এই ব্লগের কামরুল ভাইরে আমি বড়ই ভালা পাই। উনার জন্মদিনের পোস্ট সময়ের দুই দিন আগে দিয়া এই ব্লগে যেই ডিস্টিং ডিস্টিং ঠা ঠা হইছিল সেইটার রেশ ধইরাই অনেক দিন ধইরা ঝিমায় থাকা সিসিবি বেশ চাঙ্গা হইয়া উঠছিল। আমার ইজ্জতের ফালুদা তথা ঘটি বাটি চাটি করার পরেও উনি কথা রাখছিলেন-সবাইরে স্টার কাবাবে “যেমন খুশি খাও” করাইছিলেন। সিসিবির একটা বিশাল অংশ সেইদিন জমায়া খাইছিল-প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে নতুন জামাই সামী আর তার “ইয়ে”
বিস্তারিত»নীলা – ৬ষ্ঠ পত্র
নীলা-৫ম পত্র
নীলা-৪র্থ পত্র
নীলা-৩য় পত্র
নীলা-২য় পত্র
নীলা
আমার চোখে তুমি ঘুম হয়ে আছ
আমি জেগে উঠতে চাই না
আর প্রতি মুহূর্তে তুমি একমাত্র সত্য…..
সময়ের পাতায় লিখে চলা আমার কবিতাগুলো কেন যেন অন্ধকারে মিশে যায়, ছায়ার প্রতিচ্ছবি হয়ে হারিয়ে যায় কৃষ্ণগহ্বরে….নীলা নামের উচ্ছ্বল মেয়েটি আমার জীবনে আসার পর কষ্টগুলোর রক্তাক্ত আলিঙ্গন থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম।
বিস্তারিত»কালো টাকা কিংবা ফ্ল্যাট
ডিসক্লেইমার কেমনে দেয়: ২৫ বছর আগে গল্প লেখে একটা পুরস্কার পেয়েছিলাম। তখন আমি ক্যাডেট কলেজে পড়ি। খুলনা বিভাগে প্রথম হয়েছিলাম। সেইটাই ছিল আমার লেখা শেষ গল্প।সামু ব্লগে অনেকেই উসকাচ্ছিল গল্প লিখতে। আমিও ফাঁদে পা দিলাম। কেন যেন আগ্রহ হল রম্য গল্প লেখার। তবে এই গল্পটা ঠিক রম্য গল্প না। আবার রম্য গল্পও বলা যায়। কিছু হইলো কিনা বুঝতাছি না……….ভয়ে আছি
আয়নালুল হকের উত্থান বিস্ময়কর।
বিস্তারিত»গল্প: পদার্পণ
কাগজে বানানো খাম থেকে আমি মালতীদি’র বুকের গন্ধ নিতাম। অথচ মালতীদি আমার প্রেমিকা ছিলো না। যে নারীর জন্য প্রেমভাব থাকে- তার শরীরের ঘ্রাণ নেয়া হয়তো অপরাধ নয়। প্রত্যক্ষভাবে কিংবা অন্য কোনখান থেকে সে ঘ্রাণ নিলে হয়তো আর পাপ হয় না।
হিন্দুপাড়ার মালতীদি’র জন্য আমার মাঝে কোন প্রেমভাব ছিলো না।
“এই ট্যাপা, এদিকে শুনে যা তো একটু।” নিখিল স্যারের ঘর থেকে বের হয়ে যখন আমরা বাড়ির পথের দিকে তাকাই,
বিস্তারিত»দীর্ঘবিরতি-মার্জনামূলক পোস্টঃ কবিতা
[ডিস্ক্লেইমারঃ এই একটা জিনিশই আমি ভাল পারি! 😉 ]

দ্বিচরণ
তোমাকে আমার ভাল লাগে
এই নির্দোষ বাক্যে কারো রাগ বা ক্ষোভ
হওয়ার কথা নয়, যদিও আমার সামনে বসে
তুমি ক্ষেপে ওঠো, ভীষণ সুন্দরভাবে
আমি দ্বিধায় পরিমাপ করি
রাগের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা, মাত্রাসমূহ
নীলা-৫ম পত্র
নীলা-৪র্থ পত্র
নীলা-৩য় পত্র
নীলা-২য় পত্র
নীলা
সত্য অনেক সময় অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় তা মেনে নেয়াও খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। মানুষের জীবন বড়ই বিচিত্র! কি থেকে যে কি হয়ে যায়,কেউ কিছু বলতে পারে না। কিছু হয়ে গেলে কারো কিছু করারও থাকে না। আর এর কোন নালিশ নেই,কোন প্রতিকার নেই,থাকে শুধু এক বুক হাহাকার।
বিস্তারিত»নীলা-৪র্থ পত্র
নীলা-৩য় পত্র
নীলা-২য় পত্র
নীলা
(পূর্ব প্রকাশনার পর…)
এতদিনের ব্যাস্ততায় কাউকে কিছু জানাতে পারিনি। ২ সপ্তাহ আগে হঠাৎ খবর পাই,নীলা খুব অসুস্থ। প্রচন্ড মাথা ব্যাথা নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি। ক্লাস বাদ দিয়ে ছুটে যাই ঢাকায়। জরুরি বিভাগের বেডে শোয়া ওর ছোট্ট মুখখানা দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনা। ওর বেডের পাশে বসে জড়িয়ে ধরে ওকে।
মসজিদে মোবাইল বন্ধ রাখুন
১ম পর্ব
মাগরিবের নামাজের আযান হয়ে গেছে অনেকক্ষণ আগেই । হতদন্ত হয়ে অজু করে মসজিদে ঢুকেই দেখি মুসুল্লীরা ততক্ষণে রুকুতে চলে গেছেন । আমি যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি শরীক হলাম জামাআতে । সিজদায় গিয়ে হঠাৎ মনে হল “মোবাইলটা কি সুইচ অফ করেছি?”
আমি ঘামতে শুরু করলাম কারণ রিংটোন দেয়া ছিল হাই ভলিয়ম “তেরে নাম”
আমার তো নামাজ থেকে মন উঠে গেল ।
বিস্তারিত»চায়ের দোকান
বট গাছ তলার বকশীর চায়ের দোকান টা বট গাছের মত পুরান না হলেও বয়স কিন্তু একদম কম না। তাই এর ইতিহাসও কম না। আজমল যেমন বলে ওর মা কে নাকি ওর বাবা জীবনে প্রথম দেখেছিল এই দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়া বালিকা স্কুলের রাস্তার ওপর। বকশীর ছেলে যেমন আমজাদ চেয়ারম্যান কে দেখিয়ে বলে- চেয়ারম্যান হইলে কি হইব! ভাল কইরাই তো চিনি, আগে কেমন পোংটা আছিল। এই দোকানে বইয়াই তো মাইয়া দেখত।
বিস্তারিত»বারান্দায় একটি বিকেল আর এক কাপ চা।
আকাশদের বাসার বারান্দাটা খুব সুন্দর। সামনের দিকটা অনেকটা খোলা।
ইজি চেয়ারে শরীরটা এলিয়ে বসলে অনেকটা আকাশ দেখা যায়।
আর বাহারী কিছু ফুলের গাছ দিয়ে সাজানো বারান্দায় বসলে মনে হয় কোন বাগানে বসে আছি যেন।
বাইরে না বেরুলে ছুটির দিনের বিকালে ওরা এখানে বসে খানিকটা সময় কাটায়। চা টা খায়।
এমন এক ছুটির দিনের বিকালে আকাশ বারান্দায় বসে ছিল।
এই মাত্র নীলিমা আকাশের জন্য চা নিয়ে এসেছে।
ফেল রেকর্ড
“ক্যাডেট কলেজে ছয় বছর থেকে যারা পাক্ষিকে ফেল করে নাই এই পোস্টটি তাদের জন্য নয়”
আমি সেই ক্যাডেট, যে প্রথম পাক্ষিকে অংকে ডাবল জিরো পেয়েও পরের পাক্ষিকে ২৪ পেয়েছিলাম :just:
ক্যাডেট কলেজে চান্স পাওয়ার আগে আমি মোটেই খারাপ ছাত্র ছিলাম না । তাই বলে কিন্তু আমি কলেজকে দোষারুপ করছি না 😛 😛
আসলে সবসময় মজা করতে গিয়ে পড়াশুনা থেকে খানিকটা ছিটকে পড়েছিলাম ~x(
ছয় বছরে সেভেন ছাড়া প্রত্যেক ক্লাসের ফার্স্ট টার্ম ইন্ডে আমার ফেল করার বিরল রেকর্ড রয়েছে :just:
নতুন ক্লাসে উঠে আমি খুব ফুর্তিতে থাকতাম :tuski:
মনে হত সারা বছর কষ্ট করে কেবল নতুন ক্লাসে উঠলাম,
জাস্ট বৃক্ষ বন্দনা
ডিসক্লেইমার: এই গল্পের সকল চরিত্র :just: কাল্পনিক এবং সকল বৃক্ষই :just: কাল্পনিক বৃক্ষ। কেউ যদি বেশি জোশ নিয়া কারো সাথে কিছু মিলাইয়া ফেলেন তাইলে কিলাইয়া সেই ভুত ছাড়ানোর দায়িত্বও তার। আমি শুধু এই উপদেশটুকু বিলাইয়াই আপাতত ক্ষান্ত দিলাম।
বিস্তারিত»কিছু দৃশ্য, যা গল্প হতে পারত
(একটা প্রেমের গল্পের প্লট ঘুরছিল মাথায়, আজকে সাইজে আনলাম, পড়ুন, মন্তব্য করুন এবং অন্যকে পড়তে ও মন্তব্যে উৎসাহীত করুন 😀 )
১।
সাব্বির স্যারের মাথার চুল গুলো একদম নরম পালকের মত, সিল্কি, অনেকটা বাচ্চাদের চুলের মত। স্যারের অভ্যাস ছিল বীজগনিতের অংক করার ফাঁকে ফাঁকে নিজের চুলে হাত বুলিয়ে দেয়া। এলোমেলো আগোছালো চুল গুলো এত সুন্দর লাগতো তখন, মনে হত চুলে আগুল চালিয়ে এলোমেলো করে দেই কাশফুলের মত করে।
বিস্তারিত»হুম্ম, অবশেষে…!
তখন আকাশের ইঞ্জিনিয়ারিং এ চতুর্থ লেভেলের শেষ টার্ম চলছে।
ও খুব শখ করে একটা লাইটার কিনেছিল। ক্যাপ খুললেই বাজনা বাজে আর নীলচে একটু লাইট জ্বলে।
ও সিগারেট ছুঁয়েছে সেই ক্লাস নাইনে। শুরুটা স্বাদ নেয়ার অভিপ্রায়ে রোমাঞ্চকর অভিযান। তারপর সময়ের হাত ধরে এক সময় সে নিজেকে আবিষ্কার করলো মোটামুটি শেকলে বাধা ধুমপায়ী’র আদলে। শুরুতে লুকিয়ে লুকিয়ে অভিসার চলতো। খাবার পর এই একটু হেঁটে আসা টাইপ আর কি!
বিস্তারিত»আশার কাছে খোলা চিঠি
দিনবদলের হাওয়াঃ ক্যাডেট কলেজে প্রেমপত্র
“মেয়েটির সৌজন্যে একটি চিঠি লিখেছিলাম কিন্তু আজো সেটা পোস্ট করা হয় নি”
এর পর থেকে শুরু করছি…
ব্লগের শিরোনামটি মাসরুফ ভাইয়ের দেওয়া । আমি আর পরিবর্তন করার দুঃসাহস দেখাই নি । হাজার হলেও বড় ভাই 😀
আদনান ভাই, তানভীর ভাই, মাসরুফ ভাই, রকিব ভাই এবং মাহমুদ ভাই এর নির্দেশে আমার পোস্ট না করা চিঠির অজুহাতগুলো লিখছি :-B
আমি ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার পর থেকেই চিঠি লিখতে এবং পেতে খুব ভাল লাগত ।
বিস্তারিত»