হুমায়ুন আজাদকে কি আমি কখনো স্পর্শ করেছি?
মানে হ্যান্ডশেক বা পা বা সেই অর্থে?
মনে পড়ে না।
ফুলার রোডে, কলা ভবনে, ভার্সিটির পথে, বই মেলায় তাকে অনেক অনেক দেখেছি। সালাম দিয়েছি। মুগ্ধ চোখে চেয়ে দেখেছি।
হেঁটে যায় এক মহাজীবন।
সালামের উত্তর তিনি কোনদিন দিয়েছেন মনে পড়ে না। তবে চোখ তুলে কখনো তাকাতেন, কখনো না।
হেঁটে যায় এক অহঙ্কারি পুরুষ।
দাসের আত্মকথা
জন্ম জন্মান্তরে কিংবা দেশ দেশান্তরে
ঘুরপাক খাই সেই একই বৃত্তে ।
যেদিকেই যাই গন্তব্য কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্র।
কেনই বা নয় ?
সেই অনন্যতার টান কে কাটাতে পারে ?
ফোটনের মত হালকা আর চটপটে হলে
একটু সময় নিয়ে আত্মসমর্পন।
ও হো, আমিতো ভুলেই গেছি
সেখানে সময়ও স্থির।
প্রথম জন্মে নিশ্চয় মাকড়সা ছিলাম
রাণীর প্রেমে আত্মবলিদান।
কখনও পুরুষ মথ বা মৌমাছি
সন্তানের মুখ দেখার পূর্বেই মৃত্যু।
কেমন আমি !
ওর প্রতিবেশি বলেছে_
যে, আজ ও, তা বেশ অসুস্থ ;
শোনা মাত্র আমি দুঃখ প্রকাশ করেছি,
ওকে দেখতে যাব, বলে দিয়েছি তাকে।
সময়ের অস্থির ব্যস্ততায় ভুলে গিয়েছিলুম ধুপ করে,
কিন্তু রাতে, তার পাড়াতেই আমার আগমন ;
আরেক বন্ধুর জন্মদিনের দাওয়াতে বারোটায়,
পার্টি শেষে ফেরার জন্যে দলগত তাড়াহুড়ো।
নিশ্চিত তুমি বন্ধু সুস্থ হবার জন্য প্রভুকে ডাকছো ;
বিস্তারিত»মুক্তিযুদ্ধে হত্যা
নিজের প্রতি_
আজ খুব করে ঘৃণা জন্মেছে ;
দেশের প্রতি_
জন্মেছে আবেগপূর্ণ ভালবাসা।
ঘৃণার জন্যে বদ্ধ ঘরে_
কষ্টগুলি ঘিরে আছে চারপাশ,
আর শ্রদ্ধা-ভালবাসার জন্যে
অন্তরে, সম্মান প্রদর্শনের বসবাস।
চোখের সামনে অদৃশ্য_
কিছু দুঃস্বপ্নের গাঢ়-ছায়া,
সম্মানের এক শীতল দৃষ্টিতে
ভুবনে আগত শান্তির মায়া।
স্পষ্ট হচ্ছে অবচেতনে
ভেতরের সেই রুক্ষতা ;
বিস্তারিত»বিষন্নতা
হুজুগে ভালোবাসা
সূর্যোদয়ে দিনের শুরু।
ধার করা মন্ত্রে
পাল্টে গেল গুরু !
বসন্তবরণ এপ্রিলফুল।
হুজুগে বাঙ্গালী
আইডিয়া কুল !
আধুনিক উৎসবে ব্যবসা হল খাসা।
সাধু সন্ত ভ্যালেন্টাইন
আরেক নাম ভালোবাসা !
[১৪.০২.২০১৪]
শীতল বিষন্নতা
আকাশে কাল মেঘ ঘন কুয়াশা।
ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে নেমে এল
শীতল বিষন্নতা !
জাগরণ
হৃদয়ে শাহবাগ
তোরাই খাঁটি বাংলাদেশী
তোরাই আসল বাঙ্গাল।
আমরাতো সব বকধার্মিক
আবর্জনা জঞ্জাল!
আমরা হলাম ঘাটের মড়া
নইতো কারো বি-টিম !
কাদা আটকা হাতির মত
পরিস্থিতির ভিকটিম।
মসনদী খাব সত্য হতে
পেয়ারা সখার মান রাখতে
আখ্যা দিলাম দালাল এবং নাস্তিক !
গরল ঢাকা আছে মধু
অন্তর্যামী জানে শুধু !
মন্তব্য সংকলন
এক
একটি পারুল বোন
জেগে ওঠো সব ক্যাডেট,
সাত ভাই চম্পা।
রুপালী পর্দায়,
একটি পারুল বোন,
হাসনাইন শম্পা ।
( ০১.০২.২০১৪)
[ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ক্যাডেট চিত্র নায়িকা শম্পা হাসনাইনের সমর্থনে]
দুই
২০১৪ শিক্ষাবর্ষের পঞ্চম শ্রেণীর গণিত বইতে ২৪ নং পৃষ্ঠায় গড় অংকের ৫নং উদাহরণে ক্রিকেট দলে উইকেট রক্ষক নাই।
বিস্তারিত»চাণক্য
ICC
The Queen, Dominion and the Trader.
ICU ready for cricket !
Imperialism knocking.
কৌটিল্য
রাণী ক্যাঙারু আর বেনিয়া।
চাণক্য কৌটিল্য, ক্রিকেট
বিশ্বায়ন না বেনিয়াকরণ ?
Cocktail
Cocktail of lie and truth.
How deadly
The friendly dynamite !
রাধাকথন-৯
আমার গায়ে যত দুঃখ সয়
বন্ধুয়ারে করো তোমার
মনে যাহা লয়
পোড়াচোখের
কাজলঘেঁষা জল
কবে’ হয়ে গেছে
মাছব্যাপারীর
আঁশটে নোট,কালা!
পাষাণ বন্ধু রে
প্রহরগুলো তোর
যমুনায়
নেমে গেছে
পায়পায়,
গলায় দড়ি দি’ছে
রঙ্গিলা কলস হায়
এখন শুধু
মাসী গুণে
কনডম দ্যায়,
গোণে ক’জন এলো গেলো।
প্লেটনিক ডগারেল
আমার বাবা ব্যর্থ প্রেমিক,
তোমার বাবাও ব্যর্থ।
হয়তো বা সেই কারণেই
প্রথম আবেগ দ্ব্যর্থ।
মুসলমানের পোলা,
প্রেমিকার মা চাচী, মামী
ফুফু কিংবা খালা।
ধারার বাইরে যেতে
জিউকে অবহেলা।
প্যারিস রোড আর পশ্চিমপাড়া
যেন ছিল ব্রাত্য।
মায়াবী চোখ মিষ্টি হাসি
বাঁকানো মুখ দেখতে হলাম আর্ত।
কেনিয়া বধ কানে শুনি
কল পাঠিয়ে প্রহর গুনি
কত যুগ যে কেটে গেল
পাষান তোমার মনটি গলে
হলের গেটে আসবে
মুক্তো ঝরা হাঁসবে।
রাত জাগা ছন্দ।
আজ ব্যস্ত ছিলাম। ভীষণ ব্যস্ত।
সকালে দেখেছি দুটো স্বপ্ন।
দুপুরে ছিলো আকাশকুসুম প্রাসাদসম।
বিকেলটা ছিল রঙের বাহার।
গড়িয়ে বিকেল সন্ধ্যা যখন,
রবিকরের দৃষ্টি তখন–
কমলালেবুর বাকি আদ্ধেক।
চোখের পাতায় প্রজাপতি,
মনের মাঝে সেনাপতি-
রণে ভঙ্গ দেয় না।
হঠাৎ শুনি–
নাঁকি গলায় যন্ত্রদানব
ইনিয়েবিনিয়ে কেঁদেকেটে
যাচ্ছে গিলে তুষারমানব
দু-চার কদম চাকায় হেঁটে।
তুমি চাইলেই
তুমি চাইলেই,
হাসিনা-খালেদা এসে বসে যাবে-
পলাশীতে ওই,
মনিরের দোকানে।
“শাকিব খান মন্ত্রী হবে”
এমন গুজব শোনা যাবে-
কানে-কানে।
তুমি চাইলেই,
সজীব ওয়াজেদ-তারেক জিয়া
এরশাদের জন্য, মাঠে নেমে-
চাইবে ভোট।
১৮-১৪, মিলে যাবে সব;
গঠিত হবে-
৩৩ দলীয় জোট।
তুমি চাইলেই,
বিস্তারিত»Democracy Redefined
বয়সটা বেড়েছে । চল্লিশ পার হয়ে হ্যাংওভার। চালসেতে চশমা নিলাম। সেজন্য কিনা জানি না কিন্তু এখন ঘুম কম হচ্ছে। যেটুকু ঘুম হয় এর মধ্যেই দুঃস্বপ্ন দেখি। কখনও কখনও স্বপ্ন কে সত্যি মনে করি আবার সত্যিকে স্বপ্ন । বিভ্রান্ত হয়ে যাই । স্বপ্ন আর সত্যির পার্থক্য বের করতে আমার মাথার ভিতরের সিপিইউ হ্যাং হয়ে যায় । এরকম কোন এক সময় পৌরনীতি নিয়ে ভাবতে ভাবতে এরকম একটা উদ্ভট কবিতা শুনলাম-
Democracy Redefined
Democracy
Of the people.
দিঘি
হৃদয় সমীপে এই আবেদন থাক
দেখতে দিও তোমার পেটের বাঁক
সে যেন এক কামনা নদীর ঢেউ
আমার আগে দেখেনি যা আর কেউ
সে জলের বেগ তোমার নাভীর কাছে
পৃথিবীতে শুধু একটি দিঘিই আছে
আমিই প্রথম পেয়েছি তার খোঁজ
শাড়ির আঁচলে রাখতে যা ঢেকে রোজ
নদী যখন সমুদ্রের কাছে যায়
ঢেউ ওঠে যেন উদ্দাম কামনায়
তেমনি তোমার স্পর্শ যদি পাই
সে সুখের যেন পরিসমাপ্তি নাই
অবাক ধুলো
আমার আকাশ পানে
উদাস গানে
মন খারাপের মিছিল,
ভ্রষ্টা রাতের কানে
বিষাদ বাণে
তানপুরাতে অমিল।
আমার উল্টোরথে
একলা পথে
সময় তুলি টানে,
আমার রোদের বুকে
সন্ধ্যা আঁকে
শিশির প্রাচীন ঘ্রাণে।
আমি কিসের টানে
দুঃখ কিনে
যত্নে সাজাই সমাধি,
আবার পাঁচ ভূতেরই
নাচের তালে
দ্বিধায় কি সুর বাঁধি?
আমার সন্ধ্যা জানে,
বিস্তারিত»