রোগীর জন্য রক্ত দান করলাম।

বিস্তারিত»

বৃষ্টি ,আমি ও অন্যান্য

বৃষ্টি শব্দ টা লিখতে খুব বেশি কষ্ট হবার কথা না। অন্তত বাংলা ভাষার যুক্তাক্ষর ইতিহাস এত ভয়াবহ রকমের ভাল যে “বৃষ্টি” লিখাটা অতি নস্যি ব্যাপার। কিন্তু অনুভুতির ব্যাপারটা পুরাই উল্টা। পথে যেতে যেতেই কোনদিন যেন ঝুম বৃষ্টি নামলো, পাশে বসা এক ষাটঊর্ধ্ব বৃদ্ধ আপন মনে বলে উঠলেন “বৃষ্টি হলে মনটা ‘কেমন’ যেন হয়ে যায়।” কথাটা শুনে চমৎকৃত হই। আর স্থান কাল পাত্র ও বয়স ভেদে এই ‘কেমন’ টা যে কি তা বোঝার জন্য খুব বেশি কিছু জানার দরকার হয় না।

বিস্তারিত»