এই খানে পোঁতা সেই নাড়ী,জন্মমাত্র নাভী কেটে
এত না পাওয়া,শঠতা-
তবু এ ভূমি ছেড়ে কোথাও যাবনা।
নাড়ীর টান
আমি এক স্ব-কৃত দাসী।
প্রদক্ষিণ করছি ,কেন্দ্রে যাবো না।
নিজেকে দয়া করছি কেবল,ছেড়ে যাবো না।
বিস্তারিত»এই খানে পোঁতা সেই নাড়ী,জন্মমাত্র নাভী কেটে
এত না পাওয়া,শঠতা-
তবু এ ভূমি ছেড়ে কোথাও যাবনা।
নাড়ীর টান
আমি এক স্ব-কৃত দাসী।
প্রদক্ষিণ করছি ,কেন্দ্রে যাবো না।
নিজেকে দয়া করছি কেবল,ছেড়ে যাবো না।
বিস্তারিত»
গোপন ক্রাশ
ভাঙছে কাঁচ
বাস স্টপে
পুড়ছে কেউ!
পুড়ছে রোদ
ভোরবেলা
পিঠ পোড়ায়
পোড়ায় মন
স্কুলগামী
বাস আসে
আর আসে
সেই শ্রাবণ
আকাশ রঙ
ছদ্মবেশে
এক পরী
স্কুলে যায়
আর বালক
দাঁড়ায় ঠাঁয়
এক পলক
সেই শ্রাবণ
এক ঝলক
দেখবে তাই
রোজ দাঁড়ায়
বাস স্টপে
ক্লাস সেভেন
ক্লাস সেভেন
সেই আপুর
দীর্ঘশ্বাস
ঠিক শোনে
ময়দানে
যখন রোদ
বাড়ছে খুব
বাড়ছে আর
বাড়ছে ঘাম
তার নাকে
নীল নাকে
বিন্দু ঘাম
মুক্তো ঘাম
সামনে তার
অথৈ জল
বুক সমান
সাতার-ঢেউ
স্কুল ফেরত
আসছে কেউ
ক্লাস টেনের
সেই পরী
রোজ তাকে
খুন করে
দুই হাজার
চার সালের
২০ জুলাই
২০ জুলাই
গোপন ক্রাশ
ভাঙচে কাঁচ
বাম পাশের
বুক পাজর
আর এখন
বাসস্টপে
নতুন কেউ
ক্লাস সেভেন
ঠিক দাঁড়ায়
ভোরবেলায়
কেউ আসে
আকাশ রঙ
স্কুল ড্রেসে
সেই পরী
রোজ আসে
রোজ ভাঙে
নতুন বুক
পাজর হাড়
রোজ ভাঙে
রোজ ভাঙে!
ক।
অবশেষে
শহরের এ প্রান্তে এসে
উচ্চারণ করেছি নীল,
ওষ্ঠে আকাঙ্খা করেছি
তোমার বাহুর মতন
উজ্জ্বল চুরুট-
বেশি কিছু নয়। অথচ
কোমর দুলিয়ে
একদল
বেহায়া অন্ত্যমিল
শুনিয়ে গেল
‘ভালোবাসা কারে কয়’!
খ।
পাশ থেকে
বাদামঅলার
কুপির
একটা
ম্রিয়মান শিখা
হঠাৎ লাফিয়ে
তোমার শাড়ি
ছুঁয়ে দিলে
মাংসপোড়া ঘ্রাণে
রেস্তোঁরা,
ক। উৎসর্গঃ কবি অরুণ মিত্র
সকলে সূর্যকে করে প্রণাম
আপনার বেলায় ভিন্ন চিত্র,
আপনি করেন হ্যাণ্ডশেক
আপনি যে অরুণ-মিত্র।।
খ। উৎসর্গঃ কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
দুচোখ বুঁজে যাচ্ছো দিয়ে
ফাটা ডিমে তা,
ডিম্ব পাছে মাইণ্ড করে
তাই কি ভদ্র তা!
গ। স্মরণঃ দেশভাগ
তখন থেকে
তাড়া দিচ্ছে চলো
তাড়াতাড়ি গুটাও,
না সে খটখটে রোদ্দুর থেকে,
না কোন বজ্রঝরানো মেঘে চড়ে
এসেছিলি মোহন কালা
আমি তখন হাটে
আনাজ নিয়ে বসে।
পিরিতের ওল্টানো থালা
বলেছে, দ্যাখ্
ধুলোওড়ানো বাস
নিয়ে এলো
পরিপাটি সিঁথির
সুঠাম নাগর এক!
ও চুলের ক্লিপ
সুগন্ধি তেল
কাঁচুলির গোলাপী পলিথিন
যমুনায় ছুঁড়ে দে কালা,
আজ নয়
মোর ঠাঁয়ে চল –
আজ না হয় মনিটরেই
অবিরাম বৃষ্টি পড়ে যাক,
হেডফোনে মুহুর্মুহু বাজ!
ঘষা কাঁচ ভেবে
বিন্দু বিন্দু টলোমল
জল এসে
লেপ্টে যাবে,
সবকিছুকে ধুত্তোরি দেবার
আদেশ দিয়ে
এলোমেলো পায়ে
নেমে গেলে
কীবোর্ড
বেসামাল হবে
ভেতরঘর থেকে
উঠে আসা ভাপে,
গতজন্মের
হারানো মনস্তাপ
স্বপ্নের কথা ভেবে
পস্তাবে কেমন কে জানে!
১
তবুও জীবন
চারপাশে ইটের গাঁথুনী
এক চিলতে রোদ্দুরে
তবুও সবুজের বেড়ে ওঠা।
আলো বাতাসের সাথে বায়না শেষে
একদিন ছুঁয়ে যাবে নীল আকাশ।

২
চোরা কাটা
খুব অনাদরে বেড়ে ওঠে ওরা।
প্রাণের স্পর্শ পেতেই তাই
ছুঁয়ে যায় – গেঁথে যায়
বন্ধনে এগিয়ে যায়
পথিকের পায়ে পায়…

আমায় বারুদ এর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই
সভ্যতাকে পোড়াতে ,ছাই ভস্ম করতে যে হিংসার বারুদ ছড়ানো ছিটানো ছিল
আরব সাগরের পাড়ে, দজলা ফোরাতের তীরে
সেই বারুদ কে আমি পুড়িয়েছি নিজের হাতে নিজের মত করে আপন খেয়ালে আপন ধ্যানে
এক্টুও ভয় পাইনি
সুকান্তের দেশ্লাই দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছি লাখ লাখ টন বারুদ
আমাকে দাবানলের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি অনেক দাবানল দেখেছি
এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ,আফ্রিকা থেকে ইউরোপে
শীতল প্রশান্ত করে দিয়েছি সেইসব দাবানল কে
আমাকে আগুনের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
পুড়তে পুড়তে আমি নিজেই জ্বলে উঠেছি
পুড়িয়ে দিয়েছি চিতার আগুন কেও
আমাকে হিংসার ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি হিংসাকে ভালোবেসে নিজেই কখন জানি হয়ে উঠেছি অহিংস
আমাকে মানুষের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি মানুষ খেকো মানুষ কে বধ করে অমানুষ কেও বানিয়েছি মানুষ
আমাকে হৃদয়ের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি হৃদয়ের পাথুরে জমিন খুড়ে
সে জমিনে ফুটিয়েছি ্লাল টুকটুকে রক্তগোলাপ
ভেবোনা তুমি আবার –
বিস্তারিত»আমার বান্ধবীরা,যারা আত্মহত্যা করতে চায়,অথবা চায় না
সবাইকে নিয়ে এবার আটতলার ছাঁদে বেড়াতে এসেছি
নিচে কংক্রীটের কী মসৃণ মজবুত সারফেস!
সাথে ব্লেড,রশি,আর তিনশত ঘুমের বড়ি
এদের সবারই বয়ফ্রেন্ড ছিলো,প্রেমিক ছিলো না
যার যার কাজ শেষ করে সকলেই বাড়িতে গেছে গা ধুতে
শুধু মেয়েগুলো পড়েছিলো বিছানায়-
~একা,বিধ্বস্ত,আতঙ্কিত,লজ্জিত এবং একা~
অবশ্য শীৎকারে কেউ কার্পন্য করে নি
অন্তত বয়ফ্রেন্ডদের তাই মনে হয়েছিলো
(অবশ্য তাড়াহুড়োর মধ্যে কে শুনতে যায়)
আর আজকে যখন ছাদে নিয়ে এলাম
একজন বলছিলো,কেউ তো জানে না!
তোমার জন্য মরীয়া হয়ে ছুটছে সারা শহর
তারপরও তুমি কাঁচঘরে একা জানালায় বসে থাকো
সামনে রঙিন স্বপ্ন সাজিয়ে দুই চোখ বেধে রাখো
চাঁদ চুঁয়ে চুঁয়ে নেমে আসা জল
ভাঙা রেলগাড়ী, শিশিরের দল
দুই হাতে গালে মাখো!
কাঁচঘরে বসে থাকো
তোমার জন্য মরীয়া হয়ে ছুটছে সারা শহর
তারপরও তুমি কাঁচঘরে একা জানালায় বসে থাকো
তোমার জন্য হঠাৎ সাহসী রোদেপোড়া রাজধানী
তারপরও তুমি প্রাণ নিয়ে গেছো চেনা রাজপথ থেকে
ভেঙে দিয়ে গেছো প্রিয় মনুমেন্ট রাস্তার মোড় থেকে
গুপ্তধনের ছেড়া খোড়া ম্যাপ
ভাঙা কাঁচে মাখা রূপোর প্রলেপ
রাস্তা পেরুনো বোকা ছেলেটাও আড়চোখে চেয়ে দেখে
তোমার জন্য মরীয়া হয়ে ছুটছে সারা শহর
তুমি নিয়ে গেছো প্রিয় নীল রঙ রাস্তার মোড় থেকে

শাহবাগে আবেগ চুরি গেল
চেতনা জমা নিয়ে সুদ তুলল
তথাকথিত দেশপ্রেমিকের দল।
ওরা ভুলে যায়
আমার চেতনা শুধু তিন শব্দেই নয়
বুকের ভেতর পুষে রাখছি রাগ
শরীর জুড়ে আমার বাংলাদেশ
হৃদয় আমার পূর্ণ শাহবাগ।
…………
সুদখোরদের জবাব দিতে হবে
চেতনাচোরদের জবাব দিতে হবে।
বিস্তারিত»
আজ(১৮ জুলাই ) নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন, কিভাবে শ্রদ্ধা জানাব এই হিমালয়সম মহামানবকে???
তার ২৭ বছরের কারাজীবনের ২০ বছরের কেটেছে ROBBEN ISLAND -এর সেলে | যেই কবিতাটি তাকে ভীষনভাবে সাহস আর নিরন্তর উত্সাহ যুগিয়েছে তার ভাবান্তর করার চেষ্টা করে উত্সর্গ করলাম ….
================================
রাত্রিতে আমাকে মেরু হতে মেরুন্তরে আচ্ছাদিত করে দেয়
পীট কয়লার মতন নিকষ কালো অন্ধকার ….
স্রষ্টা – দেবতারা যেই হোক,
বিস্তারিত»ব্র্যান্ডেনবার্গের আকাশে তখনো সন্ধ্যা নামেনি।
শুনেছ কি ছুরিকাহত হয়েছে রংচটা বেহালাটা?
ওরা সবাই বলছে শেষবারের মত কেঁদেছে…অনেকক্ষণ।
আর সেইসাথে রক্তে লাল হলো আকাশ।
মৃদু বাতাস ভারী হলো স্বজন হারানো পিয়ানোর আহাজারিতে।
ঘরের কোণে কিছু বেহালার জটলায় মৃদু গুঞ্জন।
মূর্ছা যাচ্ছিল বাঁশি, আর তাকে শান্তনা দিতে চেলো
শূন্য দৃষ্টি মেলে জড়িয়ে ধরে আছে সেই শুরু থেকেই।
শুনলাম রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করবে তাকে?
কবিদের প্রতি আমার অনুভূতি সবসময়ই খানিকটা ঈর্ষা মেশানো সম্মানের। তাদের প্রতিভায় অবাক হই বারবার। রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ,নির্মলেন্দু গুণ,সুনীল কিংবা সিসিবি র নূপুর দা সবার প্রতি একধরনের ঈর্ষা কাজ করে। তাদের কবিতা পড়ি আর মনে মনে বলি কিভাবে পারেন? আমি আমার ক্যাডেট লাইফে একজন কবি র পরিচয় পেয়েছিলাম। তিনি কলেজের ই একজন শিক্ষক ছিলেন।। সঙ্গত কারনেই নাম টা বলছি না। স্যার , বিভিন্ন অকেশনে কবিতা লিখতেন ও আবৃত্তি করতেন।
বিস্তারিত»একটি অনুবাদ
সনেট ২৯: উইলিয়াম শেক্সপিয়ার
ভাগ্যের নির্মমতায় আর চারপাশের মানুষের পরিহাসে
জানটা যখন ফালা ফালা, একা কাইন্দা-কুইট্যাঁ শেষ;
কালা-খোদার কাছে চিৎকার কইরা কাইন্দাও ফায়দা নাই,
তাই ভাবতে ভাবতে নিজের ভাগ্যটারেই দেই অভিশাপ।
ক্যান যে আমার কপালটা ঐ লোকগুলার মতো হইল না:
তাদের আছে ধন-মান, চেহারা-সুরত, কিংবা বন্ধু-ভাগ্য;
বাঞ্ছা করি অমুকের মতো দক্ষতা, তমুকের মতো ক্ষমতা,