১৯৮৫ ডিসেম্বরের ২১ ডিসেম্বরের রাত ২৩টা ৪০ মিনিটে আমার মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে লন্ডন টাউনের এক হাসপাতালে আমার বোন পুর্ণতা ও আমি ভূমিষ্ট হই। সাত মাস বয়সে যখন আমরা পৃথিবীতে আসি তখন আমাদের চোখটাও ঠিক মত ফুটেনি। আমার ডান পায়ের সাথে আপির বাম হাতের চামড়া জোড়া লাগানো ছিল। ২মাস পরে আমাদের আলাদা করা হল। আমার মা প্রথম দুই বছর আমাদের নিয়ে অনেক কষ্ট করেছেন। তার পর আরো ছয় মা পর আমার আব্বু আপিকে আমার দাদার কাছে নিয়ে চলে আসেন আর আমার মম আমাকে নিয়ে দারজিলিং চলে আসেন।
বিস্তারিত»আই লাভ ইউ, ক্যাডেটস্ !!!
আজ আমার বিশেষ খুশির দিন। কারণটা একটু পরই বলছি। তার আগে একটা গল্প বলি। তবে আগেই বলে নিচ্ছি, এটা শুধুই গল্প, কোন জীবনকাহিনী নয়, বরং জীবনকাহিনীর মত করে লেখা অসংলগ্ন প্রলাপ মাত্র। বাস্তব জীবনের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। 🙂 O:-)
আকাশ। আমার খুব ভালো বন্ধু। দেশের এক স্বনামধন্য ক্যাডেট কলেজ থেকে মাত্র পাশ করে বের হয়েছে, সময়টা ২০০৫ সাল। আমি যখন কোথায়-কিভাবে ভর্তি হব এই নিয়ে টেনশনে দিন-রাত এক করে ফেলছি,
বিস্তারিত»তুমি ভাসবে হৃদয় মাঝে – ৯
ছ্যাঁকার অ আ
(সিসিবি-তে এটাই আমার প্রথম লেখা । লেখার মান বিবেচনায় সবাইকে যথাসম্ভব ক্ষমাসুন্দর হবার অনুরোধ জানাচ্ছি।)
নতুন নতুন ক্লাস নাইনে উঠেছি । ….ছোটবেলা থেকেই কেন যেন আমার ক্লাস নাইনকে তারুণ্যে পদার্পণের একটা ‘ধাপ’-এর মত মনে হত। কাজেই সেই ধাপে পা রাখার সাথে সাথে আমার এ্যাটিচ্যুডে স্বভাবতই কিছু ছোট ছোট পরিবর্তন আনার চেষ্টা করলাম। যেমনঃ
-অকারণে রহস্য উদ্রেককারী ঔদাসীন্য,
-হাঁটার গতি শ্লথ করা,
শ্যাল উই ডান্স?
আলোর সামনে বসে আছে জয়তী। চুল আঁচড়াচ্ছে। বুকের কাপড়টা ঘাড় থেকে পিছলে বুকের মাঝে কোনোমতে বিঁধে রয়েছে। জয়তীর বুকের ছোট ছোট সোনালী লোম আর লোমকুপগুলো দেখা যাচ্ছে। মাটিতে নতুন ঘাসের মতো। আলো পড়াতে সেগুলো আরও উজ্জ্বল লাগছে। জয়তীর নিঃশ্বাসের ওঠানামার সঙ্গে সঙ্গে তার বুকটাও ওঠানামা করছে। সোনায় ঝলসানো লোমগুলোর দিকে শুভ অপলক তাকিয়ে আছে। চেষ্টা করেও পলক ফেলতে পারছে না-পাছে এই দৃশ্য জীবনে আর যদি ফিরে না আসে!
বিস্তারিত»নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ৫ (শেষ পর্ব)
রাইন,
হ্যাঁ, ঘুমান। (বাবা-মায়ের সাথে নাশতা খাওয়ার প্ল্যান বাতিল?)
আপনাকে সারা রাত জাগিয়ে রাখলাম আজকে। অবশ্য এজন্য আমার একটুও দুঃখ লাগছে না… অপরাধবোধও না! কারণ আমি জানি আমার কাছে লিখতে আপনার ভালোই লাগলো, আমারও যেমন। না? 🙂
লর্ড অফ দ্যা রিংস আমারও খুব প্রিয় একটা মুভি। আমরা প্রত্যেকটা হলে গিয়ে দেখসি। কয়েকটা দৃশ্য আছে এতো সুন্দর।
বিস্তারিত»গল্প: অন্ধকার যাপিত এই সব রাত্রি
শেষ বিকেলের ক্লান্ত রৌদ্রের চুম্বনে একটু একটু করে চোখ মেলার চেষ্টা করি। শীর্ণ গলির জীর্ণ দালান ঘেরা আমার কামরাটিতে সূর্যের আলো আসার এই একটাই সময়। উঁকি মেরে রবি সাহেবের চেহারা দেখে সময় বুঝার চেষ্টা করি। ক্লান্ত রবিবাবু তেজ কমিয়ে দিয়েছেন কিন্তু অন্ধকারের কাছে আত্মসমর্পণের আগে যে রাঙা হয়ে যান তার আভাস মেলেনি এখনও। মটকা মেরে পড়ে থাকার চেষ্টা করি ঘাড় ঘুরিয়ে। তারপরে বসে গাঢ় করে শ্বাস নেয়ার চেষ্টা করি।
বিস্তারিত»কোলবালিশ
১.
মুরাদ আজ সারাদিন তার ড্রয়িং রুমে টেলিফোনের পাশে বসে আছে, একটা কল পাবার আশায়। কলটা, তার বউ নাজমার। সে সম্প্রতি মুরাদকে অনেক দোষে দুষ্ট করে বাপের বাড়ি গিয়ে উঠেছে। চার বছরের বিবাহিত জীবনে এটাই তাদের বিচ্ছেদের প্রথম বিশেষ দিন। আজ তাদের চতুর্থ বিবাহবার্ষিকী।
এবং মুরাদ নাজমাকে অসম্ভব ভালবাসে।
নাজমাও যে মুরাদকে ভালবাসে না এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যাবে না। কারণ না ভালবেসে,
বিস্তারিত»একটি আদর্শ মন্দ দিন
দিনের শুরু দুইভাবে হতে পারে। সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে অথবা রাত বারোটার পর থেকে। যেহেতু খারাপ দিনের সূচনার পিছনে আগের রাতের বিষয়টা জড়িত, তাই এখানে নতুন দিন বলতে রাত বারোটার পর বুঝাবো।
এশার নামাযের পর পরই কাছের কোন এক মসজিদ বা মাজার থেকে ওয়াজ মাহফিল শুরু হলো। শুরু হলো তো হলো, শেষ হওয়ার নাম নেই। অবশেষে রাত বারোটার দিকে ওয়াজ শেষ হলো। এবার ঘুমানো যাবে ভেবে বিছানায় গেলাম।
বিস্তারিত»নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ৪
[দু’টি কথাঃ এই লেখাটি আমি খুব একটা গুছিয়ে বা ভেবেচিন্তে লিখতে শুরু করিনি। দীর্ঘ লেখা এবং সময় নিয়ে লেখার অনভ্যাসে কোনোকিছুতে অনেকদিন একনাগাড়ে মনোযোগ রাখা আমার জন্যে দুরূহ। এখন পর্যন্ত এই লেখার পর্বগুলো লেখার পেছনে আপনাদের সকলের উৎসাহই সব! আমি কেবল লিখছি, আসল গল্প আপনারাই, আসল উৎস! আপনাদের অশেষ ধন্যবাদ!]
নিয়ন্তি,
আপনার “ইন্নালিল্লাহ” পড়ে তো আমারো হাসি পাইলো!
বিস্তারিত»শিমুলের ফেব্রুয়ারী
এই গল্পটা আমার মায়ের লেখা… যখন আমার মায়ের বয়স ঠিক আমার এখনকার সমান…তাই অনেকদিন পর খুঁজে পেয়ে মনে হোল, ব্লগে দিয়েই দেখিনা!
পড়ার টেবিলে মিছেই সময় নষ্ট হতে থাকে।পড়া আর হয়না শিমুলের।
কেন বার বার ফিরে আসে ঐ অলক্ষুণে ফেব্রুয়ারী?ভীষণ রাগ হয় তার নিজের উপরেই।ভাবে, যদি পারতাম ক্যালেন্ডার থেকে ঐ মাসটাকে একেবারে মুছে ফেলতে…নিজের উপরে রাগ ক্রমশঃ বেড়েই চলে তার। ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে ওঠে ওর মুখ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ৩
ওয়াও রাইন! আপনার বর্ণনা এত্তো ভিভিড। আমি মনে হলো দেখলাম আমার সামনে, আপনাকে, মেয়েটাকে… বৃষ্টি!
কী সুন্দর সব।
অনেক আগে আমি একটা গল্প লেখা শুরু করেছিলাম। ঐখানে বৃষ্টিতে একজনের সাথে প্রথম দেখা হওয়ার বর্ণনা ছিলো। আপনার কথা শুনে মনে পড়ে গেলো। ঐটাও ছাতা বিষয়ক… দেখি মনে হয় পুরানো ডায়েরিতে আছে এখনও, আজকে বাসায় যাওয়ার পরে পাঠাবো আপনাকে।
বিস্তারিত»নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ২
পূর্ব প্রকাশের পর…
রাইন!
ইশ! কতো কিছু মনে করায় দিচ্ছেন!
আরেকটা গাছ ছিলো। ফুলার রোডের ঐ পাড়া। ভিসির বাড়ি আর ইউনিভার্সিটির মাঝখানে একটা আইল্যান্ড ছিলো, তিনকোনা। সেই আইল্যান্ডের মাঝখানে… মাঝখানেই তো।
একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ। আমি ল্যাবরেটরি স্কুলের যেতাম আর উইক-এন্ডে ঐ খানেই ছায়ানট, নাচ শিখতাম। কখন ফোটে কৃষ্ণচূড়া? গ্রীষ্মকালে?
পুরা রাস্তায় পাঁপড়ি ছড়িয়ে থাকতো আর আমি মাঝে মাঝে তুলতাম।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ১
নিয়ন্তি,
মেইল করতে বলেছিলেন। মাঝে কী মেইল করবো বুঝে উঠি নাই বলে, করা হয় নাই।
খবর কি আপনার? রাতে ঝিমাচ্ছিলাম পিসি’র সামনে বসে। হঠাৎ ডিং করে একটা মেইল আসলোঃ পিচ্চিদের নোট!
অথচ দেখি অফলাইন, তাই বুঝলাম না কি হইলো (?)
যাক ভালো থেকেন। বিলাইয়ের খবর কি জানায়েন।
রাইন
-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-
রাইন,
আপনি কেমন আছেন?
বিস্তারিত»একুশের পাঠশালায় একজন বৃষ্টি … …
১.
সে অনেক কাল আগের কথা। আজ অনেক দিন পরে যৌবনের সেই টকটকে দিনগুলোর কথা মনে পড়ছে। ইস্ , কী দূর্দান্ত ছিল সেই দিনগুলো!!!
আমরা ৬/৭ জন বন্ধু ছিলাম একে অন্যের জানের জান। আর আজ? কে কোথায় আছে, কে জানে! “বৃষ্টি”র জন্যে আজও খুব খারাপ লাগে; না জানি, কেমন আছে বেচারী! রাতুলকে ভালবাসতো ও, খুব ভাল ছেলে ছিল রাতুল। যেমনি চেহারা ,