কবিদের প্রতি আমার অনুভূতি সবসময়ই খানিকটা ঈর্ষা মেশানো সম্মানের। তাদের প্রতিভায় অবাক হই বারবার। রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ,নির্মলেন্দু গুণ,সুনীল কিংবা সিসিবি র নূপুর দা সবার প্রতি একধরনের ঈর্ষা কাজ করে। তাদের কবিতা পড়ি আর মনে মনে বলি কিভাবে পারেন? আমি আমার ক্যাডেট লাইফে একজন কবি র পরিচয় পেয়েছিলাম। তিনি কলেজের ই একজন শিক্ষক ছিলেন।। সঙ্গত কারনেই নাম টা বলছি না। স্যার , বিভিন্ন অকেশনে কবিতা লিখতেন ও আবৃত্তি করতেন।
বিস্তারিত»মেয়েটিকে ভাল লাগে – ২য় ও শেষ পর্ব
এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছি ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে। এটা আমার খুব পছন্দের বাজে অভ্যাস। গান থেমে গিয়েছে মনে হচ্ছে। নতুন কিছু শিল্পীর সঙ্গীত নিয়ে নাড়াচাড়া করছি ইদানীং। দ্য ওয়াটার বয়েজ নামের একটা নতুন ব্যান্ড পেলাম। বেহালা আর গীটার ডুকরে কান্নার মত সুর তোলে। মেলোডি গারডট – চমৎকার জ্যাজ গায় মেয়েটি। জন কোলট্রেন – স্যাক্সোফোনের পাগলামি। থেলোনিয়াস মঙ্ক – পিয়ানোর সাদাকালো শরীর নেচে বেড়ায় ৯/৮ মাত্রায়। মুঠোফোনটি হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম ক্ষুদেবার্তা গুলোর দিকে।
বিস্তারিত»কোটা এবং মেধার বিরোধ
সরকারি চাকরিতে মেধা এবং কোটার বিরোধ অনেকদিন ধরেই চলছিল। গতকাল বুধবার ১০ জুলাই, ২০১৩ তার একটা বিস্ফোরণ ঘটেছে। ৫৬ শতাংশ নানা ধরণের কোটার বাধায় অনেকে ভালো ফল করেও চাকরি পাচ্ছেন না। এটা দুঃখজনক। কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
কিন্তু বিক্ষুব্ধরা ঢালাওভাবে কোটার বিরোধীতা করছে। যারা সব কোটা তুলে নেয়ার পক্ষে বলছেন, তারা দেশ-মানুষ সম্পর্কে কতোটা জানেন বুঝেন সে নিয়ে সন্দেহ আছে। এরা সরকারি চাকরিতে গিয়ে দেশ ও মানুষের কতোটা কল্যাণ চিন্তা করবেন সে নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়।
বিস্তারিত»রেট্রো টু রামাদান – ১
ক) “নামায পারলো, সাহরী খালো। ভাইয়ো – নামায পারলো, সাহরী খালো।”
আমার কানে এখনো বেজে ওঠে সেই ভাঙ্গাচোরা বিহারী দারোয়ানটার কন্ঠ। সারা লালখানবাজার এলাকায় হয়ত একাই ডেকে ডেকে সবাইকে ওঠাতো। আমি তাকে কখনও দেখিনি। আমি শুধু তাকে শুনেছি। শুনেছি তার হাতের ঝুনঝুন লাঠির আওয়াজ – দুমদাম করে গেইটে বারি দিত। আর সবাইকে চেঁচিয়ে বলত –
“নামায পারলো, সাহরী খালো।
বিস্তারিত»আত্মকথন,আত্মদহন :১
শুভাকাঙ্ক্ষী সংখ্যা দিনদিন কমে যাচ্ছে।এককালে মনে হইত আমার শরীরে যতগুলা চুল আছে গুনে শেষ করা যাবে কিন্তু আমার শুভাকাঙ্ক্ষী গুনে শেষ করা যাবে না।তাল মেলাতে না পেরে পিছিয়ে পড়ছি,একলা হয়ে পড়ছি।
ক্যাডেট কলেজের আত্মার আত্মীয় বান্ধবকূলের সবাই কর্পোরেট, মিলিটারি ইত্যাদি হয়ে এখন প্রফেশনাল। কেউ কেউ বাড়ী গাড়ি ইত্যাদি নিয়ে প্ল্যান করা শুরু করেছে।আমি পেছনেই আছি,একাকীই আছি,এখনো ছাত্র।ব্যস্ত সবাই।ব্যস্ততাই নিয়ম।তবু ফাক ফোকর পেলেই ব্যস্ত ছেলেরা গেট টুগেদার পার্টি থ্রো করে।যেতে পারি না।খুব ইচ্ছে থাকে,কপাল থাকে না।টাইমিং হয় না এক্সামের সাথে(ভাবখানা এমন যেন আমিই সবচেয়ে ব্যস্ত)।রাজধানী বহির্ভূত হয়ে আরো অসুবিধা,
নীলমনিলতা- মাধুরিলতা কিম্বা ত্বরণ-তরী
খেয়ালের বশেই একদিন ত্বরণ আর তরীর অনেকদিন পরের দেখা নিয়ে একটা ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখে ফেলি, সময় গড়ায়, গড়াতে গড়াতে আমার চার টুকরো লেখা হয়ে গেছে। এরমধ্যে প্রথম দুই টুকরো হারিয়ে ফেলেছি, খোঁজা হচ্ছে, ভয়ে বাকি দুই টুকরোকে ব্লগে নিয়ে আসলাম। ফেসবুকের চটুল লেখা ব্লগের সাথে কতটা যাবে আন্দায করতে পারছি না। আসলে লেখা হচ্ছে প্রেমিকার মতো, হারাতে ইচ্ছা করে না, তাই ভাবলাম সাহস করে ব্লগে নিয়ে আসি।
বিস্তারিত»আব্বস কিয়রোস্তামি: নতুন পৃথিবীর চলচ্চিত্রকার
এই লেখাটি সেন্সেস অফ সিনেমায় Mehrnaz Saeed-Vafa এর লেখার ভাবানুবাদ, তবে কিছু কথা নিজে অতিরিক্ত যোগ করেছি। কোনটা আমার আর কোনটা মেহ্রনাজ সাইদের সেটা উল্লেখ করার হ্যাপায় আর গেলাম না (শোনা যায় স্বয়ং এরিস্টটলও সেই হ্যাপায় যেতেন না :D)। লেখাটি প্রথমত “চলচ্চিত্র উইকি”-র জন্য। উইকির পাতায় কিয়রোস্তামির ফিল্মোগ্রাফি ও সংশ্লিষ্ট অনেক লিংক পাওয়া যাবে।
*****
আব্বস কিয়রোস্তামি (ইংরেজি: Abbas Kiarostami,
বিস্তারিত»মেয়েটিকে ভাল লাগে – ১ম পর্ব।
মেয়েটিকে দেখলেই ভাল লাগে। সারাক্ষণ হাসে। “মুখের মাংসপেশী অবশ হয়না?” জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছা হয়। ইদানিং বেশ কিছু পুরোন প্রিয় রোমান্টিক গান ভাল লাগছে। মেয়েটিকে ভাল লাগার সাথে সম্পর্ক আছে কিনা ধরতে পারছি না। লাস্যময়ী সুন্দরী যেকোন মেয়ে দেখেই তো ভাল লাগে। সেদিনের কমলাপুর রেলস্টেশানগামী ট্রেনে উঠার জন্য দৌড় দেয়া মেয়েটি। সেও তো ভাল লাগা তৈরী করেছিল। শাড়ি পরে এভাবে এর আগে কাউকে দৌড়াতে দেখিনি। বাতাসে ছড়িয়ে যাওয়া সুগন্ধী মিলিয়ে আসার আগ পর্যন্ত ভাল লাগা বজায় ছিল।
বিস্তারিত»মুক্তিযোদ্ধা কোটা
অনেকে দেখলাম মুক্তিযোদ্ধা কোটার পিছে লাগছে।
ভাই-বোনেরা, আপনাদের প্রবলেম টা কি জানতে মন চায়।
বাংলাদেশে কোটা সিস্টেম আজ থেকে নাই সেই বৃটিশ আমলেও ছিলো।
যতক্ষণ আমরা কোটা দিয়া আমটা, মুলাটা পাবো ততোক্ষণ আমার বা আমাদের আপত্তি নাই। কিন্তু আমার বদলে হাবলু টা, গাবলুটা সুবিধাটা পাইলে আমার শরীর, মন সব জ্বলে।
আমার নিজের জীবনের দিকে তাকাই।
পড়ছি ক্যাডেট কলেজে।
ইন্টার হাউস এথলেটিক্সে আমার বিশ্বরেকর্ড
আমরা নজরুল হাউসের ছেলেরা এথলেটিক্সে বরাবরই দুর্বল ছিলাম… দুই একটা ইভেন্ট বাদে থার্ড পজিশনেও কেউ থাকতো না আর কিছু কিছু ইভেন্টে তো কাভার করারই মানুষ ছিলো না! দুই একটা ইভেন্ট বলতে মাহবুবের শটপুট এর মেডেলটাই শিউর ছিলো আর বাকি আমার হাইজাম্প, আখলাকের ১৫০০ কিংবা ওয়াসিফ আর মোরসালিনের দৌড় নিয়ে ছিল ব্যাপক টানাটানি! এই কয়টা বাদে সব ইভেন্টেই আমরা ভাইবন্দী করে ছয়জনের মাঝে পঞ্চম-ষষ্ঠ কিংবা ভাগ্যদেবী সহায় হলে চতুর্থ আর ষষ্ঠ পজিশন নিয়েই হাউসের নামে গগনবিদারী চিয়ার্স দিতাম আর ভবিষ্যতের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা ভেবে মুড়ি খাইতাম!
বিস্তারিত»কলেজ লাইফের ভূত-রসাত্মক কাহিনী ৪
এই কাহিনীটি সেই এস এস সি পরীক্ষার সময়ের। সেই সময় আমাদের রাত ১০ টার সময় ডাইনিং হলে চা-বিস্কিট দেয়া হতো। উদ্দেশ্য রাত জেগে পড়াশোনা করতে যেন সুবিধা হয়। কিন্তু সেই চায়ের এনার্জি পড়ালেখার চেয়ে বাঁদরামিতেই বেশি ব্যয় হতো। আর সেই কাঠের বিস্কিট?? আহা, এখনো মিস করি। ডাইনিং হল থেকে দু হাত ভর্তি করে প্রতিদিন বিস্কিট আনতে আনতে….. থাক সে কাহিনী আরেকদিন বলা যাবে। এখন মূল ঘটনায় চলে আসি।
বিস্তারিত»আর্টেমিসিয়া ভালগারিস
সোহরাওয়ার্দী হাউসের পোর্চ এ বসে আছি। একটু আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। ভ্যাপসা একটা গরম পরেছিলো। এই গরমের সময় প্রেপ টাইমে অবস্থা ভয়ানক রকমের খারাপ হয়ে যায়। টাইয়ের নট লুজ করে বসলেও ঝামেলা ! স্যার এসে বারবার ডিস্টার্ব করে। ফ্যানের গরম বাতাস শরীর ও মনের উষ্ণতা আরো বাড়িয়ে দেয়। প্রেপ থেকে এসে লম্বা একটা শাওয়ার নিয়েছি। কালিয়াকৈরের ডিশ অপারেটর এর ওখানে কি একটা ঝামেলা হয়েছে নাকি শুনলাম।
বিস্তারিত»তারিখ সংকট
তারিখ মনে রাখার ব্যাপারে আমার জুড়ি মেলা ভার! ভার বলতে সত্যিই ভার, কারণ তারিখ আর বার নিয়ে এই ছোট্ট জীবনে কম অপদস্হ হইনি। যারা জিজ্ঞাসা করছেন ” ক্যামনে? ” তাদের বলি…
যখন ক্লাস এইটে পড়তাম, কিভাবে যেন আমার খাবার টেবিলে বসা এক বড়ভাই বুঝে গেছিলেন আমার তারিখ মনে রাখতে পারিনা…তো সে বড় ভাই প্রতিদিন এসে জিজ্ঞাসা করতেন, “রাফায়েত আজকে কয় তারিখ?” আমি মাথাটা চুলকায় বলতাম,”
বিস্তারিত»তেঁতুল সমাচার
চিরল চিরল তেঁতুল পাতা
তেঁতুল বড় টক …
তোমার সাথে প্রেম করিতে
আমার বড় শখ …
তেঁতুল আমাদের দেশে একটি অতি পরিচিত ফল । জিভের লালা ঝরাতে এর জুড়ি নেই । তো আসুন চট করে এই তেঁতুল সম্পর্কে কিছু জেনে নেই ।
তেঁতুল । ইংরেজীতে নাম Tamarind । বৈজ্ঞানিক নাম Tamarindus indica
তেঁতুল গাছ একটি দীর্ঘজীবি,মধ্যম উচ্চতার ঝাউ জাতীয় উদ্ভিদ ।
বিস্তারিত»ছবি ব্লগ ৩ – গত এক বছরের মার্কিনি ফিরিস্তিঃ আন্তর্জাতিক বান্ধবীরা।
আমেরিকার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তজার্তিক ছাত্র নেই তা আমার জানা নেই। উপযুক্ত বেতনের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক ছাত্রদের শিক্ষা প্রদানের জন্য মার্কিনিরা বিখ্যাত। তবে বৃত্তিধারী ছাত্রের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। সেটা স্নাতোকোত্তর পর্যায়ে বেশী। অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী ও শীতল এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় বলে মিশিগান টেকনোলোজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক ছাত্র অপেক্ষাকৃত কম। তারপরেও সংখ্যাটা একেবারে কম নয়। তবে আমার কাছে মার্কিনিরাও আন্তর্জাতিক। তাই আন্তর্জাতিক ছাত্রদের মাঝে যারা আমার পরিচিত তাদের নিয়েই আমার আজকের ফটোব্লগ।
বিস্তারিত»