বুকের মধ্যে জমা হচ্ছে ভয়াবহ অভিমান,প্রতিনিয়ত,
অভিমান আমার অক্ষমতা গুলোর জন্য।
ইচ্ছে করে ধর্ষকের টুটি চেপে ছিড়ে ফেলি,
যৌনাঙ্গ কেটে দেই,
কিন্তু পারি না,জমা হয় অভিমান।
ইচ্ছা করে ধর্ষিতা বোনটির মাথায়
হাত বুলিয়ে দেই পরম মমতায়,
চোখের পানি মুছে দেই সযত্নে।
সেইটাও পারি না, বুকটা হাহাকারে ভরে উঠে।
ইচ্ছে করে দুনিয়াটা উলটে পালটে ফেলি,
গদি থেকে নামাই রক্তচোষা সমাজপতিদের,
পছন্দের মানুষ
পথে হেঁটে চলেছি একা
যে পথে হয়েছিল শেষদেখা
সাক্ষী আছে এই পথেররেখা
পছন্দের স্মৃতি এখানেই শুধুআঁকা।
রৌদে আলোর হয়েছিল দারুনসৃষ্টি
যে রৌদ দিয়েছিল ইলশেবৃষ্টি
মেঘের কাছে রৌদের ভাবমিষ্টি
ওখানেই জন্ম পছন্দের শুভদৃষ্টি।
পাখির ডাক মনের আনন্দগান
যে পাখি প্রভুরই রহমতেরদান
বাতাসে ভাসা পাখিরাও কিচান
পছন্দের কথা শুনুক মনেরকান।
বিস্তারিত»সন্ধ্যা সন্ধ্যা বিষাদ বিষাদ

বিকেলের রোদ মিশেছে নীলের সাথে
কমলা আভায় ভরেছে আকাশ দূরে
পৃথিবীর পরে পড়েছে মেঘের ছায়া
বিদায় রাগিনী বাজিছে করুণ সুরে
দু হাত দিয়ে সরায়ে আচল খানি
তাকালো যুবক বধূর নম্র চোখে
কী দারুন ব্যথা বুকে জেগে উঠে দেখে
বিস্মিত আলো বালিকার চোখে মুখে
বিদায় নারী আমাদের পথচলা
শেষ হলো আজি সন্ধ্যার এই ক্ষণে
ফুলগুলো যবে উদ্যত হলো,হায়
ফুটবে এবার রজনীগন্ধা বনে
[ক্লাস নাইন টেনের ডায়েরীতে এই কোবতেটা ছিলো……একটু অসম্পূর্ণ মনে হয়…তাও এইসব সন্ধ্যাবেলায় কেম্নে কেম্নে জানি মনে পড়ে গেলো]

অকম্মা সময়ে হুদাই প্রোডাকশন…
অলস সময় কাটছে…হিজিবিজি হিজিবিজি কবিতা…
(১)
যক্ষের ধনের মত যে শরীল আগলাইয়া রাখছি সে আমার নয়,
খাচা থেইকা পাখি ফুরুত দেয়, আটকাইতে পারি না।
মন থেইকা কাম, বাসনা দূর করতে আমার জান যায়, সামলাইতে পারি না,
দুরের মাঠে যে পলি পড়ে সেই পলি নিয়া কাদা মাখামাখি করি-
আমার উঠানের কাদা থিকথিক করে।
নতজানু হইয়া বইসা থাকি আধারের ভিতর জোনাকীর খেলা দেখার আশায়
প্রবল আগুনের লহরে আমার চোখ ঝলসাইয়া যায়,
দুজন – জীবনানন্দ দাশের কবিতা আর আমার আবৃত্তি
জাহাজে একলা একা টানা লম্বা যাত্রায় একাকিত্বের বিষম কামড় খেয়ে আবৃত্তি করে সময় কাটানোর চেষ্টা করেছি কোনো নির্জন হাওয়ার রাতে….
একটা পুরানো পোস্ট;
“শুভ শুভ কামনা করে যাই সব সৃষ্টি কূলের তরে, নতুন বছরের নতুন আলোতে যদি আমরা পরিশুদ্ধ হই তবে কোনো এক utopia হয়তো সত্যি হবে, আবারও যেনো সামনের বছরে এরকম একটা পোস্ট লেখতে পারি,
বিস্তারিত»দুটি অনু পরমানু
১
মেঘলা আকাশে গুড় গুড় গর্জন
টিনের চালে অবিরাম বৃষ্টির শব্দ
দূর পাহাড় ঘেষে লেকে একা নৌকা
দরজার ও-পাশে একটি কুকুর
অমনোযোগে পেয়ালার চা হিম।
২
দিনের সময়ের সাথে বদলে যায়
আমার জানালা।
ভোরে মেঘে ঢাকা পাহাড়;
কেবল ছেড়েছে ঘুম ভেঙে আড়মোড়া ।
দুপুর রোদে সবুজ পাহাড়;
কাপ্তাই হ্রদের জলে নীলাভ সখ্যতা।
উত্তরাধিকার এর উইল সংক্রান্ত…
তোমায় করে যাচ্ছি
আমার ‘উত্তরাধিকার’।
আমার ভল্টে যতটুকু ভালো
তার ষোল আনাই পাবে তুমি।
আর কালিমাটুকুর সবটুকু
ট্র্যাভেলারস চেক করে
আমি চলে যাচ্ছি আজ।
জীবনের সব পাপগুলো শুষে নিয়ে
তোমায় দিয়ে গেলাম বিশুদ্ধ শুভ্রতা।
উইলে লিখে দিয়েছি তোমার নামে
আমার মরে যাওয়া স্বপ্ন গুলো।
ইচ্ছে মত ডানা মেলতে দিও ওদের।
বিদায় নেবার আগে তাই আমার
এহেন প্রথাগত সৌজন্যতা।
“তেলাপোকা কেন উল্টো হয়েই মরে?”
চিঠিটা খুলে বার বার দেখি
আরও একবার-
লেখাগুলোর উপর হাত বুলোই,
নিস্প্রান এই লেখাগুলো এত সজীব কেন?
কি মায়ায় এরা আমাকে ডাকে-
বারেবার; জানিনা।
মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে
কখনও বা উপদেশ, আবার হঠাৎ হঠাৎ –
খুচরো কিছু ভালোবাসার আবেশ।
খাটের পাশে রাখা গিটারটা তুলে নেই
“টুং টাং” কিছু অচেনা সুর –
নিজের অজান্তেই বেজে ওঠে।
চুপকথা(১-৫)
“চুপকথা” সিরিজের পাঁচটি
কবিতা:
এক.
রাত কেটে যাক চুমোতে
আজ দেবোনা ঘুমোতে
দুই.
অন্য সব ব্যাপারে হলাম না হয় অজ্ঞ
আজ থেকে আমি শুধু তুমি বিশেষজ্ঞ।
তিন.
গালের সাথে গাল মিলিয়ে তালের সাথে তাল
তোমার আমার কাটুক সময় দেখুক মহাকাল।
চার.
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর দ্বীপ
তোমার কপালের টিপ
পাঁচ.
বিস্তারিত»অদেখা
আজ আবার তোকে দেখতে ইচ্ছে হল,
কেন জানিনা; কিন্তু হল।
শীতের রাতে কিভাবে কুঁকড়ে থাকিস তুই?
কিভাবে নিজেকে আড়াল করিস কম্বলের উষ্ণতায়?
কিভাবে চমকে উঠিস স্বপ্ন দেখে?
আর পরক্ষনেই কিভাবে সামলে নিস নিজেকে-
পরম আত্মবিশ্বাসে?
আচ্ছা তুই কি চুল খুলে রাখিস , না’কি খোঁপা?
আমার কি মনে হয় জানিস?
– তোকে পুতুলদের মত ঝুটি করলেও বেশ লাগবে।
.আগামী
“ আমি চোর নই,
টোকাই? তাও না।
কিন্তু আমি চুরি করি
রাস্তার ছ্যাঁচড়া ছেলেদের মত দু-পয়সার বাতাসা নয়,
লজেন্স-টফি ও নয়।
কিন্তু তবুও আমি চুরি করি
অন্যদের মত পেটের দায়ে নয়; নিজের দায়ে।
আর কেনই করবনা বল?
প্রতিদিন লাইব্রেরীতে পদার্থবিজ্ঞানের ঐ বিশ্রী বইটা এমন ভাবে পড়তি
আর দুনিয়ার সবটুকু বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকতি অর দিকে
আবার কি যত্ন করেই না পাতা ওল্টাতি!
অহেতুক চরণ সমষ্টি
জানি না কেন আমার পছন্দ হয় তোমাকে,
শুধু জানি পছন্দ করি ভীষনভাবে।
তোমার স্নিগ্ধতা আমাকে আচ্ছন্ন করে রাখে,
তোমার কানের পাথরের রিং এ আটকে যায় আমার দৃষ্টি-
যতবার আমি জানালা দিয়ে আকাশ দেখতে চাই।
এক সময় তুমি হয়ে উঠো আমার আকাশ,
তোমার তুমি গ্রাস করে নেয় আমার আমিকে;
ভাবাভাবি বাদ দিয়ে তোমার সামনে দাড়াই
সোজাসুজি বলে দেই”আমি তোমাকেই ভালবাসি”
অহেতুক চরণ সমষ্টি
অতি প্রিয় জানালার গ্রীল আজ জেলখানার অসহ্য গরাদ,
দেয়ালে সাঁটা লাস্যময়ীর ডাইনি দৃষ্টিতে
বারে বারে ভষ্ম আমি
সাধের বালিশ যেন কঠিন পাথর
উষ্ণতম কোমল শষ্যাকে ভুল করি উত্তপ্ত উনুন ভেবে
ছন্দের ঐকতান কে মনে হয় কামানের শেল্
সহজ যাপিত জীবন নির্বাসিত আজ।
আজকাল এই শহরের রাত্রি
শিশিরের সন্ধ্যা আচমকা আসে এই শহরে
অবিরাম চিৎকারে আত্মমগ্ন কুকুরগুলো
অশরীরী প্রেতাত্মাদের অস্তিত্ব অস্বামিক
হ্যালোজেন বৃষ্টিতেও শুষ্ক জনপদ
ক্রোধের আগুন জ্বলজ্বল করে আকাশে
নিয়ন বাতি ছাড়াই শহরময় আলো
হিংস্রতার খেলায় কান্নার শব্দ
সন্ধ্যে না হতেই রাত্রি জেগে উঠে ;
ভাবি,
আজকাল এ শহরের রাত্রি কেন এমন হল ?
শ্বাপদের সাথে মানুষও অহর্নিশ জেগে থাকে ।
বিনিময়
আমার কিছু “কস্টলি” কষ্ট আছে
তুমি কি নেবে?
বিনিময়ে আমায় কিছু প্রেম উপহার দেবে।
বেশি কিছু চাইনি আমি
“বার্টার সিস্টেম” এর মত কিছু প্রেম চেয়েছি,
শোন মেয়ে তোমাকে বলি-
বিলাসী প্রেম,রাজভোগ,দেহ তল্লাশী-আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মত দুর্বোধ্য প্রেম আমার ভালোলাগেনা।
তবুও আমি প্রেমিক – কিছু কবিতার জন্মদাতা পিতা,
আমার এই “কস্টলি” কষ্ট গুলো আজ মানবীয় স্পর্শ পেতে চায়,